ঢাকা ০১:৩৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
যুবদলের গৌরব, তারুণ্যের শক্তি ও নেতাকর্মীদের আস্থার প্রতীক নাজমুল হোসেন মন্ডল ব্যারিস্টার জাইমা রহমানকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা নাজমুল হোসেন মন্ডল ও মোঃ শাহজাহান মিয়া (নগর) যুবদলের রাজনীতিতে এক ফুটন্ত গোলাপ শেখ মোঃ সুমন যুবদলের রাজনীতিতে এক ফুটন্ত গোলাপের নাম শেখ মোঃ সুমন মরহুম কাজী জুলফিকর মোল্লার রুহের মাগফিরাত কামনায় বিনিময় কমপ্লেক্সে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল জিয়া সংসদের কেন্দ্রীয় যোগাযোগবিষয়ক সম্পাদক মনোনীত হলেন মোঃ কামরুজ্জামান টুটুল জনগণের রাস্তার মান নিয়ে কথা বলায় অপমানের অভিযোগ, প্রতিবাদে পিয়ারা আক্তার প্রিয়া ৮৪ বছরেও বিদেশের মাটিতে বাংলাদেশের পতাকা উড়িয়েছেন বীর মুক্তিযোদ্ধা মজিবুর রহমান নীতি-নৈতিকতা ও দলীয় কর্মকাণ্ডে সক্রিয় মোঃ শাহজাহান মিয়া, আলোচনায় এরশাদনগরে ধর্মীয় সম্প্রীতি ও নিরাপত্তায় অঙ্গীকারবদ্ধ এমপি রনি, গাজীপুর-২ আসনের পূজামণ্ডপে তারেক রহমানের পক্ষ থেকে সহায়তা

আলহাজ সালাহউদ্দিন সরকার : বংশগৌরব, মানবিকতা ও নেতৃত্বের এক অনন্ত কাব্য

মানুষের ভেতর জন্ম নেওয়া এক মহাকাব্য

md younus
  • আপডেট সময় : ০৪:১০:৫১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ ডিসেম্বর ২০২৫
  • / ২২৬১ বার পড়া হয়েছে




কালের স্রোতে কিছু মানুষ আসে, আবার হারিয়ে যায়। আর কিছু মানুষ থাকে সময়ের ভেতর দাঁড়িয়ে, মানুষের হৃদয়ে স্থায়ী হয়ে। আলহাজ সালাহউদ্দিন সরকার তেমনই এক নাম। তিনি কেবল একজন রাজনৈতিক নেতা নন তিনি একটি জনপদের আত্মকথা, একটি এলাকার আশা, ভরসা ও স্বপ্নের জীবন্ত প্রতিচ্ছবি। গাজীপুরের মাটি তাঁকে চেনে। কারণ তিনি এই মাটির ভেতর দিয়েই বড় হয়েছেন। এই মাটি তাঁকে শিখিয়েছে সুখের পাশাপাশি দুঃখ কী, ক্ষমতার পাশাপাশি দায়িত্ব কী। গাজীপুরের প্রতিটি গ্রাম, প্রতিটি মহল্লা জানে সরকার বংশ মানে শুধু একটি পরিবার নয়, সরকার বংশ মানে অভিভাবকত্ব। এই বংশের ইতিহাস লেখা হয়েছে মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে।
যেখানে ছিল বিরোধ, সেখানে ছিল ন্যায়ের সালিশ। যেখানে ছিল অভাব সেখানে ছিল সহায়তার হাত। যেখানে ছিল অন্ধকার সেখানে ছিল আশার প্রদীপ। এই ঐতিহ্যের ভেতর জন্ম নিয়েই আলহাজ সালাহউদ্দিন সরকার শিখেছেন নেতৃত্ব মানে উঁচু চেয়ারে বসা নয়, নেতৃত্ব মানে মানুষের কাঁধের বোঝা নিজের কাঁধে নেওয়া।
শৈশবে মায়ের কণ্ঠে শোনা সেই শিক্ষা আজও তাঁর জীবনের দিকনির্দেশনা “বাবা, মানুষের হক নষ্ট করো না। মানুষের সেবা করো, আল্লাহ তোমাকে সম্মান দেবেন।” এই একটি বাক্যই তাঁকে বানিয়েছে বিনয়ী, ন্যায়পরায়ণ, ধর্মপরায়ণ ও মানবিক। তিনি ধর্মকে ব্যবহার করেননি, তিনি ধর্মকে জীবন হিসেবে ধারণ করেছেন। কোরআন ও সুন্নাহ তাঁর কাছে শুধু ইবাদতের বিষয় নয় মানুষের সেবা করার পূর্ণাঙ্গ পথনির্দেশ। ঠিক যেমন হযরত ওমর ফারুক (রা.) রাতে মানুষের খোঁজ নিতেন, ঠিক তেমনি সালাহউদ্দিন সরকার নিজে গিয়ে দেখেন কার ঘরে চুলা জ্বলে না, কার সন্তান স্কুলে যেতে পারছে না, কার চিকিৎসার টাকা নেই। তিনি প্রশ্ন করেন না তুমি কোন দল করো। তিনি দেখেন তুমি কষ্টে আছ কি না।

