এরশাদনগরে মসজিদ-মাদ্রাসা পরিদর্শনে সরকার জাবেদ আহমেদ সুমনের প্রার্থনা ও প্রতিশ্রুতি
আল্লাহর পথে দাওয়াত, জনগণের পাশে অঙ্গীকার
- আপডেট সময় : ০৯:১৬:২১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫
- / ২১৯৯ বার পড়া হয়েছে


গতকাল শুক্রবার গাজীপুর সিটি করপোরেশনের ৪৯নং ওয়ার্ডের এরশাদনগর বড় মসজিদ ও মাদ্রাসা পরিদর্শন করেন বিএনপির নেতা ও গাজীপুর-৬ আসনের সম্ভাব্য প্রার্থী সরকার জাবেদ আহমেদ সুমন।
মসজিদের মিম্বারে দাঁড়িয়ে তিনি বলেন—”আল্লাহ ছাড়া কোনো মাবুদ নেই। আল্লাহই সবকিছু করতে পারেন। আমি আল্লাহর রহমতের উপর ভরসা রেখে আশাবাদী, দল আমাকে নমিনেশন দেবে। খালেদা জিয়া ও তারেক রহমান আমাদের পরিবারের অবদান জানেন। আমি দোয়া চাই যেন গাজীপুরবাসীর সেবার সুযোগ পাই।”
ইসলামি দৃষ্টিকোণ থেকে বক্তব্য : সুমন বলেন, মসজিদে বড় প্রতিশ্রুতি দেওয়া বা প্রচারণা করা উচিত নয়, তবে এলাকাবাসীর অবস্থা ও মাদ্রাসার কার্যক্রম পরিদর্শনের জন্য তিনি এসেছেন।
কোরআন: “তোমরা যে দান করো, তা গোপনে করলে তোমাদের জন্য উত্তম।” (সূরা বাকারা: ২৭১)। “তোমরা সৎকাজের নির্দেশ দেবে এবং অসৎকাজ থেকে নিষেধ করবে।” (সূরা আলে ইমরান: ১১০)। তিনি আরও বলেন, দান ও খয়রাত নীরবে করা উচিত।
রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতি ও ৩১ দফা কর্মসূচি, সুমন বলেন—”আমি যদি নমিনেশন পাই, তবে বিএনপির ৩১ দফা কর্মসূচি ঘরে ঘরে পৌঁছে দেবো। এটি হবে ন্যায় ও সৎকাজের দাওয়াত।” “তোমাদের মধ্যে সর্বোত্তম সেই ব্যক্তি, যে মানুষের জন্য সর্বাধিক উপকারী।” (আল-মুজামুল আওসাত, হাদিস: ৬১৯২) ইসলামি জ্ঞান ও সমাজকল্যাণের বার্তা. তিনি এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গকে উদ্দেশ্য করে বলেন—”সৎ কাজ করুন, মানুষকে কষ্ট দেবেন না। দাওয়াত পৌঁছে দিন, আল্লাহর দিকে মানুষকে আহ্বান করুন। আল্লাহ আমাদেরকে বাংলাদেশ দিয়েছেন, এটি যেন আমাদের জন্য শান্তি ও কল্যাণের স্থান হয়।”
“নিশ্চয়ই আল্লাহ ন্যায়পরায়ণতা, সৎকাজ ও আত্মীয়স্বজনকে দান করার আদেশ দেন এবং অশ্লীলতা ও অসৎকাজ থেকে নিষেধ করেন।” (সূরা নাহল: ৯০)

“আল্লাহর দাওয়াত – সৎ কাজের আহ্বান, অন্যায়ের প্রতিবাদ”। “যেখানে ইসলাম, সেখানে শান্তি – যেখানে শান্তি, সেখানে জনগণের কল্যাণ”। “দান করো নীরবে, সেবা করো আন্তরিকভাবে”। “ইমামদের কণ্ঠ রুদ্ধ নয়, মুক্ত ইসলামী দাওয়াত চাই”। “খালেদা-তারেকের শিক্ষা: সৎকাজের দাওয়াত, অসৎকাজ থেকে বিরত থাকা”। “গাজীপুর-৬ আসনে চাই সেবক, ফাঁকা প্রতিশ্রুতি নয়”। “মানুষের জন্য কাজ করো, আল্লাহর কাছে হিসাব দাও”
অতীতে ফ্যাসিবাদী সরকারের সময় ইমাম ও খতিবরা মুক্তভাবে কথা বলতে পারতেন না উল্লেখ করে সুমন বলেন—
“আজ ইমামরা স্বাধীনভাবে ইসলামি কথা বলতে পারছেন, এটাই বিএনপির লক্ষ্য। ধর্মীয় স্বাধীনতা ও গণতান্ত্রিক অধিকার প্রতিষ্ঠা করাই জাতির মুক্তির পথ।”
“তোমাদের মধ্যে যারা মন্দ কাজ দেখবে, সে যেন তা হাত দিয়ে পরিবর্তন করে। যদি তা না পারে তবে জিহ্বা দিয়ে (পরামর্শ দিয়ে) পরিবর্তন করুক। আর যদি তাও না পারে তবে অন্তরে ঘৃণা করুক, আর এটি হচ্ছে ঈমানের সবচেয়ে দুর্বল স্তর।” (সহিহ মুসলিম)











