ঢাকা ১১:৩৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সড়কে মৃত্যু ও পঙ্গু হওয়ার মিছিল দীর্ঘ করছে মোটরসাইকেল বাতিল হতে যাচ্ছে শতাধিক কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অনুমোদন টঙ্গীর রাজপথে যুবদলের বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা, নেতৃত্বে নাজমুল হোসেন মন্ডল গাজীপুর মহানগর-সদরের পর টঙ্গীতেও প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর কর্মসূচিতে সরব উপস্থিতি; তারুণ্যের ঐক্য, সাংগঠনিক তৎপরতা ও শৃঙ্খলাবদ্ধ আয়োজনের চিত্র যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে টঙ্গীতে বর্ণাঢ্য র‍্যালি, মিছিল ও সমাবেশ যুবদলের গৌরব, তারুণ্যের শক্তি ও নেতাকর্মীদের আস্থার প্রতীক নাজমুল হোসেন মন্ডল ব্যারিস্টার জাইমা রহমানকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা নাজমুল হোসেন মন্ডল ও মোঃ শাহজাহান মিয়া (নগর) যুবদলের রাজনীতিতে এক ফুটন্ত গোলাপ শেখ মোঃ সুমন যুবদলের রাজনীতিতে এক ফুটন্ত গোলাপের নাম শেখ মোঃ সুমন মরহুম কাজী জুলফিকর মোল্লার রুহের মাগফিরাত কামনায় বিনিময় কমপ্লেক্সে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল জিয়া সংসদের কেন্দ্রীয় যোগাযোগবিষয়ক সম্পাদক মনোনীত হলেন মোঃ কামরুজ্জামান টুটুল

সরকারের স্বচ্ছতা ও উন্নয়ন নীতির বাস্তবায়নে এলজিইডির নতুন যুগ—অবকাঠামো উন্নয়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স, আর নীরব মানবিকতায় অনন্য এক কর্মকর্তা

প্রধানমন্ত্রীর উন্নয়ন দর্শনে বদলে যাচ্ছে এলজিইডি ঢাকা জেলাকে জনবান্ধব ও দুর্নীতিমুক্ত প্রতিষ্ঠানে রূপ দিচ্ছেন প্রকৌশলী মুহাম্মদ বাচ্চু মিয়া

md younus
  • আপডেট সময় : ১০:৫২:৩১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ ২০২৬
  • / ২০৩৭ বার পড়া হয়েছে




