অপরাধ নিয়ন্ত্রণে কঠোর অবস্থান, ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকেও পুলিশের দায়িত্বশীলতা উদাহরণ
টঙ্গীতে সন্ত্রাস দমনে বিশেষ ভূমিকা রাখছেন ওসি মো: ওয়াহিদুজ্জামান
- আপডেট সময় : ০২:৫৬:২৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ অক্টোবর ২০২৫
- / ২২৩৮ বার পড়া হয়েছে

গাজীপুরের টঙ্গী দীর্ঘদিন ধরেই সন্ত্রাস, মাদক ও ছিনতাইয়ের কারণে সাধারণ মানুষের আতঙ্কের এলাকা হিসেবে পরিচিত। সন্ত্রাসীরা নানা সময় এলাকায় ত্রাস সৃষ্টি করে জনগণের জীবনযাত্রা ব্যাহত করেছে। তবে সাম্প্রতিক সময়ে টঙ্গী পূর্ব থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি মো: ওয়াহিদুজ্জামান) এর কঠোর পদক্ষেপে পরিস্থিতি পরিবর্তন হতে শুরু করেছে।
অপরাধ দমনে পুলিশের যে বিশেষ ভূমিকা রয়েছে, নিয়মিত টহল ও পাহারা জোরদার করা, সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে হঠাৎ অভিযান পরিচালনা, রাত সাড়ে ১১টার পর দোকানপাট বন্ধ রাখার নির্দেশনা, মাদক ও ছিনতাই চক্র দমন, সিসি ক্যামেরা মনিটরিং শক্তিশালী করা, এসব পদক্ষেপের মাধ্যমে টঙ্গী এলাকায় অপরাধীদের দৌরাত্ম্য অনেকটাই কমে এসেছে। স্থানীয়রা বলছেন, পুলিশ যেমন জনগণের রক্ষক, তেমনি ওসি মো: ওয়াহিদুজ্জামান নিজেকে একজন কার্যকর নেতৃত্বে রূপান্তরিত করেছেন।
ইসলামে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা ও অপরাধ দমনকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ আমানত হিসেবে গণ্য করা হয়েছে। কুরআনে বলা হয়েছে, “নিশ্চয়ই আল্লাহ তোমাদেরকে আদেশ করেন যে, তোমরা আমানত তার হকদারকে দাও এবং যখন মানুষের মধ্যে বিচার করো তখন ন্যায়ের সাথে বিচার করো।” (সুরা নিসা: ৫৮)
রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, “প্রত্যেকেই দায়িত্বশীল, আর প্রত্যেককে তার দায়িত্ব সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হবে।” (সহিহ বুখারি, মুসলিম), এই দৃষ্টিকোণ থেকে পুলিশের দায়িত্ব শুধু আইন প্রয়োগ নয়, বরং সমাজে ন্যায় প্রতিষ্ঠা করা। টঙ্গী পূর্ব থানার ওসি মো: ওয়াহিদুজ্জামান তার কর্মধারায় সেই দায়িত্বই পালন করছেন।
এক স্থানীয় ব্যবসায়ী বলেন, “আগে রাত হলেই সন্ত্রাসী আর মাদক ব্যবসায়ীদের ভয়ে ব্যবসা বন্ধ করতে হতো। এখন পুলিশি তৎপরতায় নিরাপদ বোধ করছি।” একজন শিক্ষক বলেন, “কুরআন–হাদিসে বলা হয়েছে ন্যায়বিচারই শান্তির মূল। পুলিশ যদি সেই ন্যায় প্রতিষ্ঠা করে, তাহলে সমাজে শান্তি আসবে। ওয়াহিদুজ্জামান স্যার সেই উদাহরণ।”
গাজীপুর-৬ আসনের টঙ্গী এলাকায় নির্বাচনের উত্তাপ যেমন বাড়ছে, তেমনি অপরাধ নিয়ন্ত্রণেও পুলিশের ভূমিকা সামনে এসেছে। প্রার্থীরা প্রতিশ্রুতি দিলেও জনগণ এখন বাস্তবে দেখছে ওসি মো: ওয়াহিদুজ্জামান এর কঠোর অবস্থান ও কার্যকর নেতৃত্বে অপরাধ দমন।
আইন, দায়িত্ব ও ধর্মীয় আমানতের দিক থেকে তিনি প্রমাণ করেছেন, একজন পুলিশ কর্মকর্তা যদি সততা ও দৃঢ়তার সাথে কাজ করেন, তবে জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব।



















