ঢাকা ১২:১৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ১৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মানুষের জন্য বেঁচে থাকা এক মানুষের গল্প একটি চারা, একটি স্বপ্ন, একটি বাংলাদেশ গাজীপুরের টঙ্গীতে দুই কন্যাকে সঙ্গে নিয়ে সবুজের বাগান গড়লেন শেখ মোঃ সুমন; পরিবেশ রক্ষায় ব্যক্তিগত উদ্যোগ থেকে সামাজিক দায়িত্বের এক অনুপ্রেরণার গল্প প্রাচীন গহনা পরে সমালোচনার মুখে জেনডায়া শক্তিশালী পাসপোর্টের তালিকায় আরও ২ ধাপ পিছাল বাংলাদেশ, শীর্ষে সিঙ্গাপুর ১০ আগস্ট এসএসসির পরীক্ষার ফল প্রকাশের সিদ্ধান্ত আন্তঃশিক্ষা বোর্ডের অভিযোগ, সংগ্রাম ও আত্মপক্ষ সমর্থনের এক আলোচিত অধ্যায় দাঁড়াইলের মনোয়ার হোসেন খোকন: বিচারাধীন মামলার মাঝেও নিরপেক্ষ তদন্তের আহ্বান, সংবাদ সম্মেলনে পরিবারের বক্তব্য শ্রদ্ধা, দোয়া ও মানবসেবার অনন্য দৃষ্টান্ত: পিতা লাল মোহাম্মদের মৃত্যুবার্ষিকীতে আলহাজ্ব বছির আহম্মেদ বাবুর ব্যতিক্রমী গণ-দাওয়াত আর-রহমান জামে মসজিদের উন্নয়নে অনুদানের উদ্যোগ দাঁড়াইলের ঘটনা নিয়ে নীরবতা ভাঙলেন মনোয়ার হোসেন খোকন নতুন নৌপ্রধানকে ভাইস অ্যাডমিরাল র‌্যাংক ব্যাজ পরিয়ে দিলেন প্রধানমন্ত্রী টঙ্গীতে স্বামীকে হত্যার অভিযোগে স্ত্রী গ্রেপ্তার

গাজীপুর-৬ আসনের সম্ভাব্য প্রার্থী প্রভাষক বসির উদ্দিন: আদর্শ, ত্যাগ ও জনভিত্তির জীবন্ত প্রতিচ্ছবি

“আমি নেতা নই, কর্মীদের সাথী। এলাকার গরীব মানুষের পাশে দাঁড়ানোই আমার রাজনীতি।” — প্রভাষক বসির উদ্দিন

md younus
  • আপডেট সময় : ০৬:২১:৩৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩ অগাস্ট ২০২৫
  • / ২১৩৬ বার পড়া হয়েছে




পরিবার ও শিক্ষাজীবনের সূচনা : গাজীপুর মহানগরের টঙ্গী থানাধীন আউচপাড়া গ্রামের এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন প্রভাষক বসির উদ্দিন। তাঁর পিতা মৃত আব্দুল গনি এবং মাতা মোসাম্মৎ রেজিয়া খাতুন। পাঁচ ভাই ও তিন বোনের মধ্যে তিনি অন্যতম। পারিবারিক মূল্যবোধ, সামাজিক মর্যাদা ও ধর্মীয় অনুশাসনের ভিত্তিতে গড়ে ওঠা এই পরিবার গাজীপুর অঞ্চলে পরিচিত ও সম্মানিত নাম।
শিক্ষাজীবনের শুরু হয় টঙ্গী পৌর কিণ্ডার গার্ডেন স্কুল থেকে। এরপর তিনি ভর্তি হন আউচপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। প্রাথমিকের পর পড়েন টঙ্গী পাইলট স্কুলে। পরবর্তীতে এই স্কুলের নাম হয় টঙ্গী পাইলট স্কুল এণ্ড গালর্স কলেজ এবং এখান থেকেই এসএসসি পাস করেন ১৯৮৭ সালে।
এরপর আদমজী ক্যান্টনমেন্ট কলেজ থেকে এইচএসসি পাস করেন ১৯৮৯ সালে।
