২৫ তারিখে তারেক রহমানের দেশ প্রত্যাবর্তনের প্রত্যাশায় উজ্জীবিত গাছা ৩২নং ওয়ার্ডে কাউন্সিলর পদে আস্থার প্রতীক হাজী জব্বার সরকার
জনতার হৃদয়ের ঠিকানায় দাঁড়ানো এক নাম-হাজী আব্দুল জব্বার সরকার
- আপডেট সময় : ০৯:৩০:২০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ ডিসেম্বর ২০২৫
- / ২২১৭ বার পড়া হয়েছে

কিছু মানুষ আছেন, যারা নির্বাচনের আগেই নির্বাচিত হয়ে যান মানুষের হৃদয়ে। যাদের নাম উচ্চারণ করলেই মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে সালাম দেয়, দোয়া করে। গাছা থানা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও ৩২নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর পদপ্রার্থী হাজী আব্দুল জব্বার সরকার তেমনই একজন নেতা, যাকে এলাকাবাসী শুধু চেনেন না, সবাই জানেন।
আজ গাছা অঞ্চলে এটা কারও অজানা নয়। হাজী জব্বার সরকার ৩২নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর পদে দাঁড়িয়েছেন। বাজারে, মসজিদের আঙিনায়, শ্রমজীবী মানুষের মুখে মুখে একটাই কথা, “এই মানুষটা আমাদেরই লোক।”
তার জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে ফুলেল শুভেচ্ছা জানাতে গিয়ে নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষ যেন নিজেদের আবেগই প্রকাশ করেছেন। কারণ হাজী জব্বার সরকার রাজনীতি করেন ইবাদতের মতো। আল্লাহর সন্তুষ্টি আর মানুষের কল্যাণকে সামনে রেখে। আসন্ন ২৫ তারিখে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের দেশ প্রত্যাবর্তনের ঘোষণায় গাছা থানা বিএনপির রাজনীতিতে নতুন উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে। হাজী জব্বার সরকার মনে করেন, এই প্রত্যাবর্তন হবে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের পথে এক ঐতিহাসিক মোড়। এ জন্য বিএনপির উপর থেকে যা যা কর্তব্য নিয়োম কানুন আমরা এবং আমাদের দলীয় নেতা কর্মীদের সবাইকে নিয়ে কাজ করছি। যেন আমাদের দলকে কোন দোষ না দিতে পারে। এমনকি আমরা সবার ঘরে ঘরে যাচ্ছি এবং ধানের শীষে ভোট চাচ্ছি।
তিনি বলেন, “তারেক রহমানের রাজনীতি মানেই জনগণের অধিকার, শোষণমুক্ত সমাজ ও ন্যায়ভিত্তিক রাষ্ট্র। সেই দর্শন ধারণ করেই আমরা মাঠে আছি।” ইসলামের শিক্ষা ও মানবিক মূল্যবোধে বিশ্বাসী হাজী জব্বার সরকার নিজে নামাজ পড়েন, অন্যকেও দ্বীনের পথে আহ্বান জানান। অন্যায়ের বিরুদ্ধে আপসহীন, কিন্তু মানুষের দুঃখে অশ্রুসিক্ত এই বৈশিষ্ট্যই তাকে জনতার আশীর্বাদে পরিণত করেছে।
৩২নং ওয়ার্ডে হাজী আব্দুল জব্বার সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার (সংক্ষেপে):
১। ন্যায়ভিত্তিক সমাজ গঠন: ইসলামি মূল্যবোধে অনুপ্রাণিত হয়ে সৎ, জবাবদিহিমূলক ও মানবিক ওয়ার্ড প্রশাসন গড়ে তোলা।
২। মসজিদ–মাদরাসা ও দ্বীনি প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন: ধর্মীয় শিক্ষা ও নৈতিকতা বিস্তারে সহযোগিতা এবং অবকাঠামোগত সহায়তা।
৩। গরিব–অসহায় ও শ্রমজীবী মানুষের পাশে দাঁড়ানো: বিধবা, প্রতিবন্ধী, দিনমজুর ও নিম্নআয়ের মানুষের জন্য সহায়তা ও সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।
৪। যুব ও কর্মসংস্থান উন্নয়ন: যুবকদের মাদক ও অপরাধ থেকে দূরে রেখে প্রশিক্ষণ ও কর্মমুখী উদ্যোগ গ্রহণ।
৫। পরিচ্ছন্ন ও নিরাপদ ওয়ার্ড: ড্রেনেজ, সড়ক, আলো ও পরিবেশ উন্নয়নে কার্যকর পদক্ষেপ।
৬। জনগণের দরজায় জনপ্রতিনিধি: সরাসরি অভিযোগ গ্রহণ, নিয়মিত গণশুনানি ও উন্মুক্ত যোগাযোগ ব্যবস্থা।
৭। গণতন্ত্র ও ভোটাধিকার রক্ষা: বিএনপির গণতান্ত্রিক আন্দোলনের সঙ্গে একাত্ম হয়ে মানুষের ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠা।
আজ গাছা থানা বিএনপির মাঠমুখী কর্মসূচি, গণসংযোগ ও জনসভায় যে প্রাণচাঞ্চল্য। তার পেছনে হাজী জব্বার সরকারের মতো নেতাদেরই অবদান। এলাকাবাসীর বিশ্বাস, তিনি শুধু প্রতিশ্রুতি দেন না, তিনি বাস্তবায়ন করেন।
দোয়া আর ভালোবাসায় ঘেরা এই মানুষটি আজ ৩২নং ওয়ার্ডের জন্য এক আশীর্বাদ ও আশার নাম। কারণ কেউ নেতা হন পোস্টারে, আর কেউ নেতা হন মানুষের দোয়ায়। হাজী আব্দুল জব্বার সরকার সেই দোয়ার নেতা।




















