ঢাকা ১২:৪৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ১৬ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
উজ্জ্বল চন্দ্র বর্মনের মৃত্যুতে শোকাহত পরিবারের পাশে নাজমুল হোসেন মন্ডল মানুষের পাশে নাজমুল হোসেন মন্ডল, উন্নয়ন ও জনসেবাই যার অঙ্গীকার টঙ্গীতে মাদরাসায় হামলার প্রতিবাদে আলেম-ওলামাদের মানববন্ধন, ৭২ ঘণ্টার আলটিমেটাম সড়কে মৃত্যু ও পঙ্গু হওয়ার মিছিল দীর্ঘ করছে মোটরসাইকেল বাতিল হতে যাচ্ছে শতাধিক কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অনুমোদন টঙ্গীর রাজপথে যুবদলের বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা, নেতৃত্বে নাজমুল হোসেন মন্ডল গাজীপুর মহানগর-সদরের পর টঙ্গীতেও প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর কর্মসূচিতে সরব উপস্থিতি; তারুণ্যের ঐক্য, সাংগঠনিক তৎপরতা ও শৃঙ্খলাবদ্ধ আয়োজনের চিত্র যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে টঙ্গীতে বর্ণাঢ্য র‍্যালি, মিছিল ও সমাবেশ যুবদলের গৌরব, তারুণ্যের শক্তি ও নেতাকর্মীদের আস্থার প্রতীক নাজমুল হোসেন মন্ডল ব্যারিস্টার জাইমা রহমানকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা নাজমুল হোসেন মন্ডল ও মোঃ শাহজাহান মিয়া (নগর) যুবদলের রাজনীতিতে এক ফুটন্ত গোলাপ শেখ মোঃ সুমন

গরিব-দুঃখীর বন্ধু, সমবণ্টনের রাজনীতির প্রতীক ও ৩২নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর পদপ্রার্থী হাজী আব্দুল জব্বার সরকারের অসুস্থতায় উদ্বিগ্ন এলাকাবাসী দ্রুত সুস্থতা কামনায় আত্মীয়স্বজন, নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের আবেগঘন আহ্বান

অসহায়ের আশ্রয়, মানবতার কণ্ঠস্বর হাজী আব্দুল জব্বার সরকার হাসপাতালে সুস্থতার জন্য দোয়ার জোয়ার গাছা জুড়ে

md younus
  • আপডেট সময় : ১১:৪০:৩৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১১ মে ২০২৬
  • / ১৯৩১ বার পড়া হয়েছে




