ডা. এম এ রশিদের মেজো পুত্রের জানাজায় সর্বস্তরের মানুষের সমাগম — রাজনৈতিক, সামাজিক ও ধর্মীয় নেতৃবৃন্দের গভীর শোক প্রকাশ
লুৎফর রহমান সরকারের ইন্তেকালে টঙ্গীতে শোকের ছায়া
- আপডেট সময় : ০৫:০১:৫১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৫
- / ২২৫৯ বার পড়া হয়েছে

গাজীপুরের টঙ্গী পশ্চিম থানাধীন ৫৪নং ওয়ার্ডের নিবাসী, বিশিষ্ট সমাজসেবক ডা. এম এ রশিদ সাহেবের মেজো পুত্র লুৎফর রহমান সরকার (কাকা) ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মৃত্যুকালে তিনি অসংখ্য আত্মীয়-স্বজন, শুভাকাঙ্ক্ষী ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। বৃহস্পতিবার বিকেলে টঙ্গীর নিজ বাসভবনের পাশে তাঁর নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজায় অংশগ্রহণ করেন এলাকার সর্বস্তরের মানুষ ও বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। জানাজা শেষে মরহুমকে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়।

জানাজায় উপস্থিত ছিলেন গাজীপুর-৬ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও সাবেক উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ মোঃ হাসান উদ্দিন সরকার, জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দল কেন্দ্রীয় কমিটির কার্যকরী সভাপতি ও গাজীপুর মহানগর বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক সালাহ্ উদ্দিন সরকার, গাজীপুর মহানগর বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক রাকিব উদ্দিন সরকার পাপ্পু, প্রভাষক বশির আহমেদ, সমাজসেবক হাফিজ উদ্দিন সরকার, স্থানীয় প্রবীণ ব্যক্তিত্ব শুক্কুর কাকা, তরুণ সংগঠক বিপ্লব ভাই, এবং কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক দলের সহ-সভাপতি আরিফ হোসেন হাওলাদারসহ এলাকার অসংখ্য রাজনৈতিক ও সামাজিক ব্যক্তিবর্গ।

এ সময় সবাই মরহুমের রুহের মাগফেরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান। তরুণ সমাজসেবক শাহানুর ইসলাম রনি সরকার, মরহুমের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে তাঁর ফেসবুকে লিখেছেন—“আমাদের প্রিয় লুৎফর রহমান কাকা আর নেই। আল্লাহ তায়ালা তাঁকে জান্নাতুল ফেরদৌস দান করুন। তাঁর পরিবারের জন্য রইল গভীর সমবেদনা।”

শোকসভায় বক্তারা বলেন, “লুৎফর রহমান সরকার ছিলেন হাস্যোজ্জ্বল, ভদ্র ও সর্বজনপ্রিয় এক মানুষ। সমাজে পারিবারিক ঐক্য, মানবতা ও শ্রদ্ধার উদাহরণ হয়ে থাকবেন তিনি।”
দোয়া মাহফিলে সভাপতিত্ব করেন স্থানীয় মসজিদের ইমাম হাফেজ মাওলানা আব্দুল কাদের। তিনি মরহুমের আত্মার মাগফেরাত ও পরিবারের ধৈর্য কামনা করে মোনাজাত পরিচালনা করেন।
রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, “যে ব্যক্তি কোনো মুসলমানের জানাজায় উপস্থিত হয়, তার জন্য এক কিরাত সওয়াব রয়েছে; আর যে ব্যক্তি কবর পর্যন্ত অনুসরণ করে, তার জন্য দুই কিরাত সওয়াব রয়েছে।” (সহিহ বুখারি ও মুসলিম)




















