৩৯নং ওয়ার্ডের উন্নয়ন, মানবসেবা ও গণমানুষের আস্থার প্রতীক আল আমিন এম.এস.এস
জনগণের ভালোবাসায় এগিয়ে চলা এক নির্যাতিত জননেতা
- আপডেট সময় : ১১:৫৫:১৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২৬
- / ১৮৯৯ বার পড়া হয়েছে

গাজীপুর মহানগরীর পূবাইলের হায়দারাবাদ এলাকার ৩৯নং ওয়ার্ডে আজ যাঁর নাম সাধারণ মানুষের মুখে মুখে, তিনি হলেন আল আমিন এম.এস.এস। একজন উচ্চশিক্ষিত, সাহসী, নির্যাতিত কিন্তু জনগণের ভালোবাসায় গড়ে ওঠা রাজনৈতিক ও সামাজিক ব্যক্তিত্ব। দীর্ঘ রাজনৈতিক সংগ্রাম, জেল-জুলুম, মামলা-হামলা ও নির্যাতনের মধ্য দিয়েও তিনি মানুষের পাশে থেকেছেন নিরলসভাবে।
আল আমিন এম.এস.এস রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিষয়ে মাস্টার্স সম্পন্ন করেছেন। ইচ্ছে করলে তিনি শিক্ষকতা কিংবা অন্য সম্মানজনক পেশায় নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে পারতেন। কিন্তু তিনি বেছে নিয়েছেন মানুষের সেবা করার পথ। এলাকার উন্নয়ন, গরিব-দুঃখী মানুষের পাশে দাঁড়ানো এবং সমাজকে সুন্দরভাবে গড়ে তোলার স্বপ্ন নিয়েই তিনি রাজনীতি ও সমাজসেবার সঙ্গে নিজেকে সম্পৃক্ত রেখেছেন।
তার পিতা মরহুম মোঃ মনসুর আলীর মৃত্যুর মাত্র চার দিনের মাথায় রাজনৈতিক কারণে তাকে পুলিশ গ্রেপ্তার করে নিয়ে যায়। এরপর তাকে সাত দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়। শুধুমাত্র বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে জড়িত থাকার কারণেই তাকে বারবার নির্যাতনের শিকার হতে হয়েছে বলে এলাকাবাসীর অভিযোগ। তার মা মোছাঃ কুলসুম বেগম। দুই ভাই ও এক বোনের এই পরিবার দীর্ঘদিন ধরে সমাজসেবা ও মানবিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত।
আল আমিন একজন ধর্মপ্রাণ ও সম্ভ্রান্ত পরিবারের সন্তান। তিনি এক ছেলে ও এক মেয়ের জনক। পারিবারিক দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি তিনি সবসময় সমাজ ও মানুষের কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছেন। তার স্ত্রীও তার রাজনৈতিক সংগ্রাম ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। স্বামীর দীর্ঘ অনুপস্থিতি, মামলা ও রাজনৈতিক নির্যাতনের সময় তিনি সন্তানদের দেখভাল করেছেন এবং দৃঢ়ভাবে পাশে থেকেছেন।
তিনি বর্তমানে পূবাইল থানা বিএনপির দপ্তর সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এর আগে তিনি পূবাইল ইউনিয়ন ছাত্রদলের সদস্য, ৩৯নং ওয়ার্ড যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, ৩৯নং ওয়ার্ড বিএনপির দপ্তর সম্পাদক, সহ-সাধারণ সম্পাদক এবং পূবাইল থানা বিএনপির আহ্বায়ক সদস্যসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন।
