ঢাকা ০৮:৩১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সড়কে মৃত্যু ও পঙ্গু হওয়ার মিছিল দীর্ঘ করছে মোটরসাইকেল বাতিল হতে যাচ্ছে শতাধিক কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অনুমোদন টঙ্গীর রাজপথে যুবদলের বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা, নেতৃত্বে নাজমুল হোসেন মন্ডল গাজীপুর মহানগর-সদরের পর টঙ্গীতেও প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর কর্মসূচিতে সরব উপস্থিতি; তারুণ্যের ঐক্য, সাংগঠনিক তৎপরতা ও শৃঙ্খলাবদ্ধ আয়োজনের চিত্র যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে টঙ্গীতে বর্ণাঢ্য র‍্যালি, মিছিল ও সমাবেশ যুবদলের গৌরব, তারুণ্যের শক্তি ও নেতাকর্মীদের আস্থার প্রতীক নাজমুল হোসেন মন্ডল ব্যারিস্টার জাইমা রহমানকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা নাজমুল হোসেন মন্ডল ও মোঃ শাহজাহান মিয়া (নগর) যুবদলের রাজনীতিতে এক ফুটন্ত গোলাপ শেখ মোঃ সুমন যুবদলের রাজনীতিতে এক ফুটন্ত গোলাপের নাম শেখ মোঃ সুমন মরহুম কাজী জুলফিকর মোল্লার রুহের মাগফিরাত কামনায় বিনিময় কমপ্লেক্সে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল জিয়া সংসদের কেন্দ্রীয় যোগাযোগবিষয়ক সম্পাদক মনোনীত হলেন মোঃ কামরুজ্জামান টুটুল

জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানে শহীদদের রুহের মাগফিরাত কামনায় বিশেষ দোয়া, খিচুড়ি ও বিশুদ্ধ পানি বিতরণ ‘১৭ বছরের আন্দোলনের ত্যাগ ভুলে গেলে চলবে না, সংগঠনে অনুপ্রবেশ ঠেকাতে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে’—সরকার জাবেদ আহমেদ সুমন

ঐতিহাসিক ‘৩৬ জুলাই’ গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে টঙ্গী ৫০ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির দোয়া মাহফিল ও আলোচনা সভা

md younus
  • আপডেট সময় : ০৮:৩৩:৪৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ অগাস্ট ২০২৬
  • / ১৭৬৭ বার পড়া হয়েছে




