দুটি ক্লুলেস হত্যা ও অপহরণ মামলার রহস্য দ্রুত উদঘাটনে এসআই মেহেদী হাসান পেলেন জিএমপি’র বিশেষ সম্মাননা পুলিশিংয়ে নৈতিকতা, মনোবল ও দায়িত্ববোধ বাড়ানোর ‘ওসি ওয়াহিদুজ্জামান মডেল’ এখন টঙ্গীর নতুন আলো
টঙ্গী পূর্ব থানায় শৃঙ্খলা-সুশাসনের নতুন দিগন্ত গুণী পুলিশ সদস্যদের পুরস্কারে মানবিক ওসি ওয়াহিদুজ্জামান এগিয়ে পুরস্কারই কাজের অনুপ্রেরণা, তাই তিনি সৃষ্টি করেছেন উৎসাহ উদ্দীপনার এক নতুন সংস্কৃতি
- আপডেট সময় : ১০:৩৭:৫৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ নভেম্বর ২০২৫
- / ২২১০ বার পড়া হয়েছে

টঙ্গী পূর্ব থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ওয়াহিদুজ্জামান দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই থানা পুলিশিংয়ে এক নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। তিনি বিশ্বাস করেন, “পুরস্কার মানুষের মনকে উজ্জীবিত করে, উৎসাহ দেয়, আর উৎসাহ থেকেই জন্ম নেয় সৎ, আন্তরিক ও দায়িত্বশীল কাজ।” পুলিশের মর্যাদা রক্ষা ও মনোবল বৃদ্ধিতে তাঁর অনন্য উদ্যোগ ওসি ওয়াহিদুজ্জামান উপলব্ধি করেন যে, মানুষ যেমন সম্মান ও পুরস্কার পেলে আনন্দ পায়, তেমনি একজন পুলিশ সদস্য যখন তাঁর কাজের যথাযথ মূল্যায়ন পান, তখন তাঁর দায়িত্ববোধ আরও দৃঢ় হয়। সেই উপলব্ধি থেকেই তিনি থানা পর্যায়ে নতুন কর্মসংস্কৃতি চালু করেছেন।
“ভালো কাজ করলে নিশ্চিত পুরস্কার। যে কাজ করবে, যে ঝুঁকি নেবে, যে সৎ থাকবে। সে সম্মান পাবে।” থানার প্রত্যেক সাব-ইন্সপেক্টর (এসআই), সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) ও কনস্টেবলদের তিনি নিয়মিত নির্দেশ দেন, “তোমরা নিষ্ঠা নিয়ে কাজ করো, বাকিটা আমি দেখবো। পুরস্কার তোমাদের জন্য নিশ্চিত।” এভাবে তিনি থানায় তৈরি করেছেন প্রেরণা, দলগত চেতনা ও নৈতিক দায়িত্ববোধের এক আলোকিত পরিবেশ।
চাঞ্চল্যকর দুই ক্লুলেস মামলার রহস্য উদঘাটন, সাফল্যের ঝলক, পুরস্কারের জোয়ার, সেই উৎসাহে সাড়া দিয়ে অসাধারণ দক্ষতা ও সাহসিকতা দেখিয়েছেন টঙ্গী পূর্ব থানার চৌকস কর্মকর্তা এসআই এস এম মেহেদী হাসান।
দুটি অত্যন্ত জটিল, ক্লুলেস ও ভয়াবহ মামলার রহস্য দ্রুত সময়ের মধ্যে উন্মোচন করে তিনি দেখিয়েছেন, কৌশল, পেশাদারিত্ব, তথ্য বিশ্লেষণ ক্ষমতা এবং অপরাধ দমনে এক অদম্য মনোযোগ। যে দুই মামলার রহস্য উন্মোচনে সাফল্যের ইতিহাস রচনা করেনঃ-
১️। মুফতি মোহেববুল্লাহ মিয়াজী অপহরণ মামলা, অপহরণের মূল চক্র, উদ্দেশ্য ও পরিকল্পনার নেপথ্যকারীদের বের করে এনে মামলার সম্পূর্ণ রহস্য উন্মোচন করেন এসআই মেহেদী।