তিনি ভর্তি হন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিএস.এস (BSS) “ব্যাচেলর অফ সোস্যাল সায়েন্স” (Bachelor of Social Science) ১৯৯২ সালে পাস করেন এবং এম.এস.এস (MSS) “মাস্টার অফ সোস্যাল সায়েন্স” (Master of Social Science)। ডিগ্রী ১৯৯৩ সালে মাস্টার্স ডিগ্রি অর্জন করেন। পরে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বি.এড ডিগ্রি লাভ করেন।
পরবর্তীতে, ‘বাংলাদেশে গণতন্ত্র ও রাজনৈতিক বাধা’ বিষয়ের ওপর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে এমফিল গবেষণার কাজ শুরু করেন। কিন্তু তৎকালীন আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক শাসন ও নিপীড়নের কারণে গবেষণাকাজটি মাঝপথে স্থগিত হয়ে যায়।
তবুও তিনি শিক্ষাদানের পেশায় অবিচল ছিলেন এবং রয়েছেন—যার প্রতীক হিসেবে আজও তাঁর নামের আগে উচ্চারিত হয় “প্রভাষক”। তিনি এমফিল ট্রফিক্স (ডেমোক্রেসি ফর বাংলাদেশ) সম্পন্ন করেন।
ছাত্ররাজনীতি থেকে নেতৃত্বের উত্তরণ : বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে তিনি যুক্ত হন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের রাজনীতিতে। কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সদস্য নির্বাচিত হন। তখন আমান উল্লাহ আমান ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের বিপি, এবং বসির উদ্দিন ছিলেন ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক।
রুহুল কবির রিজভী ও নাজিমউদ্দিন আলম এর নেতৃত্বে দুই বছর মেয়াদি কমিটিতে তিনি কেন্দ্রীয় সদস্য ছিলেন।
শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এনি ও হাবিবুন্নবী খান সোহেল এর নেতৃত্বাধীন ঢাবি ছাত্রদল কমিটিতে সহ পাঠাগার সম্পাদক হন।
পরবর্তীতে নবী খান সোহেল ও নাসির উদ্দিন পিন্টুর কমিটিতে তিনি দায়িত্ব পান যুগ্ম সম্পাদক হিসেবে।
একই সময় তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিএফ রহমান হল ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক হিসেবেও নির্বাচিত হন।
তিনি দলের জন্য ছিলেন নিবেদিতপ্রাণ—যেকোনো দুর্যোগে ছিলেন মাঠে, নেতৃত্ব দিয়েছেন কঠিন পরিস্থিতিতে, এবং কর্মীদের পাশে দাঁড়িয়েছেন নির্ভয়ে।
গাজীপুরে প্রত্যাবর্তন ও ত্যাগের রাজনীতি : ঢাকায় সফল ছাত্রজীবন ও কেন্দ্রীয় নেতৃত্বে থাকার পরও তিনি ফিরে আসেন নিজের মাটি গাজীপুরে (টঙ্গীতে)। গাজীপুরের মাঠে সংগঠনের ঘাম, প্রভাষক বসির উদ্দিন নিজের জেলা গাজীপুরে ফিরে আসেন সংগঠন গড়তে। বিশেষ করে যুবদলের গঠন ও নেতৃত্ব বাছাইয়ে তিনি কোনোরূপ লেনদেন বা সুবিধাবাদকে প্রশ্রয় না দিয়ে প্রত্যেকটি ওয়ার্ডে ত্যাগী ও পরীক্ষিত নেতাকর্মীদের দিয়ে কমিটি গঠন করেন। তার এই অবদান গাজীপুরে আজও প্রশংসিত হয়। তিনি গাজীপুর মহানগর যুবদলের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব নেন। পরে হন টঙ্গী পশ্চিম থানা বিএনপির আহ্বায়ক।
