ঢাকা ০৩:৫১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
যুবদলের গৌরব, তারুণ্যের শক্তি ও নেতাকর্মীদের আস্থার প্রতীক নাজমুল হোসেন মন্ডল ব্যারিস্টার জাইমা রহমানকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা নাজমুল হোসেন মন্ডল ও মোঃ শাহজাহান মিয়া (নগর) যুবদলের রাজনীতিতে এক ফুটন্ত গোলাপ শেখ মোঃ সুমন যুবদলের রাজনীতিতে এক ফুটন্ত গোলাপের নাম শেখ মোঃ সুমন মরহুম কাজী জুলফিকর মোল্লার রুহের মাগফিরাত কামনায় বিনিময় কমপ্লেক্সে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল জিয়া সংসদের কেন্দ্রীয় যোগাযোগবিষয়ক সম্পাদক মনোনীত হলেন মোঃ কামরুজ্জামান টুটুল জনগণের রাস্তার মান নিয়ে কথা বলায় অপমানের অভিযোগ, প্রতিবাদে পিয়ারা আক্তার প্রিয়া ৮৪ বছরেও বিদেশের মাটিতে বাংলাদেশের পতাকা উড়িয়েছেন বীর মুক্তিযোদ্ধা মজিবুর রহমান নীতি-নৈতিকতা ও দলীয় কর্মকাণ্ডে সক্রিয় মোঃ শাহজাহান মিয়া, আলোচনায় এরশাদনগরে ধর্মীয় সম্প্রীতি ও নিরাপত্তায় অঙ্গীকারবদ্ধ এমপি রনি, গাজীপুর-২ আসনের পূজামণ্ডপে তারেক রহমানের পক্ষ থেকে সহায়তা

স্বেচ্ছাসেবক দলের ৪৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে টঙ্গীতে হাজারো নেতাকর্মীর অংশগ্রহণ · আরিফ হাওলাদারের নির্বাচনী অঙ্গীকার · বিএনপির ৩১ দফা বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতি

টঙ্গীতে স্বেচ্ছাসেবক দলের বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা —তারেক জিয়া তারুণ্যের প্রতীক, ৩১ দফা কর্মসূচি বাস্তবায়নে অঙ্গীকারবদ্ধ আরিফ হোসেন হাওলাদার

md younus
  • আপডেট সময় : ১০:০৩:১৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ অগাস্ট ২০২৫
  • / ২২৯৩ বার পড়া হয়েছে




বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের ৪৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে বুধবার (২০ আগস্ট) সকালে টঙ্গীতে অনুষ্ঠিত হয় এক বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা ও আনন্দ মিছিল।
টঙ্গী পূর্ব ও পশ্চিম থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের উদ্যোগে বিশাল এই র‍্যালি হোসেন মার্কেট এলাকা থেকে শুরু হয়ে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থান প্রদক্ষিণ করে চেরাগ আলী এলাকায় গিয়ে শেষ হয়। নেতাকর্মীদের স্লোগানে মুখরিত এই র‍্যালি যেন টঙ্গীর রাজপথে নতুন রাজনৈতিক উদ্দীপনা জাগিয়ে তোলে।
কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক দলের সিনিয়র সহ-সভাপতি আরিফ হোসেন হাওলাদার বলেন—“তারেক রহমান জিয়া কেবল বিএনপির নয়, সমগ্র বাংলাদেশে তারুণ্যের প্রতীক। তিনি দেশকে সঠিক পথে এগিয়ে নিতে যে ৩১ দফা কর্মসূচি ঘোষণা করেছেন, আমি ও আমার সহযোদ্ধারা তা অক্ষরে অক্ষরে বাস্তবায়ন করব।”
তিনি আরও জানান, “আমি সামনে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পদপ্রার্থী। যদি দল আমাকে মনোনয়ন দেয়, তবে আমি গরীব-দুঃখী মানুষের জন্য, দেশের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য এবং জনগণের কল্যাণে নির্বাচন করব। আমার রাজনীতি কোনো ব্যক্তিগত লাভের জন্য নয়, কেবল জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠা ও দেশের গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের জন্য।”
আরিফ হোসেন হাওলাদার বিএনপির প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বলেন—“বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল একটি দেশপ্রেমিক সংগঠন। আমি এ দলের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাই। সবাই এই দলের পাশে থাকবেন, সহযোগিতা করবেন এবং আসন্ন নির্বাচনে বিএনপির প্রতীকে ভোট দিয়ে দেশকে গণতন্ত্রের পথে ফিরিয়ে আনবেন।”
আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন টঙ্গী পূর্ব থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক সুবেল প্রধান এবং পরিচালনা করেন টঙ্গী পশ্চিম থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক আবু বক্কর সিদ্দিক।
এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন আলমগীর হোসেন দিপু, বাদল মিয়া, বিল্লাল হোসেন, সাইফুল হোসেন খান মিল্টন, মোঃ মনির হোসেন, এস এম স্বপন, রেজভী, আমজাদ হোসেন, মিজানুর রহমান, শাহিন তালুকদার, লোকমান, হাসান, রাসেদুল ইসলাম বাবু, কবির হোসেন, আনিসুল রহমান, ফজলুল রহমান, আব্দুল হালিম, ইকবাল হোসেন, মোঃ আনোয়ার হোসেন, এস এম শাকিল পারভ, আমিনুল ইসলাম কাউসার, সাইদুর রহমান রাজিব প্রমুখ।
নেতৃবৃন্দ দেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করেন এবং আন্দোলন ও সংগ্রামে ঐক্যবদ্ধ থাকার শপথ গ্রহণ করেন।
বিএনপির ৩১ দফা কর্মসূচির সংক্ষিপ্ত সারসংক্ষেপ
১. নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার পুনর্বহাল ও সুষ্ঠু নির্বাচন।
২. সংবিধান সংস্কার ও রাষ্ট্রপতি–প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতার ভারসাম্য।
৩. বিচার বিভাগের পূর্ণ স্বাধীনতা।
৪. স্বাধীন ও কার্যকর নির্বাচন কমিশন।
৫. আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত রাখা।
৬. দুর্নীতি দমন কমিশনকে শক্তিশালী করা।
৭. গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা।
৮. শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও কৃষিতে বিপ্লবী পরিবর্তন।
৯. শ্রমিকের ন্যায্য মজুরি ও অধিকার সুরক্ষা।
১০. বেকার সমস্যা সমাধানে কর্মসংস্থান সৃষ্টি।
১১. নারী-শিশুর নিরাপত্তা ও ক্ষমতায়ন।
১২. স্থানীয় সরকারকে শক্তিশালী করা।
১৩. দারিদ্র্য বিমোচন ও ক্ষুদ্র শিল্প উন্নয়ন।
১৪. প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান বৃদ্ধি।
১৫. জনগণের ভোটাধিকার ও গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা।
টঙ্গীর রাজপথে বুধবারের এই শোভাযাত্রা শুধু স্বেচ্ছাসেবক দলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আনুষ্ঠানিকতা নয়; বরং আগামী দিনের রাজনৈতিক সংগ্রামে তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপির ৩১ দফা কর্মসূচির বাস্তবায়নের অঙ্গীকারও নতুন উদ্দীপনা নিয়ে এসেছে।
রাজনীতির মঞ্চে নতুন প্রজন্মের প্রতীক হয়ে দাঁড়াচ্ছেন আরিফ হাওলাদার—যার চোখে একটাই লক্ষ্য: গণতন্ত্রের পুনঃপ্রতিষ্ঠা ও জনগণের সেবা।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

স্বেচ্ছাসেবক দলের ৪৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে টঙ্গীতে হাজারো নেতাকর্মীর অংশগ্রহণ · আরিফ হাওলাদারের নির্বাচনী অঙ্গীকার · বিএনপির ৩১ দফা বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতি

টঙ্গীতে স্বেচ্ছাসেবক দলের বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা —তারেক জিয়া তারুণ্যের প্রতীক, ৩১ দফা কর্মসূচি বাস্তবায়নে অঙ্গীকারবদ্ধ আরিফ হোসেন হাওলাদার

আপডেট সময় : ১০:০৩:১৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ অগাস্ট ২০২৫

