ঢাকা ০৪:৪৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
যুবদলের গৌরব, তারুণ্যের শক্তি ও নেতাকর্মীদের আস্থার প্রতীক নাজমুল হোসেন মন্ডল ব্যারিস্টার জাইমা রহমানকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা নাজমুল হোসেন মন্ডল ও মোঃ শাহজাহান মিয়া (নগর) যুবদলের রাজনীতিতে এক ফুটন্ত গোলাপ শেখ মোঃ সুমন যুবদলের রাজনীতিতে এক ফুটন্ত গোলাপের নাম শেখ মোঃ সুমন মরহুম কাজী জুলফিকর মোল্লার রুহের মাগফিরাত কামনায় বিনিময় কমপ্লেক্সে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল জিয়া সংসদের কেন্দ্রীয় যোগাযোগবিষয়ক সম্পাদক মনোনীত হলেন মোঃ কামরুজ্জামান টুটুল জনগণের রাস্তার মান নিয়ে কথা বলায় অপমানের অভিযোগ, প্রতিবাদে পিয়ারা আক্তার প্রিয়া ৮৪ বছরেও বিদেশের মাটিতে বাংলাদেশের পতাকা উড়িয়েছেন বীর মুক্তিযোদ্ধা মজিবুর রহমান নীতি-নৈতিকতা ও দলীয় কর্মকাণ্ডে সক্রিয় মোঃ শাহজাহান মিয়া, আলোচনায় এরশাদনগরে ধর্মীয় সম্প্রীতি ও নিরাপত্তায় অঙ্গীকারবদ্ধ এমপি রনি, গাজীপুর-২ আসনের পূজামণ্ডপে তারেক রহমানের পক্ষ থেকে সহায়তা

৩৩ বছরে রাষ্ট্রপতি কতজনকে ক্ষমা করেছেন, জানতে চান হাইকোর্ট

md younus
  • আপডেট সময় : ০৫:৩৬:৪১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ এপ্রিল ২০২৫
  • / ২৩০৮ বার পড়া হয়েছে




গত ৩৩ বছরে দায়িত্বে থাকা রাষ্ট্রপতি কতজনের দণ্ড মওকুফ করেছেন তার তালিকা প্রকাশের কেন নির্দেশ দেয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট।
সোমবার বিচারপতি কাজী জিনাত হক ও বিচারপতি আইনুন নাহার সিদ্দিকার হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রুল জারি করেন। এদিন আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার ওমর ফারুক।
মন্ত্রিপরিষদ সচিব, স্বরাষ্ট্র সচিব ও রাষ্ট্রপতি কার্যালয়ের জনবিভাগের সচিবকে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।
আদালতে এদিন রিটের পক্ষে শুনানি করেন রিটকারী আইনজীবী ব্যারিস্টার ওমর ফারুক।
গত সাড়ে ৩৩ বছরে বিভিন্ন সময় দায়িত্বে থাকা রাষ্ট্রপতিরা কতজনের দণ্ড মওকুফ, স্থগিত বা কমিয়েছেন তার তালিকা প্রকাশের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন সুপ্রিম কোর্টের এ আইনজীবী।
এর আগে গত বছরের ২৫ আগস্ট তালিকা জানতে চেয়ে লিগ্যাল নোটিশ দিয়েছিলেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ওমর ফারুক।
নোটিশে ১৯৯১ সালের জানুয়ারি থেকে চলতি বছরের ৩১ জুলাই পর্যন্ত রাষ্ট্রপতি সংবিধানের ৪৯ অনুচ্ছেদের ক্ষমতাবলে কতজন দণ্ড পাওয়া আসামির কারাদণ্ড স্থগিত বা মওকুফ করেছেন, সেই তালিকা ১৫ দিনের মধ্যে প্রকাশের অনুরোধ জানানো হয়।
নোটিশে আরও বলা হয়েছে, রাষ্ট্রপতি কীভাবে, কোন প্রক্রিয়ায়, কাদের সুপারিশ বা তদবিরে দাগি, ঘৃণিত, কুখ্যাত সাজাপ্রাপ্তদের ক্ষমা করেছেন, তা জানার অধিকার আছে। কয়েক বছর ধরে রাষ্ট্রপতি বহু অপরাধী, হত্যা মামলায় দণ্ডপ্রাপ্তদের ক্ষমা করেছেন। রাষ্ট্রপতির ক্ষমা পেয়ে মৃত্যুদণ্ড ও যাবজ্জীবন দণ্ড পাওয়া অপরাধীরা জেল থেকে বেরিয়ে আবার মাফিয়া ডন হিসেবে সমাজে আতঙ্ক ছড়িয়েছে। রাষ্ট্রপতি কোন প্রক্রিয়ায় সাজাপ্রাপ্তদের দণ্ড মওকুফ করেন, দণ্ড মওকুফের মানদণ্ড কী, সেটা মানুষের জানা দরকার। ১৫ দিনের মধ্যে রাষ্ট্রপতি কর্তৃক সাজাপ্রাপ্তদের দণ্ড মওকুফের তালিকা দেওয়ার অনুরোধ করা হয় নোটিশে। কিন্তু তাতে সাড়া না পেয়ে হাইকোর্টে রিট করেন আইনজীবী ওমর ফারুক।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

