ঢাকা ০৪:৫৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সড়কে মৃত্যু ও পঙ্গু হওয়ার মিছিল দীর্ঘ করছে মোটরসাইকেল বাতিল হতে যাচ্ছে শতাধিক কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অনুমোদন টঙ্গীর রাজপথে যুবদলের বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা, নেতৃত্বে নাজমুল হোসেন মন্ডল গাজীপুর মহানগর-সদরের পর টঙ্গীতেও প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর কর্মসূচিতে সরব উপস্থিতি; তারুণ্যের ঐক্য, সাংগঠনিক তৎপরতা ও শৃঙ্খলাবদ্ধ আয়োজনের চিত্র যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে টঙ্গীতে বর্ণাঢ্য র‍্যালি, মিছিল ও সমাবেশ যুবদলের গৌরব, তারুণ্যের শক্তি ও নেতাকর্মীদের আস্থার প্রতীক নাজমুল হোসেন মন্ডল ব্যারিস্টার জাইমা রহমানকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা নাজমুল হোসেন মন্ডল ও মোঃ শাহজাহান মিয়া (নগর) যুবদলের রাজনীতিতে এক ফুটন্ত গোলাপ শেখ মোঃ সুমন যুবদলের রাজনীতিতে এক ফুটন্ত গোলাপের নাম শেখ মোঃ সুমন মরহুম কাজী জুলফিকর মোল্লার রুহের মাগফিরাত কামনায় বিনিময় কমপ্লেক্সে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল জিয়া সংসদের কেন্দ্রীয় যোগাযোগবিষয়ক সম্পাদক মনোনীত হলেন মোঃ কামরুজ্জামান টুটুল

গাজীপুরে তুচ্ছ পাওনা নিয়ে মারধর, ভাঙচুর ও অর্থ ছিনতাই — ভুক্তভোগীর আকুল আবেদন, “আইনই হোক শেষ ভরসা”

এরশাদনগরে চায়ের দোকানির রক্তাক্ত সন্ধ্যা — পাওনা চাইতে গিয়ে স্ত্রী-ভাবিসহ হাসপাতালে

md younus
  • আপডেট সময় : ০৪:৪০:০৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৫
  • / ২৩৪০ বার পড়া হয়েছে

oneplus_5556




গাজীপুর মহানগরের টঙ্গী পূর্ব থানার এরশাদনগরে শান্ত সন্ধ্যা মুহূর্তে রক্তাক্ত সহিংসতায় রূপ নিল। পাওনা টাকা ফেরত চাইতে গিয়ে মারধরের শিকার হলেন এক চা দোকানি ও তার দুই স্বজন।
ভুক্তভোগী মোঃ আলমগীর (৩৫) জানান, গত ১১ আগস্ট ২০২৫ সন্ধ্যা ৬টার দিকে দোকানে বসে পাওনা ১,০০০ টাকা ফেরত চাইলে অভিযুক্ত মোঃ জসিম (৩০) ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে। কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে জসিমের সঙ্গে থাকা তানিয়া বেগম (২৬) ও হেলেনা বেগম (৪০) মিলে এলোপাতাড়ি মারধর করে আলমগীরকে গুরুতর আহত করে।
শুধু তাই নয়, আলমগীরের স্ত্রী তানিয়া ও ভাইয়ের স্ত্রী রুমা উদ্ধার করতে এগিয়ে গেলে তারাও আঘাতপ্রাপ্ত হন। দোকান ভাঙচুর করে ক্যাশ থেকে ২০ হাজার টাকা নিয়ে যায় হামলাকারীরা। প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে তারা স্থান ত্যাগ করে।
গুরুতর আহত আলমগীর ও রুমা বর্তমানে গাজীপুরের টঙ্গী শহীদ আহসান উল্লাহ জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। হাসপাতালের বিছানায় শুয়ে আলমগীরের কণ্ঠে কষ্ট আর অসহায়ত্বের সুর- “আমি শুধু আমার পাওনা চাইছিলাম। এর বিনিময়ে কি আমার পরিবারকে রক্তাক্ত হতে হবে?”
আইনের দ্বারস্থ হওয়া, ভুক্তভোগী থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। টঙ্গী পূর্ব থানার দায়িত্বশীল কর্মকর্তা জানান, অভিযোগ তদন্তসাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
শেষাংশের সামাজিক বার্তা : এরশাদনগরের এই ঘটনাটি আমাদের সমাজের জন্য একটি কঠিন সতর্কবার্তা। তুচ্ছ আর্থিক বিরোধের জন্য যদি মানুষ গালিগালাজ, ভাঙচুর ও রক্তপাতের পথ বেছে নেয়—তাহলে আমরা কেবল সহিংসতার দুষ্টচক্রকেই বাড়িয়ে দিচ্ছি।
মনে রাখুন — সহিংসতা কখনো ন্যায়বিচারের পথ নয়, বরং নতুন অন্যায়ের জন্ম দেয়। আইনই হতে পারে চূড়ান্ত সমাধান, আর ধৈর্যই পারে রক্তপাত থামাতে।
আজ একজন আলমগীর আহত—কাল হয়তো আপনিই হতে পারেন সেই মানুষ। আসুন, সহিংসতার বিরুদ্ধে আমরা সবাই এক হই।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