টঙ্গী সরকারি কলেজে অধ্যয়নকালীন সময়েও তিনি ছিলেন ছাত্রদলের একজন তুখোড় কর্মী। আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক প্রভাব ও নানা বাধার কারণে তিনি স্বাভাবিকভাবে কলেজে যেতে পারতেন না। মিছিল-মিটিংয়ে সক্রিয় থাকার কারণে তাকে প্রায়ই পুলিশি নজরদারিতে থাকতে হতো। অনেক সময় পালিয়ে পালিয়ে পরীক্ষা দিয়ে তিনি উচ্চশিক্ষা সম্পন্ন করেন।
এলাকাবাসীর ভাষ্যমতে, ৩৯নং ওয়ার্ডে রাজনৈতিকভাবে সবচেয়ে বেশি নির্যাতিত নেতাদের মধ্যে আল আমিন অন্যতম। দিনের পর দিন বাড়িতে ঘুমাতে পারেননি, সন্তানদের সঙ্গে সময় কাটাতে পারেননি। ব্যবসা-বাণিজ্য ও স্বাভাবিক জীবনযাপনও বাধাগ্রস্ত হয়েছে। তবুও তিনি ভেঙে পড়েননি। মানুষের ভালোবাসা ও দোয়া নিয়েই সামনে এগিয়ে চলেছেন।
বর্তমানে তিনি ৩৯নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর নির্বাচনে অংশগ্রহণের প্রস্তুতি নিচ্ছেন। ইতোমধ্যেই উঠান বৈঠক, গণসংযোগ ও এলাকাবাসীর সঙ্গে মতবিনিময়ের মাধ্যমে ব্যাপক সাড়া ফেলেছেন। সাধারণ মানুষের আশা, একজন শিক্ষিত, সাহসী ও জনবান্ধব মানুষ হিসেবে আল আমিন নির্বাচিত হলে ওয়ার্ডে দৃশ্যমান উন্নয়ন হবে।
তিনি নির্বাচিত হলে এলাকায় একটি আধুনিক গণকবরস্থান নির্মাণ, একটি মেডিকেল সেন্টার প্রতিষ্ঠা, যুবকদের জন্য কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি, ছাত্র-ছাত্রীদের শিক্ষাবৃত্তি ও সহায়তা, নারী ও যুব উন্নয়ন কার্যক্রম এবং শিশুদের জন্য একটি সুন্দর পার্ক নির্মাণের পরিকল্পনা করেছেন।
এরই মধ্যে তিনি এলাকায় রাস্তা-ঘাট সংস্কার, ড্রেন পরিষ্কার, মশার ওষুধ ছিটানো, পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখা এবং সাধারণ মানুষের নানামুখী সমস্যার সমাধানে কাজ করে যাচ্ছেন। গরিব ছাত্র-ছাত্রীদের পড়ালেখার খরচ বহন করাসহ অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো তার দীর্ঘদিনের অভ্যাস।
পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে তিনি গরিব ও অসহায় মানুষের জন্য মাংস বিতরণ, ঈদ সামগ্রী, সেমাই, খাদ্য প্যাকেজসহ নানা সহযোগিতার উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন। প্রতিবছরের মতো এবারও তিনি ঈদের আনন্দ সবার মাঝে ছড়িয়ে দিতে কাজ করে যাচ্ছেন।
স্থানীয়দের মতে, আল আমিন শুধু একজন রাজনৈতিক নেতা নন, তিনি একজন মানবিক মানুষ। সুখে-দুঃখে, বিপদে-আপদে সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়ানোই তার সবচেয়ে বড় পরিচয়।
৩৯নং ওয়ার্ডবাসীর প্রত্যাশা দীর্ঘদিনের নির্যাতিত, ত্যাগী ও শিক্ষিত এই সমাজসেবক যদি জনগণের ভোটে নির্বাচিত হন, তবে ওয়ার্ডটি একটি আধুনিক, পরিচ্ছন্ন ও উন্নত জনপদে পরিণত হবে। জনগণের ভালোবাসা ও সমর্থন নিয়েই আল আমিন এম.এস.এস এগিয়ে যেতে চান উন্নয়ন, মানবতা ও জনকল্যাণের পথে।




















