ঢাকা ১২:৪৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ১৬ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
উজ্জ্বল চন্দ্র বর্মনের মৃত্যুতে শোকাহত পরিবারের পাশে নাজমুল হোসেন মন্ডল মানুষের পাশে নাজমুল হোসেন মন্ডল, উন্নয়ন ও জনসেবাই যার অঙ্গীকার টঙ্গীতে মাদরাসায় হামলার প্রতিবাদে আলেম-ওলামাদের মানববন্ধন, ৭২ ঘণ্টার আলটিমেটাম সড়কে মৃত্যু ও পঙ্গু হওয়ার মিছিল দীর্ঘ করছে মোটরসাইকেল বাতিল হতে যাচ্ছে শতাধিক কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অনুমোদন টঙ্গীর রাজপথে যুবদলের বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা, নেতৃত্বে নাজমুল হোসেন মন্ডল গাজীপুর মহানগর-সদরের পর টঙ্গীতেও প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর কর্মসূচিতে সরব উপস্থিতি; তারুণ্যের ঐক্য, সাংগঠনিক তৎপরতা ও শৃঙ্খলাবদ্ধ আয়োজনের চিত্র যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে টঙ্গীতে বর্ণাঢ্য র‍্যালি, মিছিল ও সমাবেশ যুবদলের গৌরব, তারুণ্যের শক্তি ও নেতাকর্মীদের আস্থার প্রতীক নাজমুল হোসেন মন্ডল ব্যারিস্টার জাইমা রহমানকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা নাজমুল হোসেন মন্ডল ও মোঃ শাহজাহান মিয়া (নগর) যুবদলের রাজনীতিতে এক ফুটন্ত গোলাপ শেখ মোঃ সুমন

চাঁদপুর ও ফেনীতে উন্নয়ন কর্মসূচি উদ্বোধনে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

md younus
  • আপডেট সময় : ০৯:৩৯:০৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৭ মে ২০২৬
  • / ১৯৩৯ বার পড়া হয়েছে




ফাইল ছবি
দেশের পানি ব্যবস্থাপনা ও কৃষি অবকাঠামো উন্নয়নে বড় ধরনের কর্মসূচি সামনে রেখে আগামী শনিবার (১৬ মে) চাঁদপুর এবং সোমবার (২৫ মে) ফেনী সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এই সফরে সরকারের বহুল আলোচিত খাল খনন কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হবে বলে জানিয়েছেন পানিসম্পদ মন্ত্রী মো. শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি।
বুধবার (৬ মে) প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান তিনি। মন্ত্রী বলেন, দেশের সার্বিক পানি ব্যবস্থাপনা উন্নয়নে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খননের বিশাল লক্ষ্য নিয়ে সরকার কাজ করছে। ইতোমধ্যে মাঠ পর্যায়ে কাজ দ্রুত এগিয়ে চলছে।
সরকারের এই উদ্যোগকে দেশের কৃষি উৎপাদন ও নদী ব্যবস্থাপনায় গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনের সূচনা হিসেবে দেখা হচ্ছে। বিশেষ করে জলাবদ্ধতা কমানো এবং সেচ ব্যবস্থাকে আরও কার্যকর করাই এই প্রকল্পের মূল লক্ষ্য বলে জানা গেছে।
পানিসম্পদ মন্ত্রী আরও জানান, বৈঠকে দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প পদ্মা ব্যারেজ নিয়েও আলোচনা হয়েছে। তিনি বলেন, “পদ্মা ব্যারেজ বাংলাদেশের জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয় একটি প্রকল্প। এটি খুব শিগগিরই একনেকে উপস্থাপন করা হবে এবং চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।”
তার ভাষায়, এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চলের নদীগুলোর পানিপ্রবাহ স্বাভাবিক হবে, একই সঙ্গে লবণাক্ততা সমস্যা কমে আসবে। এতে কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধির পাশাপাশি স্থানীয় অর্থনীতিতেও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।
এদিকে তিস্তা মহাপরিকল্পনা নিয়েও বৈঠকে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে বলে জানান মন্ত্রী। তিনি বলেন, আগামী ১৮০ দিনের মধ্যে কোন কোন কাজ অগ্রাধিকার ভিত্তিতে সম্পন্ন করা হবে, সে বিষয়ে একটি রূপরেখা নির্ধারণ করা হয়েছে। নদীভিত্তিক উন্নয়ন পরিকল্পনায় এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, উন্নয়ন প্রকল্পগুলো বাস্তবায়নের মাধ্যমে দেশের পানি ব্যবস্থাপনা আরও টেকসই করার লক্ষ্য নিয়েই এগোচ্ছে নীতিনির্ধারকরা। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ধরনের বৃহৎ অবকাঠামো প্রকল্প সফলভাবে বাস্তবায়িত হলে গ্রামীণ অর্থনীতি ও কৃষি খাতে দীর্ঘমেয়াদি ইতিবাচক পরিবর্তন আসতে পারে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

