আলহাজ্ব সালাহউদ্দিন সরকার: বংশগৌরব, মানবিকতা ও নেতৃত্বের এক মহাকাব্য
গাজীপুর-৬-এর স্বপ্ন, সংগ্রাম ও মানবতার স্থপতি
- আপডেট সময় : ০৫:১৫:৫৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ নভেম্বর ২০২৫
- / ২১৯৭ বার পড়া হয়েছে

গাজীপুরের ঐতিহ্যবাহী সরকার পরিবারের উত্তরসূরি; বিএনপির জন্মমুহূর্ত থেকে আজ পর্যন্ত নিবেদিত প্রাণ; শিক্ষা, ধর্ম, সমাজসেবা, মানবিকতায় এক উজ্জ্বল অবদান। জনগণ তাঁকে দেখে স্বপ্ন, আশা আর নৈতিক রাজনীতির প্রতীক হিসেবে। এক স্বপ্নবাজ মানুষের দীর্ঘ পথচলা, কোনো কোনো মানুষ সময়কে অতিক্রম করে ইতিহাসে পরিণত হন। জমিনের ধুলোয় পা রেখে তাঁর পথচলা শুরু হয়, কিন্তু অল্প সময়েই তিনি হয়ে ওঠেন মানুষের হৃদয়ের বাতিঘর।



গাজীপুর-৬ আসনের মানুষের কাছে এমনই এক নাম — আলহাজ্ব সালাহউদ্দিন সরকার। তিনি শুধু রাজনীতিবিদ নন, তিনি একটি পরিবার-ঐতিহ্য, একটি আদর্শ, একটি মানবিকতার নদী, যার জল আজও গাজীপুরের মানুষকে সিক্ত করে।
গাজীপুরের গ্রামের হাওয়ায় তাঁর পূর্বপুরুষদের মানবিকতার সুবাস ছিল; আজ তাঁর সেবামূলক কর্মকাণ্ডে সেই সুবাস আরও সুগভীর হয়েছে।
বংশগত মহিমার আলো: সরকার পরিবার ; যেকোনো মহৎ ব্যক্তির জীবনগাঁথা বোঝার জন্য তাঁর শেকড় জানা জরুরি। সালাহউদ্দিন সরকারের পারিবারিক ইতিহাস গবেষণা করলে দেখা যায়, এই পরিবার সমাজের অভিভাবক, মানুষের নিরাপদ আশ্রয়, দরিদ্রের ভরসাস্থল,
মসজিদ-মাদরাসা নির্মাণে অগ্রগামী, সৎ ও ধর্মভীরু, আর জনকল্যাণে নিবেদিত।

তাঁর পূর্বপুরুষরা গাজীপুরে শুধু ভূমির মালিক ছিলেন না; মানুষের হৃদয়ের মালিক ছিলেন। যেখানে কলহ, সেখানে সালিশ; যেখানে দুঃখ, সেখানে সাহায্য; যেখানে দরিদ্রতা, সেখানে হাত বাড়িয়ে দেওয়া, এই ছিল সরকার পরিবারের পরিচয়। ধর্মীয় আদর্শে বেড়ে ওঠা: ইমান, নৈতিকতা ও সৎ চরিত্র, শৈশবে তাঁর মায়ের কথা আজও তাঁর কানে বাজে, “বাবা, মানুষের হক নষ্ট করো না। মানুষের সেবা করো, আল্লাহ তোমাকে সম্মান দেবেন।” এ শিক্ষাই আজ তাঁকে পরিণত করেছে। বিনয়ী, ন্যায়পরায়ণ, মানবিক, ধর্মপ্রাণ, সত্যনিষ্ঠ। কোরআন-হাদিসের আলো তাঁর জীবনের প্রতিটি পদক্ষেপে পথ দেখিয়েছে। বিএনপির প্রতি তাঁর জীবনের প্রথম প্রেম : সরকার পরিবার, গাজীপুর বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ঘর, যখন