ঢাকা ০২:৫১ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬, ১৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মানুষের জন্য বেঁচে থাকা এক মানুষের গল্প মানুষের পাশে থাকার অঙ্গীকারে এক চিকিৎসকের পথচলা টঙ্গীতে প্রতিবন্ধী মোকলেস নিখোঁজ: মেলেনি সন্ধান, মায়ের আকুল আর্তি—‘ছেলেকে শুধু একবার ফিরিয়ে দিন’ ইজতেমাকে ঘিরে এরশাদনগরে দাওয়াতি তৎপরতা জোরদার তারেক রহমানের নেতৃত্বে স্থিতিশীলতার পথে বাংলাদেশ, বললেন মার্কিন বিশেষ দূত একটি চারা, একটি স্বপ্ন, একটি বাংলাদেশ গাজীপুরের টঙ্গীতে দুই কন্যাকে সঙ্গে নিয়ে সবুজের বাগান গড়লেন শেখ মোঃ সুমন; পরিবেশ রক্ষায় ব্যক্তিগত উদ্যোগ থেকে সামাজিক দায়িত্বের এক অনুপ্রেরণার গল্প প্রাচীন গহনা পরে সমালোচনার মুখে জেনডায়া শক্তিশালী পাসপোর্টের তালিকায় আরও ২ ধাপ পিছাল বাংলাদেশ, শীর্ষে সিঙ্গাপুর ১০ আগস্ট এসএসসির পরীক্ষার ফল প্রকাশের সিদ্ধান্ত আন্তঃশিক্ষা বোর্ডের অভিযোগ, সংগ্রাম ও আত্মপক্ষ সমর্থনের এক আলোচিত অধ্যায় দাঁড়াইলের মনোয়ার হোসেন খোকন: বিচারাধীন মামলার মাঝেও নিরপেক্ষ তদন্তের আহ্বান, সংবাদ সম্মেলনে পরিবারের বক্তব্য শ্রদ্ধা, দোয়া ও মানবসেবার অনন্য দৃষ্টান্ত: পিতা লাল মোহাম্মদের মৃত্যুবার্ষিকীতে আলহাজ্ব বছির আহম্মেদ বাবুর ব্যতিক্রমী গণ-দাওয়াত

“যদি না হয় পিআর, আবার ফিরবে স্বৈরাচার”—বিক্ষোভে ইসলামী আন্দোলনের স্লোগান

md younus
  • আপডেট সময় : ০৬:১৭:৫৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • / ২১১৯ বার পড়া হয়েছে




জুলাই সনদের ভিত্তিতে পিআর (প্রোপোরশনাল রিপ্রেজেন্টেশন) পদ্ধতিতে জাতীয় নির্বাচন, গণহত্যার বিচার ও জাতীয় পার্টি ও ১৪ দলের বিচার নিশ্চিত করার দাবিতে রাজধানীর বায়তুল মোকাররম এলাকায় বিক্ষোভ মিছিল করেছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ। দলটির ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ শাখার আয়োজনে বৃহস্পতিবার (১৮ সেপ্টেম্বর) জোহরের নামাজের পর এই কর্মসূচি শুরু হয়।
কোরআন তিলাওয়াতের মধ্য দিয়ে শুরু হওয়া সমাবেশে বক্তারা বলেন, পিআর পদ্ধতি ছাড়া কোনো নির্বাচন হবে না। তাদের ভাষায়, “যদি না হয় পিআর, আবার ফিরবে স্বৈরাচার।” বক্তারা আরও অভিযোগ করেন, সংস্কারের নামে দেশে প্রহসন চলছে, যা জনগণ আর মেনে নেবে না।
বিকেল ৩টার দিকে সমাবেশ শেষে বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি বায়তুল মোকাররমের উত্তর গেট থেকে শুরু হয়ে পল্টন মোড় ঘুরে আবার মসজিদের সামনে এসে শেষ হয়। কোরআনের আয়াত তিলাওয়াতের মধ্য দিয়ে কর্মসূচি সমাপ্ত ঘোষণা করেন ইসলামী আন্দোলনের সিনিয়র নায়েবে আমির মুফতি ফয়জুল করিম।
তিনি বলেন, পিআর পদ্ধতিতে নির্বাচন হলে সংসদে সব শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত হবে। এতে কালো টাকা সাদা করার সুযোগ, ভোট ডাকাতি বা ফ্যাসিবাদী রাজনীতি টিকে থাকবে না। প্রয়োজনে গণভোটের মাধ্যমে জনগণকেই সিদ্ধান্ত নিতে হবে—তারা পিআর চান কি না।
এ সময় প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গান ও নাচের শিক্ষক নিয়োগের বিরোধিতা করে তিনি বলেন, মুসলমানদের করের টাকায় এমন পদ সৃষ্টির সুযোগ নেই। বরং ধর্মীয় শিক্ষা বাধ্যতামূলক করতে হবে এবং প্রয়োজন হলে কম্পিউটার শিক্ষক নিয়োগ দিতে হবে।
বিক্ষোভ সমাবেশে অন্যান্য বক্তারা সংস্কার ছাড়া নির্বাচন সম্ভব নয় বলে মন্তব্য করেন। তারা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, নির্বাচন বানচালের চেষ্টা করলে জনগণ সেই চক্রান্তকারীদের বঙ্গোপসাগরে পাঠাবে।
একই দিনে জামায়াতে ইসলাম, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসসহ সাতটি ইসলামী দল রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে সমাবেশ ও বিক্ষোভ করেছে। এসব দলের অভিন্ন দাবির মধ্যে রয়েছে—জুলাই সনদের আইনি ভিত্তি, পিআর পদ্ধতিতে নির্বাচন, সমান প্রতিদ্বন্দ্বিতার সুযোগ নিশ্চিত করা, জুলাই-আগস্ট গণহত্যার বিচার এবং বিশেষ ট্রাইব্যুনালে জাতীয় পার্টি ও ১৪ দলের বিচার।
এছাড়া ইসলামী দলগুলো শুক্রবার বিভাগীয় শহরে এবং ২৬ সেপ্টেম্বর সব জেলা ও উপজেলায় বিক্ষোভ কর্মসূচি পালনের ঘোষণা দিয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

