ঢাকা ১১:৩২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সড়কে মৃত্যু ও পঙ্গু হওয়ার মিছিল দীর্ঘ করছে মোটরসাইকেল বাতিল হতে যাচ্ছে শতাধিক কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অনুমোদন টঙ্গীর রাজপথে যুবদলের বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা, নেতৃত্বে নাজমুল হোসেন মন্ডল গাজীপুর মহানগর-সদরের পর টঙ্গীতেও প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর কর্মসূচিতে সরব উপস্থিতি; তারুণ্যের ঐক্য, সাংগঠনিক তৎপরতা ও শৃঙ্খলাবদ্ধ আয়োজনের চিত্র যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে টঙ্গীতে বর্ণাঢ্য র‍্যালি, মিছিল ও সমাবেশ যুবদলের গৌরব, তারুণ্যের শক্তি ও নেতাকর্মীদের আস্থার প্রতীক নাজমুল হোসেন মন্ডল ব্যারিস্টার জাইমা রহমানকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা নাজমুল হোসেন মন্ডল ও মোঃ শাহজাহান মিয়া (নগর) যুবদলের রাজনীতিতে এক ফুটন্ত গোলাপ শেখ মোঃ সুমন যুবদলের রাজনীতিতে এক ফুটন্ত গোলাপের নাম শেখ মোঃ সুমন মরহুম কাজী জুলফিকর মোল্লার রুহের মাগফিরাত কামনায় বিনিময় কমপ্লেক্সে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল জিয়া সংসদের কেন্দ্রীয় যোগাযোগবিষয়ক সম্পাদক মনোনীত হলেন মোঃ কামরুজ্জামান টুটুল

৩২ নং ওয়ার্ডে লোভহীন নেতৃত্বের প্রতীক—শিক্ষা, ন্যায়বিচার ও অপরাধমুক্ত সমাজ গড়ার এক অনন্য দৃষ্টান্ত

এডভোকেট আবুল কালাম: আদর্শ, ত্যাগ ও মানবিকতার এক জীবন্ত মহাকাব্য

md younus
  • আপডেট সময় : ১০:৫৫:১০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৪ এপ্রিল ২০২৬
  • / ২০০৭ বার পড়া হয়েছে




প্রস্তাবনা: এক নীরব আলোর উত্থান। গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের ৩২ নং ওয়ার্ড। দশটি গ্রামের সমন্বয়ে গড়ে ওঠা এই জনপদে আজ এক নাম উচ্চারিত হয় গভীর আস্থা, শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায়। তিনি এডভোকেট আবুল কালাম। প্রচারণার কোলাহল নয়, মানুষের হৃদয়ের নিঃশব্দ বিশ্বাসই তাকে আজ একটি আলাদা উচ্চতায় নিয়ে গেছে। রাজনীতি তার কাছে ক্ষমতার নয়, বরং মানুষের কল্যাণের পথ।
পারিবারিক ঐতিহ্য: দানের শেকড় থেকে নেতৃত্বের বিকাশ। আবুল কালামের পারিবারিক ইতিহাস এক মানবসেবার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। তার দাদা, সমাজসেবক হাজী আব্দুল কাদের। ১৯৭৮ সালের গ্রাম সরকার বিচারক ও একজন ন্যায়পরায়ণ মাদবর হিসেবে এলাকায় সুপরিচিত ছিলেন।
