৩৮ ও ৩৭ নং ওয়ার্ডে পথশোভাযাত্রা, সৌজন্য সাক্ষাৎ, অসুস্থদের খোঁজখবর ও মরহুমের জানাজায় অংশগ্রহণ— মানুষের সেবায় প্রতিনিয়ত সক্রিয় এক মানবিক জননেতা
গরীব দুঃখীর বন্ধু সরকার জাবেদ আহমেদ সুমন : সেবায়, জানাজায় ও জনতার মাঝে প্রতিদিন
- আপডেট সময় : ০৯:১৭:০৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৪ অক্টোবর ২০২৫
- / ২১৪৬ বার পড়া হয়েছে

গতকাল শুক্রবার বিকেল পাঁচটা থেকে শুরু হয় ৩৮ নং ওয়ার্ডে মোহাম্মদ জাবেদ আহমেদ সুমনের পথশোভাযাত্রা, মতবিনিময় সভা ও জনগণের মাঝে সৌজন্য সাক্ষাৎ। তিনি বড়বাড়ী এলাকার জীবন মার্কেট, বাহার মার্কেটসহ বিভিন্ন স্থানে ঘুরে ঘুরে জনগণের সাথে কুশল বিনিময় করেন, নেতাকর্মীদের খোঁজখবর নেন এবং সবার কাছে দোয়া প্রার্থনা করেন। এলাকায় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও বিএনপি অঙ্গ-সংগঠনের নেতা-কর্মীরাও এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
এরপর গাছা থানার চান্দিনা রোড এলাকায় এক মরহুমার জানাজায় অংশ নেন তিনি। জানা যায়, গাজীপুর-৬ আসনের যেকোনো এলাকায় কেউ মৃত্যুবরণ করলে তিনি সেখানে ছুটে যান, জানাজায় শরিক হন এবং দাফন-কাফনে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা প্রদান করেন। প্রয়োজনে কাফন-দাফনের সামগ্রীও নিজ উদ্যোগে যোগান দেন। এভাবেই তিনি প্রতিদিন কোন না কোন সামাজিক বা মানবিক কাজে যুক্ত থাকেন।
তিনি বলেন, “রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, ‘মানুষের মধ্যে সেই ব্যক্তি উত্তম, যে মানুষের উপকারে আসে।’ (আল-মুজাম আল-আওসাত, হাদিস: ৬১৯২)। তাই মানুষের পাশে দাঁড়ানোই তার রাজনীতির মূল দর্শন।
কোরআনে বলা হয়েছে, “তোমরা সৎকাজ ও আল্লাহভীতিতে একে অপরকে সাহায্য করো এবং গোনাহ ও সীমালঙ্ঘনে সহযোগিতা করো না।” (সুরা আল-মায়িদাহ, ৫:২),
এছাড়াও রাসূল (সা.) বলেছেন, “যে ব্যক্তি তার মুসলিম ভাইয়ের প্রয়োজন পূরণে সচেষ্ট হয়, আল্লাহও তার প্রয়োজন পূরণ করবেন।” (সহিহ বুখারি, হাদিস: ২৪৪২)
সরকার জাবেদ আহমেদ সুমন শুধু রাজনৈতিক কর্মী নন, তিনি ক্লাব উদ্বোধন, সামাজিক সংগঠন ও মানবিক কার্যক্রমে সক্রিয়ভাবে যুক্ত। এলাকায় অসুস্থ, বিপদগ্রস্ত বা অসহায় মানুষের খোঁজখবর নেন, প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করেন। গতকালও তিনি অসুস্থ এক ব্যক্তিকে দেখতে যান।

মানুষের মাঝে ৩১ দফা রাষ্ট্র সংস্কার কর্মসূচি পৌঁছে দিচ্ছেন তিনি। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের উপস্থাপিত এই দফাগুলো সাধারণ মানুষকে বুঝিয়ে বলছেন এবং উন্নত বাংলাদেশের স্বপ্ন বাস্তবায়নে সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানাচ্ছেন। সম্প্রতি দুর্গাপূজা উপলক্ষে টঙ্গীর ২৮টি পূজা মণ্ডপে তিনি তারেক রহমানের পক্ষ থেকে অনুদান পৌঁছে দেন। এভাবেই তিনি ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকল মানুষের পাশে দাঁড়ান। জুমার নামাজ আদায়ের পর তিনি ইসলামিক আলোচনা ও সামাজিক কাজে অংশগ্রহণ করেন। কোরআন ও হাদিসের আলোকে মানুষকে ন্যায়, সততা ও সেবামূলক জীবনের দিকে আহ্বান জানান।
রাসূল (সা.) বলেছেন, “মুমিনদের মধ্যে সে ব্যক্তি সর্বোত্তম, যার চরিত্র সর্বোত্তম।” (সুনান আত-তিরমিজি, হাদিস: ১১৬২), এলাকাবাসীর মতে, সরকার জাবেদ আহমেদ সুমনের মাধুর্যপূর্ণ ব্যবহার, আন্তরিক ভালোবাসা ও সহজ-সরল আচরণের কারণেই তিনি আজ সবার প্রিয়ভাজন। কোরআনে যেমন বলা হয়েছে, “নিশ্চয়ই আল্লাহ ন্যায়বিচার, সৎকর্ম এবং আত্মীয়-স্বজনকে দান করার আদেশ দেন।” (সুরা আন-নাহল, ১৬:৯০) এক কথায় তিনি শুধু একজন নেতা নন, তিনি জনতার প্রকৃত বন্ধু।











