ঢাকা ১০:৩৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

দীর্ঘদিনের ষড়যন্ত্র ও রাজনৈতিক প্রতিহিংসার গ্লানি পেছনে ফেলে দলে পুনর্বাসন; এলাকাজুড়ে মিষ্টি বিতরণ, ব্যানার–ফেস্টুনে উচ্ছ্বাস

এডভোকেট জিয়াউল হাসান স্বপনের বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহারে গাজীপুরে উৎসব: ফুলের শুভেচ্ছায় সিক্ত জনতার নেতা

md younus
  • আপডেট সময় : ০১:০৬:৩৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ নভেম্বর ২০২৫
  • / ২৫০৫ বার পড়া হয়েছে




গাজীপুরে বিরল আনন্দঘন দৃশ্য। দীর্ঘদিন রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র ও মিথ্যা মামলার ঘূর্ণাবর্তে থাকার পর এডভোকেট জিয়াউল হাসান স্বপন-এর ওপর থেকে বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহারের আনুষ্ঠানিক ঘোষণায় এলাকাজুড়ে উৎসবের আমেজ ছড়িয়ে পড়ে। খবরটি ছড়িয়ে পড়ার সঙ্গে সঙ্গে শতশত মানুষ ফুল, মালা, ব্যানার ও ফেস্টুন নিয়ে উল্লাসে রাস্তায় নেমে আসেন।
স্বপনকে ঘিরে মানুষের আবেগ ছিল প্রবল—কারও চোখে জল, কারও হাতে ফুল, আবার কেউবা তাকে দেখে আবেগে ভেঙে পড়েন। এলাকাজুড়ে, বিশেষত তরুণদের মধ্যে দেখা যায় ব্যাপক উচ্ছ্বাস।


“ষড়যন্ত্র শেষ হয় না, কিন্তু সত্যকে দমন করা যায় না” এলাকাবাসীর প্রতিক্রিয়া। স্থানীয় মানুষের ভাষ্য—জিয়াউল হাসান স্বপনের বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল সম্পূর্ণ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। একজন বয়োজ্যেষ্ঠ মানুষ বলেন, “মানুষকে দূরে সরাতে ষড়যন্ত্র হয়, কিন্তু আল্লাহ যাকে রাখেন তাকে কেউ সরাতে পারে না। ঘরের মানুষ একদিন ঘরেই ফিরে আসে।”
অনেকেই মত দেন—স্বপনের জনপ্রিয়তা, কর্মদক্ষতা ও সৎ রাজনীতির কারণে তাকে রাজনৈতিকভাবে টার্গেট করা হয়েছিল। ফুল দিয়ে বরণ, শুভেচ্ছার জোয়ার; বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহারের ঘোষণার পর থেকেই স্বপনকে ফুল দিয়ে বরণ করে নেন স্থানীয় বাসিন্দা, ব্যবসায়ী, তরুণ সমাজ, শ্রমজীবীসহ বিভিন্ন শ্রেণি, পেশার মানুষ। ফুলের মালা, শুভেচ্ছা ব্যানার, কনফেটি, সব মিলিয়ে তার বাড়ি ও আশপাশের এলাকায় তৈরি হয় এক প্রকার “স্বাগত মিছিলের” পরিবেশ।
মানুষের স্লোগান শোনা যায়, “স্বপন ভাই ফিরে এসেছে, গাজীপুরের গর্ব আবার জেগে উঠেছে!” মিষ্টি বিতরণ, উচ্ছ্বাসে ভরে ওঠে এলাকা; বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহারের খবরে এলাকাজুড়ে শত শত মানুষের মাঝে মিষ্টি বিতরণ করা হয়। রাস্তায়, দোকানে, মোড়ে মোড়ে আনন্দ ভাগাভাগি করতে দেখা যায় স্বপনের সমর্থকদের। এক তরুণ বলেন, “স্বপন ভাইয়ের মতো জনগণের নেতা খুব কমই আছে। তার প্রত্যাবর্তন মানে এলাকার উন্নয়ন ও ঐক্যের প্রত্যাবর্তন।”
নেতাকর্মীদের প্রতি স্বপনের কৃতজ্ঞতা, আবেগঘন প্রতিক্রিয়া; এডভোকেট জিয়াউল হাসান স্বপন বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহারের খবরে আবেগঘন প্রতিক্রিয়ায় বলেন, “আলহামদুলিল্লাহ। ষড়যন্ত্র করে আমাকে দূরে রাখতে চেয়েছিল অনেকে, কিন্তু আল্লাহ সব দেখেন। আমি আবারও প্রমাণ পেলাম। জনগণের ভালোবাসাই সবচেয়ে বড় শক্তি।” তিনি বিএনপির সব নেতা কর্মীদের উদ্দেশে বলেন, “যারা কঠিন সময়ে পাশে ছিলেন, দোয়া করেছেন, সাহস দিয়েছেন, আমি সবার কাছে কৃতজ্ঞ। এই ভালোবাসার ঋণ আমি কাজের মাধ্যমে শোধ করতে চাই।”
এছাড়া তিনি গাজীপুরবাসীকেও বিশেষ ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, “যারা আমাকে সমর্থন করেছেন, বিশ্বাস করেছেন। আমি তাদের সেবা করতেই রাজনীতি করি।” “জেল-হাজত, মিথ্যা মামলা, সবই ছিল পরিকল্পিত” স্থানীয়দের দাবি স্বপনকে দুর্বল করতে মিথ্যা মামলা দিয়ে জেল-হাজতে পাঠানো হয়েছিল। এ্যাডভোকেট স্বপনও বলেন, “আমাকে ষড়যন্ত্র করে কারাগারে নিতে চেয়েছিল। আমি জেল খেটেছি, অপমান সহ্য করেছি, কিন্তু ন্যায়ের পথ ছাড়িনি। আল্লাহ আমাকে সম্মান ফিরিয়ে দিয়েছেন।”
দলের প্রতি আনুগত্য পুনর্ব্যক্ত; স্বপন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান, সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব রুহুল কবীর রিজভী, গাজীপুর মহানগর বিএনপির সভাপতি শওকত হোসেন সরকার, এবং সকল নেতাকর্মীদের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানান।
তিনি বলেন, “দল আমাকে আবারও গ্রহণ করেছে। আমি বিএনপির আদর্শ, গণতন্ত্র ও মানুষের অধিকারের জন্য কাজ করে যাব।” রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মন্তব্য: স্বপনের প্রত্যাবর্তন গাজীপুর বিএনপিতে নতুন গতি আনবে স্থানীয় বিশ্লেষকদের মতে, বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহারের ঘোষণায় গাজীপুর মহানগর বিএনপির সাংগঠনিক কাঠামো নতুন উদ্দীপনা ও ঐক্য ফিরে পাবে। এলাকার তৃণমূল নেতাকর্মীরা নতুন করে সক্রিয় হচ্ছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

