শালীনতা, মানবিকতা ও আল্লাহভীতির রাজনীতির আহ্বান অ্যাডভোকেট জিয়াউল হাসান স্বপনের
ক্রান্তিকালে জাতির অভিভাবকসুলভ প্রত্যাবর্তন দেশের হাল ধরতে ২৫ ডিসেম্বর দেশে ফিরছেন তারেক রহমান
- আপডেট সময় : ১২:৩১:৪৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ ডিসেম্বর ২০২৫
- / ২৪৪৬ বার পড়া হয়েছে

বাংলাদেশ আজ এক গভীর সংকট, অনিশ্চয়তা ও রাজনৈতিক ক্রান্তিকালের মধ্য দিয়ে অগ্রসর হচ্ছে। ঠিক এই সময়েই জাতির জন্য এক ঐতিহাসিক আশাবাদের বার্তা নিয়ে আগামী ২৫ ডিসেম্বর বাংলাদেশে প্রত্যাবর্তন করছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব তারেক রহমান। এই প্রত্যাবর্তনকে কেন্দ্র করে দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে সৃষ্টি হয়েছে নতুন প্রত্যাশা, আবেগ ও আশার সঞ্চার।
এই প্রেক্ষাপটে এক সুদূরপ্রসারী, দিকনির্দেশনামূলক ও আবেগঘন বক্তব্যে অ্যাডভোকেট জিয়াউল হাসান স্বপন, সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, গাজীপুর মহানগর বিএনপি, বলেন, “এই প্রত্যাবর্তন কোনো ব্যক্তি বা দলের বিষয় নয়; এটি একটি বিপর্যস্ত জাতির দায়িত্ব নতুন করে কাঁধে নেওয়ার শপথ।”
বীরের বেশে দেশে ফেরা, ত্যাগী নেতৃত্বের বিজয়, অ্যাডভোকেট স্বপন বলেন, বহু বছর ধরে ষড়যন্ত্র, নির্যাতন ও অবহেলার মধ্যেও তারেক রহমান দেশের মানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতীক হয়ে থেকেছেন। তিনি আজ দেশে ফিরছেন বীরের বেশে, কারণ তিনি কখনো দেশকে ছেড়ে যাননি—তিনি ছিলেন মানুষের দোয়ায়, মানুষের বিশ্বাসে।
তিনি আরও বলেন, “যে নেতা প্রতিহিংসার পথে হাঁটেন না, যিনি ধৈর্য ও সহনশীলতাকে শক্তি মনে করেন, তারেক রহমান সেই নেতৃত্বের নাম।”
ধর্মীয় ও মানবিক রাজনীতির মর্মবাণী, অ্যাডভোকেট জিয়াউল হাসান স্বপন তাঁর বক্তব্যে ধর্মীয় ও নৈতিক মূল্যবোধের ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, “আমরা বিশ্বাস করি, আল্লাহ যাকে ইচ্ছা নেতৃত্ব দেন। আল্লাহভীতি, ইনসাফ ও মানুষের হক আদায়ের রাজনীতিই টেকসই রাজনীতি।”
তিনি বলেন, তারেক রহমানের নেতৃত্ব কখনো হিংসা, লুটপাট বা অহংকারের রাজনীতি নয়; বরং এটি মানুষের পাশে দাঁড়ানোর, অসহায়কে সহায়তা করার এবং ন্যায়ভিত্তিক রাষ্ট্র গড়ার রাজনীতি। দেশবাসীর প্রতি কৃতজ্ঞতা ও মঙ্গলময় ভাষণের প্রত্যাশা, অ্যাডভোকেট স্বপন বলেন, দেশে ফিরে তারেক রহমান জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন, যে ভাষণে থাকবে দেশবাসীর প্রতি কৃতজ্ঞতা, সংগ্রামী মানুষদের প্রতি সম্মান এবং ভবিষ্যৎ বাংলাদেশের জন্য সুস্পষ্ট দিকনির্দেশনা।
তিনি বলেন, “এই ভাষণ হবে হৃদয় ছোঁয়া, দোয়া-দরুদে ভরা এবং দেশের মঙ্গল কামনায় নিবেদিত।” নেতাকর্মী ও জনগণের প্রতি কঠোর কিন্তু মানবিক আহ্বান, অ্যাডভোকেট জিয়াউল হাসান স্বপন বলেন, এই সময় আমাদের প্রত্যেকের দায়িত্ব আরও বেড়ে গেছে। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, দেশপ্রেম প্রমাণ করতে হবে শৃঙ্খলায়। মানুষের সঙ্গে আচরণে ইসলামী আদব ও মানবিকতা বজায় রাখতে হবে। পুলিশ ও প্রশাসনের সঙ্গে সম্মানজনক ও আইনানুগ আচরণ করতে হবে। কোনো বিশৃঙ্খলা, উসকানি বা অরাজকতা বরদাশত করা যাবে না। তিনি বলেন, “আমরা অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়াব, কিন্তু অন্যায় করব না। এটাই আমাদের আদর্শ।” দেশের হাল ধরার দৃঢ় প্রত্যয়, অ্যাডভোকেট স্বপন দৃঢ় কণ্ঠে বলেন, তারেক রহমান দেশে এসে কেবল রাজনৈতিক কর্মসূচি দেবেন না, তিনি দেশের হাল ধরতে এসেছেন। গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার, মানুষের ভোটাধিকার ফিরিয়ে আনা এবং রাষ্ট্রকে নৈতিকতার পথে ফেরানোই হবে তাঁর প্রধান লক্ষ্য।
তিনি বলেন, “এই ক্রান্তিকালে তারেক রহমানের নেতৃত্ব আল্লাহর পক্ষ থেকে জাতির জন্য এক রহমত হয়ে আসতে পারে।” অ্যাডভোকেট জিয়াউল হাসান স্বপন বলেন, “আসুন, আমরা সবাই আল্লাহর ওপর ভরসা রেখে, শালীনতা ও ঐক্যের মাধ্যমে এই ঐতিহাসিক প্রত্যাবর্তনকে জাতির কল্যাণে কাজে লাগাই। ব্যক্তি নয় বাংলাদেশই হোক আমাদের রাজনীতির মূল কেন্দ্র।”




















