ঢাকা ১০:৩৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রাজপথের সাহসের অগ্নিশপথ — রাতভর পাহারায় জনতার আস্থা, নেতৃত্বে অনন্য দৃষ্টান্ত

তারুণ্যের প্রহরী শেখ মো. সুমন

md younus
  • আপডেট সময় : ০৮:৪২:৫১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ নভেম্বর ২০২৫
  • / ২৪৮৯ বার পড়া হয়েছে




টঙ্গীর আকাশে তখন ঘন কুয়াশা নামছে, রাস্তার বাতিতে ঝিলমিল করছে রাতের স্যাঁতসেঁতে আলো। কিন্তু সেদিন রাতটা ছিল অন্যরকম, সেই রাতের প্রহরী ছিলেন একজন তরুণ নেতা, শেখ মোহাম্মদ সুমন, গাজীপুর মহানগর যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক। তিনি শত শত যুবদল কর্মী নিয়ে, চোখে দৃঢ়তা আর মনে অগ্নিশপথ নিয়ে রাজপথে দাঁড়িয়েছিলেন, “গণতন্ত্র রক্ষার লড়াই থেকে এক ইঞ্চি পিছু হটব না।” ১৩ নভেম্বর, বৃহস্পতিবার সকালে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন আওয়ামী লীগের ডাকা কথিত “লকডাউন”-এর প্রতিবাদে টঙ্গী ও গাছায় রাজপথ উত্তাল হয়। গাজীপুর মহানগর বিএনপির সাবেক ১ নম্বর যুগ্ম আহ্বায়ক রাকিব উদ্দিন সরকার পাপ্পুর নেতৃত্বে বিশাল মোটরসাইকেল মিছিল টঙ্গী থেকে গাছা পর্যন্ত ছুটে যায়।


আর সেই মিছিলের সামনের সারিতে, পতাকা হাতে, সাহসের প্রতীক হয়ে এগিয়ে যান শেখ মোহাম্মদ সুমন। শত শত যুবদল কর্মীর মোটরসাইকেল বহর চেরাগআলী মার্কেট এলাকা, ময়মনসিংহ সড়ক ও প্রেসক্লাব মোড়ে অবস্থান নেয়।
তাদের কণ্ঠে ধ্বনিত হচ্ছিল, “লকডাউন নয়, গণতন্ত্র চাই!” “বিএনপি বাঁচলে, দেশ বাঁচবে!”
সেই দিন শুধু দিনের আন্দোলনেই থামেননি শেখ সুমন। রাতভর তিনি তাঁর কর্মী বাহিনী নিয়ে টঙ্গী থেকে গাজীপুর চৌরাস্তা পর্যন্ত মোটরসাইকেল বহর নিয়ে অতন্ত্র প্রহরীর মতো পাহারা দিয়েছেন। তাঁর লক্ষ্য ছিল স্পষ্ট, কোনো অঙ্গসংগঠন বা ক্ষমতাসীন বাহিনী যেন বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে না পারে, জনগণের নিরাপত্তা যেন বিঘ্নিত না হয়।
স্থানীয়রা জানান, সুমনের এই টহল ও উপস্থিতি এলাকায় এক ধরনের আশ্বাসের বাতাস বইয়ে দেয়। জনগণ বুঝেছিল, তরুণরা এখন জেগে আছে ! দেশপ্রেম আর গণতন্ত্রের প্রতি আস্থা হারিয়ে যায়নি।
যুবদলের তরুণ এই নেতা শুধু রাজপথের সংগ্রামী নন, তিনি কর্মীদের পাশে দাঁড়ান, বিপদে মানুষের সাহায্যে ঝাঁপিয়ে পড়েন, অসুস্থ কর্মীর চিকিৎসা বা কর্মসংস্থানেও সহযোগিতা করেন। সুমনের ঘনিষ্ঠরা বলেন, “তিনি রাজনীতিকে ক্ষমতার সিঁড়ি হিসেবে দেখেন না, দেখেন মানুষের সেবা হিসেবে।” প্রতিটি আন্দোলনে, প্রতিটি সভা-মিছিলে তাঁর উপস্থিতি যেন এক নতুন উদ্যমের আগুন জ্বেলে দেয়। তরুণ প্রজন্ম তাঁর নেতৃত্বে নিজেদের ভরসা খুঁজে পায়, রাজপথে নেমে আসে সাহসের সাথে।
১৩ নভেম্বরের সেই দিনে শেখ মো. সুমনের কণ্ঠে শোনা যায় একটাই বার্তা, “আমরা তারেক রহমানের সৈনিক, গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনব। আওয়ামী লীগের দমননীতি ভেঙে সত্যের পতাকা ওড়াব।” তাঁর এই অঙ্গীকারে জেগে ওঠে শত শত যুবক, যাদের চোখে দেখা যায় আগামীর আলোর আশা। রাস্তায় মোটরসাইকেলের সারি যখন গর্জে ওঠে, তখন মনে হয়,
গাজীপুরের রাজপথে আবারও জেগে উঠেছে বিপ্লবের চেতনা, তারুণ্যের শক্তি।
টঙ্গীর সাধারণ মানুষ তাঁকে এখন ডাকেন “তারুণ্যের প্রহরী সুমন ভাই।” তিনি দিনরাত কর্মীদের সঙ্গে, এলাকাবাসীর পাশে, কখনও দুর্গত মানুষের ঘরে, কখনও হাসপাতালে আহত সহকর্মীর খোঁজে। তাঁর চোখে দেশপ্রেম, কথায় দৃঢ়তা, আর কাজে নিরলস পরিশ্রম, যা তাঁকে আলাদা করেছে অন্যদের থেকে।
রাজনীতির কঠিন বাস্তবতায় যেখানে অনেকেই আপস করে, সেখানে শেখ মোহাম্মদ সুমন দাঁড়িয়ে আছেন একা, দৃঢ়, অবিচল এক প্রহরীর মতো। তাঁর মতো তরুণ নেতাদের হাত ধরেই ফিরে আসবে গণতন্ত্রের সুবাস, উঠে দাঁড়াবে দেশ,
যে দেশের রাজপথে জেগে আছে সাহস, ত্যাগ, আর ভালোবাসার অগ্নিশপথ।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

