ঢাকা ১২:৪৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
যুবদলের গৌরব, তারুণ্যের শক্তি ও নেতাকর্মীদের আস্থার প্রতীক নাজমুল হোসেন মন্ডল ব্যারিস্টার জাইমা রহমানকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা নাজমুল হোসেন মন্ডল ও মোঃ শাহজাহান মিয়া (নগর) যুবদলের রাজনীতিতে এক ফুটন্ত গোলাপ শেখ মোঃ সুমন যুবদলের রাজনীতিতে এক ফুটন্ত গোলাপের নাম শেখ মোঃ সুমন মরহুম কাজী জুলফিকর মোল্লার রুহের মাগফিরাত কামনায় বিনিময় কমপ্লেক্সে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল জিয়া সংসদের কেন্দ্রীয় যোগাযোগবিষয়ক সম্পাদক মনোনীত হলেন মোঃ কামরুজ্জামান টুটুল জনগণের রাস্তার মান নিয়ে কথা বলায় অপমানের অভিযোগ, প্রতিবাদে পিয়ারা আক্তার প্রিয়া ৮৪ বছরেও বিদেশের মাটিতে বাংলাদেশের পতাকা উড়িয়েছেন বীর মুক্তিযোদ্ধা মজিবুর রহমান নীতি-নৈতিকতা ও দলীয় কর্মকাণ্ডে সক্রিয় মোঃ শাহজাহান মিয়া, আলোচনায় এরশাদনগরে ধর্মীয় সম্প্রীতি ও নিরাপত্তায় অঙ্গীকারবদ্ধ এমপি রনি, গাজীপুর-২ আসনের পূজামণ্ডপে তারেক রহমানের পক্ষ থেকে সহায়তা

মায়েদের ইজ্জতের বিনিময়ে ফ্যামিলি কার্ড চাই না: জামায়াত আমির

md younus
  • আপডেট সময় : ১০:৩১:৫৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৬
  • / ২১২৩ বার পড়া হয়েছে




ঢাকা-১৪ (মিরপুর) আসনের মীর আহমদ বিন কাসেম আরমানের সমর্থনে বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) মিরপুরের ওয়াক-আপ উচ্চবিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত সমাবেশে জামায়াতে ইসলামী দলের আমির ডা. শফিকুর রহমান দেশের নারীদের নিরাপত্তা ও মর্যাদাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার হিসেবে তুলে ধরেন। তিনি বলেন, “নারীর ইজ্জতের বিনিময়ে কখনোই ফ্যামিলি কার্ড হতে পারে না। আমরা নারীদের হাতে ভিক্ষার ঝুলি নয়, বরং তাঁদের নিরাপত্তা ও সম্মান নিশ্চিত করতে চাই।”
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ক্ষমতায় গেলে দেশের সব মানুষের অধিকার ন্যায়সংগতভাবে পৌঁছে দেওয়া হবে। তিনি আরও বলেন, “এক হাতে ফ্যামিলি কার্ড আর অন্য হাতে নারীদের গায়ে হাত এই দুটো একসাথে হতে পারে না। দুর্নীতির সঙ্গে আমাদের কোনো আপোশ নেই। ভবিষ্যতে চাঁদাবাজদের কোনো অস্তিত্ব থাকবে না।”
সমাবেশে দাঁড়িপাল্লাকে মানুষের বিজয়ের প্রতীক হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, “আমি জামায়াতে ইসলামী দলের বিজয় চাই না। আমি চাই ১৮ কোটি মানুষের বিজয়। সেই বিজয়ের প্রতীক হলো দাঁড়িপাল্লা। আমরা বেকার ভাতা দিয়ে মানুষের সম্মানহানি করতে চাই না, বরং কাজ তুলে দিতে চাই। শিশু থেকে শুরু করে বৃদ্ধ সবাই যেন মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা পায়, সে ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হবে।”
নারীদের অংশগ্রহণের প্রসঙ্গে জামায়াত আমির বলেন, “বলা হয় আমরা ক্ষমতায় গেলে নারীদের ঘর থেকে বের হতে দেব না। অথচ আজ মায়েরা সন্তান কোলে নিয়ে বুলেটের সামনে দাঁড়িয়েছেন শুধু একটি নিরাপদ বাংলাদেশের জন্য। একজন আধুনিক পোশাক পরিহিত বোনও জানে, জামায়াতের কাছেই নারী জাতি সবচেয়ে বেশি নিরাপদ ও সম্মানিত থাকবে।”
ডা. শফিকুর রহমান বেকারত্ব মোকাবেলা ও প্রশিক্ষণের প্রতিশ্রুতি দিয়ে বলেন, “আমরা যুবকদের হাতে ভিক্ষার ঝুলি নয়, কাজ তুলে দিতে চাই। যেন তাঁরা গর্ব করে বলতে পারেন—‘আমিই বাংলাদেশ’। আমাদের দলের কেউ চাঁদাবাজি করে না। বিপথগামীদেরও প্রশিক্ষণের মাধ্যমে মর্যাদাপূর্ণ কাজের ব্যবস্থা থাকবে।”
তিনি সমাবেশে জনগণকে আহ্বান জানান, “রাষ্ট্রের কোনো প্রাণীও যদি না খেয়ে মারা যায়, তবে শাসককে জবাবদিহি করতে হবে। আগামী ১২ তারিখ ইনসাফের প্রতীক দাঁড়িপাল্লায় ভোট দিয়ে দুর্নীতিমুক্ত ও ন্যায়ভিত্তিক সমাজ গড়ার পথে এগিয়ে আসুন।”