কোনো অসহায় মানুষ তার দরজা থেকে খালি হাতে ফেরেনি। প্রয়োজন হলে নিজে গিয়ে সহযোগিতা করেছেন। তিনি ছিলেন সত্যিকার অর্থেই একজন দানবীর। পিতা হাজী মোহাম্মদ ইউনুস মিয়া ও মাতা মোসাম্মদ সালেহার স্নেহে বেড়ে ওঠা এই পরিবার ধর্মীয় মূল্যবোধে দৃঢ়-সততা, নামাজ ও মানবসেবাই তাদের জীবনের মূল ভিত্তি।
শিক্ষা ও সমাজগঠন: আলোর প্রদীপ জ্বালানোর এক অনন্য প্রয়াস। নিজের দাদার নামে প্রতিষ্ঠা করেছেন, হাজী আব্দুল কাদের দারুস সালাম মহিলা মাদ্রাসা, হাজী আব্দুল কাদের দারুস সালাম পুরুষ মাদ্রাসা, হাজী আব্দুল কাদের ক্যাডেট স্কুল (দশম শ্রেণি পর্যন্ত ফ্রি)। এগুলো শুধু প্রতিষ্ঠান নয়। এগুলো একটি স্বপ্ন, যেখানে গরিব ও অসহায় শিক্ষার্থীরা বিনামূল্যে শিক্ষা পায়। নিজের অর্থায়নে শিক্ষক বেতন, শিক্ষাসামগ্রী ও ছাত্রদের সহায়তা সবই তিনি বহন করছেন নিরলসভাবে।
রাজনৈতিক সংগ্রাম: ত্যাগের আগুনে গড়া এক নেতা। ছাত্রজীবন থেকেই তার রাজনৈতিক পথচলা। সাবেক প্রতিষ্ঠাতা আহ্বায়ক, ছাত্রদল (গাছা থানা), সাবেক সহ-আইন বিষয়ক সম্পাদক, গাছা থানা বিএনপি, সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক, গাছা ইউনিয়ন ছাত্রদল। ১৭ বছরের রাজনৈতিক জীবনে তিনি বহুবার গ্রেপ্তার, মিথ্যা মামলা ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। এমনকি এডভোকেট হওয়ার পরীক্ষার দিনও তাকে ডিবি পুলিশ গ্রেপ্তার করে। তবুও তিনি থেমে থাকেননি। জামিন নিয়ে পরীক্ষা দিয়ে কৃতিত্বের সঙ্গে উত্তীর্ণ হন। এই ঘটনাই প্রমাণ করে, তিনি একজন অদম্য সংগ্রামী।
আইনজীবী হিসেবে মানবিকতা: ন্যায়বিচারের নির্ভীক কণ্ঠ। আইন পেশায় এসে তিনি নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন একজন মানবিক আইনজীবী হিসেবে। অসংখ্য নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষকে বিনা পারিশ্রমিকে আইনি সহায়তা। মিথ্যা মামলা থেকে খালাস। জামিনে মুক্তির ব্যবস্থা
তার নিজের ভাষায়, “আমি নিজে নির্যাতিত হয়েছি, তাই মানুষের কষ্ট বুঝি।” এই উপলব্ধিই তাকে মানুষের আস্থার জায়গায় নিয়ে গেছে।
সমাজে শৃঙ্খলা: অপরাধমুক্ত এক আদর্শ ওয়ার্ড। ৩২ নং ওয়ার্ড আজ একটি নিরাপদ ও শান্তিপূর্ণ জনপদ। নেই মাদক ব্যবসা। নেই চাঁদাবাজি। নেই ছিনতাই। মানুষ গভীর রাতেও নির্ভয়ে চলাফেরা করতে পারে। রিকশাচালকদের কাছ থেকেও কোনো চাঁদা নেওয়া হয় না। তিনি স্পষ্ট ঘোষণা দিয়েছেন, “আমার এলাকায় কোনো নেশা বা অবৈধ কাজ চলবে না।” প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় রেখে তিনি এই শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা করেছেন।