তাঁর গঠনকৃত প্রতিটি কমিটিই ছিল ত্যাগী ও পরীক্ষিত কর্মীদের নিয়ে গড়া। তিনি কোনো অর্থ, তদবির বা সুবিধাবাদী চক্রকে প্রশ্রয় দেননি—এটাই তাঁকে নেতা নয়, একজন নীতিনিষ্ঠ সংগঠকে পরিণত করেছে।
রাজনৈতিক নিপীড়ন ও সাহসী অবস্থান : ২০০৭ সালের ১/১১-এর সময় থেকে বসির উদ্দিন আওয়ামী লীগ ও প্রশাসনের একচোখা নির্যাতনের শিকার হন। তাঁর বিরুদ্ধে দায়ের করা হয় ৬৪টিরও বেশি রাজনৈতিক মিথ্যা মামলা চার মাস টানা জেল খাটেন। ভাওয়াল বদরে আলম কলেজে বেগম খালেদা জিয়ার সমাবেশে অংশ নেয়ার প্রস্তুতির সময় উত্তরা অফিস নিজ খরচে চালু করেন—যেখান থেকেই তাকে গ্রেফতার করে সাজা দেওয়া হয় এক বছরের কারাদণ্ড ভোগ করেন।
তিনি বলেন, “আমার বিরুদ্ধে মামলা দিয়ে কেউ আমাকে দমাতে পারেনি। আমি সব সময় রাজপথে ছিলাম, আছি, থাকব।” রাজনৈতিক সভা-সমাবেশ, মিছিল-মিটিং বা হরতালের দিনে তিনি স্বয়ং রাস্তায় থাকতেন। এই কারণে আওয়ামী লীগের অনেক এমপি-মন্ত্রীর রোষানলে পড়ে বারবার জেল খেটেছেন, কিন্তু নীতি থেকে বিচ্যুত হননি।

কর্মীবান্ধব, সেবকপ্রাণ নেতা : প্রভাষক বসির উদ্দিন কখনো পদ-পদবীর অহঙ্কারে ভোগেননি।
তার বাসা সব সময় নেতাকর্মীদের জন্য খোলা। মামলা, জেল, চাকরি, চিকিৎসা—যে কোনো বিপদে তিনি পাশে দাঁড়ান
অর্থনৈতিক সহায়তা থেকে শুরু করে মানসিক সান্ত্বনা পর্যন্ত দিয়ে থাকেন কর্মীদের। তিনি বলেন—“আমি নেতা নই, কর্মীদের সাথী। এলাকার গরীব মানুষের পাশে দাঁড়ানোই আমার রাজনীতি।”
নির্বাচনী অঙ্গীকার: গাজীপুর-৬ গাজীপুর-৬ (গাছা, টঙ্গী, পূবাইল) এক জনবহুল, শ্রমিকনির্ভর ও রাজনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ আসন। এই আসনের ভোটাররা চান—* একজন গৃহস্থপ্রাণ নেতা * শ্রমিক ও মেহনতি মানুষের বন্ধু * মাদকের বিরুদ্ধে কড়া অবস্থান নেওয়া জনপ্রতিনিধি * তরুণদের জন্য কর্মসংস্থানের সৃষ্টিকর্তা * জনগণের সঙ্গে মিশে থাকা একজন সেবক।
বসির উদ্দিন বলেন: “আমি দলে পদ-পদবী চাই না। চাই গরীব, শ্রমজীবী, ছাত্র ও মাদকের বিরুদ্ধে সমাজ গড়ার সুযোগ।
যদি মহানগর বিএনপি আমাকে মনোনয়ন দেয়, আমি জান-প্রাণ দিয়ে জনগণের এমপি হতে চাই। আর যদি বয়োজ্যেষ্ঠ নেতা হাসান উদ্দিন সরকার মনোনয়ন পান, আমি তার নেতৃত্বে কাজ করতে প্রস্তুত।”
✅ কেন প্রভাষক বসির উদ্দিন যোগ্য প্রার্থী?
