ঢাকা ০৯:০৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
শিক্ষা ও সমাজসেবায় নিবেদিত কামাল উদ্দিন খাইলকুর বাদশাহ মিয়া অগ্রণী উচ্চ বিদ্যালয় অ্যান্ড কলেজের এডহক কমিটির সভাপতি নির্বাচিত গ্রীষ্মের আগেই জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হবে ৪ হাজার মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ হাসপাতালে গিয়ে চিকিৎসক-কর্মকর্তাদের পেলেন না স্বাস্থ্যমন্ত্রী, দুই নার্সকে বদলির নির্দেশ সততাকে ভিত্তি, জনতাকে শক্তি করে জনসেবায় আব্দুল আউয়াল সরকার গার্মেন্টস শিল্পে নৈরাজ্যের প্রতিবাদে টঙ্গীতে বিএনপির আলোচনা সভা আত্মসমর্পণের শর্তে আগাম জামিন পেলেন শাহজালাল রুমী শ্রমিক আন্দোলন ঘিরে নাশকতা প্রতিরোধে মাঠে বিএনপি, শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষায় নেতৃত্বে নয়ন এমপি ও শওকত হোসেন সরকার রিফাত-জুম্মনকে হত্যাচেষ্টার অভিযোগে উত্তাল এরশাদনগর রাজপথের পরীক্ষিত কর্মী বেনজীর রহমান খান পিন্টু পদ-পদবির অহংকার নয়, মানুষের সেবাই কাজী হুমায়ূন কবিরের রাজনীতির মূল দর্শন

পহেলা বৈশাখে শুরু হচ্ছে ‘কৃষক কার্ড’, প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে প্রস্তুতি বৈঠক

md younus
  • আপডেট সময় : ১০:৪১:৪৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬
  • / ২০৫৭ বার পড়া হয়েছে




দেশের কৃষকদের জন্য নতুন ‘কৃষক কার্ড’ চালুর উদ্যোগ নিয়ে সরকারের উচ্চপর্যায়ের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে কৃষকদের সরকারি সুবিধা, ভর্তুকি ও প্রণোদনা সহজভাবে পৌঁছে দেওয়ার পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। সরকার জানিয়েছে, আগামী পহেলা বৈশাখে আনুষ্ঠানিকভাবে কৃষক কার্ড বিতরণ কর্মসূচি শুরু করা হবে।
রোববার (১৫ মার্চ) বেলা ১১টায় বাংলাদেশ সংসদ সচিবালয়ে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন বৈঠকের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
তিনি জানান, বৈঠকে কৃষিমন্ত্রী আমিন উর রশীদ এবং কৃষি প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকুসহ সরকারের কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রী ও উপদেষ্টা উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ এবং স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বৈঠকে অংশ নেন।
বৈঠকে কৃষক কার্ড কর্মসূচির বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়। সংশ্লিষ্টরা জানান, এই কার্ড চালুর মাধ্যমে কৃষকদের জন্য সরকার ঘোষিত বিভিন্ন ভর্তুকি, প্রণোদনা ও অন্যান্য সুবিধা আরও সহজ এবং স্বচ্ছভাবে পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হবে।
সরকার ইতোমধ্যে ঘোষণা দিয়েছে, আগামী ১৪ এপ্রিল পহেলা বৈশাখে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কৃষক কার্ড বিতরণ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন। সংশ্লিষ্টদের মতে, এই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে দেশের প্রান্তিক কৃষকদের জন্য সরকারি সহায়তা পাওয়ার প্রক্রিয়া আরও সহজ হবে এবং কৃষিখাতে আধুনিক ব্যবস্থাপনা চালু করার পথও সুগম হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

পহেলা বৈশাখে শুরু হচ্ছে ‘কৃষক কার্ড’, প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে প্রস্তুতি বৈঠক

আপডেট সময় : ১০:৪১:৪৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬

দেশের কৃষকদের জন্য নতুন ‘কৃষক কার্ড’ চালুর উদ্যোগ নিয়ে সরকারের উচ্চপর্যায়ের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে কৃষকদের সরকারি সুবিধা, ভর্তুকি ও প্রণোদনা সহজভাবে পৌঁছে দেওয়ার পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। সরকার জানিয়েছে, আগামী পহেলা বৈশাখে আনুষ্ঠানিকভাবে কৃষক কার্ড বিতরণ কর্মসূচি শুরু করা হবে।
রোববার (১৫ মার্চ) বেলা ১১টায় বাংলাদেশ সংসদ সচিবালয়ে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন বৈঠকের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
তিনি জানান, বৈঠকে কৃষিমন্ত্রী আমিন উর রশীদ এবং কৃষি প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকুসহ সরকারের কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রী ও উপদেষ্টা উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ এবং স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বৈঠকে অংশ নেন।
বৈঠকে কৃষক কার্ড কর্মসূচির বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়। সংশ্লিষ্টরা জানান, এই কার্ড চালুর মাধ্যমে কৃষকদের জন্য সরকার ঘোষিত বিভিন্ন ভর্তুকি, প্রণোদনা ও অন্যান্য সুবিধা আরও সহজ এবং স্বচ্ছভাবে পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হবে।
সরকার ইতোমধ্যে ঘোষণা দিয়েছে, আগামী ১৪ এপ্রিল পহেলা বৈশাখে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কৃষক কার্ড বিতরণ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন। সংশ্লিষ্টদের মতে, এই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে দেশের প্রান্তিক কৃষকদের জন্য সরকারি সহায়তা পাওয়ার প্রক্রিয়া আরও সহজ হবে এবং কৃষিখাতে আধুনিক ব্যবস্থাপনা চালু করার পথও সুগম হবে।