সম্পদে নয়, মানসে মহত্ত্ব: লোভহীন এক আদর্শ মানুষ। এডভোকেট আবুল কালামের জীবনের আরেকটি উজ্জ্বল দিক হলো, তার লোভহীনতা।
পারিবারিকভাবে তিনি বিঘা বিঘা সম্পত্তি, মার্কেট ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মালিক। তবুও তার মধ্যে নেই কোনো অহংকার। তিনি সবসময় বলেন, “এগুলো আল্লাহর দান। আল্লাহ আমাকে স্বয়ংসম্পূর্ণ করেছেন, তাই আমি কখনো মানুষের হক নষ্ট করবো না।” তিনি বিশ্বাস করেন, গরিবের ওপর অন্যায় হতে দেওয়া যাবে না। কেউ যেন বিচার না পেয়ে কষ্ট না পায়। ন্যায়বিচার পেয়ে মানুষ যেন আনন্দে থাকতে পারে। তার কাছে সম্পদ মানে দায়িত্ব, ভোগ নয়। নিজের সম্পদের জন্য তিনি আল্লাহর কাছে সর্বদা শুকরিয়া আদায় করেন এবং তা মানুষের কল্যাণে ব্যয় করেন।
মানবিক নেতৃত্ব: সম্মান ও ভালোবাসার প্রতীক। তিনি কখনো কাউকে ছোট করেন না, কটূক্তি করেন না। সবাইকে সম্মান দিয়ে কথা বলেন, এটাই তার বড় শক্তি। ধনী-গরিব, ছোট-বড় সবাই তার কাছে সমান। মানুষ আজও তার কাছে আসে সমস্যার সমাধান নিয়ে।
অটল আদর্শ: বিশ্বাসের কাছে আপোষহীন এক নেতা। রাজনৈতিক জীবনের কঠিন সময়েও তিনি আদর্শ থেকে বিচ্যুত হননি। অনেকেই যখন দল পরিবর্তন করেছেন, তিনি তখন দৃঢ়ভাবে বলেছেন, “প্রাণ যাবে, কিন্তু আদর্শ ছাড়বো না।” এই অটল অবস্থানই তাকে একজন সত্যিকারের নেতায় পরিণত করেছে। এক নতুন ইতিহাসের সূচনা এডভোকেট আবুল কালাম শুধু একজন কাউন্সিলর পদপ্রার্থী নন তিনি একটি দর্শন, একটি বিশ্বাস, একটি মানবিক আন্দোলনের নাম। তার জীবনের প্রতিটি অধ্যায় ত্যাগ, সংগ্রাম ও ভালোবাসার একেকটি গল্প।
৩২ নং ওয়ার্ড আজ যে নিরাপদ, শিক্ষিত ও মানবিক সমাজে পরিণত হয়েছে। তার পেছনে রয়েছে এই এক মানুষের নিরলস প্রচেষ্টা। সময়ের স্রোতে অনেক নাম হারিয়ে যায়, কিন্তু কিছু নাম ইতিহাস হয়ে থাকে। এডভোকেট আবুল কালাম সেই ইতিহাসেরই এক উজ্জ্বল অধ্যায়।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

৩২ নং ওয়ার্ডে লোভহীন নেতৃত্বের প্রতীক—শিক্ষা, ন্যায়বিচার ও অপরাধমুক্ত সমাজ গড়ার এক অনন্য দৃষ্টান্ত

এডভোকেট আবুল কালাম: আদর্শ, ত্যাগ ও মানবিকতার এক জীবন্ত মহাকাব্য

আপডেট সময় : ১০:৫৫:১০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৪ এপ্রিল ২০২৬