🔷 ৩৫ বছরের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা
🔷 ছাত্রদল থেকে যুবদল, মহানগর থেকে থানা—সকল স্তরে নেতৃত্ব
🔷 দুর্নীতিমুক্ত ও আত্মত্যাগী জীবন
🔷 সাংগঠনিক দক্ষতা ও পরীক্ষিত কমিটি গঠনের নীতি
🔷 শিক্ষা, সমাজসেবা ও গণমানুষের সঙ্গে সরাসরি সংযোগ
🔷 গরীব, শ্রমিক, ছাত্র, মেহনতি মানুষের প্রতি দায়বদ্ধতা
এলাকাবাসীর আহ্বান: “একজন সৎ মানুষ, একনিষ্ঠ সংগঠক এবং নিঃস্বার্থ জনপ্রতিনিধি হোক গাজীপুর-৬-এর ভোটারদের পছন্দ।” এটি শুধু প্রভাষক বসির উদ্দিনের বক্তব্য নয়—এটি আজ হাজারো কর্মীর, এলাকার মানুষের, এবং পরিবর্তনের আশায় থাকা জনতার প্রত্যাশা।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

গাজীপুর-৬ আসনের সম্ভাব্য প্রার্থী প্রভাষক বসির উদ্দিন: আদর্শ, ত্যাগ ও জনভিত্তির জীবন্ত প্রতিচ্ছবি

“আমি নেতা নই, কর্মীদের সাথী। এলাকার গরীব মানুষের পাশে দাঁড়ানোই আমার রাজনীতি।” — প্রভাষক বসির উদ্দিন

আপডেট সময় : ০৬:২১:৩৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩ অগাস্ট ২০২৫

পরিবার ও শিক্ষাজীবনের সূচনা : গাজীপুর মহানগরের টঙ্গী থানাধীন আউচপাড়া গ্রামের এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন প্রভাষক বসির উদ্দিন। তাঁর পিতা মৃত আব্দুল গনি এবং মাতা মোসাম্মৎ রেজিয়া খাতুন। পাঁচ ভাই ও তিন বোনের মধ্যে তিনি অন্যতম। পারিবারিক মূল্যবোধ, সামাজিক মর্যাদা ও ধর্মীয় অনুশাসনের ভিত্তিতে গড়ে ওঠা এই পরিবার গাজীপুর অঞ্চলে পরিচিত ও সম্মানিত নাম।
শিক্ষাজীবনের শুরু হয় টঙ্গী পৌর কিণ্ডার গার্ডেন স্কুল থেকে। এরপর তিনি ভর্তি হন আউচপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। প্রাথমিকের পর পড়েন টঙ্গী পাইলট স্কুলে। পরবর্তীতে এই স্কুলের নাম হয় টঙ্গী পাইলট স্কুল এণ্ড গালর্স কলেজ এবং এখান থেকেই এসএসসি পাস করেন ১৯৮৭ সালে।
এরপর আদমজী ক্যান্টনমেন্ট কলেজ থেকে এইচএসসি পাস করেন ১৯৮৯ সালে।
তিনি ভর্তি হন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিএস.এস (BSS) “ব্যাচেলর অফ সোস্যাল সায়েন্স” (Bachelor of Social Science) ১৯৯২ সালে পাস করেন এবং এম.এস.এস (MSS) “মাস্টার অফ সোস্যাল সায়েন্স” (Master of Social Science)। ডিগ্রী ১৯৯৩ সালে মাস্টার্স ডিগ্রি অর্জন করেন। পরে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বি.এড ডিগ্রি লাভ করেন।
পরবর্তীতে, ‘বাংলাদেশে গণতন্ত্র ও রাজনৈতিক বাধা’ বিষয়ের ওপর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে এমফিল গবেষণার কাজ শুরু করেন। কিন্তু তৎকালীন আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক শাসন ও নিপীড়নের কারণে গবেষণাকাজটি মাঝপথে স্থগিত হয়ে যায়।