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি। তাঁর কাছে কোনো সাময়িক রাজনৈতিক পরিচয় নয়। এটি তাঁর বিশ্বাস, চেতনা ও পারিবারিক উত্তরাধিকার।

জিয়াউর রহমানের জাতীয়তাবাদ, গণতন্ত্র ও দেশপ্রেমের আদর্শ তিনি পেয়েছেন রক্তের সঙ্গে মিশে। এই আদর্শ তাঁর কাছে স্লোগান নয় এটি জীবনব্যবস্থা। আন্দোলনের মাঠে, সংগ্রামের রাতে, দমন–পীড়নের সময় আলহাজ সালাহউদ্দিন সরকার ছিলেন অবিচল।


তিনি জেল খেটেছেন। কতবার তা সংখ্যা দিয়ে মাপা যায় না। কিন্তু তিনি কখনো বলেননি, “আমি কষ্ট পেয়েছি।” বরং তিনি বলেছেন, “আমার কর্মীরা কষ্টে আছে।” আওয়ামী লীগ আমলে যখন বিএনপির নেতাকর্মীরা কারাগারে, তখন তাঁদের পরিবার পড়েছিল চরম অনিশ্চয়তায়। সেই সময় সালাহউদ্দিন সরকার নিজের পকেট থেকে, নিজে গিয়ে অথবা লোক পাঠিয়ে চাল, ডাল, বাজার, নগদ অর্থ, ছয় মাসের প্রয়োজন অনুযায়ী সহযোগিতা করেছেন। প্রতিটি পরিবারকে ৫০ হাজার থেকে ১ লক্ষ টাকা পর্যন্ত সহায়তা নীরবে, নিঃশব্দে, নিঃস্বার্থভাবে। কারণ তাঁর কাছে মানুষই রাজনীতির কেন্দ্র।
রমজান এলেই তিনি হিসাব করেন না, কত মানুষ জানবে। তিনি হিসাব করেন কত ঘরে ইফতার পৌঁছাবে। ঈদ এলেই সেমাই, চিনি, ঈদের প্যাকেজ পৌঁছে যায় দরিদ্র মানুষের ঘরে আনন্দ হয়ে। কুরবানির ঈদে গরুর মাংস পৌঁছে যায় এমন ঘরে যেখানে বছরের পর বছর মাংসের হাঁড়ি বসে না। তিনি সাহায্য করেন কারণ তাঁর বিশ্বাস মানুষের হাসিই আল্লাহর সন্তুষ্টি।
তিনি বলেন, “এই স্বাধীনতা আমাদের ভোগের নয়, এই স্বাধীনতা আমাদের আমানত।”
আজ গাজীপুর-৬ একটি স্বপ্ন দেখে। স্বপ্ন দেখে এমন একজন অভিভাবকের যিনি সৎ, যিনি মানবিক, যিনি ধর্মীয় মূল্যবোধে দৃঢ়, যিনি আন্দোলনে পরীক্ষিত, যিনি দলের প্রতি বিশ্বস্ত, যিনি মানুষের কাছে গ্রহণযোগ্য।


মানুষ জানে, সব নেতা ইতিহাসে থাকেন না। ইতিহাস তাকেই বেছে নেয়, যাকে মানুষ ভালোবাসে। এই কারণেই, গাজীপুরের মানুষের কণ্ঠে, আজ একটাই উচ্চারণ “ধানের শীষের পরবর্তী অভিভাবক আলহাজ সালাহউদ্দিন সরকার।”

