ঢাকা ০১:৩৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
যুবদলের গৌরব, তারুণ্যের শক্তি ও নেতাকর্মীদের আস্থার প্রতীক নাজমুল হোসেন মন্ডল ব্যারিস্টার জাইমা রহমানকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা নাজমুল হোসেন মন্ডল ও মোঃ শাহজাহান মিয়া (নগর) যুবদলের রাজনীতিতে এক ফুটন্ত গোলাপ শেখ মোঃ সুমন যুবদলের রাজনীতিতে এক ফুটন্ত গোলাপের নাম শেখ মোঃ সুমন মরহুম কাজী জুলফিকর মোল্লার রুহের মাগফিরাত কামনায় বিনিময় কমপ্লেক্সে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল জিয়া সংসদের কেন্দ্রীয় যোগাযোগবিষয়ক সম্পাদক মনোনীত হলেন মোঃ কামরুজ্জামান টুটুল জনগণের রাস্তার মান নিয়ে কথা বলায় অপমানের অভিযোগ, প্রতিবাদে পিয়ারা আক্তার প্রিয়া ৮৪ বছরেও বিদেশের মাটিতে বাংলাদেশের পতাকা উড়িয়েছেন বীর মুক্তিযোদ্ধা মজিবুর রহমান নীতি-নৈতিকতা ও দলীয় কর্মকাণ্ডে সক্রিয় মোঃ শাহজাহান মিয়া, আলোচনায় এরশাদনগরে ধর্মীয় সম্প্রীতি ও নিরাপত্তায় অঙ্গীকারবদ্ধ এমপি রনি, গাজীপুর-২ আসনের পূজামণ্ডপে তারেক রহমানের পক্ষ থেকে সহায়তা

চেয়ারম্যান নয়—আপাতত ভারপ্রাপ্তই থাকতে চান তারেক রহমান

md younus
  • আপডেট সময় : ০৫:০৩:০৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩ জানুয়ারী ২০২৬
  • / ২১৭৪ বার পড়া হয়েছে




ছবি, সংগৃহিত
বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে বিএনপির চেয়ারপারসন পদ শূন্য হয়েছে। সে দায়িত্বে কে থাকবেন তা নিয়ে চলছে নানা জল্পনা-কল্পনা। তবে দলের ভারপ্রাপ্ত তারেক রহমান এখনই চেয়ারম্যানের দায়িত্ব নিতে চান না বলে জানা গেছে। বর্তমানে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হিসেবেই কাজ চালিয়ে যেতে আগ্রহী। তবে তিনি তৃণমূলের মতামতের পর পূর্ণ দায়িত্ব নিতে চান।
তথ্যনুযায়, দলের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্যরা তারেক রহমানকে পূর্ণাঙ্গভাবে বিএনপির চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন। তবে তারেক রহমান এখনই সে দায়িত্ব নিতে আগ্রহী নন বলে জানিয়েছেন তার ঘনিষ্ঠরা। তিনি ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হিসেবেই কাজ চালিয়ে যেতে চান এবং সরাসরি তৃণমূলের মতামতের ভিত্তিতে পূর্ণ দায়িত্ব গ্রহণের বিষয়ে আগ্রহী।
এ বিষয়ে নাম প্রকাশ না করার শর্তে দলের এক শীর্ষ নেতা বলেন, “স্থায়ী কমিটির সদস্যদের মতামত থাকলেও তারেক রহমান তা এখনই কার্যকর করতে চান না। খালেদা জিয়ার মৃত্যু ও পরবর্তী রাজনৈতিক বাস্তবতার কারণে কিছুদিন অপেক্ষা করার পক্ষেই মত দিয়েছেন তিনি।”
এই মুহূর্তে তারেক রহমানকে পূর্ণ চেয়ারম্যান ঘোষণা করে রেজোলিউশন করার পক্ষে কমিটির অধিকাংশ নেতা। তবে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান নিজেই এতে সম্মতি দেননি। তার মতে, মায়ের শোকের বিষয়টি বিবেচনায় নেওয়া জরুরি।
এ পদ কী প্রক্রিয়ায় পূরণ হবে- জাতীয় কাউন্সিলের মাধ্যমে নাকি দলের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী- তা নিয়ে দলীয় অঙ্গনে আলোচনা চলছে। শোকের সময় পার হওয়ার পর বিষয়টি আরো স্পষ্ট হবে বলে জানিয়েছেন নেতারা।
বিএনপির গঠনতন্ত্রের ৭-এর ‘গ’ উপধারার ২ নম্বর অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, চেয়ারম্যানের সাময়িক অনুপস্থিতিতে সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হিসেবে সব দায়িত্ব পালন করবেন। আর একই উপধারার ৩ নম্বর অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, কোনো কারণে চেয়ারম্যানের পদ শূন্য হলে সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান অবশিষ্ট মেয়াদের জন্য চেয়ারম্যানের দায়িত্ব গ্রহণ করবেন এবং পরবর্তী চেয়ারম্যান নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত সে দায়িত্বে বহাল থাকবেন।
গঠনতন্ত্র অনুযায়ী তারেক রহমানের চেয়ারম্যান হওয়ায় কোনো বাধা নেই। কাউন্সিল ছাড়াও এটি করা সম্ভব। তবে এ প্রস্তাবও আপাতত কার্যকর হচ্ছে না।
উল্লেখ্য, বিএনপির ইতিহাসে দেখা যায়, ১৯৮৩ সালের মার্চে খালেদা জিয়া সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান হন। বিচারপতি আবদুস সাত্তার অসুস্থ হয়ে পড়লে তিনি ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের দায়িত্ব নেন এবং ১৯৮৪ সালের ১০ মে দলের চেয়ারপারসন নির্বাচিত হন। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তিনি এ পদে বহাল ছিলেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