রাজপথের সাহসের অগ্নিশপথ — রাতভর পাহারায় জনতার আস্থা, নেতৃত্বে অনন্য দৃষ্টান্ত

তারুণ্যের প্রহরী শেখ মো. সুমন

আপডেট সময় : ০৮:৪২:৫১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ নভেম্বর ২০২৫

টঙ্গীর আকাশে তখন ঘন কুয়াশা নামছে, রাস্তার বাতিতে ঝিলমিল করছে রাতের স্যাঁতসেঁতে আলো। কিন্তু সেদিন রাতটা ছিল অন্যরকম, সেই রাতের প্রহরী ছিলেন একজন তরুণ নেতা, শেখ মোহাম্মদ সুমন, গাজীপুর মহানগর যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক। তিনি শত শত যুবদল কর্মী নিয়ে, চোখে দৃঢ়তা আর মনে অগ্নিশপথ নিয়ে রাজপথে দাঁড়িয়েছিলেন, “গণতন্ত্র রক্ষার লড়াই থেকে এক ইঞ্চি পিছু হটব না।” ১৩ নভেম্বর, বৃহস্পতিবার সকালে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন আওয়ামী লীগের ডাকা কথিত “লকডাউন”-এর প্রতিবাদে টঙ্গী ও গাছায় রাজপথ উত্তাল হয়। গাজীপুর মহানগর বিএনপির সাবেক ১ নম্বর যুগ্ম আহ্বায়ক রাকিব উদ্দিন সরকার পাপ্পুর নেতৃত্বে বিশাল মোটরসাইকেল মিছিল টঙ্গী থেকে গাছা পর্যন্ত ছুটে যায়।