ডিসেম্বর এলেই তাঁর কণ্ঠ আরও ভারী হয়ে আসে দায়িত্বশীলও হয়ে ওঠে। তিনি বিশ্বাস করেন, নাম নয়, কাজই কথা বলবে। ১৪ ডিসেম্বর, শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস। এই দিনে তিনি গভীর শ্রদ্ধায় স্মরণ করেন জাতির সূর্য সন্তানদের, যাঁরা কলম, চিন্তা ও বিবেক দিয়ে, একটি জাতিকে আলোকিত করতে চেয়েছিলেন, আর সে কারণেই শহীদ হয়েছিলেন।
যাঁদের রক্তে লেখা হয়েছে এই দেশের বুদ্ধিবৃত্তিক ইতিহাস। “যে জাতি তার বুদ্ধিজীবীদের ভুলে যায়, সে জাতি অন্ধ হয়ে যায়।” শহীদ বুদ্ধিজীবীদের প্রতি, তাঁর শ্রদ্ধা মানে শুধু স্মরণ নয়, এটি একটি অঙ্গীকার বুদ্ধিবৃত্তিক স্বাধীনতা, নৈতিক রাষ্ট্র, এবং সত্যের পক্ষে দাঁড়ানোর অঙ্গীকার।
১৬ ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবসে তিনি শ্রদ্ধা জানান মুক্তিযোদ্ধাদের, অভিনন্দন জানান দেশবরেণ্য নেতৃবৃন্দ ও ত্যাগী নেতাকর্মীদের। তিনি বলেন, “এই স্বাধীনতা কোনো উৎসব নয়, এই স্বাধীনতা একটি আমানত।” তিনি আরো বলেন, এটি আত্মপরিচয়ের শপথ। এই দিনে তিনি জানিয়ে থাকেন গভীর শ্রদ্ধা বীর মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি, শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা।
আজ গাজীপুর–৬ একটি ঐতিহাসিক সিদ্ধান্তের সামনে দাঁড়িয়ে। মানুষ এমন একজনকে চায় যিনি বংশে দায়িত্বশীল, কর্মে পরীক্ষিত, বিশ্বাসে অটল, মানবিকতায় অনন্য। এই কারণেই মানুষের কণ্ঠে একটাই নাম উচ্চারিত হয়, আলহাজ সালাহউদ্দিন সরকার তিনি কোনো হঠাৎ আলো নন, তিনি দীর্ঘদিন জ্বলা এক প্রদীপ। তিনি রাজনীতিবিদ নন, তিনি একটি জীবন্ত মহাকাব্য।
যাঁকে মানুষ চায়, তাঁকেই সময় উপরে তোলে। আর ইতিহাস শেষ পর্যন্ত তাকেই বেছে নেয়।
আলহাজ সালাহউদ্দিন সরকার মানুষের ভেতর জন্ম নেওয়া এক নেতৃত্ব। এই লেখা একটি বই, কিন্তু এই বই শেষ নয়। কারণ মানবতার রাজনীতি কখনো শেষ হয় না।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

আলহাজ সালাহউদ্দিন সরকার : বংশগৌরব, মানবিকতা ও নেতৃত্বের এক অনন্ত কাব্য

মানুষের ভেতর জন্ম নেওয়া এক মহাকাব্য

আপডেট সময় : ০৪:১০:৫১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ ডিসেম্বর ২০২৫