চাঁদপুর ও ফেনীতে উন্নয়ন কর্মসূচি উদ্বোধনে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

আপডেট সময় : ০৯:৩৯:০৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৭ মে ২০২৬

ফাইল ছবি
দেশের পানি ব্যবস্থাপনা ও কৃষি অবকাঠামো উন্নয়নে বড় ধরনের কর্মসূচি সামনে রেখে আগামী শনিবার (১৬ মে) চাঁদপুর এবং সোমবার (২৫ মে) ফেনী সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এই সফরে সরকারের বহুল আলোচিত খাল খনন কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হবে বলে জানিয়েছেন পানিসম্পদ মন্ত্রী মো. শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি।
বুধবার (৬ মে) প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান তিনি। মন্ত্রী বলেন, দেশের সার্বিক পানি ব্যবস্থাপনা উন্নয়নে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খননের বিশাল লক্ষ্য নিয়ে সরকার কাজ করছে। ইতোমধ্যে মাঠ পর্যায়ে কাজ দ্রুত এগিয়ে চলছে।
সরকারের এই উদ্যোগকে দেশের কৃষি উৎপাদন ও নদী ব্যবস্থাপনায় গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনের সূচনা হিসেবে দেখা হচ্ছে। বিশেষ করে জলাবদ্ধতা কমানো এবং সেচ ব্যবস্থাকে আরও কার্যকর করাই এই প্রকল্পের মূল লক্ষ্য বলে জানা গেছে।
পানিসম্পদ মন্ত্রী আরও জানান, বৈঠকে দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প পদ্মা ব্যারেজ নিয়েও আলোচনা হয়েছে। তিনি বলেন, “পদ্মা ব্যারেজ বাংলাদেশের জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয় একটি প্রকল্প। এটি খুব শিগগিরই একনেকে উপস্থাপন করা হবে এবং চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।”
তার ভাষায়, এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চলের নদীগুলোর পানিপ্রবাহ স্বাভাবিক হবে, একই সঙ্গে লবণাক্ততা সমস্যা কমে আসবে। এতে কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধির পাশাপাশি স্থানীয় অর্থনীতিতেও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।
এদিকে তিস্তা মহাপরিকল্পনা নিয়েও বৈঠকে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে বলে জানান মন্ত্রী। তিনি বলেন, আগামী ১৮০ দিনের মধ্যে কোন কোন কাজ অগ্রাধিকার ভিত্তিতে সম্পন্ন করা হবে, সে বিষয়ে একটি রূপরেখা নির্ধারণ করা হয়েছে। নদীভিত্তিক উন্নয়ন পরিকল্পনায় এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, উন্নয়ন প্রকল্পগুলো বাস্তবায়নের মাধ্যমে দেশের পানি ব্যবস্থাপনা আরও টেকসই করার লক্ষ্য নিয়েই এগোচ্ছে নীতিনির্ধারকরা। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ধরনের বৃহৎ অবকাঠামো প্রকল্প সফলভাবে বাস্তবায়িত হলে গ্রামীণ অর্থনীতি ও কৃষি খাতে দীর্ঘমেয়াদি ইতিবাচক পরিবর্তন আসতে পারে।