মানুষ মানুষের জন্য এই চিরন্তন সত্যকে হৃদয়ে ধারণ করে দীর্ঘদিন ধরে সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে আসছেন গাছা থানার সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও ৩২নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর পদপ্রার্থী হাজী আব্দুল জব্বার সরকার। রাজনীতিকে তিনি কখনো ক্ষমতার সিঁড়ি হিসেবে দেখেননি; বরং মানুষের কল্যাণ, অসহায়ের মুখে হাসি ফোটানো এবং সমাজে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার এক মহান দায়িত্ব হিসেবে গ্রহণ করেছিলেন।
কিন্তু আজ সেই জনমানুষের নেতা নিজেই শারীরিকভাবে অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি। তার অসুস্থতার খবর ছড়িয়ে পড়তেই গাছা, টঙ্গী ও আশপাশের এলাকায় নেমে এসেছে উদ্বেগের ছায়া। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে আত্মীয়স্বজন, শুভাকাঙ্ক্ষী, রাজনৈতিক সহকর্মী ও সাধারণ মানুষ দোয়া ও আবেগঘন বার্তায় ভরিয়ে তুলেছেন টাইমলাইন।
কেউ লিখেছেন “আমার শ্রদ্ধেয় কাকা শারীরিকভাবে অসুস্থ, সবাই উনার জন্য দোয়া করবেন। আল্লাহ তায়ালা যেন উনাকে তাড়াতাড়ি সুস্থতা দান করেন, আমীন।” আবার কেউ আবেগঘন ভাষায় বলেছেন, “এ আমার রব, প্রিয় মানুষটাকে সুস্থ করে আমাদের মাঝে ফিরিয়ে আনার তৌফিক দান করুন আমিন।”
পরিবারের সদস্যদের কণ্ঠেও ফুটে উঠেছে গভীর ভালোবাসা ও উৎকণ্ঠা। এক স্বজন লিখেছেন, “আমার বাপজান অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি। সকলে আমার বাপজানের জন্য দোয়া করবেন, আল্লাহ তায়ালা যেন তাকে দ্রুত সুস্থ করে দেন।”
শুধু রাজনৈতিক পরিচয় নয়, মানবিকতা ও সামাজিক দায়বদ্ধতার কারণেই হাজী আব্দুল জব্বার সরকার মানুষের হৃদয়ে বিশেষ স্থান করে নিয়েছেন। ঈদুল আজহার আগমুহূর্তেও তিনি অসুস্থ হওয়ার আগে এলাকাবাসীর জন্য কোরবানির মাংস সমানভাবে বণ্টনের কথা বলেছিলেন। তিনি বারবার বলেছেন, সমাজের গরিব, অসহায় ও দুস্থ মানুষ যেন বঞ্চিত না হয়।
তার ঘনিষ্ঠজনরা জানান, হাজী আব্দুল জব্বার সরকার বিশ্বাস করতেন, “একজন ধনী যেমন কোরবানির আনন্দ উপভোগ করবে, তেমনি একজন গরিব মানুষও যেন সম্মানের সাথে মাংস খেতে পারে।” এই মানবিক চিন্তাধারা তাকে সাধারণ মানুষের আরও কাছাকাছি নিয়ে গেছে। তিনি শুধু রাজনৈতিক নেতা নন, একজন সমাজসেবক, একজন অভিভাবক, একজন মানবিক হৃদয়ের মানুষ হিসেবে পরিচিত।
স্থানীয়দের ভাষ্যমতে, বিপদে-আপদে, অসুস্থতায়, দুঃসময়ে কিংবা সামাজিক যেকোনো সংকটে হাজী আব্দুল জব্বার সরকার ছিলেন মানুষের প্রথম ভরসাস্থল। তাই আজ তার অসুস্থতায় এলাকাবাসী নিজেদের অভিভাবককে হারানোর শঙ্কায় উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন। মসজিদে মসজিদে তার সুস্থতা কামনায় বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
অনেকেই সামাজিক মাধ্যমে লিখছেন, “আল্লাহ তায়ালা যেন মানবিক এই মানুষটিকে দ্রুত সুস্থ করে আমাদের মাঝে ফিরিয়ে দেন। তিনি আবার মানুষের পাশে দাঁড়ান, সমাজের জন্য কাজ করেন, সবাইকে একত্রে নিয়ে উন্নয়নের পথে এগিয়ে যান।” রাজনৈতিক সহকর্মীরা বলেন, হাজী আব্দুল জব্বার সরকার সবসময় ঐক্য, ভ্রাতৃত্ব ও মানবিক রাজনীতির কথা বলতেন। বিভাজন নয়, মানুষের হৃদয় জয় করাই ছিল তার মূল লক্ষ্য।
গাছা ও আশপাশের এলাকার সাধারণ মানুষের একটাই প্রত্যাশা। মানবতার এই প্রিয় মুখটি দ্রুত সুস্থ হয়ে আবারও মানুষের মাঝে ফিরে আসুক। আবারও তিনি অসহায় মানুষের মুখে হাসি ফোটান, সমাজকে একত্রিত করেন, ভালোবাসা ও মানবতার বার্তা ছড়িয়ে দেন।
শেষে এলাকাবাসীর কণ্ঠে একটাই প্রার্থনা “হে মহান আল্লাহ, আপনি আপনার প্রিয় বান্দা হাজী আব্দুল জব্বার সরকারকে দ্রুত পূর্ণ সুস্থতা দান করুন। তাকে আবার আমাদের মাঝে ফিরিয়ে দিন। তিনি যেন আগের মতোই মানুষের সেবা করতে পারেন। আমিন।”

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

গরিব-দুঃখীর বন্ধু, সমবণ্টনের রাজনীতির প্রতীক ও ৩২নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর পদপ্রার্থী হাজী আব্দুল জব্বার সরকারের অসুস্থতায় উদ্বিগ্ন এলাকাবাসী দ্রুত সুস্থতা কামনায় আত্মীয়স্বজন, নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের আবেগঘন আহ্বান

অসহায়ের আশ্রয়, মানবতার কণ্ঠস্বর হাজী আব্দুল জব্বার সরকার হাসপাতালে সুস্থতার জন্য দোয়ার জোয়ার গাছা জুড়ে

আপডেট সময় : ১১:৪০:৩৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১১ মে ২০২৬