কালের স্রোতে কিছু মানুষ আসে, আবার হারিয়ে যায়। আর কিছু মানুষ থাকে সময়ের ভেতর দাঁড়িয়ে, মানুষের হৃদয়ে স্থায়ী হয়ে। আলহাজ সালাহউদ্দিন সরকার তেমনই এক নাম। তিনি কেবল একজন রাজনৈতিক নেতা নন তিনি একটি জনপদের আত্মকথা, একটি এলাকার আশা, ভরসা ও স্বপ্নের জীবন্ত প্রতিচ্ছবি। গাজীপুরের মাটি তাঁকে চেনে। কারণ তিনি এই মাটির ভেতর দিয়েই বড় হয়েছেন। এই মাটি তাঁকে শিখিয়েছে সুখের পাশাপাশি দুঃখ কী, ক্ষমতার পাশাপাশি দায়িত্ব কী। গাজীপুরের প্রতিটি গ্রাম, প্রতিটি মহল্লা জানে সরকার বংশ মানে শুধু একটি পরিবার নয়, সরকার বংশ মানে অভিভাবকত্ব। এই বংশের ইতিহাস লেখা হয়েছে মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে।
যেখানে ছিল বিরোধ, সেখানে ছিল ন্যায়ের সালিশ। যেখানে ছিল অভাব সেখানে ছিল সহায়তার হাত। যেখানে ছিল অন্ধকার সেখানে ছিল আশার প্রদীপ। এই ঐতিহ্যের ভেতর জন্ম নিয়েই আলহাজ সালাহউদ্দিন সরকার শিখেছেন নেতৃত্ব মানে উঁচু চেয়ারে বসা নয়, নেতৃত্ব মানে মানুষের কাঁধের বোঝা নিজের কাঁধে নেওয়া।
শৈশবে মায়ের কণ্ঠে শোনা সেই শিক্ষা আজও তাঁর জীবনের দিকনির্দেশনা “বাবা, মানুষের হক নষ্ট করো না। মানুষের সেবা করো, আল্লাহ তোমাকে সম্মান দেবেন।” এই একটি বাক্যই তাঁকে বানিয়েছে বিনয়ী, ন্যায়পরায়ণ, ধর্মপরায়ণ ও মানবিক। তিনি ধর্মকে ব্যবহার করেননি, তিনি ধর্মকে জীবন হিসেবে ধারণ করেছেন। কোরআন ও সুন্নাহ তাঁর কাছে শুধু ইবাদতের বিষয় নয় মানুষের সেবা করার পূর্ণাঙ্গ পথনির্দেশ। ঠিক যেমন হযরত ওমর ফারুক (রা.) রাতে মানুষের খোঁজ নিতেন, ঠিক তেমনি সালাহউদ্দিন সরকার নিজে গিয়ে দেখেন কার ঘরে চুলা জ্বলে না, কার সন্তান স্কুলে যেতে পারছে না, কার চিকিৎসার টাকা নেই। তিনি প্রশ্ন করেন না তুমি কোন দল করো। তিনি দেখেন তুমি কষ্টে আছ কি না।

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি। তাঁর কাছে কোনো সাময়িক রাজনৈতিক পরিচয় নয়। এটি তাঁর বিশ্বাস, চেতনা ও পারিবারিক উত্তরাধিকার।

জিয়াউর রহমানের জাতীয়তাবাদ, গণতন্ত্র ও দেশপ্রেমের আদর্শ তিনি পেয়েছেন রক্তের সঙ্গে মিশে। এই আদর্শ তাঁর কাছে স্লোগান নয় এটি জীবনব্যবস্থা। আন্দোলনের মাঠে, সংগ্রামের রাতে, দমন–পীড়নের সময় আলহাজ সালাহউদ্দিন সরকার ছিলেন অবিচল।


তিনি জেল খেটেছেন। কতবার তা সংখ্যা দিয়ে মাপা যায় না। কিন্তু তিনি কখনো বলেননি, “আমি কষ্ট পেয়েছি।” বরং তিনি বলেছেন, “আমার কর্মীরা কষ্টে আছে।” আওয়ামী লীগ আমলে যখন বিএনপির নেতাকর্মীরা কারাগারে, তখন তাঁদের পরিবার পড়েছিল চরম অনিশ্চয়তায়। সেই সময় সালাহউদ্দিন সরকার নিজের পকেট থেকে, নিজে গিয়ে অথবা লোক পাঠিয়ে চাল, ডাল, বাজার, নগদ অর্থ, ছয় মাসের প্রয়োজন অনুযায়ী সহযোগিতা করেছেন। প্রতিটি পরিবারকে ৫০ হাজার থেকে ১ লক্ষ টাকা পর্যন্ত সহায়তা নীরবে, নিঃশব্দে, নিঃস্বার্থভাবে। কারণ তাঁর কাছে মানুষই রাজনীতির কেন্দ্র।
রমজান এলেই তিনি হিসাব করেন না, কত মানুষ জানবে। তিনি হিসাব করেন কত ঘরে ইফতার পৌঁছাবে। ঈদ এলেই সেমাই, চিনি, ঈদের প্যাকেজ পৌঁছে যায় দরিদ্র মানুষের ঘরে আনন্দ হয়ে। কুরবানির ঈদে গরুর মাংস পৌঁছে যায় এমন ঘরে যেখানে বছরের পর বছর মাংসের হাঁড়ি বসে না। তিনি সাহায্য করেন কারণ তাঁর বিশ্বাস মানুষের হাসিই আল্লাহর সন্তুষ্টি।
তিনি বলেন, “এই স্বাধীনতা আমাদের ভোগের নয়, এই স্বাধীনতা আমাদের আমানত।”
আজ গাজীপুর-৬ একটি স্বপ্ন দেখে। স্বপ্ন দেখে এমন একজন অভিভাবকের যিনি সৎ, যিনি মানবিক, যিনি ধর্মীয় মূল্যবোধে দৃঢ়, যিনি আন্দোলনে পরীক্ষিত, যিনি দলের প্রতি বিশ্বস্ত, যিনি মানুষের কাছে গ্রহণযোগ্য।


