শেখ মো: সুমন ও মো: আজিজুর রহমান টিপুর নেতৃত্বে টঙ্গীতে যুবজাগরণের ঐতিহাসিক নির্বাচনী জনসমাবেশ — ধানের শীষকে বিজয়ের পথে এগিয়ে নেওয়ার দৃপ্ত অঙ্গীকার
যুবদলের নেতৃত্বে ইতিহাসের নতুন অধ্যায়
- আপডেট সময় : ১২:০০:৪১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬
- / ২৩২৭ বার পড়া হয়েছে

টঙ্গীর রাজনৈতিক ইতিহাসে এক স্মরণীয় অধ্যায় রচিত হলো যুবদলের হাত ধরে। শেখ মো: সুমন, গাজীপুর মহানগর যুবদল পশ্চিম থানার সভাপতি এবং মো: আজিজুর রহমান টিপু, সাধারণ সম্পাদকের নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত নির্বাচনী প্রথম জনসভা পরিণত হয়েছে এক ঐতিহাসিক জনজোয়ারে।
টঙ্গী সরকারি কলেজ মাঠ প্রাঙ্গণ এবং শফিক উদ্দিন সরকার একাডেমি অ্যান্ড স্কুল এন্ড কলেজ মাঠ প্রাঙ্গণে আয়োজিত এই জনসমাবেশে যে বিপুল যুবসমাগম দেখা গেছে, তা গাজীপুর-২ আসনের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে একটি অভূতপূর্ব রেকর্ড হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
প্রথম নির্বাচনী মাঠেই বিপুলসংখ্যক তরুণ ও যুবককে সংগঠিত করে মাঠে নামানো, এ যেন কেবল একটি রাজনৈতিক কর্মসূচি নয়, বরং ইতিহাস নির্মাণের এক সাহসী অধ্যায়। দলীয় পতাকা, জাতীয় পতাকা এবং ধানের শীষ প্রতীকের পতাকা হাতে নিয়ে যুবদলের কর্মীরা শৃঙ্খলাবদ্ধ মিছিল ও সভায় অংশ নেন।

স্লোগানে মুখর ছিল পুরো এলাকা, “ধান লাগা, লাগারে লাগা, ধান লাগ!” “জিয়া, খালেদা, খালেদা জিয়া!” “ভোট দিবেন কিসে? ধানের শীষে!” “গরিব-দুঃখীর মার্কা ধানের শীষ!” “এবারের মার্কা ধানের শীষ!” এই স্লোগান যেন কেবল শব্দের উচ্চারণ নয়, বরং গণমানুষের আশা, সংগ্রাম ও পরিবর্তনের আকাঙ্ক্ষার প্রতিধ্বনি।
মিছিল ও সমাবেশের শৃঙ্খলা, উপস্থিতির বিশালতা এবং যুবকদের শক্ত অবস্থান দেখে এলাকাবাসী ছিল বিস্মিত ও অভিভূত। অনেকেই মন্তব্য করেছেন, এত বড় যুবসমাগম টঙ্গীর রাজনৈতিক ইতিহাসে বিরল। সমগ্র আয়োজনটি প্রমাণ করে দিয়েছে যে, যুবদল এখন কেবল একটি সংগঠন নয় বরং এটি জনআকাঙ্ক্ষার শক্তিশালী বাহন এবং রাজনৈতিক পরিবর্তনের অগ্রদূত।
লক্ষ্য একটাই এম. মঞ্জুরুল করিম রনির বিজয়ে, এই জনসমাবেশের মূল লক্ষ্য ছিল গাজীপুর-২ আসনে ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী এম. মঞ্জুরুল করিম রনিকে বিজয়ের পথে এগিয়ে নেওয়া। যুবদলের নেতাকর্মীরা দৃঢ় প্রত্যয়ে ঘোষণা দেন “আমরা ঐক্যবদ্ধভাবে ধানের শীষকে বিজয়ী করব, এটাই আমাদের অঙ্গীকার।” সমাবেশ শেষে শেখ মো: সুমন ও মো: আজিজুর রহমান টিপু সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যুবদল কর্মীদের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানান। তারা বলেন, “আপনাদের সাহস, শ্রম ও ভালোবাসা আমাদের শক্তি, এই ঐক্যই বিজয়ের পথ প্রশস্ত করবে।” এই আয়োজন যেন কেবল একটি জনসভা নয় বরং একটি রাজনৈতিক উপন্যাসের জীবন্ত অধ্যায়, যেখানে নেতৃত্ব, ত্যাগ, স্বপ্ন ও সংগ্রাম মিলেমিশে রচিত হয়েছে এক অনন্য গল্প।
বিশ্লেষকদের মতে, এই জনসমাবেশ ভবিষ্যতে গাজীপুরের রাজনৈতিক ইতিহাসে একটি মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হবে, যেখানে যুবদল ইতিহাস সৃষ্টি করেছে, ইতিহাস নির্মাণ করেছে, এবং নতুন প্রজন্মকে রাজনৈতিক সংগ্রামের পথে অনুপ্রাণিত করেছে।




















