টঙ্গীর সফিউদ্দিন স্কুল এন্ড কলেজ রোডে যানজট নিরসনে প্রশংসনীয় ভূমিকা
মানবিকতার আলোকে ট্রাফিক পুলিশ
md younus
আপডেট সময় :
১২:১৬:৩৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৫
/
২৫৩৩
বার পড়া হয়েছে
বৃষ্টিতে ভিজে যখন সড়ক ডুবে যায়, ড্রেনের পানি উপচে রাস্তায় ছড়িয়ে পড়ে—ঠিক তখনই জনগণের কষ্ট লাঘব করতে মাঠে নামে ট্রাফিক পুলিশ। টঙ্গীর সফিউদ্দিন স্কুল এন্ড কলেজ রোডে এমন দৃশ্য দেখা যায় সম্প্রতি। অফিসগামী মানুষ, গার্মেন্টস শ্রমিক, আদালতগামী ও স্কুলের শিক্ষার্থীদের ভিড়ে সড়ক একেবারেই অচল হয়ে পড়ে। তখন ট্রাফিক পুলিশরা মানবিক ভূমিকা রেখে যানজট নিরসনে সক্রিয় হয়ে ওঠেন।
(প্রথম ছবিতে দেখা যাচ্ছে এক ট্রাফিক পুলিশ সদস্য বৃষ্টির মধ্যে ছাতা মাথায় দায়িত্ব পালন করছেন। দ্বিতীয় ছবিতে কয়েকজন ট্রাফিক পুলিশ ভিজে থাকা সড়কে যানবাহন নিয়ন্ত্রণ করছেন।)
কোরআনের আলোকে শিক্ষা : “যে ব্যক্তি একটি প্রাণকে রক্ষা করল, সে যেন সমগ্র মানবজাতিকে রক্ষা করল।”
(সূরা মায়েদা: ৩২) এই আয়াতের আলোকে স্পষ্ট যে—মানুষের নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করা, কষ্ট লাঘব করা ও দুর্ঘটনা প্রতিরোধ করাও মহান সওয়াবের কাজ।
রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন: “মানুষের মধ্যে সেই ব্যক্তি শ্রেষ্ঠ, যে মানুষকে উপকার করে।”
(সহীহ আল-জামি), আরও বলেছেন: “যে মানুষকে ধন্যবাদ দেয় না, সে আল্লাহকেও ধন্যবাদ দেয় না।”
(আবু দাউদ)
টঙ্গীর ট্রাফিক পুলিশদের এই মানবিক ভূমিকা নিঃসন্দেহে হাদিসের বাস্তব রূপ।
জনগণের আস্থা ও পুলিশের প্রকৃত চিত্র, প্রায়শই পুলিশের বদনাম ছড়ানো হয়, কিন্তু বাস্তবে তাদের ত্যাগ ও মানবিকতাই জনগণের আস্থা অর্জন করে। বাচ্চাদের স্কুলে পৌঁছে দেওয়া, অসুস্থ মানুষকে সাহায্য করা কিংবা ভোরের যানজট সামাল দেওয়া—এসবই প্রমাণ করে, পুলিশ জনগণের জন্য কাজ করে। “মানুষ মানুষের জন্য, জীবন জীবনের জন্য।”
আমাদের দায়িত্ব, ভালো কাজের স্বীকৃতি দেওয়া, পুলিশের মানবিক ভূমিকার প্রশংসা করা, সমালোচনার বদলে উৎসাহ জোগানো।
“মানুষের মধ্যে সেই ব্যক্তি শ্রেষ্ঠ, যে মানুষকে উপকার করে।” —হাদিস। “যে ব্যক্তি একটি প্রাণকে রক্ষা করল, সে যেন সমগ্র মানবজাতিকে রক্ষা করল।” —কোরআন (সূরা মায়েদা: ৩২)
ট্রাফিক পুলিশের কাজ শুধু সড়ক নিয়ন্ত্রণ নয়, বরং মানুষের কষ্ট লাঘব ও নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করা। তাদের মানবিক ভূমিকা দেখে সমাজের সবার উচিত প্রশংসা ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা। আল্লাহ তায়ালা মানুষের সেবাকেই বড় ইবাদত হিসেবে গণ্য করেছেন।