৩৩ বছরে রাষ্ট্রপতি কতজনকে ক্ষমা করেছেন, জানতে চান হাইকোর্ট

আপডেট সময় : ০৫:৩৬:৪১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ এপ্রিল ২০২৫

গত ৩৩ বছরে দায়িত্বে থাকা রাষ্ট্রপতি কতজনের দণ্ড মওকুফ করেছেন তার তালিকা প্রকাশের কেন নির্দেশ দেয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট।
সোমবার বিচারপতি কাজী জিনাত হক ও বিচারপতি আইনুন নাহার সিদ্দিকার হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রুল জারি করেন। এদিন আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার ওমর ফারুক।
মন্ত্রিপরিষদ সচিব, স্বরাষ্ট্র সচিব ও রাষ্ট্রপতি কার্যালয়ের জনবিভাগের সচিবকে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।
আদালতে এদিন রিটের পক্ষে শুনানি করেন রিটকারী আইনজীবী ব্যারিস্টার ওমর ফারুক।
গত সাড়ে ৩৩ বছরে বিভিন্ন সময় দায়িত্বে থাকা রাষ্ট্রপতিরা কতজনের দণ্ড মওকুফ, স্থগিত বা কমিয়েছেন তার তালিকা প্রকাশের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন সুপ্রিম কোর্টের এ আইনজীবী।
এর আগে গত বছরের ২৫ আগস্ট তালিকা জানতে চেয়ে লিগ্যাল নোটিশ দিয়েছিলেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ওমর ফারুক।
নোটিশে ১৯৯১ সালের জানুয়ারি থেকে চলতি বছরের ৩১ জুলাই পর্যন্ত রাষ্ট্রপতি সংবিধানের ৪৯ অনুচ্ছেদের ক্ষমতাবলে কতজন দণ্ড পাওয়া আসামির কারাদণ্ড স্থগিত বা মওকুফ করেছেন, সেই তালিকা ১৫ দিনের মধ্যে প্রকাশের অনুরোধ জানানো হয়।
নোটিশে আরও বলা হয়েছে, রাষ্ট্রপতি কীভাবে, কোন প্রক্রিয়ায়, কাদের সুপারিশ বা তদবিরে দাগি, ঘৃণিত, কুখ্যাত সাজাপ্রাপ্তদের ক্ষমা করেছেন, তা জানার অধিকার আছে। কয়েক বছর ধরে রাষ্ট্রপতি বহু অপরাধী, হত্যা মামলায় দণ্ডপ্রাপ্তদের ক্ষমা করেছেন। রাষ্ট্রপতির ক্ষমা পেয়ে মৃত্যুদণ্ড ও যাবজ্জীবন দণ্ড পাওয়া অপরাধীরা জেল থেকে বেরিয়ে আবার মাফিয়া ডন হিসেবে সমাজে আতঙ্ক ছড়িয়েছে। রাষ্ট্রপতি কোন প্রক্রিয়ায় সাজাপ্রাপ্তদের দণ্ড মওকুফ করেন, দণ্ড মওকুফের মানদণ্ড কী, সেটা মানুষের জানা দরকার। ১৫ দিনের মধ্যে রাষ্ট্রপতি কর্তৃক সাজাপ্রাপ্তদের দণ্ড মওকুফের তালিকা দেওয়ার অনুরোধ করা হয় নোটিশে। কিন্তু তাতে সাড়া না পেয়ে হাইকোর্টে রিট করেন আইনজীবী ওমর ফারুক।