ঢাকা ১১:৪৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
যুবদলের গৌরব, তারুণ্যের শক্তি ও নেতাকর্মীদের আস্থার প্রতীক নাজমুল হোসেন মন্ডল ব্যারিস্টার জাইমা রহমানকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা নাজমুল হোসেন মন্ডল ও মোঃ শাহজাহান মিয়া (নগর) যুবদলের রাজনীতিতে এক ফুটন্ত গোলাপ শেখ মোঃ সুমন যুবদলের রাজনীতিতে এক ফুটন্ত গোলাপের নাম শেখ মোঃ সুমন মরহুম কাজী জুলফিকর মোল্লার রুহের মাগফিরাত কামনায় বিনিময় কমপ্লেক্সে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল জিয়া সংসদের কেন্দ্রীয় যোগাযোগবিষয়ক সম্পাদক মনোনীত হলেন মোঃ কামরুজ্জামান টুটুল জনগণের রাস্তার মান নিয়ে কথা বলায় অপমানের অভিযোগ, প্রতিবাদে পিয়ারা আক্তার প্রিয়া ৮৪ বছরেও বিদেশের মাটিতে বাংলাদেশের পতাকা উড়িয়েছেন বীর মুক্তিযোদ্ধা মজিবুর রহমান নীতি-নৈতিকতা ও দলীয় কর্মকাণ্ডে সক্রিয় মোঃ শাহজাহান মিয়া, আলোচনায় এরশাদনগরে ধর্মীয় সম্প্রীতি ও নিরাপত্তায় অঙ্গীকারবদ্ধ এমপি রনি, গাজীপুর-২ আসনের পূজামণ্ডপে তারেক রহমানের পক্ষ থেকে সহায়তা

তাহাজ্জুদ নামাজের পর ভোটকেন্দ্রে সতর্ক অবস্থান, অসহায়দের জন্য ফ্রি রিকশা ও নির্বাচনী ব্যয়ে ব্যক্তিগত সহায়তা

এরশাদনগর ৪৯নং ওয়ার্ডে কাউন্সিলর প্রার্থী মো. কামরুল ইসলাম কামু

md younus
  • আপডেট সময় : ০৭:২৮:১৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • / ২০৮৫ বার পড়া হয়েছে




