ঢাকা ০৭:৩১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সড়কে মৃত্যু ও পঙ্গু হওয়ার মিছিল দীর্ঘ করছে মোটরসাইকেল বাতিল হতে যাচ্ছে শতাধিক কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অনুমোদন টঙ্গীর রাজপথে যুবদলের বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা, নেতৃত্বে নাজমুল হোসেন মন্ডল গাজীপুর মহানগর-সদরের পর টঙ্গীতেও প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর কর্মসূচিতে সরব উপস্থিতি; তারুণ্যের ঐক্য, সাংগঠনিক তৎপরতা ও শৃঙ্খলাবদ্ধ আয়োজনের চিত্র যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে টঙ্গীতে বর্ণাঢ্য র‍্যালি, মিছিল ও সমাবেশ যুবদলের গৌরব, তারুণ্যের শক্তি ও নেতাকর্মীদের আস্থার প্রতীক নাজমুল হোসেন মন্ডল ব্যারিস্টার জাইমা রহমানকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা নাজমুল হোসেন মন্ডল ও মোঃ শাহজাহান মিয়া (নগর) যুবদলের রাজনীতিতে এক ফুটন্ত গোলাপ শেখ মোঃ সুমন যুবদলের রাজনীতিতে এক ফুটন্ত গোলাপের নাম শেখ মোঃ সুমন মরহুম কাজী জুলফিকর মোল্লার রুহের মাগফিরাত কামনায় বিনিময় কমপ্লেক্সে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল জিয়া সংসদের কেন্দ্রীয় যোগাযোগবিষয়ক সম্পাদক মনোনীত হলেন মোঃ কামরুজ্জামান টুটুল

ক্রীড়া পৃষ্ঠপোষকতা থেকে মানবিক সহযোগিতা, সামাজিক সম্পৃক্ততা থেকে সাংগঠনিক দায়িত্ব কর্মমুখী নেতৃত্বের প্রত্যয়ে অবিচল

পদ নয়, মানুষের পাশে থাকাই নেতৃত্বের শক্তি শেখ মোঃ সুমনের পথচলা

md younus
  • আপডেট সময় : ১০:০১:২৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬
  • / ১৬০৩ বার পড়া হয়েছে




রাজনীতির প্রকৃত সৌন্দর্য কেবল পদ-পদবি কিংবা পরিচিতির মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; মানুষের সুখে-দুঃখে পাশে থাকা, তরুণ প্রজন্মের বিকাশে সহযোগিতা করা এবং সমাজের অসচ্ছল মানুষের প্রতি সহমর্মিতার হাত বাড়িয়ে দেওয়ার মধ্য দিয়েই নেতৃত্বের ইতিবাচক দিক প্রকাশ পায়। এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে রাজনৈতিক দায়িত্বের পাশাপাশি বিভিন্ন সামাজিক, ক্রীড়া, ধর্মীয় ও মানবিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত রয়েছেন গাজীপুর মহানগর যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক ও টঙ্গী পশ্চিম থানা যুবদলের সভাপতি শেখ মোঃ সুমন। তাঁর ক্রীড়া পৃষ্ঠপোষকতা নিয়ে ইতোমধ্যে স্থানীয় পর্যায়ে সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে। ব্লসম স্কুলের আয়োজিত অনুষ্ঠানে পুরস্কার বিতরণ এবং টঙ্গী ক্রীড়া সংগঠনের অনুষ্ঠানে টেলিভিশন, ফ্রিজ, ফুটবলের সরঞ্জাম ও ফুটবল পুরস্কার দেওয়ার বিষয়গুলো তাঁর