প্রস্তাবনা: এক নীরব আলোর উত্থান। গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের ৩২ নং ওয়ার্ড। দশটি গ্রামের সমন্বয়ে গড়ে ওঠা এই জনপদে আজ এক নাম উচ্চারিত হয় গভীর আস্থা, শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায়। তিনি এডভোকেট আবুল কালাম। প্রচারণার কোলাহল নয়, মানুষের হৃদয়ের নিঃশব্দ বিশ্বাসই তাকে আজ একটি আলাদা উচ্চতায় নিয়ে গেছে। রাজনীতি তার কাছে ক্ষমতার নয়, বরং মানুষের কল্যাণের পথ।
পারিবারিক ঐতিহ্য: দানের শেকড় থেকে নেতৃত্বের বিকাশ। আবুল কালামের পারিবারিক ইতিহাস এক মানবসেবার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। তার দাদা, সমাজসেবক হাজী আব্দুল কাদের। ১৯৭৮ সালের গ্রাম সরকার বিচারক ও একজন ন্যায়পরায়ণ মাদবর হিসেবে এলাকায় সুপরিচিত ছিলেন।
কোনো অসহায় মানুষ তার দরজা থেকে খালি হাতে ফেরেনি। প্রয়োজন হলে নিজে গিয়ে সহযোগিতা করেছেন। তিনি ছিলেন সত্যিকার অর্থেই একজন দানবীর। পিতা হাজী মোহাম্মদ ইউনুস মিয়া ও মাতা মোসাম্মদ সালেহার স্নেহে বেড়ে ওঠা এই পরিবার ধর্মীয় মূল্যবোধে দৃঢ়-সততা, নামাজ ও মানবসেবাই তাদের জীবনের মূল ভিত্তি।
শিক্ষা ও সমাজগঠন: আলোর প্রদীপ জ্বালানোর এক অনন্য প্রয়াস। নিজের দাদার নামে প্রতিষ্ঠা করেছেন, হাজী আব্দুল কাদের দারুস সালাম মহিলা মাদ্রাসা, হাজী আব্দুল কাদের দারুস সালাম পুরুষ মাদ্রাসা, হাজী আব্দুল কাদের ক্যাডেট স্কুল (দশম শ্রেণি পর্যন্ত ফ্রি)। এগুলো শুধু প্রতিষ্ঠান নয়। এগুলো একটি স্বপ্ন, যেখানে গরিব ও অসহায় শিক্ষার্থীরা বিনামূল্যে শিক্ষা পায়। নিজের অর্থায়নে শিক্ষক বেতন, শিক্ষাসামগ্রী ও ছাত্রদের সহায়তা সবই তিনি বহন করছেন নিরলসভাবে।
রাজনৈতিক সংগ্রাম: ত্যাগের আগুনে গড়া এক নেতা। ছাত্রজীবন থেকেই তার রাজনৈতিক পথচলা। সাবেক প্রতিষ্ঠাতা আহ্বায়ক, ছাত্রদল (গাছা থানা), সাবেক সহ-আইন বিষয়ক সম্পাদক, গাছা থানা বিএনপি, সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক, গাছা ইউনিয়ন ছাত্রদল। ১৭ বছরের রাজনৈতিক জীবনে তিনি বহুবার গ্রেপ্তার, মিথ্যা মামলা ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। এমনকি এডভোকেট হওয়ার পরীক্ষার দিনও তাকে ডিবি পুলিশ গ্রেপ্তার করে। তবুও তিনি থেমে থাকেননি। জামিন নিয়ে পরীক্ষা দিয়ে কৃতিত্বের সঙ্গে উত্তীর্ণ হন। এই ঘটনাই প্রমাণ করে, তিনি একজন অদম্য সংগ্রামী।
আইনজীবী হিসেবে মানবিকতা: ন্যায়বিচারের নির্ভীক কণ্ঠ। আইন পেশায় এসে তিনি নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন একজন মানবিক আইনজীবী হিসেবে। অসংখ্য নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষকে বিনা পারিশ্রমিকে আইনি সহায়তা। মিথ্যা মামলা থেকে খালাস। জামিনে মুক্তির ব্যবস্থা