দেশে গণতন্ত্রের সংগ্রাম শুরু হয়, যখন জিয়াউর রহমান জাতীয়তাবাদ, বহুদলীয় গণতন্ত্র ও দেশপ্রেমের ধ্বজাধারী হয়ে ওঠেন, তখন গাজীপুরে যাঁরা তাঁর কথা মানুষের ঘরে ঘরে পৌঁছে দিয়েছিলেন। তাদের মধ্যে সরকার পরিবার ছিল অগ্রগামী। সালাহউদ্দিন সরকার সেই পরিবারেই জন্মেছিলেন। তাঁর চারপাশ ছিল, জিয়া পরিবারের প্রতি আনুগত্য, দলের প্রতি ভালোবাসা, গণতন্ত্র রক্ষার দৃঢ় মানসিকতা, ত্যাগ, সংগ্রাম ও সংগঠনের প্রতি নিবেদন। তিনি ছোটবেলা থেকেই দেখেছেন, এ পরিবার বিএনপিকে শুধু সমর্থন করে না, বিএনপিকে ধারণ করে, রক্তে মেশায়, বংশে বহন করে। আন্দোলন, সংগ্রাম, দমন–পীড়ন, সব জায়গায় অগ্রণী ভূমিকা। গাজীপুরে বিএনপির প্রতিটি আন্দোলন-সংগ্রামে তিনি ছিলেন সামনের সারিতে, স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন, জরুরি অবস্থার সময় ধরপাকড়, নেতাকর্মীদের ঘরে ঘরে হয়রানি, রাজনৈতিক প্রতিহিংসায় মামলা, হামলা, নেতাকর্মীদের আর্থিক সহায়তা, আহতদের চিকিৎসার দায়িত্ব, বিএনপি যখন কঠিন সময় পার করেছে, অনেকে পিছু হটলেও তিনি এক ইঞ্চি পিছাননি। তারেক রহমানের ডাকে তিনি ছিলেন সদা প্রস্তুত।
মানুষের পাশে মানুষের মত করে দাঁড়ানো মানুষ। সালাহউদ্দিন সরকারের সবচেয়ে বড় পরিচয় তাঁর মানবিকতা। গাজীপুরে অনেক পরিবারের মুখে একটি কথা শোনা যায়, “সমস্যা হলে সবার আগে যিনি এগিয়ে আসেন, সালাহউদ্দিন সরকার।” তিনি গরিব ছাত্রদের পড়ালেখার দায়িত্ব নেন। মসজিদ-মাদরাসার জন্য জমি ও অর্থ দেন। বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের ঘর মেরামত করান। পথচারীর চিকিৎসা খরচ দেন। অসহায় পরিবারের পাশে দাঁড়ান। খেলাধুলায় যুবকদের উৎসাহ দেন। দলীয় কর্মীদের আর্থিকভাবে সহায়তা করেন।
অসংখ্য মানুষকে চাকরি পেতে সাহায্য করেন। তিনি কখনো সাহায্যের প্রচার করেন না; মানুষই তাঁকে প্রচার করে। শিক্ষা, সমাজ ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠার অগ্রদূত। গাজীপুরের প্রতিটি এলাকায় তাঁর স্পর্শ আছে, নতুন স্কুল প্রতিষ্ঠা। পুরোনো বিদ্যালয় ও মাদরাসার ভবন নির্মাণ। কওমি ও আলিয়া মাদরাসায় নিয়মিত অনুদান। দরিদ্র শিক্ষার্থীদের জন্য বৃত্তি। কবরস্থান, ঈদগাহ ও মসজিদ সংস্কার। রাস্তা, সেতু, স্যানিটেশন প্রকল্পে সহযোগিতা। পানি ও সেচ ব্যবস্থার উন্নয়ন। গ্রাম–মহল্লার যুবকদের কর্মসংস্থানের উদ্যোগ। মানুষ বলে, “এত সাহায্য করে, অথচ কখনো পত্রিকায় দিতে বলেন না।”
