ঢাকা ০২:৩৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
যুবদলের গৌরব, তারুণ্যের শক্তি ও নেতাকর্মীদের আস্থার প্রতীক নাজমুল হোসেন মন্ডল ব্যারিস্টার জাইমা রহমানকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা নাজমুল হোসেন মন্ডল ও মোঃ শাহজাহান মিয়া (নগর) যুবদলের রাজনীতিতে এক ফুটন্ত গোলাপ শেখ মোঃ সুমন যুবদলের রাজনীতিতে এক ফুটন্ত গোলাপের নাম শেখ মোঃ সুমন মরহুম কাজী জুলফিকর মোল্লার রুহের মাগফিরাত কামনায় বিনিময় কমপ্লেক্সে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল জিয়া সংসদের কেন্দ্রীয় যোগাযোগবিষয়ক সম্পাদক মনোনীত হলেন মোঃ কামরুজ্জামান টুটুল জনগণের রাস্তার মান নিয়ে কথা বলায় অপমানের অভিযোগ, প্রতিবাদে পিয়ারা আক্তার প্রিয়া ৮৪ বছরেও বিদেশের মাটিতে বাংলাদেশের পতাকা উড়িয়েছেন বীর মুক্তিযোদ্ধা মজিবুর রহমান নীতি-নৈতিকতা ও দলীয় কর্মকাণ্ডে সক্রিয় মোঃ শাহজাহান মিয়া, আলোচনায় এরশাদনগরে ধর্মীয় সম্প্রীতি ও নিরাপত্তায় অঙ্গীকারবদ্ধ এমপি রনি, গাজীপুর-২ আসনের পূজামণ্ডপে তারেক রহমানের পক্ষ থেকে সহায়তা

“যদি না হয় পিআর, আবার ফিরবে স্বৈরাচার”—বিক্ষোভে ইসলামী আন্দোলনের স্লোগান

md younus
  • আপডেট সময় : ০৬:১৭:৫৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • / ২২৮৯ বার পড়া হয়েছে




জুলাই সনদের ভিত্তিতে পিআর (প্রোপোরশনাল রিপ্রেজেন্টেশন) পদ্ধতিতে জাতীয় নির্বাচন, গণহত্যার বিচার ও জাতীয় পার্টি ও ১৪ দলের বিচার নিশ্চিত করার দাবিতে রাজধানীর বায়তুল মোকাররম এলাকায় বিক্ষোভ মিছিল করেছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ। দলটির ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ শাখার আয়োজনে বৃহস্পতিবার (১৮ সেপ্টেম্বর) জোহরের নামাজের পর এই কর্মসূচি শুরু হয়।
কোরআন তিলাওয়াতের মধ্য দিয়ে শুরু হওয়া সমাবেশে বক্তারা বলেন, পিআর পদ্ধতি ছাড়া কোনো নির্বাচন হবে না। তাদের ভাষায়, “যদি না হয় পিআর, আবার ফিরবে স্বৈরাচার।” বক্তারা আরও অভিযোগ করেন, সংস্কারের নামে দেশে প্রহসন চলছে, যা জনগণ আর মেনে নেবে না।
বিকেল ৩টার দিকে সমাবেশ শেষে বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি বায়তুল মোকাররমের উত্তর গেট থেকে শুরু হয়ে পল্টন মোড় ঘুরে আবার মসজিদের সামনে এসে শেষ হয়। কোরআনের আয়াত তিলাওয়াতের মধ্য দিয়ে কর্মসূচি সমাপ্ত ঘোষণা করেন ইসলামী আন্দোলনের সিনিয়র নায়েবে আমির মুফতি ফয়জুল করিম।
তিনি বলেন, পিআর পদ্ধতিতে নির্বাচন হলে সংসদে সব শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত হবে। এতে কালো টাকা সাদা করার সুযোগ, ভোট ডাকাতি বা ফ্যাসিবাদী রাজনীতি টিকে থাকবে না। প্রয়োজনে গণভোটের মাধ্যমে জনগণকেই সিদ্ধান্ত নিতে হবে—তারা পিআর চান কি না।
এ সময় প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গান ও নাচের শিক্ষক নিয়োগের বিরোধিতা করে তিনি বলেন, মুসলমানদের করের টাকায় এমন পদ সৃষ্টির সুযোগ নেই। বরং ধর্মীয় শিক্ষা বাধ্যতামূলক করতে হবে এবং প্রয়োজন হলে কম্পিউটার শিক্ষক নিয়োগ দিতে হবে।
বিক্ষোভ সমাবেশে অন্যান্য বক্তারা সংস্কার ছাড়া নির্বাচন সম্ভব নয় বলে মন্তব্য করেন। তারা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, নির্বাচন বানচালের চেষ্টা করলে জনগণ সেই চক্রান্তকারীদের বঙ্গোপসাগরে পাঠাবে।
একই দিনে জামায়াতে ইসলাম, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসসহ সাতটি ইসলামী দল রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে সমাবেশ ও বিক্ষোভ করেছে। এসব দলের অভিন্ন দাবির মধ্যে রয়েছে—জুলাই সনদের আইনি ভিত্তি, পিআর পদ্ধতিতে নির্বাচন, সমান প্রতিদ্বন্দ্বিতার সুযোগ নিশ্চিত করা, জুলাই-আগস্ট গণহত্যার বিচার এবং বিশেষ ট্রাইব্যুনালে জাতীয় পার্টি ও ১৪ দলের বিচার।
এছাড়া ইসলামী দলগুলো শুক্রবার বিভাগীয় শহরে এবং ২৬ সেপ্টেম্বর সব জেলা ও উপজেলায় বিক্ষোভ কর্মসূচি পালনের ঘোষণা দিয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

