টঙ্গীর রাজপথে তারেক রহমান, আমানতের পাহারায় যুবদল নেতা নাজমুল হোসেন মন্ডল
জনতার ঢেউয়ে শৃঙ্খলার দীপ্ত দৃষ্টান্ত
- আপডেট সময় : ০২:৪৯:০৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২৬
- / ২৪০৬ বার পড়া হয়েছে

বিসমিল্লাহির রহমানির রহিম। রাজনীতি যখন কেবল স্লোগান নয়, দায়িত্ব হয়ে ওঠে ইবাদতের মতো। ঠিক তখনই জন্ম নেয় ইতিহাস। ২৭ জানুয়ারি ২০২৬, তেমনই এক আবেগঘন দিনের সাক্ষী হয়ে রইল টঙ্গী, গাজীপুর।
উত্তরবঙ্গ সফরের পথে বিএনপির চেয়ারম্যান, গণতন্ত্রের প্রতীক তারেক রহমান যখন টঙ্গী কলেজ রোড হয়ে মাইমেনসিং রোড অতিক্রম করেন, তখন রাজপথে নেমে আসে জনতার ভালোবাসার ঢেউ। ভোট ৬টা থেকে সকাল ১১টা ৩০ মিনিট থেকে হাজারো মানুষ অপেক্ষা করছিল প্রিয় নেতার এক ঝলক দেখার আশায়। হাত উঠেছে দোয়ার জন্য, চোখ ভিজেছে আশার আলোয়।

কিন্তু ভালোবাসা যত প্রবল, শৃঙ্খলার দায়িত্ব তত বড়। ইসলামি আদর্শে বলা হয়েছে, “নেতৃত্ব একটি আমানত, আর আমানতের হেফাজত ফরজ।” সেই ফরজ দায়িত্বই রাজপথে পালন করতে দেখা গেছে টঙ্গী পূর্ব থানা যুবদলের সদস্য সচিব ও গাজীপুর মহানগর যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মো. নাজমুল হোসেন মন্ডলকে। তিনি ছিলেন ছায়ার মতো। চোখে না পড়লেও উপস্থিতি অনুভব করা যায়। বাচ্চা, বয়স্ক, নারী ও নেতাকর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নিজে মাঠে নেমে শৃঙ্খলার বলয় তৈরি করেন। কাউকে গাড়ির সামনে যেতে দেননি, আবেগের চাপে যেন বিশৃঙ্খলা না সৃষ্টি হয়, সে বিষয়ে ছিলেন আপসহীন। এমনকি নেতাদেরও নিয়মের বাইরে যাওয়ার সুযোগ দেননি।
তার দায়িত্ব পালনে ছিল না কোনো উচ্ছ্বাসের প্রদর্শনী, ছিল না আত্মপ্রচারের বাসনা। ছিল কেবল নেতৃত্বের প্রতি আনুগত্য আর সংগঠনের প্রতি আমানতদারি। ফেসবুকে প্রকাশিত একটি ছবিতে ধরা পড়েছে প্রতীকী দৃশ্য। গাড়ির ভেতর থেকে তারেক রহমান হাত নেড়ে সালাম জানাচ্ছেন জনতার উদ্দেশ্যে, আর সামনে মো. নাজমুল হোসেন মন্ডল একনিষ্ঠ প্রহরীর মতো শৃঙ্খলা রক্ষায় নিয়োজিত। সে ছবি যেন হাজারো কথার চেয়েও বেশি কিছু বলে দেয়। রাজনীতির ইতিহাসে অনেক কর্মী আসে-যায়, কিন্তু কিছু কর্মী থেকে যান আদর্শের চিহ্ন হয়ে।
বাংলা সাহিত্যের ভাষায়, “যেখানে কর্মী নীরব থেকে দায়িত্ব পালন করে, সেখানেই নেতা হয়ে ওঠে ইতিহাস।”
টঙ্গীর রাজপথে সেদিন প্রমাণ হয়েছে, নেতৃত্ব কেবল মঞ্চে নয়, শৃঙ্খলায়ও মহান। আর সেই শৃঙ্খলার নীরব সৈনিকদের হাত ধরেই এগিয়ে যায় গণতন্ত্রের কাফেলা।




