ঐতিহাসিক ‘৩৬ জুলাই’ গণঅভ্যুত্থান দিবস-২০২৬ উপলক্ষে জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানে নিহত শহীদদের রুহের মাগফিরাত কামনায় গাজীপুর মহানগরের টঙ্গী ৫০ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপি, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে দোয়া মাহফিল, আলোচনা সভা ও গণভোজের আয়োজন করা হয়েছে।
বুধবার (৫ আগস্ট) বিকেলে টঙ্গীর কাজীপাড়া পুকুরপাড়ে দলীয় কার্যালয়ে আয়োজিত অনুষ্ঠানে গণঅভ্যুত্থানে আত্মোৎসর্গকারী শহীদদের গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করা হয়। পরে তাঁদের রুহের মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। দোয়া শেষে উপস্থিত নেতাকর্মী, সমর্থক ও সাধারণ মানুষের মাঝে খিচুড়ি ও বিশুদ্ধ পানি বিতরণ করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সরকার জাবেদ আহমেদ সুমন, সভাপতি, টঙ্গী পূর্ব মেট্রো থানা বিএনপি, গাজীপুর মহানগর।
প্রধান আলোচক ছিলেন গাজী সালাউদ্দিন, সাধারণ সম্পাদক, টঙ্গী পূর্ব মেট্রো থানা বিএনপি, গাজীপুর মহানগর। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রফেসর হারুন অর রশিদ, সহ-সভাপতি, টঙ্গী পূর্ব মেট্রো থানা বিএনপি, গাজীপুর মহানগর এবং আতাউর রহমান, সিনিয়র সহ-সভাপতি, ৫০ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপি, গাজীপুর মহানগর। সভায় সভাপতিত্ব করেন কাজী হারুন উর রশিদ, সাংগঠনিক সম্পাদক, টঙ্গী পূর্ব মেট্রো থানা বিএনপি, গাজীপুর মহানগর এবং সভাপতি, ৫০ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপি। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন কাজী হুমায়ুন কবির, সাধারণ সম্পাদক, ৫০ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপি, গাজীপুর মহানগর। অনুষ্ঠানের শুরুতেই জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানে নিহত সকল শহীদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। পরে এলাকার স্থানীয় মসজিদের ইমাম শহীদদের রুহের মাগফিরাত, দেশ ও জাতির শান্তি, সমৃদ্ধি এবং গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে সরকার জাবেদ আহমেদ সুমন বলেন, “আমরা কাউকে ছোট করতে চাই না। তবে যারা আজ বড় বড় কথা বলেন, তাঁদের মনে রাখা উচিত—দীর্ঘ ১৭ বছর আমরা রাজপথে আন্দোলন-সংগ্রাম করেছি। গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও মানুষের ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে বিএনপির নেতাকর্মীরা নির্যাতন, মামলা, হামলা ও কারাবরণ করেছেন। এই ত্যাগ কখনো অস্বীকার করা যাবে না।” তিনি আরও বলেন, “আন্দোলনের কঠিন সময়ে আমরা অনেক দিন ফজরের নামাজ আদায় করে রাজপথ পাহারা দিয়েছি। সে সময় বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের কর্মীদের মাঠে দেখেছি। আমার ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতায়, জামায়াতের কর্মীদের আওয়ামী লীগকে নিয়ে আপত্তিকর ভাষায় কথা বলতে শুনিনি। আবার ৫ আগস্টের ঘটনাপ্রবাহের দিনও অনেক স্থানে তাদের কোনো কর্মসূচিতে অংশ নিতে দেখিনি।”
তিনি নেতাকর্মীদের উদ্দেশে বলেন, “আমাদের রাজনৈতিকভাবে আরও সচেতন থাকতে হবে। কোনো সুযোগে যেন আওয়ামী লীগের লোকজন আমাদের দলে অনুপ্রবেশ করে বিভ্রান্তি বা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে না পারে, সে বিষয়ে সবাইকে সজাগ থাকতে হবে। দলীয় শৃঙ্খলা, ঐক্য এবং জনগণের আস্থা অটুট রাখাই হবে আমাদের প্রধান দায়িত্ব।”
প্রধান আলোচক গাজী সালাউদ্দিন বলেন, জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানে শহীদদের আত্মত্যাগ বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক সংগ্রামের ইতিহাসে এক অনন্য অধ্যায়। তাঁদের আত্মদান নতুন প্রজন্মকে গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার ও জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে অনুপ্রাণিত করবে। বিশেষ অতিথি প্রফেসর হারুন অর রশিদ বলেন, শহীদদের স্মৃতি ধারণ করে সংগঠনের ঐক্য আরও সুসংহত করতে হবে এবং জনগণের কল্যাণে দায়িত্বশীল রাজনৈতিক ভূমিকা পালন করতে হবে। বিশেষ অতিথি আতাউর রহমান বলেন, ত্যাগ, আদর্শ ও সাংগঠনিক শৃঙ্খলার মধ্য দিয়েই বিএনপি জনগণের আস্থা অর্জন করেছে। সেই ধারা অব্যাহত রাখতে নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।
সভাপতির বক্তব্যে কাজী হারুন উর রশিদ বলেন, শহীদদের আত্মত্যাগ কখনো বৃথা যাবে না। তাঁদের আদর্শকে ধারণ করে গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গঠনের সংগ্রাম অব্যাহত থাকবে। সঞ্চালক কাজী হুমায়ুন কবির অনুষ্ঠানে উপস্থিত সকলকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, গণঅভ্যুত্থানের চেতনা নতুন প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দিতে এ ধরনের কর্মসূচি ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে। অনুষ্ঠানে বিএনপি, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল, ছাত্রদলসহ অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী, সমর্থক এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানের সমাপ্তিতে শহীদদের রুহের মাগফিরাত, দেশের শান্তি, সমৃদ্ধি ও গণতন্ত্রের অগ্রযাত্রা কামনা করে বিশেষ মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। পরে উপস্থিত সবার মধ্যে খিচুড়ি ও বিশুদ্ধ পানি বিতরণ করা হয়। স্লোগান: “জুলাই জাগরণ—নব উদ্যমে বিনির্মাণ।”

