ঢাকা ১২:৫৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
যুবদলের গৌরব, তারুণ্যের শক্তি ও নেতাকর্মীদের আস্থার প্রতীক নাজমুল হোসেন মন্ডল ব্যারিস্টার জাইমা রহমানকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা নাজমুল হোসেন মন্ডল ও মোঃ শাহজাহান মিয়া (নগর) যুবদলের রাজনীতিতে এক ফুটন্ত গোলাপ শেখ মোঃ সুমন যুবদলের রাজনীতিতে এক ফুটন্ত গোলাপের নাম শেখ মোঃ সুমন মরহুম কাজী জুলফিকর মোল্লার রুহের মাগফিরাত কামনায় বিনিময় কমপ্লেক্সে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল জিয়া সংসদের কেন্দ্রীয় যোগাযোগবিষয়ক সম্পাদক মনোনীত হলেন মোঃ কামরুজ্জামান টুটুল জনগণের রাস্তার মান নিয়ে কথা বলায় অপমানের অভিযোগ, প্রতিবাদে পিয়ারা আক্তার প্রিয়া ৮৪ বছরেও বিদেশের মাটিতে বাংলাদেশের পতাকা উড়িয়েছেন বীর মুক্তিযোদ্ধা মজিবুর রহমান নীতি-নৈতিকতা ও দলীয় কর্মকাণ্ডে সক্রিয় মোঃ শাহজাহান মিয়া, আলোচনায় এরশাদনগরে ধর্মীয় সম্প্রীতি ও নিরাপত্তায় অঙ্গীকারবদ্ধ এমপি রনি, গাজীপুর-২ আসনের পূজামণ্ডপে তারেক রহমানের পক্ষ থেকে সহায়তা

জকসুতে নিরঙ্কুশ জয় শিবির সমর্থিত প্যানেলের

md younus
  • আপডেট সময় : ১০:৩৯:৪৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ জানুয়ারী ২০২৬
  • / ২১৬১ বার পড়া হয়েছে




দীর্ঘ প্রায় চার দশক পর অনুষ্ঠিত জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জকসু) নির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয় পেয়েছে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির সমর্থিত প্যানেল। সহ সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক ও সহ সাধারণ সম্পাদকসহ সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ তিনটি পদেই বড় ব্যবধানে বিজয়ী হয়েছেন শিবির সমর্থিত প্রার্থীরা। বুধবার (৭ জানুয়ারি) দিবাগত গভীর রাতে সব কেন্দ্রের ফলাফল একত্র করে নির্বাচন কমিশন এই চূড়ান্ত ফল ঘোষণা করে।
ঘোষিত ফল অনুযায়ী, সহ সভাপতি (ভিপি) পদে শিবির সমর্থিত প্রার্থী মো. রিয়াজুল ইসলাম পেয়েছেন ৫ হাজার ৫৬৪ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছাত্রদল সমর্থিত প্যানেলের একেএম রাকিব পেয়েছেন ৪ হাজার ৬৮৮ ভোট। ফলে ৮৭৬ ভোটের ব্যবধানে জয় নিশ্চিত করেন রিয়াজুল ইসলাম।
সাধারণ সম্পাদক (জিএস) পদে সবচেয়ে বড় ব্যবধানে জয় পেয়েছে শিবির। এ পদে আব্দুল আলিম আরিফ পেয়েছেন ৫ হাজার ৪৭০ ভোট। বিপরীতে ছাত্রদল সমর্থিত প্রার্থী খাদিজাতুল কুবরা পেয়েছেন ২ হাজার ২০৩ ভোট। দুই প্রার্থীর ব্যবধান দাঁড়ায় ৩ হাজার ২৬৭ ভোটে। সহ সাধারণ সম্পাদক (এজিএস) পদেও এগিয়ে থাকেন শিবিরের মাসুদ রানা। তিনি পেয়েছেন ৫ হাজার ২ ভোট, আর তার প্রতিদ্বন্দ্বী ছাত্রদলের বি এম আতিকুর রহমান তানজিল পেয়েছেন ৩ হাজার ৯৪৪ ভোট।
এর আগে মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) সকাল ৯টা থেকে বিকেল সাড়ে ৫টা পর্যন্ত উৎসবমুখর পরিবেশে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। মোট ১৬ হাজার ৬৪৫ জন ভোটারের মধ্যে কেন্দ্রীয় সংসদে প্রায় ৬৫ শতাংশ এবং হল সংসদে প্রায় ৭৫ শতাংশ ভোট পড়ে। ভোট গণনার সময় কারিগরি ত্রুটির কারণে কয়েক ঘণ্টা বিরতি তৈরি হলেও পরে পুনরায় গণনা শেষে রাতে চূড়ান্ত ফল ঘোষণা করা হয়।
দীর্ঘ ৩৮ বছর পর জকসু নির্বাচন হওয়ায় পুরো ক্যাম্পাসজুড়ে ছিল আলাদা উচ্ছ্বাস। শিক্ষার্থীরা বলছেন, এই নির্বাচন বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র রাজনীতিতে নতুন অধ্যায়ের সূচনা করেছে। বিশ্লেষকদের মতে, শিবির সমর্থিত প্যানেলের এই নিরঙ্কুশ জয় জকসুতে তাদের প্রভাব ও সংখ্যাগরিষ্ঠতা স্পষ্টভাবে তুলে ধরেছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