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের ৪৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে বুধবার (২০ আগস্ট) সকালে টঙ্গীতে অনুষ্ঠিত হয় এক বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা ও আনন্দ মিছিল।
টঙ্গী পূর্ব ও পশ্চিম থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের উদ্যোগে বিশাল এই র‍্যালি হোসেন মার্কেট এলাকা থেকে শুরু হয়ে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থান প্রদক্ষিণ করে চেরাগ আলী এলাকায় গিয়ে শেষ হয়। নেতাকর্মীদের স্লোগানে মুখরিত এই র‍্যালি যেন টঙ্গীর রাজপথে নতুন রাজনৈতিক উদ্দীপনা জাগিয়ে তোলে।
কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক দলের সিনিয়র সহ-সভাপতি আরিফ হোসেন হাওলাদার বলেন—“তারেক রহমান জিয়া কেবল বিএনপির নয়, সমগ্র বাংলাদেশে তারুণ্যের প্রতীক। তিনি দেশকে সঠিক পথে এগিয়ে নিতে যে ৩১ দফা কর্মসূচি ঘোষণা করেছেন, আমি ও আমার সহযোদ্ধারা তা অক্ষরে অক্ষরে বাস্তবায়ন করব।”
তিনি আরও জানান, “আমি সামনে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পদপ্রার্থী। যদি দল আমাকে মনোনয়ন দেয়, তবে আমি গরীব-দুঃখী মানুষের জন্য, দেশের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য এবং জনগণের কল্যাণে নির্বাচন করব। আমার রাজনীতি কোনো ব্যক্তিগত লাভের জন্য নয়, কেবল জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠা ও দেশের গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের জন্য।”
আরিফ হোসেন হাওলাদার বিএনপির প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বলেন—“বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল একটি দেশপ্রেমিক সংগঠন। আমি এ দলের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাই। সবাই এই দলের পাশে থাকবেন, সহযোগিতা করবেন এবং আসন্ন নির্বাচনে বিএনপির প্রতীকে ভোট দিয়ে দেশকে গণতন্ত্রের পথে ফিরিয়ে আনবেন।”
আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন টঙ্গী পূর্ব থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক সুবেল প্রধান এবং পরিচালনা করেন টঙ্গী পশ্চিম থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক আবু বক্কর সিদ্দিক।
এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন আলমগীর হোসেন দিপু, বাদল মিয়া, বিল্লাল হোসেন, সাইফুল হোসেন খান মিল্টন, মোঃ মনির হোসেন, এস এম স্বপন, রেজভী, আমজাদ হোসেন, মিজানুর রহমান, শাহিন তালুকদার, লোকমান, হাসান, রাসেদুল ইসলাম বাবু, কবির হোসেন, আনিসুল রহমান, ফজলুল রহমান, আব্দুল হালিম, ইকবাল হোসেন, মোঃ আনোয়ার হোসেন, এস এম শাকিল পারভ, আমিনুল ইসলাম কাউসার, সাইদুর রহমান রাজিব প্রমুখ।
নেতৃবৃন্দ দেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করেন এবং আন্দোলন ও সংগ্রামে ঐক্যবদ্ধ থাকার শপথ গ্রহণ করেন।
বিএনপির ৩১ দফা কর্মসূচির সংক্ষিপ্ত সারসংক্ষেপ
১. নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার পুনর্বহাল ও সুষ্ঠু নির্বাচন।
২. সংবিধান সংস্কার ও রাষ্ট্রপতি–প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতার ভারসাম্য।
৩. বিচার বিভাগের পূর্ণ স্বাধীনতা।
৪. স্বাধীন ও কার্যকর নির্বাচন কমিশন।
৫. আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত রাখা।
৬. দুর্নীতি দমন কমিশনকে শক্তিশালী করা।
৭. গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা।
৮. শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও কৃষিতে বিপ্লবী পরিবর্তন।
৯. শ্রমিকের ন্যায্য মজুরি ও অধিকার সুরক্ষা।
১০. বেকার সমস্যা সমাধানে কর্মসংস্থান সৃষ্টি।
১১. নারী-শিশুর নিরাপত্তা ও ক্ষমতায়ন।
১২. স্থানীয় সরকারকে শক্তিশালী করা।
১৩. দারিদ্র্য বিমোচন ও ক্ষুদ্র শিল্প উন্নয়ন।
১৪. প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান বৃদ্ধি।
১৫. জনগণের ভোটাধিকার ও গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা।
টঙ্গীর রাজপথে বুধবারের এই শোভাযাত্রা শুধু স্বেচ্ছাসেবক দলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আনুষ্ঠানিকতা নয়; বরং আগামী দিনের রাজনৈতিক সংগ্রামে তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপির ৩১ দফা কর্মসূচির বাস্তবায়নের অঙ্গীকারও নতুন উদ্দীপনা নিয়ে এসেছে।
রাজনীতির মঞ্চে নতুন প্রজন্মের প্রতীক হয়ে দাঁড়াচ্ছেন আরিফ হাওলাদার—যার চোখে একটাই লক্ষ্য: গণতন্ত্রের পুনঃপ্রতিষ্ঠা ও জনগণের সেবা।