দীর্ঘদিনের ষড়যন্ত্র ও রাজনৈতিক প্রতিহিংসার গ্লানি পেছনে ফেলে দলে পুনর্বাসন; এলাকাজুড়ে মিষ্টি বিতরণ, ব্যানার–ফেস্টুনে উচ্ছ্বাস

এডভোকেট জিয়াউল হাসান স্বপনের বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহারে গাজীপুরে উৎসব: ফুলের শুভেচ্ছায় সিক্ত জনতার নেতা

আপডেট সময় : ০১:০৬:৩৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ নভেম্বর ২০২৫

গাজীপুরে বিরল আনন্দঘন দৃশ্য। দীর্ঘদিন রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র ও মিথ্যা মামলার ঘূর্ণাবর্তে থাকার পর এডভোকেট জিয়াউল হাসান স্বপন-এর ওপর থেকে বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহারের আনুষ্ঠানিক ঘোষণায় এলাকাজুড়ে উৎসবের আমেজ ছড়িয়ে পড়ে। খবরটি ছড়িয়ে পড়ার সঙ্গে সঙ্গে শতশত মানুষ ফুল, মালা, ব্যানার ও ফেস্টুন নিয়ে উল্লাসে রাস্তায় নেমে আসেন।
স্বপনকে ঘিরে মানুষের আবেগ ছিল প্রবল—কারও চোখে জল, কারও হাতে ফুল, আবার কেউবা তাকে দেখে আবেগে ভেঙে পড়েন। এলাকাজুড়ে, বিশেষত তরুণদের মধ্যে দেখা যায় ব্যাপক উচ্ছ্বাস।