ক্রীড়াসংশ্লিষ্ট কর্মকাণ্ডের পরিচিত উদাহরণ। তবে একজন মানুষের সামাজিক ভূমিকা শুধু কয়েকটি আয়োজনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে না; বরং সময়ের সঙ্গে তাঁর সহযোগিতার ধারাবাহিকতা, মানুষের সঙ্গে সম্পর্ক এবং দায়িত্ব পালনের মানসিকতাই তাঁর সামগ্রিক পরিচয় নির্মাণ করে। শেখ মোঃ সুমনের কর্মকাণ্ডের বিবরণ অনুযায়ী, এলাকার বিভিন্ন ওয়ার্ডে খেলাধুলার আয়োজন ও প্রতিযোগিতায় প্রয়োজনীয় সহযোগিতা, শিশু-কিশোরদের উৎসাহিত করতে পুরস্কার ও ক্রীড়াসামগ্রী প্রদান এবং বিভিন্ন অনুষ্ঠানের ব্যয়ভার বহনে তিনি ভূমিকা রাখেন। খেলাধুলার মাধ্যমে তরুণদের সুস্থ বিনোদন, শৃঙ্খলা, দলগত চেতনা ও পারস্পরিক সৌহার্দ্য বিকাশের সুযোগ তৈরি হয়। তাই স্থানীয় পর্যায়ে ক্রীড়া আয়োজনকে উৎসাহিত করা কেবল বিনোদনে সহযোগিতা নয়, বরং তরুণ প্রজন্মের ইতিবাচক বিকাশেও ভূমিকা রাখার সুযোগ।
মানবিক সহযোগিতার ক্ষেত্রেও তাঁর সম্পৃক্ততার কথা উঠে এসেছে। দরিদ্র ও অসহায় মানুষের জন্য পোশাক বিতরণ, জাকাত ও ফিতরা প্রদান এবং প্রয়োজনের সময় আর্থিক সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেওয়ার মতো কর্মকাণ্ডে তিনি অংশ নেন বলে জানা গেছে। সমাজের সব মানুষ সমান সামর্থ্য নিয়ে জীবনযাপন করেন না। তাই সামর্থ্যবান ব্যক্তিদের আন্তরিক সহযোগিতা অসচ্ছল পরিবারের কষ্ট লাঘবে সহায়ক হতে পারে। এমন উদ্যোগের প্রকৃত মূল্য তখনই আরও অর্থবহ হয়ে ওঠে, যখন সহযোগিতার সঙ্গে মানুষের মর্যাদা, সম্মান ও গোপনীয়তাও রক্ষা করা হয়। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ পেয়ে শিশুদের জন্য খাবারের ব্যবস্থা করা এবং আয়োজনের ব্যয়ভার বহনে সহযোগিতা করার বিষয়টিও তাঁর সামাজিক সম্পৃক্ততার অংশ। শিশুদের মুখে হাসি ফোটানো, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের উদ্যোগকে উৎসাহিত করা এবং নতুন প্রজন্মের সঙ্গে ইতিবাচক সম্পর্ক গড়ে তোলা সমাজের সম্মিলিত দায়িত্বের অন্তর্ভুক্ত। এ ধরনের উদ্যোগ নিয়মিত ও পরিকল্পিতভাবে এগিয়ে নেওয়া গেলে তা স্থানীয় পর্যায়ে আরও ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।
এ ছাড়া এলাকার বিভিন্ন সামাজিক ও ইসলামিক অনুষ্ঠানে সহযোগিতা, বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন এবং দলের প্রয়াত নেতাকর্মীদের স্মরণে আয়োজিত কর্মসূচিতে সহযোগিতার কথাও তাঁর কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত রয়েছে। এসব আয়োজন সামাজিক বন্ধন, পারস্পরিক যোগাযোগ ও সাংগঠনিক সম্পৃক্ততার ক্ষেত্র তৈরি করে। একই সঙ্গে অনুষ্ঠানগুলো শান্তিপূর্ণ, শৃঙ্খলাপূর্ণ ও সবার প্রতি সম্মান বজায় রেখে পরিচালিত হওয়াও গুরুত্বপূর্ণ। রাজনৈতিক সংগঠনের ভেতরেও একজন নেতার