“যদি না হয় পিআর, আবার ফিরবে স্বৈরাচার”—বিক্ষোভে ইসলামী আন্দোলনের স্লোগান

আপডেট সময় : ০৬:১৭:৫৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫

জুলাই সনদের ভিত্তিতে পিআর (প্রোপোরশনাল রিপ্রেজেন্টেশন) পদ্ধতিতে জাতীয় নির্বাচন, গণহত্যার বিচার ও জাতীয় পার্টি ও ১৪ দলের বিচার নিশ্চিত করার দাবিতে রাজধানীর বায়তুল মোকাররম এলাকায় বিক্ষোভ মিছিল করেছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ। দলটির ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ শাখার আয়োজনে বৃহস্পতিবার (১৮ সেপ্টেম্বর) জোহরের নামাজের পর এই কর্মসূচি শুরু হয়।
কোরআন তিলাওয়াতের মধ্য দিয়ে শুরু হওয়া সমাবেশে বক্তারা বলেন, পিআর পদ্ধতি ছাড়া কোনো নির্বাচন হবে না। তাদের ভাষায়, “যদি না হয় পিআর, আবার ফিরবে স্বৈরাচার।” বক্তারা আরও অভিযোগ করেন, সংস্কারের নামে দেশে প্রহসন চলছে, যা জনগণ আর মেনে নেবে না।
বিকেল ৩টার দিকে সমাবেশ শেষে বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি বায়তুল মোকাররমের উত্তর গেট থেকে শুরু হয়ে পল্টন মোড় ঘুরে আবার মসজিদের সামনে এসে শেষ হয়। কোরআনের আয়াত তিলাওয়াতের মধ্য দিয়ে কর্মসূচি সমাপ্ত ঘোষণা করেন ইসলামী আন্দোলনের সিনিয়র নায়েবে আমির মুফতি ফয়জুল করিম।
তিনি বলেন, পিআর পদ্ধতিতে নির্বাচন হলে সংসদে সব শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত হবে। এতে কালো টাকা সাদা করার সুযোগ, ভোট ডাকাতি বা ফ্যাসিবাদী রাজনীতি টিকে থাকবে না। প্রয়োজনে গণভোটের মাধ্যমে জনগণকেই সিদ্ধান্ত নিতে হবে—তারা পিআর চান কি না।
এ সময় প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গান ও নাচের শিক্ষক নিয়োগের বিরোধিতা করে তিনি বলেন, মুসলমানদের করের টাকায় এমন পদ সৃষ্টির সুযোগ নেই। বরং ধর্মীয় শিক্ষা বাধ্যতামূলক করতে হবে এবং প্রয়োজন হলে কম্পিউটার শিক্ষক নিয়োগ দিতে হবে।
বিক্ষোভ সমাবেশে অন্যান্য বক্তারা সংস্কার ছাড়া নির্বাচন সম্ভব নয় বলে মন্তব্য করেন। তারা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, নির্বাচন বানচালের চেষ্টা করলে জনগণ সেই চক্রান্তকারীদের বঙ্গোপসাগরে পাঠাবে।
একই দিনে জামায়াতে ইসলাম, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসসহ সাতটি ইসলামী দল রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে সমাবেশ ও বিক্ষোভ করেছে। এসব দলের অভিন্ন দাবির মধ্যে রয়েছে—জুলাই সনদের আইনি ভিত্তি, পিআর পদ্ধতিতে নির্বাচন, সমান প্রতিদ্বন্দ্বিতার সুযোগ নিশ্চিত করা, জুলাই-আগস্ট গণহত্যার বিচার এবং বিশেষ ট্রাইব্যুনালে জাতীয় পার্টি ও ১৪ দলের বিচার।
এছাড়া ইসলামী দলগুলো শুক্রবার বিভাগীয় শহরে এবং ২৬ সেপ্টেম্বর সব জেলা ও উপজেলায় বিক্ষোভ কর্মসূচি পালনের ঘোষণা দিয়েছে।