“যদি না হয় পিআর, আবার ফিরবে স্বৈরাচার”—বিক্ষোভে ইসলামী আন্দোলনের স্লোগান

আপডেট সময় : ০৬:১৭:৫৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫

জুলাই সনদের ভিত্তিতে পিআর (প্রোপোরশনাল রিপ্রেজেন্টেশন) পদ্ধতিতে জাতীয় নির্বাচন, গণহত্যার বিচার ও জাতীয় পার্টি ও ১৪ দলের বিচার নিশ্চিত করার দাবিতে রাজধানীর বায়তুল মোকাররম এলাকায় বিক্ষোভ মিছিল করেছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ। দলটির ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ শাখার আয়োজনে বৃহস্পতিবার (১৮ সেপ্টেম্বর) জোহরের নামাজের পর এই কর্মসূচি শুরু হয়।
কোরআন তিলাওয়াতের মধ্য দিয়ে শুরু হওয়া সমাবেশে বক্তারা বলেন, পিআর পদ্ধতি ছাড়া কোনো নির্বাচন হবে না। তাদের ভাষায়, “যদি না হয় পিআর, আবার ফিরবে স্বৈরাচার।” বক্তারা আরও অভিযোগ করেন, সংস্কারের নামে দেশে প্রহসন চলছে, যা জনগণ আর মেনে নেবে না।
বিকেল ৩টার দিকে সমাবেশ শেষে বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি বায়তুল মোকাররমের উত্তর গেট থেকে শুরু হয়ে পল্টন মোড় ঘুরে আবার মসজিদের সামনে এসে শেষ হয়। কোরআনের আয়াত তিলাওয়াতের মধ্য দিয়ে কর্মসূচি সমাপ্ত ঘোষণা করেন ইসলামী আন্দোলনের সিনিয়র নায়েবে আমির মুফতি ফয়জুল করিম।
তিনি বলেন, পিআর পদ্ধতিতে নির্বাচন হলে সংসদে সব শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত হবে। এতে কালো টাকা সাদা করার সুযোগ, ভোট ডাকাতি বা ফ্যাসিবাদী রাজনীতি টিকে থাকবে না। প্রয়োজনে গণভোটের মাধ্যমে জনগণকেই সিদ্ধান্ত নিতে হবে—তারা পিআর চান কি না।
এ সময় প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গান ও নাচের শিক্ষক নিয়োগের বিরোধিতা করে তিনি বলেন, মুসলমানদের করের টাকায় এমন পদ সৃষ্টির সুযোগ নেই। বরং ধর্মীয় শিক্ষা বাধ্যতামূলক করতে হবে এবং প্রয়োজন হলে কম্পিউটার শিক্ষক নিয়োগ দিতে হবে।
বিক্ষোভ সমাবেশে অন্যান্য বক্তারা সংস্কার ছাড়া নির্বাচন সম্ভব নয় বলে মন্তব্য করেন। তারা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, নির্বাচন বানচালের চেষ্টা করলে জনগণ সেই চক্রান্তকারীদের বঙ্গোপসাগরে পাঠাবে।
একই দিনে জামায়াতে ইসলাম, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসসহ সাতটি ইসলামী দল রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে সমাবেশ ও বিক্ষোভ করেছে। এসব দলের অভিন্ন দাবির মধ্যে রয়েছে—জুলাই সনদের আইনি ভিত্তি, পিআর পদ্ধতিতে নির্বাচন, সমান প্রতিদ্বন্দ্বিতার সুযোগ নিশ্চিত করা, জুলাই-আগস্ট গণহত্যার বিচার এবং বিশেষ ট্রাইব্যুনালে জাতীয় পার্টি ও ১৪ দলের বিচার।
এছাড়া ইসলামী দলগুলো শুক্রবার বিভাগীয় শহরে এবং ২৬ সেপ্টেম্বর সব জেলা ও উপজেলায় বিক্ষোভ কর্মসূচি পালনের ঘোষণা দিয়েছে।