দায়িত্ব অনেক বিস্তৃত। কর্মীদের ব্যক্তিগত সমস্যা, পারিবারিক সংকট কিংবা সাংগঠনিক প্রয়োজনে তাঁদের কথা শোনা এবং যথাসাধ্য সহযোগিতা করার মানসিকতা একটি সংগঠনের পারস্পরিক আস্থা বাড়াতে পারে। শেখ মোঃ সুমন যুবদলের কর্মীদের বিভিন্ন সমস্যা ও সংকটে পাশে থাকার চেষ্টা করেন এবং বিএনপির নেতাকর্মীদের প্রয়োজনেও সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেন বলে তাঁর কর্মকাণ্ড সম্পর্কে জানানো হয়েছে। সহকর্মীদের সঙ্গে সুখ-দুঃখ ভাগাভাগি করে নেওয়া এবং তাঁদের মনোবল ধরে রাখতে ভূমিকা রাখা সাংগঠনিক নেতৃত্বের একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক।
তবে নেতৃত্বের গ্রহণযোগ্যতা শুধু সহযোগিতার পরিমাণ দিয়ে বিচার করা যায় না। মানুষের সঙ্গে আচরণ, সবার কথা মনোযোগ দিয়ে শোনা, ভিন্নমতকে সম্মান করা, প্রতিশ্রুতি রক্ষা এবং দায়িত্ব পালনে ধারাবাহিকতা, এসব গুণও একজন নেতার ব্যক্তিত্বকে অর্থবহ করে তোলে। সামাজিক ও মানবিক কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি এসব মূল্যবোধ ধরে রাখতে পারলে জনসম্পৃক্ত নেতৃত্ব আরও সুদৃঢ় হতে পারে। শেখ মোঃ সুমনের বক্তব্যে উঠে এসেছে, “মনের শান্তির চেয়ে বড় শান্তি আর কিছু নেই।” জীবনের ব্যস্ততা ও নানা প্রতিকূলতার মধ্যেও মানসিক প্রশান্তি ধরে রাখার এই উপলব্ধি দায়িত্বশীল জীবনযাপনের সঙ্গে সম্পর্কিত। মানুষের উপকারে আসার চেষ্টা, নিজের দায়িত্ব যথাসাধ্য পালন এবং সহমর্মিতার সঙ্গে অন্যের পাশে দাঁড়ানো ব্যক্তিগত তৃপ্তির পাশাপাশি সমাজেও ইতিবাচক প্রভাব রাখতে পারে। তাঁর রাজনৈতিক প্রত্যয়ের আরেকটি পরিচিত স্লোগান “করবো কাজ, গড়বো দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ।” এই প্রত্যয়ের বাস্তব তাৎপর্য রয়েছে জনকল্যাণমূলক কাজে, তরুণদের ইতিবাচক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করায় এবং অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর প্রচেষ্টায়। একজন রাজনৈতিক নেতার সামনে সবচেয়ে বড় সুযোগ হলো তাঁর সাংগঠনিক অবস্থানকে মানুষের কল্যাণে কাজে লাগানো এবং দলীয় পরিচয়ের পাশাপাশি মানবিক পরিচয়কেও সমুন্নত রাখা। শেখ মোঃ সুমনের সামাজিক, ক্রীড়া ও সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডের ধারাবাহিকতা আরও বিস্তৃত হলে তা টঙ্গীর স্থানীয় সমাজে ইতিবাচক ভূমিকা রাখার সুযোগ তৈরি করবে। বিশেষ করে নিয়মিত ক্রীড়া আয়োজন, দরিদ্র পরিবারের জন্য পরিকল্পিত সহযোগিতা, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সমন্বয় এবং যুবসমাজকে সামাজিক উদ্যোগে সম্পৃক্ত করার মাধ্যমে তাঁর কর্মকাণ্ড আরও সুসংগঠিত হতে পারে।