গাজীপুরে তুচ্ছ পাওনা নিয়ে মারধর, ভাঙচুর ও অর্থ ছিনতাই — ভুক্তভোগীর আকুল আবেদন, “আইনই হোক শেষ ভরসা”

এরশাদনগরে চায়ের দোকানির রক্তাক্ত সন্ধ্যা — পাওনা চাইতে গিয়ে স্ত্রী-ভাবিসহ হাসপাতালে

আপডেট সময় : ০৪:৪০:০৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৫

গাজীপুর মহানগরের টঙ্গী পূর্ব থানার এরশাদনগরে শান্ত সন্ধ্যা মুহূর্তে রক্তাক্ত সহিংসতায় রূপ নিল। পাওনা টাকা ফেরত চাইতে গিয়ে মারধরের শিকার হলেন এক চা দোকানি ও তার দুই স্বজন।
ভুক্তভোগী মোঃ আলমগীর (৩৫) জানান, গত ১১ আগস্ট ২০২৫ সন্ধ্যা ৬টার দিকে দোকানে বসে পাওনা ১,০০০ টাকা ফেরত চাইলে অভিযুক্ত মোঃ জসিম (৩০) ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে। কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে জসিমের সঙ্গে থাকা তানিয়া বেগম (২৬) ও হেলেনা বেগম (৪০) মিলে এলোপাতাড়ি মারধর করে আলমগীরকে গুরুতর আহত করে।
শুধু তাই নয়, আলমগীরের স্ত্রী তানিয়া ও ভাইয়ের স্ত্রী রুমা উদ্ধার করতে এগিয়ে গেলে তারাও আঘাতপ্রাপ্ত হন। দোকান ভাঙচুর করে ক্যাশ থেকে ২০ হাজার টাকা নিয়ে যায় হামলাকারীরা। প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে তারা স্থান ত্যাগ করে।
গুরুতর আহত আলমগীর ও রুমা বর্তমানে গাজীপুরের টঙ্গী শহীদ আহসান উল্লাহ জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। হাসপাতালের বিছানায় শুয়ে আলমগীরের কণ্ঠে কষ্ট আর অসহায়ত্বের সুর- “আমি শুধু আমার পাওনা চাইছিলাম। এর বিনিময়ে কি আমার পরিবারকে রক্তাক্ত হতে হবে?”
আইনের দ্বারস্থ হওয়া, ভুক্তভোগী থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। টঙ্গী পূর্ব থানার দায়িত্বশীল কর্মকর্তা জানান, অভিযোগ তদন্তসাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
শেষাংশের সামাজিক বার্তা : এরশাদনগরের এই ঘটনাটি আমাদের সমাজের জন্য একটি কঠিন সতর্কবার্তা। তুচ্ছ আর্থিক বিরোধের জন্য যদি মানুষ গালিগালাজ, ভাঙচুর ও রক্তপাতের পথ বেছে নেয়—তাহলে আমরা কেবল সহিংসতার দুষ্টচক্রকেই বাড়িয়ে দিচ্ছি।
মনে রাখুন — সহিংসতা কখনো ন্যায়বিচারের পথ নয়, বরং নতুন অন্যায়ের জন্ম দেয়। আইনই হতে পারে চূড়ান্ত সমাধান, আর ধৈর্যই পারে রক্তপাত থামাতে।
আজ একজন আলমগীর আহত—কাল হয়তো আপনিই হতে পারেন সেই মানুষ। আসুন, সহিংসতার বিরুদ্ধে আমরা সবাই এক হই।