মানুষ জানে, সব নেতা ইতিহাসে থাকেন না। ইতিহাস তাকেই বেছে নেয়, যাকে মানুষ ভালোবাসে। এই কারণেই, গাজীপুরের মানুষের কণ্ঠে, আজ একটাই উচ্চারণ “ধানের শীষের পরবর্তী অভিভাবক আলহাজ সালাহউদ্দিন সরকার।”

ডিসেম্বর এলেই তাঁর কণ্ঠ আরও ভারী হয়ে আসে দায়িত্বশীলও হয়ে ওঠে। তিনি বিশ্বাস করেন, নাম নয়, কাজই কথা বলবে। ১৪ ডিসেম্বর, শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস। এই দিনে তিনি গভীর শ্রদ্ধায় স্মরণ করেন জাতির সূর্য সন্তানদের, যাঁরা কলম, চিন্তা ও বিবেক দিয়ে, একটি জাতিকে আলোকিত করতে চেয়েছিলেন, আর সে কারণেই শহীদ হয়েছিলেন।
যাঁদের রক্তে লেখা হয়েছে এই দেশের বুদ্ধিবৃত্তিক ইতিহাস। “যে জাতি তার বুদ্ধিজীবীদের ভুলে যায়, সে জাতি অন্ধ হয়ে যায়।” শহীদ বুদ্ধিজীবীদের প্রতি, তাঁর শ্রদ্ধা মানে শুধু স্মরণ নয়, এটি একটি অঙ্গীকার বুদ্ধিবৃত্তিক স্বাধীনতা, নৈতিক রাষ্ট্র, এবং সত্যের পক্ষে দাঁড়ানোর অঙ্গীকার।
১৬ ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবসে তিনি শ্রদ্ধা জানান মুক্তিযোদ্ধাদের, অভিনন্দন জানান দেশবরেণ্য নেতৃবৃন্দ ও ত্যাগী নেতাকর্মীদের। তিনি বলেন, “এই স্বাধীনতা কোনো উৎসব নয়, এই স্বাধীনতা একটি আমানত।” তিনি আরো বলেন, এটি আত্মপরিচয়ের শপথ। এই দিনে তিনি জানিয়ে থাকেন গভীর শ্রদ্ধা বীর মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি, শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা।
আজ গাজীপুর–৬ একটি ঐতিহাসিক সিদ্ধান্তের সামনে দাঁড়িয়ে। মানুষ এমন একজনকে চায় যিনি বংশে দায়িত্বশীল, কর্মে পরীক্ষিত, বিশ্বাসে অটল, মানবিকতায় অনন্য। এই কারণেই মানুষের কণ্ঠে একটাই নাম উচ্চারিত হয়, আলহাজ সালাহউদ্দিন সরকার তিনি কোনো হঠাৎ আলো নন, তিনি দীর্ঘদিন জ্বলা এক প্রদীপ। তিনি রাজনীতিবিদ নন, তিনি একটি জীবন্ত মহাকাব্য।
যাঁকে মানুষ চায়, তাঁকেই সময় উপরে তোলে। আর ইতিহাস শেষ পর্যন্ত তাকেই বেছে নেয়।
আলহাজ সালাহউদ্দিন সরকার মানুষের ভেতর জন্ম নেওয়া এক নেতৃত্ব। এই লেখা একটি বই, কিন্তু এই বই শেষ নয়। কারণ মানবতার রাজনীতি কখনো শেষ হয় না।