নেতৃত্বের উচ্চতা পদে নয়, মানুষের আস্থায়; পরিচিতিতে নয়, দায়িত্ব পালনে। মানুষের প্রয়োজনে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেওয়া, তরুণদের স্বপ্ন দেখার সুযোগ তৈরি করা এবং সহকর্মীদের পাশে থাকার প্রচেষ্টা, এসবই একজন নেতার ইতিবাচক পরিচয়ের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। শেখ মোঃ সুমনের আগামী দিনের পথচলায় বাস্তব কাজের ধারাবাহিকতা, মানবিক মূল্যবোধ ও জনসম্পৃক্ততা আরও শক্তিশালী হোক এটাই প্রত্যাশা। “সময়-এর সঙ্গে আমরা ছিলাম, আছি, থাকব” এই প্রত্যয় তখনই সবচেয়ে অর্থবহ হয়ে উঠবে, যখন তার প্রতিফলন ঘটবে মানুষের কল্যাণে, দায়িত্বশীল আচরণে এবং সমাজের প্রতি ইতিবাচক ভূমিকার মধ্য দিয়ে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

ক্রীড়া পৃষ্ঠপোষকতা থেকে মানবিক সহযোগিতা, সামাজিক সম্পৃক্ততা থেকে সাংগঠনিক দায়িত্ব কর্মমুখী নেতৃত্বের প্রত্যয়ে অবিচল

পদ নয়, মানুষের পাশে থাকাই নেতৃত্বের শক্তি শেখ মোঃ সুমনের পথচলা

আপডেট সময় : ১০:০১:২৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬

রাজনীতির প্রকৃত সৌন্দর্য কেবল পদ-পদবি কিংবা পরিচিতির মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; মানুষের সুখে-দুঃখে পাশে থাকা, তরুণ প্রজন্মের বিকাশে সহযোগিতা করা এবং সমাজের অসচ্ছল মানুষের প্রতি সহমর্মিতার হাত বাড়িয়ে দেওয়ার মধ্য দিয়েই নেতৃত্বের ইতিবাচক দিক প্রকাশ পায়। এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে রাজনৈতিক দায়িত্বের পাশাপাশি বিভিন্ন সামাজিক, ক্রীড়া, ধর্মীয় ও মানবিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত রয়েছেন গাজীপুর মহানগর যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক ও টঙ্গী পশ্চিম থানা যুবদলের সভাপতি শেখ মোঃ সুমন। তাঁর ক্রীড়া পৃষ্ঠপোষকতা নিয়ে ইতোমধ্যে স্থানীয় পর্যায়ে সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে। ব্লসম স্কুলের আয়োজিত অনুষ্ঠানে পুরস্কার বিতরণ এবং টঙ্গী ক্রীড়া সংগঠনের অনুষ্ঠানে টেলিভিশন, ফ্রিজ, ফুটবলের সরঞ্জাম ও ফুটবল পুরস্কার দেওয়ার বিষয়গুলো তাঁর ক্রীড়াসংশ্লিষ্ট কর্মকাণ্ডের পরিচিত উদাহরণ। তবে একজন মানুষের সামাজিক ভূমিকা শুধু কয়েকটি আয়োজনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে না; বরং সময়ের সঙ্গে তাঁর সহযোগিতার ধারাবাহিকতা, মানুষের সঙ্গে সম্পর্ক এবং দায়িত্ব পালনের মানসিকতাই তাঁর সামগ্রিক পরিচয় নির্মাণ করে। শেখ মোঃ সুমনের কর্মকাণ্ডের বিবরণ অনুযায়ী, এলাকার বিভিন্ন ওয়ার্ডে খেলাধুলার আয়োজন ও প্রতিযোগিতায় প্রয়োজনীয় সহযোগিতা, শিশু-কিশোরদের উৎসাহিত করতে পুরস্কার ও ক্রীড়াসামগ্রী প্রদান এবং বিভিন্ন অনুষ্ঠানের ব্যয়ভার বহনে তিনি ভূমিকা রাখেন। খেলাধুলার মাধ্যমে তরুণদের সুস্থ বিনোদন, শৃঙ্খলা, দলগত চেতনা ও পারস্পরিক সৌহার্দ্য বিকাশের সুযোগ তৈরি হয়। তাই স্থানীয় পর্যায়ে ক্রীড়া আয়োজনকে উৎসাহিত করা কেবল বিনোদনে সহযোগিতা নয়, বরং তরুণ প্রজন্মের ইতিবাচক বিকাশেও ভূমিকা রাখার সুযোগ।