ঢাকা জেলা স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) আজ দেশের উন্নয়ন, সততা ও জনসেবার এক উজ্জ্বল প্রতীক হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। বর্তমান সরকারের উন্নয়নমুখী দিকনির্দেশনা এবং নির্বাহী প্রকৌশলী মুহাম্মদ বাচ্চু মিয়ার দৃঢ় নেতৃত্বে প্রতিষ্ঠানটি দ্রুতই রূপ নিচ্ছে একটি জনবান্ধব, স্বচ্ছ ও দুর্নীতিমুক্ত প্রশাসনিক কাঠামোয়। যেখানে উন্নয়ন যেমন দৃশ্যমান, তেমনি মানবিকতাও সমানভাবে প্রাধান্য পাচ্ছে।
রাষ্ট্রীয় উন্নয়ন দর্শন ও এলজিইডির ভূমিকায়, বাংলাদেশের চলমান উন্নয়ন ধারায় অবকাঠামো খাত সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভগুলোর একটি। সরকারের সুপরিকল্পিত উদ্যোগে এলজিইডি আজ গ্রামীণ জনপদ থেকে শুরু করে শহরতলী পর্যন্ত উন্নয়নের আলো পৌঁছে দিচ্ছে। গ্রাম, বাজার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, স্বাস্থ্যকেন্দ্র। সবখানে সড়ক, ড্রেনেজ ও অবকাঠামো উন্নয়নের মাধ্যমে জনগণের জীবনযাত্রায় এসেছে দৃশ্যমান পরিবর্তন।
নেতৃত্বের কেন্দ্রে: মুহাম্মদ বাচ্চু মিয়া। ঢাকা জেলা এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী মুহাম্মদ বাচ্চু মিয়া।
একজন প্রশাসনিক কর্মকর্তা হয়েও তিনি নিজেকে সীমাবদ্ধ রাখেননি ফাইল বা অফিস কক্ষে। তিনি মাঠে যান, মানুষের কথা শোনেন, সমস্যার সমাধান দেন, এবং প্রতিটি প্রকল্পে সরাসরি নজরদারি করেন। “ঢাকা জেলা এলজিইডিকে জনবান্ধব ও দুর্নীতিমুক্ত প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তোলা আমার অঙ্গীকার।”
প্রকল্প বাস্তবায়ন: উন্নয়নের দৃশ্যমান চিত্র। সড়ক ও যোগাযোগ বিপ্লব। গ্রামীণ সড়ক উন্নয়নে মানুষের চলাচল সহজ
বাজার, স্কুল, হাসপাতালের সংযোগ বৃদ্ধি। জলাবদ্ধতা নিরসন। আধুনিক ড্রেনেজ ব্যবস্থা। বর্ষাকালে পানি নিষ্কাশনে স্বস্তি
গ্রামীণ অবকাঠামো। শিক্ষা ও স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানে উন্নত যোগাযোগ, স্থানীয় অর্থনীতিতে গতি। কর্মসংস্থান, প্রকল্পভিত্তিক কর্মসংস্থান। দারিদ্র্য হ্রাসে কার্যকর ভূমিকা।
দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স। “দুর্নীতির সঙ্গে কোনো আপস নয়। নিম্নমানের কাজ হলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
ঠিকাদারদের কঠোর নির্দেশনা। নিম্নমানের কাজ হলে ব্ল্যাকলিস্ট। প্রশাসনিক স্বচ্ছতা নিশ্চিতকরণ।
নীরব মানবতার প্রতিচ্ছবি: একজন কর্মকর্তা, এক মানবিক গল্প। মুহাম্মদ বাচ্চু মিয়ার জীবনের সবচেয়ে আলোচিত নয়, কিন্তু সবচেয়ে গভীর দিক। তার নীরব দান ও মানবিকতা। গরিব-দুঃখী মানুষের পাশে দাঁড়ান নিঃশব্দে, “ডান হাত যা দান করে, বাম হাত জানে না”—এই নীতিতে বিশ্বাসী, কর্মস্থল ও নিজ এলাকায় নিয়মিত সহায়তা, কেউ সাহায্য চাইলে খালি হাতে ফেরেন না। কখনো অর্থ দিয়ে, কখনো পরামর্শ দিয়ে, কখনো সাহস দিয়ে, তিনি মানুষের পাশে থাকেন।
তিনি একজন কর্মকর্তা নন। একজন অভিভাবক।
ইসলামিক আদর্শে জীবনযাপন। সততা ও ন্যায়পরায়ণতা তার মূল শক্তি। কোনো অনৈতিক কাজের সঙ্গে সম্পৃক্ত নন। তার জীবন শুধু প্রশাসনিক নয়, এটি একটি নৈতিক ও আধ্যাত্মিক অনুশীলন।
একসময় তিনি ছিলেন উপেক্ষিত। প্রশাসনিকভাবে কোণঠাসা। কিন্তু তিনি আপস করেননি। সততা, ধৈর্য ও নীতির শক্তিতে তিনি আজ হয়ে উঠেছেন। একজন আদর্শ কর্মকর্তা, একজন অনুপ্রেরণা।
জনগণের আস্থা ও সংযোগ। “মানুষের সমস্যার সমাধানই আমার দায়িত্ব। কেউ আমার কাছে এসে নিরাশ হয়ে ফিরবে না।” জনগণের সাথে তার সম্পর্ক শুধু অফিসিয়াল নয়। এটি বিশ্বাসের, আস্থার, ভালোবাসার। জনবান্ধব প্রশাসন। দুর্নীতিমুক্ত কার্যক্রম। দৃশ্যমান উন্নয়ন। কর্মসংস্থান সৃষ্টি। মানবিক সহায়তা। ধর্মীয় মূল্যবোধ।
সরকারের উন্নয়ন দর্শন, সততা ও মানবিক নেতৃত্বের সমন্বয়ে মুহাম্মদ বাচ্চু মিয়ার হাতে ঢাকা জেলা এলজিইডি আজ শুধু একটি প্রতিষ্ঠান নয়, এটি হয়ে উঠেছে উন্নয়ন, নৈতিকতা ও মানবতার এক জীবন্ত মহাকাব্য।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

