গাজীপুর-৬: প্রভাষক বশির উদ্দিনের উদ্যোগে শান্তি, সহাবস্থান ও ঐক্য রক্ষার উপর গুরুত্ব—আসন্ন নির্বাচনে ‘ধানের শীষে’ ভোটের প্রতি সমর্থনের আহ্বান
টঙ্গীতে হিন্দু সম্প্রদায়ের উদ্যোগে সম্প্রীতি সমাবেশ: ধর্মনিরপেক্ষ সমাজ গঠনের আহ্বান
- আপডেট সময় : ১১:৩৭:১৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১ নভেম্বর ২০২৫
- / ২১৪০ বার পড়া হয়েছে

টঙ্গী: শুক্রবার বিকেলে টঙ্গী পশ্চিম থানার প্রভাষক বশির উদ্দিনের নিজ বাসভবনে গাজীপুর-৬ আসনে হিন্দু সম্প্রদায়ের উদ্যোগে একটি সম্প্রীতি সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। অনুষ্ঠানে মুসলিম–হিন্দু প্রচলিত ভ্রাতৃত্ব ও শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয় এবং সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানানো হয়। প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রভাষক বশির উদ্দিন বলেন, তিনি জনসেবাকে ব্যক্তিগত স্বার্থে দেখেন না; যদি দল তাকে মনোনয়ন দেয়, জনগণের শক্তিতে গাজীপুর-৬ আসন তিনি জেতার আশা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, “জাতি–ধর্ম–বর্ণ নির্বিশেষে শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান আমাদের চিরায়ত সংস্কৃতি। সম্প্রীতির বন্ধনকে আরও মজবুত করতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।”
তিনি আরও বলেন, ধর্মীয় উৎসব পালনে মুক্তিযোগ্যতা, মন্দির–শ্মশান ব্যবস্থাপনা, স্বাধীনভাবে ব্যবসা-বাণিজ্য ও বসবাসের অধিকার নিশ্চিত করা এবং রাষ্ট্রীয় সামাজিক কাজে সকল সম্প্রদায়ের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে। এছাড়া তিনি বলেন, সমাজে যাদের খারাপ কাজের সঙ্গে জড়িত তাদের বিরুদ্ধে কড়া অবস্থান নেওয়া হবে; স্থানীয়ভাবে অপরাধীরা শনাক্ত হলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে হস্তান্তরের প্রস্তুতি নেওয়া হবে।
সমাবেশে বক্তারা মিলে বলেন, “বিভেদ নয়—সম্প্রীতি হোক শক্তি।” তারা হিন্দু, মুসলিম ও অন্যান্য ধর্মের মানুষের সম্মিলিত প্রচেষ্টায়ই একটি সুন্দর সমাজ ও দেশ গড়ে তোলা সম্ভব হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন। অনুষ্ঠানে ব্যানারে ‘ধানের শীষে ভোট দিন’ প্রতীকের মাধ্যমে আসন্ন নির্বাচনে জাতীয়তাবাদী শক্তির প্রতি সমর্থনের আবেদন জানান আয়োজকরা। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা ও বক্তব্যে উপস্থিত ছিলেন—নিরঞ্জন বিশ্বাস, বাদাম, ঊষা রানী, সন্ধ্যা রানী, প্রেমানন্দ সরকার, সুশীল সরকার, সুবিল সরকার, রমেশ সরকার, বিদ্যুৎ কুমার দাস; সভাপতিত্ব করেন বাবু প্রদীপ অধিকারী। বিশেষ অতিথি ছিলেন পশ্চিম থানার সাংস্কৃতিক সভাপতি বিদ্যুৎ কুমার দাস, সেলিম কাজল (পশ্চিম থানার যুবদল সদস্য সচিব), রফিকুল ইসলাম (যুগ্ন আহবায়ক, গাজীপুর মহানগর যুবদল) প্রমুখ।
সমাবেশের শেষে উপস্থিত সমাজকর্মী ও স্থানীয় নেতা–কর্মীরা স্থানীয় মানুষের কল্যাণ, নিরাপত্তা ও ধর্মীয় স্বাধীনতা রক্ষায় ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার প্রতিশ্রুতি জানান।











