ঢাকা ১২:৪৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
যুবদলের গৌরব, তারুণ্যের শক্তি ও নেতাকর্মীদের আস্থার প্রতীক নাজমুল হোসেন মন্ডল ব্যারিস্টার জাইমা রহমানকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা নাজমুল হোসেন মন্ডল ও মোঃ শাহজাহান মিয়া (নগর) যুবদলের রাজনীতিতে এক ফুটন্ত গোলাপ শেখ মোঃ সুমন যুবদলের রাজনীতিতে এক ফুটন্ত গোলাপের নাম শেখ মোঃ সুমন মরহুম কাজী জুলফিকর মোল্লার রুহের মাগফিরাত কামনায় বিনিময় কমপ্লেক্সে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল জিয়া সংসদের কেন্দ্রীয় যোগাযোগবিষয়ক সম্পাদক মনোনীত হলেন মোঃ কামরুজ্জামান টুটুল জনগণের রাস্তার মান নিয়ে কথা বলায় অপমানের অভিযোগ, প্রতিবাদে পিয়ারা আক্তার প্রিয়া ৮৪ বছরেও বিদেশের মাটিতে বাংলাদেশের পতাকা উড়িয়েছেন বীর মুক্তিযোদ্ধা মজিবুর রহমান নীতি-নৈতিকতা ও দলীয় কর্মকাণ্ডে সক্রিয় মোঃ শাহজাহান মিয়া, আলোচনায় এরশাদনগরে ধর্মীয় সম্প্রীতি ও নিরাপত্তায় অঙ্গীকারবদ্ধ এমপি রনি, গাজীপুর-২ আসনের পূজামণ্ডপে তারেক রহমানের পক্ষ থেকে সহায়তা

সরকারি কর্মকর্তারা গণভোটে ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’–এর পক্ষে প্রচার চালাতে পারবেন না: ইসি

md younus
  • আপডেট সময় : ১০:২৪:০৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৬
  • / ২১২১ বার পড়া হয়েছে




নির্বাচন কমিশন (ইসি) বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) জানিয়েছে, আসন্ন গণভোটে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা কোনোভাবেই ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’–এর পক্ষে ভোটের জন্য প্রচার চালাতে পারবেন না। তবে তারা জনগণকে গণভোটের বিষয়বস্তু সম্পর্কে অবহিত ও সচেতন করতে পারবেন।
ইসির নির্দেশনা অনুযায়ী, গণভোট অধ্যাদেশ, ২০২৫–এর ধারা ২১ এবং গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২–এর অনুচ্ছেদ ৮৬–এর বিধান অনুসারে কোনো সরকারি কর্মকর্তা যদি নির্দিষ্ট কোনো পক্ষের পক্ষে প্রচার চালান, তা একটি দণ্ডনীয় অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে। নির্বাচন কমিশন শিগগিরই মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে চিঠি পাঠিয়ে এই নির্দেশনার কার্যকর নিশ্চিত করবে।
প্রসঙ্গত, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সঙ্গে সমান্তরালভাবে জুলাই জাতীয় সনদের সংবিধান সংশোধন সম্পর্কিত সংস্কার প্রস্তাবগুলোর বিষয়ে গণভোট অনুষ্ঠিত হবে। ইতিমধ্যে সরকারের উপদেষ্টা ও বিভিন্ন সরকারি, আধা-সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান ‘হ্যাঁ’–পক্ষের প্রচার শুরু করেছে। তবে ইসি স্পষ্ট জানাচ্ছে, মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা নিরপেক্ষ থাকতে বাধ্য।
নির্বাচন কমিশনার আনোয়ারুল ইসলাম সরকার সারাবাংলাকে বলেন, “আমরা মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে একটি চিঠি পাঠাচ্ছি। সরকারি কর্মকর্তারা গণভোটের বিষয়ে জনগণকে সচেতন করতে পারবেন, কিন্তু কোনো নির্দিষ্ট পক্ষে আহ্বান জানানো যাবে না। এটি আচরণবিধির সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।”
এ বিষয়ে নির্বাচন বিশ্লেষক জেসমিন টুলী বলেন, “সরকারি কর্মকর্তারা যদি ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’–এর জন্য সরাসরি প্রচার চালান, তাহলে নিরপেক্ষতা প্রশ্নবিদ্ধ হবে। তবে তারা তথ্য দেবে, ব্যাখ্যা দেবে—ভোটারদের সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকার অক্ষুণ্ণ থাকবে।”
ইসির চিঠিতে বলা হয়েছে, আরপিও ৮৬ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, কোনো সরকারি পদমর্যাদার ব্যক্তি নির্বাচনের ফলাফল প্রভাবিত করতে চেষ্টা করলে তিনি ন্যূনতম এক বছর থেকে সর্বাধিক পাঁচ বছরের কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবেন। এছাড়া, জাতীয় নির্বাচনে যেসব কার্য অপরাধ হিসেবে গণ্য হয়, সেগুলো গণভোটেও প্রযোজ্য।
বর্তমানে সারাদেশে প্রায় ৮ লাখ ভোটগ্রহণ কর্মকর্তা ও নয় লাখের বেশি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য দায়িত্ব পালন করছেন। এদের জন্য সরকারি পদ ব্যবহার করে নির্দিষ্ট পক্ষের পক্ষে প্রচার করা কঠোরভাবে নিষিদ্ধ।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