সরকারের স্বচ্ছতা ও উন্নয়ন নীতির বাস্তবায়নে এলজিইডির নতুন যুগ—অবকাঠামো উন্নয়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স, আর নীরব মানবিকতায় অনন্য এক কর্মকর্তা

প্রধানমন্ত্রীর উন্নয়ন দর্শনে বদলে যাচ্ছে এলজিইডি ঢাকা জেলাকে জনবান্ধব ও দুর্নীতিমুক্ত প্রতিষ্ঠানে রূপ দিচ্ছেন প্রকৌশলী মুহাম্মদ বাচ্চু মিয়া

আপডেট সময় : ১০:৫২:৩১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ ২০২৬

ঢাকা জেলা স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) আজ দেশের উন্নয়ন, সততা ও জনসেবার এক উজ্জ্বল প্রতীক হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। বর্তমান সরকারের উন্নয়নমুখী দিকনির্দেশনা এবং নির্বাহী প্রকৌশলী মুহাম্মদ বাচ্চু মিয়ার দৃঢ় নেতৃত্বে প্রতিষ্ঠানটি দ্রুতই রূপ নিচ্ছে একটি জনবান্ধব, স্বচ্ছ ও দুর্নীতিমুক্ত প্রশাসনিক কাঠামোয়। যেখানে উন্নয়ন যেমন দৃশ্যমান, তেমনি মানবিকতাও সমানভাবে প্রাধান্য পাচ্ছে।
রাষ্ট্রীয় উন্নয়ন দর্শন ও এলজিইডির ভূমিকায়, বাংলাদেশের চলমান উন্নয়ন ধারায় অবকাঠামো খাত সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভগুলোর একটি। সরকারের সুপরিকল্পিত উদ্যোগে এলজিইডি আজ গ্রামীণ জনপদ থেকে শুরু করে শহরতলী পর্যন্ত উন্নয়নের আলো পৌঁছে দিচ্ছে। গ্রাম, বাজার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, স্বাস্থ্যকেন্দ্র। সবখানে সড়ক, ড্রেনেজ ও অবকাঠামো উন্নয়নের মাধ্যমে জনগণের জীবনযাত্রায় এসেছে দৃশ্যমান পরিবর্তন।
নেতৃত্বের কেন্দ্রে: মুহাম্মদ বাচ্চু মিয়া। ঢাকা জেলা এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী মুহাম্মদ বাচ্চু মিয়া।
একজন প্রশাসনিক কর্মকর্তা হয়েও তিনি নিজেকে সীমাবদ্ধ রাখেননি ফাইল বা অফিস কক্ষে। তিনি মাঠে যান, মানুষের কথা শোনেন, সমস্যার সমাধান দেন, এবং প্রতিটি প্রকল্পে সরাসরি নজরদারি করেন। “ঢাকা জেলা এলজিইডিকে জনবান্ধব ও দুর্নীতিমুক্ত প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তোলা আমার অঙ্গীকার।”
প্রকল্প বাস্তবায়ন: উন্নয়নের দৃশ্যমান চিত্র। সড়ক ও যোগাযোগ বিপ্লব। গ্রামীণ সড়ক উন্নয়নে মানুষের চলাচল সহজ