আর সেই মিছিলের সামনের সারিতে, পতাকা হাতে, সাহসের প্রতীক হয়ে এগিয়ে যান শেখ মোহাম্মদ সুমন। শত শত যুবদল কর্মীর মোটরসাইকেল বহর চেরাগআলী মার্কেট এলাকা, ময়মনসিংহ সড়ক ও প্রেসক্লাব মোড়ে অবস্থান নেয়।
তাদের কণ্ঠে ধ্বনিত হচ্ছিল, “লকডাউন নয়, গণতন্ত্র চাই!” “বিএনপি বাঁচলে, দেশ বাঁচবে!”
সেই দিন শুধু দিনের আন্দোলনেই থামেননি শেখ সুমন। রাতভর তিনি তাঁর কর্মী বাহিনী নিয়ে টঙ্গী থেকে গাজীপুর চৌরাস্তা পর্যন্ত মোটরসাইকেল বহর নিয়ে অতন্ত্র প্রহরীর মতো পাহারা দিয়েছেন। তাঁর লক্ষ্য ছিল স্পষ্ট, কোনো অঙ্গসংগঠন বা ক্ষমতাসীন বাহিনী যেন বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে না পারে, জনগণের নিরাপত্তা যেন বিঘ্নিত না হয়।
স্থানীয়রা জানান, সুমনের এই টহল ও উপস্থিতি এলাকায় এক ধরনের আশ্বাসের বাতাস বইয়ে দেয়। জনগণ বুঝেছিল, তরুণরা এখন জেগে আছে ! দেশপ্রেম আর গণতন্ত্রের প্রতি আস্থা হারিয়ে যায়নি।
যুবদলের তরুণ এই নেতা শুধু রাজপথের সংগ্রামী নন, তিনি কর্মীদের পাশে দাঁড়ান, বিপদে মানুষের সাহায্যে ঝাঁপিয়ে পড়েন, অসুস্থ কর্মীর চিকিৎসা বা কর্মসংস্থানেও সহযোগিতা করেন। সুমনের ঘনিষ্ঠরা বলেন, “তিনি রাজনীতিকে ক্ষমতার সিঁড়ি হিসেবে দেখেন না, দেখেন মানুষের সেবা হিসেবে।” প্রতিটি আন্দোলনে, প্রতিটি সভা-মিছিলে তাঁর উপস্থিতি যেন এক নতুন উদ্যমের আগুন জ্বেলে দেয়। তরুণ প্রজন্ম তাঁর নেতৃত্বে নিজেদের ভরসা খুঁজে পায়, রাজপথে নেমে আসে সাহসের সাথে।
১৩ নভেম্বরের সেই দিনে শেখ মো. সুমনের কণ্ঠে শোনা যায় একটাই বার্তা, “আমরা তারেক রহমানের সৈনিক, গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনব। আওয়ামী লীগের দমননীতি ভেঙে সত্যের পতাকা ওড়াব।” তাঁর এই অঙ্গীকারে জেগে ওঠে শত শত যুবক, যাদের চোখে দেখা যায় আগামীর আলোর আশা। রাস্তায় মোটরসাইকেলের সারি যখন গর্জে ওঠে, তখন মনে হয়,
গাজীপুরের রাজপথে আবারও জেগে উঠেছে বিপ্লবের চেতনা, তারুণ্যের শক্তি।
টঙ্গীর সাধারণ মানুষ তাঁকে এখন ডাকেন “তারুণ্যের প্রহরী সুমন ভাই।” তিনি দিনরাত কর্মীদের সঙ্গে, এলাকাবাসীর পাশে, কখনও দুর্গত মানুষের ঘরে, কখনও হাসপাতালে আহত সহকর্মীর খোঁজে। তাঁর চোখে দেশপ্রেম, কথায় দৃঢ়তা, আর কাজে নিরলস পরিশ্রম, যা তাঁকে আলাদা করেছে অন্যদের থেকে।
রাজনীতির কঠিন বাস্তবতায় যেখানে অনেকেই আপস করে, সেখানে শেখ মোহাম্মদ সুমন দাঁড়িয়ে আছেন একা, দৃঢ়, অবিচল এক প্রহরীর মতো। তাঁর মতো তরুণ নেতাদের হাত ধরেই ফিরে আসবে গণতন্ত্রের সুবাস, উঠে দাঁড়াবে দেশ,
যে দেশের রাজপথে জেগে আছে সাহস, ত্যাগ, আর ভালোবাসার অগ্নিশপথ।