জকসুতে নিরঙ্কুশ জয় শিবির সমর্থিত প্যানেলের

আপডেট সময় : ১০:৩৯:৪৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ জানুয়ারী ২০২৬

দীর্ঘ প্রায় চার দশক পর অনুষ্ঠিত জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জকসু) নির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয় পেয়েছে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির সমর্থিত প্যানেল। সহ সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক ও সহ সাধারণ সম্পাদকসহ সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ তিনটি পদেই বড় ব্যবধানে বিজয়ী হয়েছেন শিবির সমর্থিত প্রার্থীরা। বুধবার (৭ জানুয়ারি) দিবাগত গভীর রাতে সব কেন্দ্রের ফলাফল একত্র করে নির্বাচন কমিশন এই চূড়ান্ত ফল ঘোষণা করে।
ঘোষিত ফল অনুযায়ী, সহ সভাপতি (ভিপি) পদে শিবির সমর্থিত প্রার্থী মো. রিয়াজুল ইসলাম পেয়েছেন ৫ হাজার ৫৬৪ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছাত্রদল সমর্থিত প্যানেলের একেএম রাকিব পেয়েছেন ৪ হাজার ৬৮৮ ভোট। ফলে ৮৭৬ ভোটের ব্যবধানে জয় নিশ্চিত করেন রিয়াজুল ইসলাম।
সাধারণ সম্পাদক (জিএস) পদে সবচেয়ে বড় ব্যবধানে জয় পেয়েছে শিবির। এ পদে আব্দুল আলিম আরিফ পেয়েছেন ৫ হাজার ৪৭০ ভোট। বিপরীতে ছাত্রদল সমর্থিত প্রার্থী খাদিজাতুল কুবরা পেয়েছেন ২ হাজার ২০৩ ভোট। দুই প্রার্থীর ব্যবধান দাঁড়ায় ৩ হাজার ২৬৭ ভোটে। সহ সাধারণ সম্পাদক (এজিএস) পদেও এগিয়ে থাকেন শিবিরের মাসুদ রানা। তিনি পেয়েছেন ৫ হাজার ২ ভোট, আর তার প্রতিদ্বন্দ্বী ছাত্রদলের বি এম আতিকুর রহমান তানজিল পেয়েছেন ৩ হাজার ৯৪৪ ভোট।
এর আগে মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) সকাল ৯টা থেকে বিকেল সাড়ে ৫টা পর্যন্ত উৎসবমুখর পরিবেশে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। মোট ১৬ হাজার ৬৪৫ জন ভোটারের মধ্যে কেন্দ্রীয় সংসদে প্রায় ৬৫ শতাংশ এবং হল সংসদে প্রায় ৭৫ শতাংশ ভোট পড়ে। ভোট গণনার সময় কারিগরি ত্রুটির কারণে কয়েক ঘণ্টা বিরতি তৈরি হলেও পরে পুনরায় গণনা শেষে রাতে চূড়ান্ত ফল ঘোষণা করা হয়।
দীর্ঘ ৩৮ বছর পর জকসু নির্বাচন হওয়ায় পুরো ক্যাম্পাসজুড়ে ছিল আলাদা উচ্ছ্বাস। শিক্ষার্থীরা বলছেন, এই নির্বাচন বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র রাজনীতিতে নতুন অধ্যায়ের সূচনা করেছে। বিশ্লেষকদের মতে, শিবির সমর্থিত প্যানেলের এই নিরঙ্কুশ জয় জকসুতে তাদের প্রভাব ও সংখ্যাগরিষ্ঠতা স্পষ্টভাবে তুলে ধরেছে।