ঢাকা ০২:৪১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
যুবদলের গৌরব, তারুণ্যের শক্তি ও নেতাকর্মীদের আস্থার প্রতীক নাজমুল হোসেন মন্ডল ব্যারিস্টার জাইমা রহমানকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা নাজমুল হোসেন মন্ডল ও মোঃ শাহজাহান মিয়া (নগর) যুবদলের রাজনীতিতে এক ফুটন্ত গোলাপ শেখ মোঃ সুমন যুবদলের রাজনীতিতে এক ফুটন্ত গোলাপের নাম শেখ মোঃ সুমন মরহুম কাজী জুলফিকর মোল্লার রুহের মাগফিরাত কামনায় বিনিময় কমপ্লেক্সে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল জিয়া সংসদের কেন্দ্রীয় যোগাযোগবিষয়ক সম্পাদক মনোনীত হলেন মোঃ কামরুজ্জামান টুটুল জনগণের রাস্তার মান নিয়ে কথা বলায় অপমানের অভিযোগ, প্রতিবাদে পিয়ারা আক্তার প্রিয়া ৮৪ বছরেও বিদেশের মাটিতে বাংলাদেশের পতাকা উড়িয়েছেন বীর মুক্তিযোদ্ধা মজিবুর রহমান নীতি-নৈতিকতা ও দলীয় কর্মকাণ্ডে সক্রিয় মোঃ শাহজাহান মিয়া, আলোচনায় এরশাদনগরে ধর্মীয় সম্প্রীতি ও নিরাপত্তায় অঙ্গীকারবদ্ধ এমপি রনি, গাজীপুর-২ আসনের পূজামণ্ডপে তারেক রহমানের পক্ষ থেকে সহায়তা

গণতন্ত্রের লড়াইয়ে গ্রেপ্তার-হয়রানির শিকার এক দৃঢ় যোদ্ধা, পরিবার-সন্তানের অশ্রু আর সহকর্মীদের শ্রদ্ধায় টঙ্গীর রাজনীতিতে আশার আলো হয়ে উঠেছেন নাজমুল হোসেন মন্ডল। এবার তিনি গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের ৪৩ নং ওয়ার্ড থেকে কাউন্সিলর পদপ্রার্থী হিসেবে ভোটের ময়দানে।

“সংগ্রাম, ত্যাগ আর সাহসের প্রতীক—৪৩ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থী নাজমুল হোসেন মন্ডল”

md younus
  • আপডেট সময় : ০৩:১৪:৫৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ অগাস্ট ২০২৫
  • / ২৩১৬ বার পড়া হয়েছে




টঙ্গীর ব্যস্ত রাস্তায় রাজনৈতিক আলোড়ন প্রতিদিন চোখে পড়ে। সেই আলোড়নের কেন্দ্রে দাঁড়িয়েছেন নাজমুল হোসেন মন্ডল—যুবদলের নিবেদিত প্রাণ নেতা, যিনি রাজনৈতিক দুঃসময়ে কখনো পিছিয়ে যাননি।
রাজপথে তার পদচারণা মানে সাহসের পরিচয়। বারবার গ্রেপ্তারি ও হয়রানি, পুলিশি লাঠিচার্জ বা রাতের অন্ধকার—এসব কিছুই তাকে থামাতে পারেনি। একবার মধ্যরাতে পুলিশ বাড়িতে ঢুকে তাঁকে টেনে নিয়ে যায়। ছোট সন্তান কাঁদতে কাঁদতে বলল—“আব্বু যেও না।” স্ত্রী চোখের জল মুছতে মুছতে বললেন—“দেশের জন্য লড়ো, আমরা পারব।” সেই দৃশ্য আজও টঙ্গীর মানুষের মনে গভীরভাবে খোদিত।
নাজমুল হোসেন মন্ডলের রাজনৈতিক জীবন শুধু সংগ্রামের গল্প নয়, বরং ত্যাগের প্রতীকও বটে। পরিবার সামলানো, সন্তানদের বড় করা, এবং বারবার জনতার পাশে দাঁড়ানো—সব মিলিয়ে তিনি আজও তরুণ প্রজন্মের কাছে অনুপ্রেরণার নাম। যুবরা তাকে দেখেন এক “আশার বাতিঘর” হিসেবে।
নির্বাচনী মঞ্চে নাজমুল বারবার উচ্চারণ করেন—“গণতন্ত্রের মা বেগম খালেদা জিয়া এবং দেশনেতা তারেক রহমান আমাদের পথপ্রদর্শক। তাঁদের দিকনির্দেশনা ছাড়া কোনো লড়াই অসম্পূর্ণ।” এই অঙ্গীকারই তাকে টঙ্গী-গাজীপুরের রাজনৈতিক মানচিত্রে আলাদা করে তুলেছে।
গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের ৪৩ নং ওয়ার্ডে নির্বাচনী প্রচারণায় প্রার্থী হিসেবে নাজমুল হোসেন মন্ডলের প্রভাব যুবকেন্দ্রিক উদ্যোগ, সাধারণ মানুষের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সংযোগ এবং দৃঢ় নেতৃত্বের কারণে দৃশ্যমান। বিশ্লেষকরা বলছেন, তার জনপ্রিয়তা ও সংগ্রামী ইতিহাস নির্বাচনী ফলাফলের জন্য গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলবে।
টঙ্গীর মানুষের কথায়, — “নাজমুল হোসেন মন্ডল ভাই শুধু নেতা নন, তিনি আমাদের দুঃসময়ের সাথী, আমাদের আশা।”
এখন ভোটের ময়দান ঘনিয়ে আসছে, কিন্তু নাজমুল হোসেন মন্ডলের সাহস, ত্যাগ ও সংগ্রামের গল্প যেন আরও আলোড়ন সৃষ্টি করছে। গাজীপুরবাসী জানে—নাজমুল হোসেন মন্ডল মানেই আশা, সাহস ও বিজয়ের অঙ্গীকার।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