তবুও তিনি শিক্ষাদানের পেশায় অবিচল ছিলেন এবং রয়েছেন—যার প্রতীক হিসেবে আজও তাঁর নামের আগে উচ্চারিত হয় “প্রভাষক”। তিনি এমফিল ট্রফিক্স (ডেমোক্রেসি ফর বাংলাদেশ) সম্পন্ন করেন।
ছাত্ররাজনীতি থেকে নেতৃত্বের উত্তরণ : বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে তিনি যুক্ত হন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের রাজনীতিতে। কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সদস্য নির্বাচিত হন। তখন আমান উল্লাহ আমান ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের বিপি, এবং বসির উদ্দিন ছিলেন ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক।
রুহুল কবির রিজভী ও নাজিমউদ্দিন আলম এর নেতৃত্বে দুই বছর মেয়াদি কমিটিতে তিনি কেন্দ্রীয় সদস্য ছিলেন।
শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এনি ও হাবিবুন্নবী খান সোহেল এর নেতৃত্বাধীন ঢাবি ছাত্রদল কমিটিতে সহ পাঠাগার সম্পাদক হন।
পরবর্তীতে নবী খান সোহেল ও নাসির উদ্দিন পিন্টুর কমিটিতে তিনি দায়িত্ব পান যুগ্ম সম্পাদক হিসেবে।
একই সময় তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিএফ রহমান হল ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক হিসেবেও নির্বাচিত হন।
তিনি দলের জন্য ছিলেন নিবেদিতপ্রাণ—যেকোনো দুর্যোগে ছিলেন মাঠে, নেতৃত্ব দিয়েছেন কঠিন পরিস্থিতিতে, এবং কর্মীদের পাশে দাঁড়িয়েছেন নির্ভয়ে।
গাজীপুরে প্রত্যাবর্তন ও ত্যাগের রাজনীতি : ঢাকায় সফল ছাত্রজীবন ও কেন্দ্রীয় নেতৃত্বে থাকার পরও তিনি ফিরে আসেন নিজের মাটি গাজীপুরে (টঙ্গীতে)। গাজীপুরের মাঠে সংগঠনের ঘাম, প্রভাষক বসির উদ্দিন নিজের জেলা গাজীপুরে ফিরে আসেন সংগঠন গড়তে। বিশেষ করে যুবদলের গঠন ও নেতৃত্ব বাছাইয়ে তিনি কোনোরূপ লেনদেন বা সুবিধাবাদকে প্রশ্রয় না দিয়ে প্রত্যেকটি ওয়ার্ডে ত্যাগী ও পরীক্ষিত নেতাকর্মীদের দিয়ে কমিটি গঠন করেন। তার এই অবদান গাজীপুরে আজও প্রশংসিত হয়। তিনি গাজীপুর মহানগর যুবদলের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব নেন। পরে হন টঙ্গী পশ্চিম থানা বিএনপির আহ্বায়ক।
তাঁর গঠনকৃত প্রতিটি কমিটিই ছিল ত্যাগী ও পরীক্ষিত কর্মীদের নিয়ে গড়া। তিনি কোনো অর্থ, তদবির বা সুবিধাবাদী চক্রকে প্রশ্রয় দেননি—এটাই তাঁকে নেতা নয়, একজন নীতিনিষ্ঠ সংগঠকে পরিণত করেছে।