এক নেতা যাঁর গুণের কোনো সীমা নেই, সালাহউদ্দিন সরকারের মধ্যে যে গুণগুলো তাঁকে অনন্য করে তুলেছ। বিনয় ও ভদ্রতা। মানুষকে সম্মান করার অভ্যাস। বিরোধীকেও শ্রদ্ধা করা। সাহস, দৃঢ়তা ও নৈতিকতা। কাজে নিবেদন, কথায় কম। বিএনপি আদর্শে অটলতা। তারেক রহমানের প্রতি অবিচল বিশ্বাস। মানুষের দুঃখে ছুটে আসার মানসিকতা। চাপের মুখে থেকেও হাসিমুখ। নেতাকর্মীদের পরিবারের দায়িত্ব নেওয়ার ক্ষমতা।
গাজীপুর-৬ আসনের মানুষের স্বপ্নের নেতৃত্ব; আজ গাজীপুরের ঘরে ঘরে একটি দাবি শোনা যায়, “এ সংসদীয় এলাকার প্রকৃত যোগ্য জনপ্রতিনিধি সালাহউদ্দিন সরকার।” মানুষ মনে করে, তিনি সৎ, তিনি যোগ্য, তিনি বংশগতভাবে জনসেবায় নিবেদিত, তিনি ধর্মীয় মূল্যবোধে জীবন গড়েছেন, তিনি গাজীপুরের প্রতিটি মানুষের ভাই, তিনি তারেক রহমানের ৩১ দফা রাষ্ট্র মেরামত-নীতির সৈনিক, তিনি উন্নয়ন ও নৈতিকতার রাজনীতি করেন, মনোনয়ন বিবেচনায় তাঁর অবস্থান অত্যন্ত শক্তিশালী। যদি বেগম খালেদা জিয়া, যদি তারেক রহমান। গাজীপুর-৬ আসনের বাস্তবতা, জনগণের ভালোবাসা, এবং তাঁর পারিবারিক ঐতিহ্য বিবেচনায় নেন, তখন মনোনয়নের জন্য একটাই নাম সবচেয়ে উজ্জ্বল সালাহউদ্দিন সরকার।
কারণ তিনি গাজীপুরে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা পরিবারের উত্তরসূরি। আন্দোলন-সংগ্রামের পরীক্ষিত সৈনিক। মানুষের ভালোবাসায় প্রতিষ্ঠিত। এলাকায় সৎ ও সম্মানিত। সামাজিক–ধর্মীয়–শিক্ষাগত কাজে প্রশ্নাতীত। উন্নয়ন ভাবনায় অগ্রগামী। দলের প্রতি বিশ্বস্ত। জনগণের কাছে গ্রহণযোগ্য।
যাঁকে জনগণ চায়, ইতিহাস তাঁকেই বেছে নেয় ; সালাহউদ্দিন সরকারের জীবনগাঁথা পড়লে মনে হয়, এ যেন এক মহাকাব্য যেখানে আছে সংগ্রাম, ত্যাগ, মানবিকতা, ভালোবাসা, বংশগৌরব ও নেতৃত্বের উজ্জ্বল আলো। গাজীপুর-৬ আসন আজ এক নতুন ভোরের অপেক্ষায়। মানুষ চায়, একজন সৎ, দূরদর্শী, নৈতিক ও মানবিক নেতা। যার মধ্যে অতীতের ঐতিহ্য, বর্তমানের প্রয়োজন ও ভবিষ্যতের স্বপ্ন। সব একসূত্রে গাঁথা। এ কারণেই মানুষের কণ্ঠে একটাই উচ্চারণ। “ধানের শীষের পরবর্তী অভিভাবক সালাহউদ্দিন সরকার।”





















