যে নেতা কথা দিলে কথা রাখেন—উত্তরবঙ্গের ভাগ্যবদলের শপথে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান, নেতৃত্বে আস্থার নাম অ্যাডভোকেট জি.এস. জিয়াউল হাসান স্বপন
তারেক রহমানের উত্তরবঙ্গ অভিযাত্রা: অন্ধকার ভেদ করে আলোর পথে জাতির প্রত্যাবর্তন
- আপডেট সময় : ১০:০৮:৩২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৯ জানুয়ারী ২০২৬
- / ২৩৫০ বার পড়া হয়েছে

বিসমিল্লাহির রহমানির রাহিম। ইতিহাস সাক্ষী, যখন কোনো জাতি দীর্ঘ নিপীড়ন, অবহেলা ও বঞ্চনার ভারে ক্লান্ত হয়ে পড়ে, তখন আল্লাহ তায়ালা সেই জাতির মধ্য থেকেই একজন পথপ্রদর্শক সৃষ্টি করেন। যিনি কথা বলেন কম, কিন্তু সিদ্ধান্তে অটল; যিনি প্রতিশ্রুতি দেন ভেবেচিন্তে, আর বাস্তবায়ন করেন দৃঢ় প্রত্যয়ে। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জননেতা তারেক রহমান ঠিক তেমনই এক নাম-আস্থা, বিশ্বাস ও ভবিষ্যতের প্রতীক।
আজ তার উত্তরবঙ্গ যাত্রার ঘোষণায় শুধু একটি অঞ্চল নয়, যেন গোটা বাংলাদেশই আশার আলোতে উদ্ভাসিত। কারণ বিএনপির নেতাকর্মী থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষ জানে। তারেক রহমান যা বলেন, তা-ই করেন।
উত্তরবঙ্গ: অবহেলা নয়, এবার অধিকার ফিরে পাওয়ার সময়ে উত্তরবঙ্গ এই জনপদ দীর্ঘদিন ধরে রাষ্ট্রের অবহেলার ভার বয়ে চলেছে। দারিদ্র্য, কর্মসংস্থানের সংকট, মৌসুমি দুর্ভিক্ষের স্মৃতি। সব মিলিয়ে এ অঞ্চল যেন কেবল সহ্য করতেই শিখেছে। কিন্তু তারেক রহমান স্পষ্ট ভাষায় ঘোষণা করেছেন, “উত্তরবঙ্গ আর বঞ্চিত থাকবে না। এই অঞ্চলের প্রতিটি মানুষ উন্নয়নের সমান অংশীদার হবে।” বিএনপির রাষ্ট্রদর্শনে উন্নয়ন মানে শুধু ইট-পাথরের অবকাঠামো নয়; উন্নয়ন মানে মানুষের ভাগ্য পরিবর্তন, সন্তানদের শিক্ষা, শ্রমজীবীর ন্যায্য অধিকার, কৃষকের ন্যায্য মূল্য, আর সর্বোপরি মানবিক মর্যাদা। তারেক রহমানের উত্তরবঙ্গ যাত্রা সেই মানবিক উন্নয়নেরই ঘোষণা। যেখানে প্রতিটি জেলা, প্রতিটি থানা, প্রতিটি গ্রামের মানুষ নতুন দিনের স্বপ্ন দেখতে শুরু করেছে।
আন্দোলন ও উন্নয়ন একই পথের দুই নাম বিএনপির রাজনীতিতে আন্দোলন কখনো ধ্বংসের ভাষা নয়, বরং ন্যায় প্রতিষ্ঠার সোপান। তারেক রহমানের নেতৃত্বে আন্দোলন মানে ১। অন্যায়ের প্রতিবাদ ২। গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ৩। মানুষের ভোটের অধিকার নিশ্চিত করা। আর সেই আন্দোলনেরই চূড়ান্ত ফল হবে উন্নয়ন। একটি ন্যায়ভিত্তিক রাষ্ট্রব্যবস্থা। ত্যাগের নাম স্বপন, বিশ্বাসের নাম আনুগত্য। এই ঐতিহাসিক মুহূর্তে গাজীপুর মহানগর ও টঙ্গী এলাকার রাজনীতিতে যিনি নিরলসভাবে বার্তা পৌঁছে দিচ্ছেন, তিনি হলেন টঙ্গী কলেজ ছাত্র সংসদের সাবেক জিএস, প্রবীণ আইনজীবী ও ত্যাগী বিএনপি নেতা অ্যাডভোকেট জি.