বাজার, স্কুল, হাসপাতালের সংযোগ বৃদ্ধি। জলাবদ্ধতা নিরসন। আধুনিক ড্রেনেজ ব্যবস্থা। বর্ষাকালে পানি নিষ্কাশনে স্বস্তি
গ্রামীণ অবকাঠামো। শিক্ষা ও স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানে উন্নত যোগাযোগ, স্থানীয় অর্থনীতিতে গতি। কর্মসংস্থান, প্রকল্পভিত্তিক কর্মসংস্থান। দারিদ্র্য হ্রাসে কার্যকর ভূমিকা।
দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স। “দুর্নীতির সঙ্গে কোনো আপস নয়। নিম্নমানের কাজ হলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
ঠিকাদারদের কঠোর নির্দেশনা। নিম্নমানের কাজ হলে ব্ল্যাকলিস্ট। প্রশাসনিক স্বচ্ছতা নিশ্চিতকরণ।
নীরব মানবতার প্রতিচ্ছবি: একজন কর্মকর্তা, এক মানবিক গল্প। মুহাম্মদ বাচ্চু মিয়ার জীবনের সবচেয়ে আলোচিত নয়, কিন্তু সবচেয়ে গভীর দিক। তার নীরব দান ও মানবিকতা। গরিব-দুঃখী মানুষের পাশে দাঁড়ান নিঃশব্দে, “ডান হাত যা দান করে, বাম হাত জানে না”—এই নীতিতে বিশ্বাসী, কর্মস্থল ও নিজ এলাকায় নিয়মিত সহায়তা, কেউ সাহায্য চাইলে খালি হাতে ফেরেন না। কখনো অর্থ দিয়ে, কখনো পরামর্শ দিয়ে, কখনো সাহস দিয়ে, তিনি মানুষের পাশে থাকেন।
তিনি একজন কর্মকর্তা নন। একজন অভিভাবক।
ইসলামিক আদর্শে জীবনযাপন। সততা ও ন্যায়পরায়ণতা তার মূল শক্তি। কোনো অনৈতিক কাজের সঙ্গে সম্পৃক্ত নন। তার জীবন শুধু প্রশাসনিক নয়, এটি একটি নৈতিক ও আধ্যাত্মিক অনুশীলন।
একসময় তিনি ছিলেন উপেক্ষিত। প্রশাসনিকভাবে কোণঠাসা। কিন্তু তিনি আপস করেননি। সততা, ধৈর্য ও নীতির শক্তিতে তিনি আজ হয়ে উঠেছেন। একজন আদর্শ কর্মকর্তা, একজন অনুপ্রেরণা।
জনগণের আস্থা ও সংযোগ। “মানুষের সমস্যার সমাধানই আমার দায়িত্ব। কেউ আমার কাছে এসে নিরাশ হয়ে ফিরবে না।” জনগণের সাথে তার সম্পর্ক শুধু অফিসিয়াল নয়। এটি বিশ্বাসের, আস্থার, ভালোবাসার। জনবান্ধব প্রশাসন। দুর্নীতিমুক্ত কার্যক্রম। দৃশ্যমান উন্নয়ন। কর্মসংস্থান সৃষ্টি। মানবিক সহায়তা। ধর্মীয় মূল্যবোধ।
সরকারের উন্নয়ন দর্শন, সততা ও মানবিক নেতৃত্বের সমন্বয়ে মুহাম্মদ বাচ্চু মিয়ার হাতে ঢাকা জেলা এলজিইডি আজ শুধু একটি প্রতিষ্ঠান নয়, এটি হয়ে উঠেছে উন্নয়ন, নৈতিকতা ও মানবতার এক জীবন্ত মহাকাব্য।