গাজীপুর সিটি করপোরেশনের এরশাদনগর ৪৯নং ওয়ার্ডে কাউন্সিলর পদপ্রার্থী মো. কামরুল ইসলাম কামু নির্বাচনী দিনে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নিয়ে এলাকায় ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছেন। গত ১২ তারিখ গভীর রাত তিনটায় তাহাজ্জুদ নামাজ আদায়ের পর তিনি ভোটকেন্দ্রের সামনে অবস্থান নেন। পরে ফজরের নামাজও আদায় করেন কেন্দ্রের গেট সংলগ্ন এলাকায়। সংশ্লিষ্ট ভোটকেন্দ্র ছিল টঙ্গী চিল্ড্রেন এডুকেশন প্রোগ্রাম (টিসিইপি)।
দলীয় সূত্রে জানা যায়, তারেক রহমান, ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি), পূর্বে নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে নির্দেশনা দিয়েছিলেন, তাহাজ্জুদ নামাজ আদায় করে ভোটকেন্দ্রের আশেপাশে সতর্ক থাকতে, যেন কোনো ধরনের ভোট কারচুপি না হয়। সেই নির্দেশনা স্মরণ রেখে মো. কামরুল ইসলাম কামু কেন্দ্র এলাকায় ভোর থেকেই সজাগ অবস্থান নেন বলে জানা গেছে।
ভোর পাঁচটা থেকে তিনি ৮ ব্লকে আটটি রিকশার ব্যবস্থা করেন, যাতে অসহায়, দরিদ্র ও প্রতিবন্ধী ভোটাররা বিনা খরচে কেন্দ্রে এসে ভোট প্রদান করতে পারেন। এলাকাবাসীর ভাষ্য, “কামু ভাই শুধু ভোট চান না, মানুষের পাশে দাঁড়ান। এটাই তার পরিচয়।”
গাজীপুর-২ আসনে দলীয় প্রার্থীর পক্ষে সক্রিয় ভূমিকায়, এদিকে, গাজীপুর-২ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী এম. মঞ্জুরুল করিম রনি-এর নির্বাচনী প্রচারণায়ও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন কামরুল ইসলাম কামু। দলীয় নেতাকর্মীরা জানান, তিনি ঘরে ঘরে, দ্বারে দ্বারে গিয়ে ভোটারদের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। কর্মীদের প্রচারণা ব্যয়, পরিবহন ও অন্যান্য খরচ নিজের ব্যক্তিগত তহবিল থেকে বহন করেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, যারা নির্বাচনী প্রচারণায় কাজ করেছেন, তাদের প্রাপ্য পারিশ্রমিক তিনি নিজ উদ্যোগে পরিশোধ করেছেন। কোনো অনুদান বা বাহ্যিক সহায়তার ওপর নির্ভর না করে নিজ পকেট থেকেই ব্যয় বহন করেছেন বলে দাবি সংশ্লিষ্টদের। এমনকি অন্যান্য দলের কিছু কর্মীকেও প্রয়োজনে আর্থিক সহায়তা দিয়েছেন বলে এলাকায় প্রচলিত রয়েছে।
নির্বাচনে বিজয়ী হওয়ার পর এম. মঞ্জুরুল করিম রনি স্থানীয় নেতাকর্মীদের ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।
রমজান ও সামাজিক কার্যক্রমেও তিনি আসন্ন পবিত্র রমজান উপলক্ষে কামরুল ইসলাম কামু প্রতি বছরের মতো এ বছরও বিভিন্ন মসজিদে ইফতারের জন্য সহায়তা প্রদানের প্রস্তুতি নিয়েছেন বলে জানা গেছে। এলাকাবাসীর দাবি, ইফতারের সময় কেউ তার দ্বারে গেলে খালি হাতে ফিরে যান না।
স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এরশাদনগর এলাকায় সামাজিক ও মানবিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে কামরুল ইসলাম কামু একটি ইতিবাচক ভাবমূর্তি গড়ে তুলেছেন। দীর্ঘদিন ধরে এলাকার বিভিন্ন উন্নয়নমূলক ও মানবিক কাজে সম্পৃক্ত থাকায় তার নামডাক চারদিকে ছড়িয়ে পড়েছে।
সর্বোপরি, কাউন্সিলর পদে তার প্রার্থিতা ঘিরে ৪৯নং ওয়ার্ডে ব্যাপক আলোচনা তৈরি হয়েছে। দলীয় নেতাকর্মীদের মতে, তৃণমূলের সঙ্গে নিবিড় যোগাযোগ ও ব্যক্তিগত ত্যাগ-তিতিক্ষার মাধ্যমে তিনি নিজেকে একজন সক্রিয় ও জনসম্পৃক্ত রাজনৈতিক কর্মী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে সক্ষম হয়েছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

তাহাজ্জুদ নামাজের পর ভোটকেন্দ্রে সতর্ক অবস্থান, অসহায়দের জন্য ফ্রি রিকশা ও নির্বাচনী ব্যয়ে ব্যক্তিগত সহায়তা