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

মায়েদের ইজ্জতের বিনিময়ে ফ্যামিলি কার্ড চাই না: জামায়াত আমির

আপডেট সময় : ১০:৩১:৫৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৬

ঢাকা-১৪ (মিরপুর) আসনের মীর আহমদ বিন কাসেম আরমানের সমর্থনে বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) মিরপুরের ওয়াক-আপ উচ্চবিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত সমাবেশে জামায়াতে ইসলামী দলের আমির ডা. শফিকুর রহমান দেশের নারীদের নিরাপত্তা ও মর্যাদাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার হিসেবে তুলে ধরেন। তিনি বলেন, “নারীর ইজ্জতের বিনিময়ে কখনোই ফ্যামিলি কার্ড হতে পারে না। আমরা নারীদের হাতে ভিক্ষার ঝুলি নয়, বরং তাঁদের নিরাপত্তা ও সম্মান নিশ্চিত করতে চাই।”
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ক্ষমতায় গেলে দেশের সব মানুষের অধিকার ন্যায়সংগতভাবে পৌঁছে দেওয়া হবে। তিনি আরও বলেন, “এক হাতে ফ্যামিলি কার্ড আর অন্য হাতে নারীদের গায়ে হাত এই দুটো একসাথে হতে পারে না। দুর্নীতির সঙ্গে আমাদের কোনো আপোশ নেই। ভবিষ্যতে চাঁদাবাজদের কোনো অস্তিত্ব থাকবে না।”
সমাবেশে দাঁড়িপাল্লাকে মানুষের বিজয়ের প্রতীক হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, “আমি জামায়াতে ইসলামী দলের বিজয় চাই না। আমি চাই ১৮ কোটি মানুষের বিজয়। সেই বিজয়ের প্রতীক হলো দাঁড়িপাল্লা। আমরা বেকার ভাতা দিয়ে মানুষের সম্মানহানি করতে চাই না, বরং কাজ তুলে দিতে চাই। শিশু থেকে শুরু করে বৃদ্ধ সবাই যেন মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা পায়, সে ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হবে।”
নারীদের অংশগ্রহণের প্রসঙ্গে জামায়াত আমির বলেন, “বলা হয় আমরা ক্ষমতায় গেলে নারীদের ঘর থেকে বের হতে দেব না। অথচ আজ মায়েরা সন্তান কোলে নিয়ে বুলেটের সামনে দাঁড়িয়েছেন শুধু একটি নিরাপদ বাংলাদেশের জন্য। একজন আধুনিক পোশাক পরিহিত বোনও জানে, জামায়াতের কাছেই নারী জাতি সবচেয়ে বেশি নিরাপদ ও সম্মানিত থাকবে।”
ডা. শফিকুর রহমান বেকারত্ব মোকাবেলা ও প্রশিক্ষণের প্রতিশ্রুতি দিয়ে বলেন, “আমরা যুবকদের হাতে ভিক্ষার ঝুলি নয়, কাজ তুলে দিতে চাই। যেন তাঁরা গর্ব করে বলতে পারেন—‘আমিই বাংলাদেশ’। আমাদের দলের কেউ চাঁদাবাজি করে না। বিপথগামীদেরও প্রশিক্ষণের মাধ্যমে মর্যাদাপূর্ণ কাজের ব্যবস্থা থাকবে।”
তিনি সমাবেশে জনগণকে আহ্বান জানান, “রাষ্ট্রের কোনো প্রাণীও যদি না খেয়ে মারা যায়, তবে শাসককে জবাবদিহি করতে হবে। আগামী ১২ তারিখ ইনসাফের প্রতীক দাঁড়িপাল্লায় ভোট দিয়ে দুর্নীতিমুক্ত ও ন্যায়ভিত্তিক সমাজ গড়ার পথে এগিয়ে আসুন।”