তার নিজের ভাষায়, “আমি নিজে নির্যাতিত হয়েছি, তাই মানুষের কষ্ট বুঝি।” এই উপলব্ধিই তাকে মানুষের আস্থার জায়গায় নিয়ে গেছে।
সমাজে শৃঙ্খলা: অপরাধমুক্ত এক আদর্শ ওয়ার্ড। ৩২ নং ওয়ার্ড আজ একটি নিরাপদ ও শান্তিপূর্ণ জনপদ। নেই মাদক ব্যবসা। নেই চাঁদাবাজি। নেই ছিনতাই। মানুষ গভীর রাতেও নির্ভয়ে চলাফেরা করতে পারে। রিকশাচালকদের কাছ থেকেও কোনো চাঁদা নেওয়া হয় না। তিনি স্পষ্ট ঘোষণা দিয়েছেন, “আমার এলাকায় কোনো নেশা বা অবৈধ কাজ চলবে না।” প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় রেখে তিনি এই শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা করেছেন।
সম্পদে নয়, মানসে মহত্ত্ব: লোভহীন এক আদর্শ মানুষ। এডভোকেট আবুল কালামের জীবনের আরেকটি উজ্জ্বল দিক হলো, তার লোভহীনতা।
পারিবারিকভাবে তিনি বিঘা বিঘা সম্পত্তি, মার্কেট ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মালিক। তবুও তার মধ্যে নেই কোনো অহংকার। তিনি সবসময় বলেন, “এগুলো আল্লাহর দান। আল্লাহ আমাকে স্বয়ংসম্পূর্ণ করেছেন, তাই আমি কখনো মানুষের হক নষ্ট করবো না।” তিনি বিশ্বাস করেন, গরিবের ওপর অন্যায় হতে দেওয়া যাবে না। কেউ যেন বিচার না পেয়ে কষ্ট না পায়। ন্যায়বিচার পেয়ে মানুষ যেন আনন্দে থাকতে পারে। তার কাছে সম্পদ মানে দায়িত্ব, ভোগ নয়। নিজের সম্পদের জন্য তিনি আল্লাহর কাছে সর্বদা শুকরিয়া আদায় করেন এবং তা মানুষের কল্যাণে ব্যয় করেন।
মানবিক নেতৃত্ব: সম্মান ও ভালোবাসার প্রতীক। তিনি কখনো কাউকে ছোট করেন না, কটূক্তি করেন না। সবাইকে সম্মান দিয়ে কথা বলেন, এটাই তার বড় শক্তি। ধনী-গরিব, ছোট-বড় সবাই তার কাছে সমান। মানুষ আজও তার কাছে আসে সমস্যার সমাধান নিয়ে।
অটল আদর্শ: বিশ্বাসের কাছে আপোষহীন এক নেতা। রাজনৈতিক জীবনের কঠিন সময়েও তিনি আদর্শ থেকে বিচ্যুত হননি। অনেকেই যখন দল পরিবর্তন করেছেন, তিনি তখন দৃঢ়ভাবে বলেছেন, “প্রাণ যাবে, কিন্তু আদর্শ ছাড়বো না।” এই অটল অবস্থানই তাকে একজন সত্যিকারের নেতায় পরিণত করেছে। এক নতুন ইতিহাসের সূচনা এডভোকেট আবুল কালাম শুধু একজন কাউন্সিলর পদপ্রার্থী নন তিনি একটি দর্শন, একটি বিশ্বাস, একটি মানবিক আন্দোলনের নাম। তার জীবনের প্রতিটি অধ্যায় ত্যাগ, সংগ্রাম ও ভালোবাসার একেকটি গল্প।
৩২ নং ওয়ার্ড আজ যে নিরাপদ, শিক্ষিত ও মানবিক সমাজে পরিণত হয়েছে। তার পেছনে রয়েছে এই এক মানুষের নিরলস প্রচেষ্টা। সময়ের স্রোতে অনেক নাম হারিয়ে যায়, কিন্তু কিছু নাম ইতিহাস হয়ে থাকে। এডভোকেট আবুল কালাম সেই ইতিহাসেরই এক উজ্জ্বল অধ্যায়।