ঢাকা ০৩:১৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
যুবদলের গৌরব, তারুণ্যের শক্তি ও নেতাকর্মীদের আস্থার প্রতীক নাজমুল হোসেন মন্ডল ব্যারিস্টার জাইমা রহমানকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা নাজমুল হোসেন মন্ডল ও মোঃ শাহজাহান মিয়া (নগর) যুবদলের রাজনীতিতে এক ফুটন্ত গোলাপ শেখ মোঃ সুমন যুবদলের রাজনীতিতে এক ফুটন্ত গোলাপের নাম শেখ মোঃ সুমন মরহুম কাজী জুলফিকর মোল্লার রুহের মাগফিরাত কামনায় বিনিময় কমপ্লেক্সে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল জিয়া সংসদের কেন্দ্রীয় যোগাযোগবিষয়ক সম্পাদক মনোনীত হলেন মোঃ কামরুজ্জামান টুটুল জনগণের রাস্তার মান নিয়ে কথা বলায় অপমানের অভিযোগ, প্রতিবাদে পিয়ারা আক্তার প্রিয়া ৮৪ বছরেও বিদেশের মাটিতে বাংলাদেশের পতাকা উড়িয়েছেন বীর মুক্তিযোদ্ধা মজিবুর রহমান নীতি-নৈতিকতা ও দলীয় কর্মকাণ্ডে সক্রিয় মোঃ শাহজাহান মিয়া, আলোচনায় এরশাদনগরে ধর্মীয় সম্প্রীতি ও নিরাপত্তায় অঙ্গীকারবদ্ধ এমপি রনি, গাজীপুর-২ আসনের পূজামণ্ডপে তারেক রহমানের পক্ষ থেকে সহায়তা

বেফাকের স্বীকৃতি পেল যে প্রতিষ্ঠান, যেখানে কুরআনের তিলাওয়াতের সুরে মিলেমিশে আছে আধুনিক জ্ঞানের দীপ্তি।

“কুরআনের আলোয় আলোকিত দিগন্তে: মুসলিহুল উম্মাহ হিফজ মাদরাসা”

md younus
  • আপডেট সময় : ১০:৪৫:১০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • / ২৪৯০ বার পড়া হয়েছে




ঢাকা-গাজীপুর অঞ্চলের কোলাহলময় পরিবেশেও রয়েছে এক শান্তির নীড়—মুসলিহুল উম্মাহ হিফজ মাদরাসা। ২০১৬ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকে প্রতিষ্ঠানটি অল্প সময়েই এক অনন্য পরিচিতি পেয়েছে। সম্প্রতি বেফাকুল মাদারিসিল আরাবিয়া বাংলাদেশ থেকে মঞ্জুরীপত্র লাভ করায় প্রতিষ্ঠানের সাফল্যের পালকে যোগ হলো নতুন মুকুট। এই মঞ্জুরীপত্র শুধু আনুষ্ঠানিকতা নয়, বরং কুরআন শিক্ষার মান, ধারাবাহিকতা ও গ্রহণযোগ্যতার প্রতীক।


“إِنَّ هَـٰذَا ٱلۡقُرۡءَانَ يَهۡدِى لِلَّتِى هِىَ أَقۡوَمُ” — নিশ্চয়ই এই কুরআন সঠিকতম পথে পথপ্রদর্শন করে। (সুরা বনি ইসরাইল: ৯)
প্রতিষ্ঠানটি শুধু হিফজুল কুরআনেই সীমাবদ্ধ নয়। এখানে রয়েছে বাংলা, আরবি ও ইংরেজি বিভাগ। ফলে শিক্ষার্থীরা কেবল ক্বারী নয়, বরং সমাজ ও জাতির জন্য দায়িত্বশীল আলোকবর্তিকায় পরিণত হচ্ছে।
অভিভাবকরা সন্তানের এই পরিবর্তন দেখে মুগ্ধ হয়ে বলেন—“আমাদের সন্তানরা শুধু কুরআন মুখস্থ করছে না, তারা ভালো মানুষ হওয়ার শিক্ষা পাচ্ছে। এখানে নৈতিকতা, মানবিকতা ও আধুনিক শিক্ষার সমন্বয় আছে।”
প্রতিষ্ঠাতার আত্মত্যাগ, এই মহৎ উদ্যোগের পেছনে আছেন নিবেদিতপ্রাণ এক দিশারী—প্রতিষ্ঠাতা মাইনুদ্দিন। তাঁর স্বপ্ন ছিল এমন একটি মাদরাসা, যেখানে দ্বীনি শিক্ষা ও দুনিয়াবি শিক্ষা পাশাপাশি এগিয়ে যাবে। আজ সেই স্বপ্ন বাস্তব রূপ পাচ্ছে।
“رَبِّ زِدۡنِى عِلۡمٗا” — হে আমার প্রতিপালক! আমাকে জ্ঞান বৃদ্ধি দান কর। (সুরা ত্বাহা: ১১৪)
দিগন্ত প্রসারিত হচ্ছে, চাহিদা ও আস্থার কারণে নতুন শাখা ও বিভাগ যুক্ত হয়েছে। দূর-দূরান্ত থেকে শিশুরা এখানে আসছে। কুরআনের সুরে মুখরিত হচ্ছে পুরো ক্যাম্পাস।
অভিভাবকরা বলছেন-“আমরা সন্তানের ভবিষ্যৎ নিয়ে চিন্তিত ছিলাম। এখানে ভর্তি করার পর আমরা নিশ্চিত হয়েছি, ওরা দ্বীন ও দুনিয়া উভয়েই সফল হবে।”
সমাপনী দোয়া: মাদরাসাটির যাত্রা যেন আল্লাহর রহমতে আরও সুদূরপ্রসারী হয়।
“اللهم انفع بهم البلاد والعباد، واجعلهم من حملة القرآن بحق” (হে আল্লাহ, এ প্রতিষ্ঠানকে দেশের ও মানুষের উপকারে লাগাও, এবং শিক্ষার্থীদের প্রকৃত কুরআনের বাহক বানাও।)