চেয়ারম্যান নয়—আপাতত ভারপ্রাপ্তই থাকতে চান তারেক রহমান

আপডেট সময় : ০৫:০৩:০৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩ জানুয়ারী ২০২৬

ছবি, সংগৃহিত
বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে বিএনপির চেয়ারপারসন পদ শূন্য হয়েছে। সে দায়িত্বে কে থাকবেন তা নিয়ে চলছে নানা জল্পনা-কল্পনা। তবে দলের ভারপ্রাপ্ত তারেক রহমান এখনই চেয়ারম্যানের দায়িত্ব নিতে চান না বলে জানা গেছে। বর্তমানে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হিসেবেই কাজ চালিয়ে যেতে আগ্রহী। তবে তিনি তৃণমূলের মতামতের পর পূর্ণ দায়িত্ব নিতে চান।
তথ্যনুযায়, দলের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্যরা তারেক রহমানকে পূর্ণাঙ্গভাবে বিএনপির চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন। তবে তারেক রহমান এখনই সে দায়িত্ব নিতে আগ্রহী নন বলে জানিয়েছেন তার ঘনিষ্ঠরা। তিনি ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হিসেবেই কাজ চালিয়ে যেতে চান এবং সরাসরি তৃণমূলের মতামতের ভিত্তিতে পূর্ণ দায়িত্ব গ্রহণের বিষয়ে আগ্রহী।
এ বিষয়ে নাম প্রকাশ না করার শর্তে দলের এক শীর্ষ নেতা বলেন, “স্থায়ী কমিটির সদস্যদের মতামত থাকলেও তারেক রহমান তা এখনই কার্যকর করতে চান না। খালেদা জিয়ার মৃত্যু ও পরবর্তী রাজনৈতিক বাস্তবতার কারণে কিছুদিন অপেক্ষা করার পক্ষেই মত দিয়েছেন তিনি।”
এই মুহূর্তে তারেক রহমানকে পূর্ণ চেয়ারম্যান ঘোষণা করে রেজোলিউশন করার পক্ষে কমিটির অধিকাংশ নেতা। তবে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান নিজেই এতে সম্মতি দেননি। তার মতে, মায়ের শোকের বিষয়টি বিবেচনায় নেওয়া জরুরি।
এ পদ কী প্রক্রিয়ায় পূরণ হবে- জাতীয় কাউন্সিলের মাধ্যমে নাকি দলের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী- তা নিয়ে দলীয় অঙ্গনে আলোচনা চলছে। শোকের সময় পার হওয়ার পর বিষয়টি আরো স্পষ্ট হবে বলে জানিয়েছেন নেতারা।
বিএনপির গঠনতন্ত্রের ৭-এর ‘গ’ উপধারার ২ নম্বর অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, চেয়ারম্যানের সাময়িক অনুপস্থিতিতে সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হিসেবে সব দায়িত্ব পালন করবেন। আর একই উপধারার ৩ নম্বর অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, কোনো কারণে চেয়ারম্যানের পদ শূন্য হলে সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান অবশিষ্ট মেয়াদের জন্য চেয়ারম্যানের দায়িত্ব গ্রহণ করবেন এবং পরবর্তী চেয়ারম্যান নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত সে দায়িত্বে বহাল থাকবেন।
গঠনতন্ত্র অনুযায়ী তারেক রহমানের চেয়ারম্যান হওয়ায় কোনো বাধা নেই। কাউন্সিল ছাড়াও এটি করা সম্ভব। তবে এ প্রস্তাবও আপাতত কার্যকর হচ্ছে না।
উল্লেখ্য, বিএনপির ইতিহাসে দেখা যায়, ১৯৮৩ সালের মার্চে খালেদা জিয়া সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান হন। বিচারপতি আবদুস সাত্তার অসুস্থ হয়ে পড়লে তিনি ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের দায়িত্ব নেন এবং ১৯৮৪ সালের ১০ মে দলের চেয়ারপারসন নির্বাচিত হন। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তিনি এ পদে বহাল ছিলেন।