এস. জিয়াউল হাসান স্বপন। ছাত্রজীবনের প্রথম দিন থেকেই বিএনপির আদর্শে লালিত এই মানুষটি রাজনীতিকে নিয়েছেন ইবাদতের মতো। রাজপথে আন্দোলন, কারাগারের অন্ধকার প্রকোষ্ঠ, দমন-পীড়নের দিন। সবই তিনি সয়ে গেছেন একটাই বিশ্বাস নিয়ে। “দল নয়, আগে দেশ; ক্ষমতা নয়, আগে গণতন্ত্র।”
তিনি শুধু নেতা নন, তিনি কর্মীদের অভিভাবক। দলের কর্মী যেন কষ্ট না পায়। এই দায়িত্ব তিনি নিজের কাঁধে তুলে নিয়েছেন। আইনি সহায়তা, আর্থিক সহযোগিতা, পারিবারিক সংকটে পাশে দাঁড়ানো। সবখানেই তিনি নিরবে কাজ করে গেছেন। খালেদা জিয়ার ভালোবাসায় সিক্ত, তারেক রহমানের নেতৃত্বে অবিচল। বেগম খালেদা জিয়ার প্রতি অ্যাডভোকেট স্বপনের ভালোবাসা ছিল আত্মিক। যে ভালোবাসা ক্ষমতা বা পদে বাঁধা নয়, বরং আদর্শে গাঁথা। সেই ভালোবাসা আজও বহমান, মৃত্যুর আগ পর্যন্ত অটুট থাকবে। এটাই তাঁর সহযোদ্ধাদের বিশ্বাস। আর তারেক রহমানের প্রতি তাঁর আনুগত্য প্রশ্নাতীত। তিনি দৃঢ় কণ্ঠে বলেন, “তারেক রহমানের নেতৃত্বেই দেশ মুক্তি পাবে।” শৃঙ্খলা, সৌন্দর্য ও সেবার রাজনীতি। তারেক রহমানের উত্তরবঙ্গ যাত্রাকে ঘিরে টঙ্গী ও গাজীপুরবাসীর প্রতি স্পষ্ট নির্দেশনা দিচ্ছেন অ্যাডভোকেট স্বপন, ১। কোনো বিশৃঙ্খলা নয় ২। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতি পূর্ণ সহযোগিতা ৩। রাস্তা-ঘাট পরিষ্কার ও পরিচ্ছন্ন রাখা। ৪। মানুষের সেবা নিশ্চিত করা। যেন নেতা নির্বিঘ্নে মানুষের কাছে পৌঁছাতে পারেন, সালাম বিনিময় করতে পারেন, চোখে চোখ রেখে কথা বলতে পারেন।
তিনি নেতাকর্মীদের ফোন করে বলছেন, “এটা ঈদের চেয়েও বড় আনন্দ। আমাদের আচরণই প্রমাণ করবে আমরা কেমন রাজনীতি করি।”
ইসলাম শিক্ষা দেয়, পরিচ্ছন্নতা ঈমানের অঙ্গ, মানুষের সেবা ইবাদত, আর অন্যায়ের প্রতিবাদ ফরজ। বিএনপির এই কর্মসূচির প্রতিটি স্তরে সেই ইসলামিক দর্শনেরই প্রতিফলন ঘটছে। অ্যাডভোকেট স্বপনের কণ্ঠে উচ্চারিত হয়। “ক্ষমতা আমানত, রাজনীতি দায়িত্ব, আর জনগণ আল্লাহর রহমত।”
তারেক রহমানের উত্তরবঙ্গ যাত্রা কোনো সাধারণ সফর নয়, এটি একটি যুগান্তকারী পরিবর্তনের আহ্বান। আর সেই আহ্বান তৃণমূলে পৌঁছে দিতে অ্যাডভোকেট জি.এস. জিয়াউল হাসান স্বপনের মতো পরীক্ষিত, ত্যাগী ও ঈমানদার নেতৃত্ব আজ সময়ের দাবি। আল্লাহ তায়ালা যেন এই পথচলাকে কবুল করেন, জুলুমের অবসান ঘটিয়ে বাংলাদেশকে ন্যায়, শান্তি ও সমৃদ্ধির পথে পরিচালিত করেন। আমিন।




