এরশাদনগর ৪৯নং ওয়ার্ডে কাউন্সিলর প্রার্থী মো. কামরুল ইসলাম কামু

আপডেট সময় : ০৭:২৮:১৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

গাজীপুর সিটি করপোরেশনের এরশাদনগর ৪৯নং ওয়ার্ডে কাউন্সিলর পদপ্রার্থী মো. কামরুল ইসলাম কামু নির্বাচনী দিনে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নিয়ে এলাকায় ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছেন। গত ১২ তারিখ গভীর রাত তিনটায় তাহাজ্জুদ নামাজ আদায়ের পর তিনি ভোটকেন্দ্রের সামনে অবস্থান নেন। পরে ফজরের নামাজও আদায় করেন কেন্দ্রের গেট সংলগ্ন এলাকায়। সংশ্লিষ্ট ভোটকেন্দ্র ছিল টঙ্গী চিল্ড্রেন এডুকেশন প্রোগ্রাম (টিসিইপি)।
দলীয় সূত্রে জানা যায়, তারেক রহমান, ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি), পূর্বে নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে নির্দেশনা দিয়েছিলেন, তাহাজ্জুদ নামাজ আদায় করে ভোটকেন্দ্রের আশেপাশে সতর্ক থাকতে, যেন কোনো ধরনের ভোট কারচুপি না হয়। সেই নির্দেশনা স্মরণ রেখে মো. কামরুল ইসলাম কামু কেন্দ্র এলাকায় ভোর থেকেই সজাগ অবস্থান নেন বলে জানা গেছে।
ভোর পাঁচটা থেকে তিনি ৮ ব্লকে আটটি রিকশার ব্যবস্থা করেন, যাতে অসহায়, দরিদ্র ও প্রতিবন্ধী ভোটাররা বিনা খরচে কেন্দ্রে এসে ভোট প্রদান করতে পারেন। এলাকাবাসীর ভাষ্য, “কামু ভাই শুধু ভোট চান না, মানুষের পাশে দাঁড়ান। এটাই তার পরিচয়।”
গাজীপুর-২ আসনে দলীয় প্রার্থীর পক্ষে সক্রিয় ভূমিকায়, এদিকে, গাজীপুর-২ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী এম. মঞ্জুরুল করিম রনি-এর নির্বাচনী প্রচারণায়ও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন কামরুল ইসলাম কামু। দলীয় নেতাকর্মীরা জানান, তিনি ঘরে ঘরে, দ্বারে দ্বারে গিয়ে ভোটারদের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। কর্মীদের প্রচারণা ব্যয়, পরিবহন ও অন্যান্য খরচ নিজের ব্যক্তিগত তহবিল থেকে বহন করেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, যারা নির্বাচনী প্রচারণায় কাজ করেছেন, তাদের প্রাপ্য পারিশ্রমিক তিনি নিজ উদ্যোগে পরিশোধ করেছেন। কোনো অনুদান বা বাহ্যিক সহায়তার ওপর নির্ভর না করে নিজ পকেট থেকেই ব্যয় বহন করেছেন বলে দাবি সংশ্লিষ্টদের। এমনকি অন্যান্য দলের কিছু কর্মীকেও প্রয়োজনে আর্থিক সহায়তা দিয়েছেন বলে এলাকায় প্রচলিত রয়েছে।
নির্বাচনে বিজয়ী হওয়ার পর এম. মঞ্জুরুল করিম রনি স্থানীয় নেতাকর্মীদের ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।
রমজান ও সামাজিক কার্যক্রমেও তিনি আসন্ন পবিত্র রমজান উপলক্ষে কামরুল ইসলাম কামু প্রতি বছরের মতো এ বছরও বিভিন্ন মসজিদে ইফতারের জন্য সহায়তা প্রদানের প্রস্তুতি নিয়েছেন বলে জানা গেছে। এলাকাবাসীর দাবি, ইফতারের সময় কেউ তার দ্বারে গেলে খালি হাতে ফিরে যান না।
স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এরশাদনগর এলাকায় সামাজিক ও মানবিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে কামরুল ইসলাম কামু একটি ইতিবাচক ভাবমূর্তি গড়ে তুলেছেন। দীর্ঘদিন ধরে এলাকার বিভিন্ন উন্নয়নমূলক ও মানবিক কাজে সম্পৃক্ত থাকায় তার নামডাক চারদিকে ছড়িয়ে পড়েছে।
সর্বোপরি, কাউন্সিলর পদে তার প্রার্থিতা ঘিরে ৪৯নং ওয়ার্ডে ব্যাপক আলোচনা তৈরি হয়েছে। দলীয় নেতাকর্মীদের মতে, তৃণমূলের সঙ্গে নিবিড় যোগাযোগ ও ব্যক্তিগত ত্যাগ-তিতিক্ষার মাধ্যমে তিনি নিজেকে একজন সক্রিয় ও জনসম্পৃক্ত রাজনৈতিক কর্মী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে সক্ষম হয়েছেন।