মানুষ মানুষের জন্য এই চিরন্তন সত্যকে হৃদয়ে ধারণ করে দীর্ঘদিন ধরে সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে আসছেন গাছা থানার সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও ৩২নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর পদপ্রার্থী হাজী আব্দুল জব্বার সরকার। রাজনীতিকে তিনি কখনো ক্ষমতার সিঁড়ি হিসেবে দেখেননি; বরং মানুষের কল্যাণ, অসহায়ের মুখে হাসি ফোটানো এবং সমাজে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার এক মহান দায়িত্ব হিসেবে গ্রহণ করেছিলেন।
কিন্তু আজ সেই জনমানুষের নেতা নিজেই শারীরিকভাবে অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি। তার অসুস্থতার খবর ছড়িয়ে পড়তেই গাছা, টঙ্গী ও আশপাশের এলাকায় নেমে এসেছে উদ্বেগের ছায়া। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে আত্মীয়স্বজন, শুভাকাঙ্ক্ষী, রাজনৈতিক সহকর্মী ও সাধারণ মানুষ দোয়া ও আবেগঘন বার্তায় ভরিয়ে তুলেছেন টাইমলাইন।
কেউ লিখেছেন “আমার শ্রদ্ধেয় কাকা শারীরিকভাবে অসুস্থ, সবাই উনার জন্য দোয়া করবেন। আল্লাহ তায়ালা যেন উনাকে তাড়াতাড়ি সুস্থতা দান করেন, আমীন।” আবার কেউ আবেগঘন ভাষায় বলেছেন, “এ আমার রব, প্রিয় মানুষটাকে সুস্থ করে আমাদের মাঝে ফিরিয়ে আনার তৌফিক দান করুন আমিন।”
পরিবারের সদস্যদের কণ্ঠেও ফুটে উঠেছে গভীর ভালোবাসা ও উৎকণ্ঠা। এক স্বজন লিখেছেন, “আমার বাপজান অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি। সকলে আমার বাপজানের জন্য দোয়া করবেন, আল্লাহ তায়ালা যেন তাকে দ্রুত সুস্থ করে দেন।”
শুধু রাজনৈতিক পরিচয় নয়, মানবিকতা ও সামাজিক দায়বদ্ধতার কারণেই হাজী আব্দুল জব্বার সরকার মানুষের হৃদয়ে বিশেষ স্থান করে নিয়েছেন। ঈদুল আজহার আগমুহূর্তেও তিনি অসুস্থ হওয়ার আগে এলাকাবাসীর জন্য কোরবানির মাংস সমানভাবে বণ্টনের কথা বলেছিলেন। তিনি বারবার বলেছেন, সমাজের গরিব, অসহায় ও দুস্থ মানুষ যেন বঞ্চিত না হয়।
তার ঘনিষ্ঠজনরা জানান, হাজী আব্দুল জব্বার সরকার বিশ্বাস করতেন, “একজন ধনী যেমন কোরবানির আনন্দ উপভোগ করবে, তেমনি একজন গরিব মানুষও যেন সম্মানের সাথে মাংস খেতে পারে।” এই মানবিক চিন্তাধারা তাকে সাধারণ মানুষের আরও কাছাকাছি নিয়ে গেছে। তিনি শুধু রাজনৈতিক নেতা নন, একজন সমাজসেবক, একজন অভিভাবক, একজন মানবিক হৃদয়ের মানুষ হিসেবে পরিচিত।
স্থানীয়দের ভাষ্যমতে, বিপদে-আপদে, অসুস্থতায়, দুঃসময়ে কিংবা সামাজিক যেকোনো সংকটে হাজী আব্দুল জব্বার সরকার ছিলেন মানুষের প্রথম ভরসাস্থল। তাই আজ তার অসুস্থতায় এলাকাবাসী নিজেদের অভিভাবককে হারানোর শঙ্কায় উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন। মসজিদে মসজিদে তার সুস্থতা কামনায় বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
অনেকেই সামাজিক মাধ্যমে লিখছেন, “আল্লাহ তায়ালা যেন মানবিক এই মানুষটিকে দ্রুত সুস্থ করে আমাদের মাঝে ফিরিয়ে দেন। তিনি আবার মানুষের পাশে দাঁড়ান, সমাজের জন্য কাজ করেন, সবাইকে একত্রে নিয়ে উন্নয়নের পথে এগিয়ে যান।” রাজনৈতিক সহকর্মীরা বলেন, হাজী আব্দুল জব্বার সরকার সবসময় ঐক্য, ভ্রাতৃত্ব ও মানবিক রাজনীতির কথা বলতেন। বিভাজন নয়, মানুষের হৃদয় জয় করাই ছিল তার মূল লক্ষ্য।
গাছা ও আশপাশের এলাকার সাধারণ মানুষের একটাই প্রত্যাশা। মানবতার এই প্রিয় মুখটি দ্রুত সুস্থ হয়ে আবারও মানুষের মাঝে ফিরে আসুক। আবারও তিনি অসহায় মানুষের মুখে হাসি ফোটান, সমাজকে একত্রিত করেন, ভালোবাসা ও মানবতার বার্তা ছড়িয়ে দেন।
শেষে এলাকাবাসীর কণ্ঠে একটাই প্রার্থনা “হে মহান আল্লাহ, আপনি আপনার প্রিয় বান্দা হাজী আব্দুল জব্বার সরকারকে দ্রুত পূর্ণ সুস্থতা দান করুন। তাকে আবার আমাদের মাঝে ফিরিয়ে দিন। তিনি যেন আগের মতোই মানুষের সেবা করতে পারেন। আমিন।”