মানবিক সহযোগিতার ক্ষেত্রেও তাঁর সম্পৃক্ততার কথা উঠে এসেছে। দরিদ্র ও অসহায় মানুষের জন্য পোশাক বিতরণ, জাকাত ও ফিতরা প্রদান এবং প্রয়োজনের সময় আর্থিক সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেওয়ার মতো কর্মকাণ্ডে তিনি অংশ নেন বলে জানা গেছে। সমাজের সব মানুষ সমান সামর্থ্য নিয়ে জীবনযাপন করেন না। তাই সামর্থ্যবান ব্যক্তিদের আন্তরিক সহযোগিতা অসচ্ছল পরিবারের কষ্ট লাঘবে সহায়ক হতে পারে। এমন উদ্যোগের প্রকৃত মূল্য তখনই আরও অর্থবহ হয়ে ওঠে, যখন সহযোগিতার সঙ্গে মানুষের মর্যাদা, সম্মান ও গোপনীয়তাও রক্ষা করা হয়। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ পেয়ে শিশুদের জন্য খাবারের ব্যবস্থা করা এবং আয়োজনের ব্যয়ভার বহনে সহযোগিতা করার বিষয়টিও তাঁর সামাজিক সম্পৃক্ততার অংশ। শিশুদের মুখে হাসি ফোটানো, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের উদ্যোগকে উৎসাহিত করা এবং নতুন প্রজন্মের সঙ্গে ইতিবাচক সম্পর্ক গড়ে তোলা সমাজের সম্মিলিত দায়িত্বের অন্তর্ভুক্ত। এ ধরনের উদ্যোগ নিয়মিত ও পরিকল্পিতভাবে এগিয়ে নেওয়া গেলে তা স্থানীয় পর্যায়ে আরও ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।
এ ছাড়া এলাকার বিভিন্ন সামাজিক ও ইসলামিক অনুষ্ঠানে সহযোগিতা, বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন এবং দলের প্রয়াত নেতাকর্মীদের স্মরণে আয়োজিত কর্মসূচিতে সহযোগিতার কথাও তাঁর কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত রয়েছে। এসব আয়োজন সামাজিক বন্ধন, পারস্পরিক যোগাযোগ ও সাংগঠনিক সম্পৃক্ততার ক্ষেত্র তৈরি করে। একই সঙ্গে অনুষ্ঠানগুলো শান্তিপূর্ণ, শৃঙ্খলাপূর্ণ ও সবার প্রতি সম্মান বজায় রেখে পরিচালিত হওয়াও গুরুত্বপূর্ণ। রাজনৈতিক সংগঠনের ভেতরেও একজন নেতার দায়িত্ব অনেক বিস্তৃত। কর্মীদের ব্যক্তিগত সমস্যা, পারিবারিক সংকট কিংবা সাংগঠনিক প্রয়োজনে তাঁদের কথা শোনা এবং যথাসাধ্য সহযোগিতা করার মানসিকতা একটি সংগঠনের পারস্পরিক আস্থা বাড়াতে পারে। শেখ মোঃ সুমন যুবদলের কর্মীদের বিভিন্ন সমস্যা ও সংকটে পাশে থাকার চেষ্টা করেন এবং বিএনপির নেতাকর্মীদের প্রয়োজনেও সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেন বলে তাঁর কর্মকাণ্ড সম্পর্কে জানানো হয়েছে। সহকর্মীদের সঙ্গে সুখ-দুঃখ ভাগাভাগি করে নেওয়া এবং তাঁদের মনোবল ধরে রাখতে ভূমিকা রাখা সাংগঠনিক নেতৃত্বের একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক।