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

বেফাকের স্বীকৃতি পেল যে প্রতিষ্ঠান, যেখানে কুরআনের তিলাওয়াতের সুরে মিলেমিশে আছে আধুনিক জ্ঞানের দীপ্তি।

“কুরআনের আলোয় আলোকিত দিগন্তে: মুসলিহুল উম্মাহ হিফজ মাদরাসা”

আপডেট সময় : ১০:৪৫:১০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫

ঢাকা-গাজীপুর অঞ্চলের কোলাহলময় পরিবেশেও রয়েছে এক শান্তির নীড়—মুসলিহুল উম্মাহ হিফজ মাদরাসা। ২০১৬ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকে প্রতিষ্ঠানটি অল্প সময়েই এক অনন্য পরিচিতি পেয়েছে। সম্প্রতি বেফাকুল মাদারিসিল আরাবিয়া বাংলাদেশ থেকে মঞ্জুরীপত্র লাভ করায় প্রতিষ্ঠানের সাফল্যের পালকে যোগ হলো নতুন মুকুট। এই মঞ্জুরীপত্র শুধু আনুষ্ঠানিকতা নয়, বরং কুরআন শিক্ষার মান, ধারাবাহিকতা ও গ্রহণযোগ্যতার প্রতীক।


“إِنَّ هَـٰذَا ٱلۡقُرۡءَانَ يَهۡدِى لِلَّتِى هِىَ أَقۡوَمُ” — নিশ্চয়ই এই কুরআন সঠিকতম পথে পথপ্রদর্শন করে। (সুরা বনি ইসরাইল: ৯)
প্রতিষ্ঠানটি শুধু হিফজুল কুরআনেই সীমাবদ্ধ নয়। এখানে রয়েছে বাংলা, আরবি ও ইংরেজি বিভাগ। ফলে শিক্ষার্থীরা কেবল ক্বারী নয়, বরং সমাজ ও জাতির জন্য দায়িত্বশীল আলোকবর্তিকায় পরিণত হচ্ছে।
অভিভাবকরা সন্তানের এই পরিবর্তন দেখে মুগ্ধ হয়ে বলেন—“আমাদের সন্তানরা শুধু কুরআন মুখস্থ করছে না, তারা ভালো মানুষ হওয়ার শিক্ষা পাচ্ছে। এখানে নৈতিকতা, মানবিকতা ও আধুনিক শিক্ষার সমন্বয় আছে।”
প্রতিষ্ঠাতার আত্মত্যাগ, এই মহৎ উদ্যোগের পেছনে আছেন নিবেদিতপ্রাণ এক দিশারী—প্রতিষ্ঠাতা মাইনুদ্দিন। তাঁর স্বপ্ন ছিল এমন একটি মাদরাসা, যেখানে দ্বীনি শিক্ষা ও দুনিয়াবি শিক্ষা পাশাপাশি এগিয়ে যাবে। আজ সেই স্বপ্ন বাস্তব রূপ পাচ্ছে।
“رَبِّ زِدۡنِى عِلۡمٗا” — হে আমার প্রতিপালক! আমাকে জ্ঞান বৃদ্ধি দান কর। (সুরা ত্বাহা: ১১৪)
দিগন্ত প্রসারিত হচ্ছে, চাহিদা ও আস্থার কারণে নতুন শাখা ও বিভাগ যুক্ত হয়েছে। দূর-দূরান্ত থেকে শিশুরা এখানে আসছে। কুরআনের সুরে মুখরিত হচ্ছে পুরো ক্যাম্পাস।
অভিভাবকরা বলছেন-“আমরা সন্তানের ভবিষ্যৎ নিয়ে চিন্তিত ছিলাম। এখানে ভর্তি করার পর আমরা নিশ্চিত হয়েছি, ওরা দ্বীন ও দুনিয়া উভয়েই সফল হবে।”
সমাপনী দোয়া: মাদরাসাটির যাত্রা যেন আল্লাহর রহমতে আরও সুদূরপ্রসারী হয়।
“اللهم انفع بهم البلاد والعباد، واجعلهم من حملة القرآن بحق” (হে আল্লাহ, এ প্রতিষ্ঠানকে দেশের ও মানুষের উপকারে লাগাও, এবং শিক্ষার্থীদের প্রকৃত কুরআনের বাহক বানাও।)