২️। টঙ্গীর স্টেশন রোডে ব্যাগভর্তি ৮ টুকরো লাশ উদ্ধার, মানবতার শিহরণ জাগানো এই হত্যাকাণ্ডের রহস্য দ্রুত উদঘাটন করে তিনি থানা ও জিএমপি উভয় জায়গায় প্রশংসিত হন। জটিল, সূত্রবিহীন একজন অভিজ্ঞ গোয়েন্দাজনিত বিশ্লেষণের মাধ্যমে তিনি অপরাধীদের শনাক্ত করতে সক্ষম হন।
গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের বিশেষ পুরস্কার প্রদান, এসআই মেহেদী হাসানের এই দুই অনন্য সাফল্যের স্বীকৃতিস্বরূপ তাঁকে জিএমপি’র বিশেষ পুরস্কার প্রদান করা হয়। পুরস্কারটি তাঁর হাতে তুলে দেন টঙ্গী পূর্ব থানার ওসি মো. ওয়াহিদুজ্জামান।
তাঁর হাত থেকে সম্মাননা গ্রহণ করে এসআই মেহেদী বলেন, “আমাদের ওসি স্যার আমাদের কাজের মূল্য দেন, উৎসাহ দেন। এটাই আমাদের সবচেয়ে বড় শক্তি।”
ওসি ওয়াহিদুজ্জামানের নেতৃত্ব, টঙ্গীর পুলিশিংয়ে এক নতুন দিগন্ত তিনি শুধু অপরাধ দমনেই নয়, থানার ভেতরে শৃঙ্খলা, মানবিকতা, সেবা, স্বচ্ছতা ও পেশাদারীত্ব বাড়াতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। তাঁর উল্লেখযোগ্য উন্নয়নমূলক উদ্যোগ, থানার প্রতিটি শাখায় ডিজিটাল আপডেট ও দ্রুত সেবা নিশ্চিতে নজরদারি। তদন্তকারীদের মাঝে প্রতিযোগিতামূলক মনোবল গঠন। জনগণের অভিযোগে জিরো টলারেন্স। নিয়মিত থানা পরিদর্শন, বিট পুলিশিং, কমিউনিটি পুলিশিং সচল রাখা। নারী, শিশু, প্রবীণসহ সকল শ্রেণির মানুষের নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। অপরাধীদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান, সৎ পুলিশ সদস্যদের জন্য সম্মান নিশ্চিতকরণ। থানার সদস্যদের সাথে নিয়মিত সভা যেখানে তিনি বলেন, “সততা দিয়ে কাজ করো, আমি সবসময় তোমাদের পাশে আছি।”
কেন মানুষ তাঁকে ভালোবাসে ? কারণ তিনি বুঝেন, পুরস্কার শুধুই একটি পদক নয়, এটি একটি শক্তি। শ্রদ্ধা ও স্বীকৃতি মানুষের মনকে আলোকিত করে। এই দৃষ্টিভঙ্গি থেকেই তিনি টঙ্গী পূর্ব থানাকে নিয়ে যাচ্ছেন, স্বচ্ছতা, শৃঙ্খলা, মানবিকতা, ডিজিটাল পুলিশিং-এর এক নতুন উচ্চতায়।
ওসি মো. ওয়াহিদুজ্জামানের দূরদৃষ্টি, নেতৃত্ব, কাজের মূল্যায়ন ও মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি, টঙ্গী পূর্ব থানাকে আজ গাজীপুরের অন্যতম সেরা পুলিশ থানা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে। তিনি যে কাজের পরিবেশ তৈরি করেছেন, তাতে বলা যায় “টঙ্গী পূর্ব থানায় এখন কাজই পুরস্কার, আর পুরস্কারই আরও ভালো কাজের অনুপ্রেরণা।” ওসি ওয়াহিদুজ্জামানের সুনাম, অর্জন ও মানবিক নেতৃত্ব চিরদিন অটুট থাকুক, এটাই নগরবাসীর প্রত্যাশা।



