রাজনৈতিক নিপীড়ন ও সাহসী অবস্থান : ২০০৭ সালের ১/১১-এর সময় থেকে বসির উদ্দিন আওয়ামী লীগ ও প্রশাসনের একচোখা নির্যাতনের শিকার হন। তাঁর বিরুদ্ধে দায়ের করা হয় ৬৪টিরও বেশি রাজনৈতিক মিথ্যা মামলা চার মাস টানা জেল খাটেন। ভাওয়াল বদরে আলম কলেজে বেগম খালেদা জিয়ার সমাবেশে অংশ নেয়ার প্রস্তুতির সময় উত্তরা অফিস নিজ খরচে চালু করেন—যেখান থেকেই তাকে গ্রেফতার করে সাজা দেওয়া হয় এক বছরের কারাদণ্ড ভোগ করেন।
তিনি বলেন, “আমার বিরুদ্ধে মামলা দিয়ে কেউ আমাকে দমাতে পারেনি। আমি সব সময় রাজপথে ছিলাম, আছি, থাকব।” রাজনৈতিক সভা-সমাবেশ, মিছিল-মিটিং বা হরতালের দিনে তিনি স্বয়ং রাস্তায় থাকতেন। এই কারণে আওয়ামী লীগের অনেক এমপি-মন্ত্রীর রোষানলে পড়ে বারবার জেল খেটেছেন, কিন্তু নীতি থেকে বিচ্যুত হননি।

কর্মীবান্ধব, সেবকপ্রাণ নেতা : প্রভাষক বসির উদ্দিন কখনো পদ-পদবীর অহঙ্কারে ভোগেননি।
তার বাসা সব সময় নেতাকর্মীদের জন্য খোলা। মামলা, জেল, চাকরি, চিকিৎসা—যে কোনো বিপদে তিনি পাশে দাঁড়ান
অর্থনৈতিক সহায়তা থেকে শুরু করে মানসিক সান্ত্বনা পর্যন্ত দিয়ে থাকেন কর্মীদের। তিনি বলেন—“আমি নেতা নই, কর্মীদের সাথী। এলাকার গরীব মানুষের পাশে দাঁড়ানোই আমার রাজনীতি।”
নির্বাচনী অঙ্গীকার: গাজীপুর-৬ গাজীপুর-৬ (গাছা, টঙ্গী, পূবাইল) এক জনবহুল, শ্রমিকনির্ভর ও রাজনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ আসন। এই আসনের ভোটাররা চান—* একজন গৃহস্থপ্রাণ নেতা * শ্রমিক ও মেহনতি মানুষের বন্ধু * মাদকের বিরুদ্ধে কড়া অবস্থান নেওয়া জনপ্রতিনিধি * তরুণদের জন্য কর্মসংস্থানের সৃষ্টিকর্তা * জনগণের সঙ্গে মিশে থাকা একজন সেবক।
বসির উদ্দিন বলেন: “আমি দলে পদ-পদবী চাই না। চাই গরীব, শ্রমজীবী, ছাত্র ও মাদকের বিরুদ্ধে সমাজ গড়ার সুযোগ।
যদি মহানগর বিএনপি আমাকে মনোনয়ন দেয়, আমি জান-প্রাণ দিয়ে জনগণের এমপি হতে চাই। আর যদি বয়োজ্যেষ্ঠ নেতা হাসান উদ্দিন সরকার মনোনয়ন পান, আমি তার নেতৃত্বে কাজ করতে প্রস্তুত।”
✅ কেন প্রভাষক বসির উদ্দিন যোগ্য প্রার্থী?
🔷 ৩৫ বছরের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা
🔷 ছাত্রদল থেকে যুবদল, মহানগর থেকে থানা—সকল স্তরে নেতৃত্ব
🔷 দুর্নীতিমুক্ত ও আত্মত্যাগী জীবন
🔷 সাংগঠনিক দক্ষতা ও পরীক্ষিত কমিটি গঠনের নীতি
🔷 শিক্ষা, সমাজসেবা ও গণমানুষের সঙ্গে সরাসরি সংযোগ
🔷 গরীব, শ্রমিক, ছাত্র, মেহনতি মানুষের প্রতি দায়বদ্ধতা
এলাকাবাসীর আহ্বান: “একজন সৎ মানুষ, একনিষ্ঠ সংগঠক এবং নিঃস্বার্থ জনপ্রতিনিধি হোক গাজীপুর-৬-এর ভোটারদের পছন্দ।” এটি শুধু প্রভাষক বসির উদ্দিনের বক্তব্য নয়—এটি আজ হাজারো কর্মীর, এলাকার মানুষের, এবং পরিবর্তনের আশায় থাকা জনতার প্রত্যাশা।