“ষড়যন্ত্র শেষ হয় না, কিন্তু সত্যকে দমন করা যায় না” এলাকাবাসীর প্রতিক্রিয়া। স্থানীয় মানুষের ভাষ্য—জিয়াউল হাসান স্বপনের বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল সম্পূর্ণ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। একজন বয়োজ্যেষ্ঠ মানুষ বলেন, “মানুষকে দূরে সরাতে ষড়যন্ত্র হয়, কিন্তু আল্লাহ যাকে রাখেন তাকে কেউ সরাতে পারে না। ঘরের মানুষ একদিন ঘরেই ফিরে আসে।”
অনেকেই মত দেন—স্বপনের জনপ্রিয়তা, কর্মদক্ষতা ও সৎ রাজনীতির কারণে তাকে রাজনৈতিকভাবে টার্গেট করা হয়েছিল। ফুল দিয়ে বরণ, শুভেচ্ছার জোয়ার; বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহারের ঘোষণার পর থেকেই স্বপনকে ফুল দিয়ে বরণ করে নেন স্থানীয় বাসিন্দা, ব্যবসায়ী, তরুণ সমাজ, শ্রমজীবীসহ বিভিন্ন শ্রেণি, পেশার মানুষ। ফুলের মালা, শুভেচ্ছা ব্যানার, কনফেটি, সব মিলিয়ে তার বাড়ি ও আশপাশের এলাকায় তৈরি হয় এক প্রকার “স্বাগত মিছিলের” পরিবেশ।
মানুষের স্লোগান শোনা যায়, “স্বপন ভাই ফিরে এসেছে, গাজীপুরের গর্ব আবার জেগে উঠেছে!” মিষ্টি বিতরণ, উচ্ছ্বাসে ভরে ওঠে এলাকা; বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহারের খবরে এলাকাজুড়ে শত শত মানুষের মাঝে মিষ্টি বিতরণ করা হয়। রাস্তায়, দোকানে, মোড়ে মোড়ে আনন্দ ভাগাভাগি করতে দেখা যায় স্বপনের সমর্থকদের। এক তরুণ বলেন, “স্বপন ভাইয়ের মতো জনগণের নেতা খুব কমই আছে। তার প্রত্যাবর্তন মানে এলাকার উন্নয়ন ও ঐক্যের প্রত্যাবর্তন।”
নেতাকর্মীদের প্রতি স্বপনের কৃতজ্ঞতা, আবেগঘন প্রতিক্রিয়া; এডভোকেট জিয়াউল হাসান স্বপন বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহারের খবরে আবেগঘন প্রতিক্রিয়ায় বলেন, “আলহামদুলিল্লাহ। ষড়যন্ত্র করে আমাকে দূরে রাখতে চেয়েছিল অনেকে, কিন্তু আল্লাহ সব দেখেন। আমি আবারও প্রমাণ পেলাম। জনগণের ভালোবাসাই সবচেয়ে বড় শক্তি।” তিনি বিএনপির সব নেতা কর্মীদের উদ্দেশে বলেন, “যারা কঠিন সময়ে পাশে ছিলেন, দোয়া করেছেন, সাহস দিয়েছেন, আমি সবার কাছে কৃতজ্ঞ। এই ভালোবাসার ঋণ আমি কাজের মাধ্যমে শোধ করতে চাই।”
এছাড়া তিনি গাজীপুরবাসীকেও বিশেষ ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, “যারা আমাকে সমর্থন করেছেন, বিশ্বাস করেছেন। আমি তাদের সেবা করতেই রাজনীতি করি।” “জেল-হাজত, মিথ্যা মামলা, সবই ছিল পরিকল্পিত” স্থানীয়দের দাবি স্বপনকে দুর্বল করতে মিথ্যা মামলা দিয়ে জেল-হাজতে পাঠানো হয়েছিল। এ্যাডভোকেট স্বপনও বলেন, “আমাকে ষড়যন্ত্র করে কারাগারে নিতে চেয়েছিল। আমি জেল খেটেছি, অপমান সহ্য করেছি, কিন্তু ন্যায়ের পথ ছাড়িনি। আল্লাহ আমাকে সম্মান ফিরিয়ে দিয়েছেন।”
দলের প্রতি আনুগত্য পুনর্ব্যক্ত; স্বপন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান, সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব রুহুল কবীর রিজভী, গাজীপুর মহানগর বিএনপির সভাপতি শওকত হোসেন সরকার, এবং সকল নেতাকর্মীদের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানান।
তিনি বলেন, “দল আমাকে আবারও গ্রহণ করেছে। আমি বিএনপির আদর্শ, গণতন্ত্র ও মানুষের অধিকারের জন্য কাজ করে যাব।” রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মন্তব্য: স্বপনের প্রত্যাবর্তন গাজীপুর বিএনপিতে নতুন গতি আনবে স্থানীয় বিশ্লেষকদের মতে, বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহারের ঘোষণায় গাজীপুর মহানগর বিএনপির সাংগঠনিক কাঠামো নতুন উদ্দীপনা ও ঐক্য ফিরে পাবে। এলাকার তৃণমূল নেতাকর্মীরা নতুন করে সক্রিয় হচ্ছেন।