তবে নেতৃত্বের গ্রহণযোগ্যতা শুধু সহযোগিতার পরিমাণ দিয়ে বিচার করা যায় না। মানুষের সঙ্গে আচরণ, সবার কথা মনোযোগ দিয়ে শোনা, ভিন্নমতকে সম্মান করা, প্রতিশ্রুতি রক্ষা এবং দায়িত্ব পালনে ধারাবাহিকতা, এসব গুণও একজন নেতার ব্যক্তিত্বকে অর্থবহ করে তোলে। সামাজিক ও মানবিক কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি এসব মূল্যবোধ ধরে রাখতে পারলে জনসম্পৃক্ত নেতৃত্ব আরও সুদৃঢ় হতে পারে। শেখ মোঃ সুমনের বক্তব্যে উঠে এসেছে, “মনের শান্তির চেয়ে বড় শান্তি আর কিছু নেই।” জীবনের ব্যস্ততা ও নানা প্রতিকূলতার মধ্যেও মানসিক প্রশান্তি ধরে রাখার এই উপলব্ধি দায়িত্বশীল জীবনযাপনের সঙ্গে সম্পর্কিত। মানুষের উপকারে আসার চেষ্টা, নিজের দায়িত্ব যথাসাধ্য পালন এবং সহমর্মিতার সঙ্গে অন্যের পাশে দাঁড়ানো ব্যক্তিগত তৃপ্তির পাশাপাশি সমাজেও ইতিবাচক প্রভাব রাখতে পারে। তাঁর রাজনৈতিক প্রত্যয়ের আরেকটি পরিচিত স্লোগান “করবো কাজ, গড়বো দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ।” এই প্রত্যয়ের বাস্তব তাৎপর্য রয়েছে জনকল্যাণমূলক কাজে, তরুণদের ইতিবাচক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করায় এবং অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর প্রচেষ্টায়। একজন রাজনৈতিক নেতার সামনে সবচেয়ে বড় সুযোগ হলো তাঁর সাংগঠনিক অবস্থানকে মানুষের কল্যাণে কাজে লাগানো এবং দলীয় পরিচয়ের পাশাপাশি মানবিক পরিচয়কেও সমুন্নত রাখা। শেখ মোঃ সুমনের সামাজিক, ক্রীড়া ও সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডের ধারাবাহিকতা আরও বিস্তৃত হলে তা টঙ্গীর স্থানীয় সমাজে ইতিবাচক ভূমিকা রাখার সুযোগ তৈরি করবে। বিশেষ করে নিয়মিত ক্রীড়া আয়োজন, দরিদ্র পরিবারের জন্য পরিকল্পিত সহযোগিতা, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সমন্বয় এবং যুবসমাজকে সামাজিক উদ্যোগে সম্পৃক্ত করার মাধ্যমে তাঁর কর্মকাণ্ড আরও সুসংগঠিত হতে পারে।
নেতৃত্বের উচ্চতা পদে নয়, মানুষের আস্থায়; পরিচিতিতে নয়, দায়িত্ব পালনে। মানুষের প্রয়োজনে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেওয়া, তরুণদের স্বপ্ন দেখার সুযোগ তৈরি করা এবং সহকর্মীদের পাশে থাকার প্রচেষ্টা, এসবই একজন নেতার ইতিবাচক পরিচয়ের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। শেখ মোঃ সুমনের আগামী দিনের পথচলায় বাস্তব কাজের ধারাবাহিকতা, মানবিক মূল্যবোধ ও জনসম্পৃক্ততা আরও শক্তিশালী হোক এটাই প্রত্যাশা। “সময়-এর সঙ্গে আমরা ছিলাম, আছি, থাকব” এই প্রত্যয় তখনই সবচেয়ে অর্থবহ হয়ে উঠবে, যখন তার প্রতিফলন ঘটবে মানুষের কল্যাণে, দায়িত্বশীল আচরণে এবং সমাজের প্রতি ইতিবাচক ভূমিকার মধ্য দিয়ে।