গণতন্ত্রের লড়াইয়ে গ্রেপ্তার-হয়রানির শিকার এক দৃঢ় যোদ্ধা, পরিবার-সন্তানের অশ্রু আর সহকর্মীদের শ্রদ্ধায় টঙ্গীর রাজনীতিতে আশার আলো হয়ে উঠেছেন নাজমুল হোসেন মন্ডল। এবার তিনি গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের ৪৩ নং ওয়ার্ড থেকে কাউন্সিলর পদপ্রার্থী হিসেবে ভোটের ময়দানে।

“সংগ্রাম, ত্যাগ আর সাহসের প্রতীক—৪৩ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থী নাজমুল হোসেন মন্ডল”

আপডেট সময় : ০৩:১৪:৫৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ অগাস্ট ২০২৫

টঙ্গীর ব্যস্ত রাস্তায় রাজনৈতিক আলোড়ন প্রতিদিন চোখে পড়ে। সেই আলোড়নের কেন্দ্রে দাঁড়িয়েছেন নাজমুল হোসেন মন্ডল—যুবদলের নিবেদিত প্রাণ নেতা, যিনি রাজনৈতিক দুঃসময়ে কখনো পিছিয়ে যাননি।
রাজপথে তার পদচারণা মানে সাহসের পরিচয়। বারবার গ্রেপ্তারি ও হয়রানি, পুলিশি লাঠিচার্জ বা রাতের অন্ধকার—এসব কিছুই তাকে থামাতে পারেনি। একবার মধ্যরাতে পুলিশ বাড়িতে ঢুকে তাঁকে টেনে নিয়ে যায়। ছোট সন্তান কাঁদতে কাঁদতে বলল—“আব্বু যেও না।” স্ত্রী চোখের জল মুছতে মুছতে বললেন—“দেশের জন্য লড়ো, আমরা পারব।” সেই দৃশ্য আজও টঙ্গীর মানুষের মনে গভীরভাবে খোদিত।
নাজমুল হোসেন মন্ডলের রাজনৈতিক জীবন শুধু সংগ্রামের গল্প নয়, বরং ত্যাগের প্রতীকও বটে। পরিবার সামলানো, সন্তানদের বড় করা, এবং বারবার জনতার পাশে দাঁড়ানো—সব মিলিয়ে তিনি আজও তরুণ প্রজন্মের কাছে অনুপ্রেরণার নাম। যুবরা তাকে দেখেন এক “আশার বাতিঘর” হিসেবে।
নির্বাচনী মঞ্চে নাজমুল বারবার উচ্চারণ করেন—“গণতন্ত্রের মা বেগম খালেদা জিয়া এবং দেশনেতা তারেক রহমান আমাদের পথপ্রদর্শক। তাঁদের দিকনির্দেশনা ছাড়া কোনো লড়াই অসম্পূর্ণ।” এই অঙ্গীকারই তাকে টঙ্গী-গাজীপুরের রাজনৈতিক মানচিত্রে আলাদা করে তুলেছে।
গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের ৪৩ নং ওয়ার্ডে নির্বাচনী প্রচারণায় প্রার্থী হিসেবে নাজমুল হোসেন মন্ডলের প্রভাব যুবকেন্দ্রিক উদ্যোগ, সাধারণ মানুষের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সংযোগ এবং দৃঢ় নেতৃত্বের কারণে দৃশ্যমান। বিশ্লেষকরা বলছেন, তার জনপ্রিয়তা ও সংগ্রামী ইতিহাস নির্বাচনী ফলাফলের জন্য গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলবে।
টঙ্গীর মানুষের কথায়, — “নাজমুল হোসেন মন্ডল ভাই শুধু নেতা নন, তিনি আমাদের দুঃসময়ের সাথী, আমাদের আশা।”
এখন ভোটের ময়দান ঘনিয়ে আসছে, কিন্তু নাজমুল হোসেন মন্ডলের সাহস, ত্যাগ ও সংগ্রামের গল্প যেন আরও আলোড়ন সৃষ্টি করছে। গাজীপুরবাসী জানে—নাজমুল হোসেন মন্ডল মানেই আশা, সাহস ও বিজয়ের অঙ্গীকার।