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানে শহীদদের রুহের মাগফিরাত কামনায় বিশেষ দোয়া, খিচুড়ি ও বিশুদ্ধ পানি বিতরণ ‘১৭ বছরের আন্দোলনের ত্যাগ ভুলে গেলে চলবে না, সংগঠনে অনুপ্রবেশ ঠেকাতে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে’—সরকার জাবেদ আহমেদ সুমন

ঐতিহাসিক ‘৩৬ জুলাই’ গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে টঙ্গী ৫০ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির দোয়া মাহফিল ও আলোচনা সভা

আপডেট সময় : ০৮:৩৩:৪৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ অগাস্ট ২০২৬

ঐতিহাসিক ‘৩৬ জুলাই’ গণঅভ্যুত্থান দিবস-২০২৬ উপলক্ষে জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানে নিহত শহীদদের রুহের মাগফিরাত কামনায় গাজীপুর মহানগরের টঙ্গী ৫০ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপি, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে দোয়া মাহফিল, আলোচনা সভা ও গণভোজের আয়োজন করা হয়েছে।
বুধবার (৫ আগস্ট) বিকেলে টঙ্গীর কাজীপাড়া পুকুরপাড়ে দলীয় কার্যালয়ে আয়োজিত অনুষ্ঠানে গণঅভ্যুত্থানে আত্মোৎসর্গকারী শহীদদের গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করা হয়। পরে তাঁদের রুহের মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। দোয়া শেষে উপস্থিত নেতাকর্মী, সমর্থক ও সাধারণ মানুষের মাঝে খিচুড়ি ও বিশুদ্ধ পানি বিতরণ করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সরকার জাবেদ আহমেদ সুমন, সভাপতি, টঙ্গী পূর্ব মেট্রো থানা বিএনপি, গাজীপুর মহানগর।
প্রধান আলোচক ছিলেন গাজী সালাউদ্দিন, সাধারণ সম্পাদক, টঙ্গী পূর্ব মেট্রো থানা বিএনপি, গাজীপুর মহানগর। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রফেসর হারুন অর রশিদ, সহ-সভাপতি, টঙ্গী পূর্ব মেট্রো থানা বিএনপি, গাজীপুর মহানগর এবং আতাউর রহমান, সিনিয়র সহ-সভাপতি, ৫০ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপি, গাজীপুর মহানগর। সভায় সভাপতিত্ব করেন কাজী হারুন উর রশিদ, সাংগঠনিক সম্পাদক, টঙ্গী পূর্ব মেট্রো থানা বিএনপি, গাজীপুর মহানগর এবং সভাপতি, ৫০ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপি। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন কাজী হুমায়ুন কবির, সাধারণ সম্পাদক, ৫০ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপি, গাজীপুর মহানগর। অনুষ্ঠানের শুরুতেই জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানে নিহত সকল শহীদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। পরে এলাকার স্থানীয় মসজিদের ইমাম শহীদদের রুহের মাগফিরাত, দেশ ও জাতির শান্তি, সমৃদ্ধি এবং গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে সরকার জাবেদ আহমেদ সুমন বলেন, “আমরা কাউকে ছোট করতে চাই না। তবে যারা আজ বড় বড় কথা বলেন, তাঁদের মনে রাখা উচিত—দীর্ঘ ১৭ বছর আমরা রাজপথে আন্দোলন-সংগ্রাম করেছি। গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও মানুষের ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে বিএনপির নেতাকর্মীরা নির্যাতন, মামলা, হামলা ও কারাবরণ করেছেন। এই ত্যাগ কখনো অস্বীকার করা যাবে না।” তিনি আরও বলেন, “আন্দোলনের কঠিন সময়ে আমরা অনেক দিন ফজরের নামাজ আদায় করে রাজপথ পাহারা দিয়েছি। সে সময় বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের কর্মীদের মাঠে দেখেছি। আমার ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতায়, জামায়াতের কর্মীদের আওয়ামী লীগকে নিয়ে আপত্তিকর ভাষায় কথা বলতে শুনিনি। আবার ৫ আগস্টের ঘটনাপ্রবাহের দিনও অনেক স্থানে তাদের কোনো কর্মসূচিতে অংশ নিতে দেখিনি।”
তিনি নেতাকর্মীদের উদ্দেশে বলেন, “আমাদের রাজনৈতিকভাবে আরও সচেতন থাকতে হবে। কোনো সুযোগে যেন আওয়ামী লীগের লোকজন আমাদের দলে অনুপ্রবেশ করে বিভ্রান্তি বা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে না পারে, সে বিষয়ে সবাইকে সজাগ থাকতে হবে। দলীয় শৃঙ্খলা, ঐক্য এবং জনগণের আস্থা অটুট রাখাই হবে আমাদের প্রধান দায়িত্ব।”
প্রধান আলোচক গাজী সালাউদ্দিন বলেন, জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানে শহীদদের আত্মত্যাগ বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক সংগ্রামের ইতিহাসে এক অনন্য অধ্যায়। তাঁদের আত্মদান নতুন প্রজন্মকে গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার ও জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে অনুপ্রাণিত করবে। বিশেষ অতিথি প্রফেসর হারুন অর রশিদ বলেন, শহীদদের স্মৃতি ধারণ করে সংগঠনের ঐক্য আরও সুসংহত করতে হবে এবং জনগণের কল্যাণে দায়িত্বশীল রাজনৈতিক ভূমিকা পালন করতে হবে। বিশেষ অতিথি আতাউর রহমান বলেন, ত্যাগ, আদর্শ ও সাংগঠনিক শৃঙ্খলার মধ্য দিয়েই বিএনপি জনগণের আস্থা অর্জন করেছে। সেই ধারা অব্যাহত রাখতে নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।
সভাপতির বক্তব্যে কাজী হারুন উর রশিদ বলেন, শহীদদের আত্মত্যাগ কখনো বৃথা যাবে না। তাঁদের আদর্শকে ধারণ করে গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গঠনের সংগ্রাম অব্যাহত থাকবে। সঞ্চালক কাজী হুমায়ুন কবির অনুষ্ঠানে উপস্থিত সকলকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, গণঅভ্যুত্থানের চেতনা নতুন প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দিতে এ ধরনের কর্মসূচি ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে। অনুষ্ঠানে বিএনপি, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল, ছাত্রদলসহ অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী, সমর্থক এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানের সমাপ্তিতে শহীদদের রুহের মাগফিরাত, দেশের শান্তি, সমৃদ্ধি ও গণতন্ত্রের অগ্রযাত্রা কামনা করে বিশেষ মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। পরে উপস্থিত সবার মধ্যে খিচুড়ি ও বিশুদ্ধ পানি বিতরণ করা হয়। স্লোগান: “জুলাই জাগরণ—নব উদ্যমে বিনির্মাণ।”