সরকারি কর্মকর্তারা গণভোটে ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’–এর পক্ষে প্রচার চালাতে পারবেন না: ইসি

আপডেট সময় : ১০:২৪:০৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৬

নির্বাচন কমিশন (ইসি) বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) জানিয়েছে, আসন্ন গণভোটে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা কোনোভাবেই ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’–এর পক্ষে ভোটের জন্য প্রচার চালাতে পারবেন না। তবে তারা জনগণকে গণভোটের বিষয়বস্তু সম্পর্কে অবহিত ও সচেতন করতে পারবেন।
ইসির নির্দেশনা অনুযায়ী, গণভোট অধ্যাদেশ, ২০২৫–এর ধারা ২১ এবং গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২–এর অনুচ্ছেদ ৮৬–এর বিধান অনুসারে কোনো সরকারি কর্মকর্তা যদি নির্দিষ্ট কোনো পক্ষের পক্ষে প্রচার চালান, তা একটি দণ্ডনীয় অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে। নির্বাচন কমিশন শিগগিরই মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে চিঠি পাঠিয়ে এই নির্দেশনার কার্যকর নিশ্চিত করবে।
প্রসঙ্গত, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সঙ্গে সমান্তরালভাবে জুলাই জাতীয় সনদের সংবিধান সংশোধন সম্পর্কিত সংস্কার প্রস্তাবগুলোর বিষয়ে গণভোট অনুষ্ঠিত হবে। ইতিমধ্যে সরকারের উপদেষ্টা ও বিভিন্ন সরকারি, আধা-সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান ‘হ্যাঁ’–পক্ষের প্রচার শুরু করেছে। তবে ইসি স্পষ্ট জানাচ্ছে, মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা নিরপেক্ষ থাকতে বাধ্য।
নির্বাচন কমিশনার আনোয়ারুল ইসলাম সরকার সারাবাংলাকে বলেন, “আমরা মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে একটি চিঠি পাঠাচ্ছি। সরকারি কর্মকর্তারা গণভোটের বিষয়ে জনগণকে সচেতন করতে পারবেন, কিন্তু কোনো নির্দিষ্ট পক্ষে আহ্বান জানানো যাবে না। এটি আচরণবিধির সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।”
এ বিষয়ে নির্বাচন বিশ্লেষক জেসমিন টুলী বলেন, “সরকারি কর্মকর্তারা যদি ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’–এর জন্য সরাসরি প্রচার চালান, তাহলে নিরপেক্ষতা প্রশ্নবিদ্ধ হবে। তবে তারা তথ্য দেবে, ব্যাখ্যা দেবে—ভোটারদের সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকার অক্ষুণ্ণ থাকবে।”
ইসির চিঠিতে বলা হয়েছে, আরপিও ৮৬ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, কোনো সরকারি পদমর্যাদার ব্যক্তি নির্বাচনের ফলাফল প্রভাবিত করতে চেষ্টা করলে তিনি ন্যূনতম এক বছর থেকে সর্বাধিক পাঁচ বছরের কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবেন। এছাড়া, জাতীয় নির্বাচনে যেসব কার্য অপরাধ হিসেবে গণ্য হয়, সেগুলো গণভোটেও প্রযোজ্য।
বর্তমানে সারাদেশে প্রায় ৮ লাখ ভোটগ্রহণ কর্মকর্তা ও নয় লাখের বেশি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য দায়িত্ব পালন করছেন। এদের জন্য সরকারি পদ ব্যবহার করে নির্দিষ্ট পক্ষের পক্ষে প্রচার করা কঠোরভাবে নিষিদ্ধ।