ঢাকা ০৯:১৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
শিক্ষা ও সমাজসেবায় নিবেদিত কামাল উদ্দিন খাইলকুর বাদশাহ মিয়া অগ্রণী উচ্চ বিদ্যালয় অ্যান্ড কলেজের এডহক কমিটির সভাপতি নির্বাচিত গ্রীষ্মের আগেই জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হবে ৪ হাজার মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ হাসপাতালে গিয়ে চিকিৎসক-কর্মকর্তাদের পেলেন না স্বাস্থ্যমন্ত্রী, দুই নার্সকে বদলির নির্দেশ সততাকে ভিত্তি, জনতাকে শক্তি করে জনসেবায় আব্দুল আউয়াল সরকার গার্মেন্টস শিল্পে নৈরাজ্যের প্রতিবাদে টঙ্গীতে বিএনপির আলোচনা সভা আত্মসমর্পণের শর্তে আগাম জামিন পেলেন শাহজালাল রুমী শ্রমিক আন্দোলন ঘিরে নাশকতা প্রতিরোধে মাঠে বিএনপি, শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষায় নেতৃত্বে নয়ন এমপি ও শওকত হোসেন সরকার রিফাত-জুম্মনকে হত্যাচেষ্টার অভিযোগে উত্তাল এরশাদনগর রাজপথের পরীক্ষিত কর্মী বেনজীর রহমান খান পিন্টু পদ-পদবির অহংকার নয়, মানুষের সেবাই কাজী হুমায়ূন কবিরের রাজনীতির মূল দর্শন

১০ মার্চ প্রধানমন্ত্রী ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ উদ্বোধন করবেন

md younus
  • আপডেট সময় : ১১:৫৫:১৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • / ২০৮৯ বার পড়া হয়েছে




ছবি, সংগৃহিত
নারী ও শিশু বিষয়ক এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. আবু জাফর মো. জাহিদ হোসেন আজ মঙ্গলবার দুপুরে জানিয়েছেন, আজকে প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে মন্ত্রিপরিষদের উপ-কমিটির একটি সভা হয়েছে এবং এখানে ফ্যামিলি কার্ড নিয়ে আলোচনা হয়েছে। আগামী ১০ মার্চ প্রধানমন্ত্রী ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ প্রকল্পের পাইলটিং কার্যক্রমের উদ্বোধন করবেন। এই কার্যক্রমের জন্য আমরা এই মুহূর্তে বাংলাদেশের বিভিন্ন বিভাগের ১৪টি উপজেলাকে নির্ধারণ করেছি। এই ১৪টি উপজেলার প্রতিটি থেকে একটি করে ইউনিয়নের একটি ওয়ার্ডে সর্বজনীনভাবে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ করা হবে। ইনশাআল্লাহ, ১০ মার্চ একযোগে এই ১৪টি উপজেলায় কার্যক্রমটি শুরু হবে। এই প্রক্রিয়াটি একটি চলমান প্রক্রিয়া এবং পর্যায়ক্রমে তা সারা বাংলাদেশে ছড়িয়ে দেওয়া হবে।
সমাজকল্যাণ মন্ত্রী বলেন, ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে একটা সময়ে বাংলাদেশের যারা হতদরিদ্র, দরিদ্র এবং নিম্নবিত্ত এই তিন শ্রেণির সুবিধাভোগী আমাদের যে মা-বোন আছেন, তারাই এটার সুবিধা পাবেন।
‘নারীর ক্ষমতায়ন ও তাদের অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করে তোলাই আমাদের লক্ষ্য। একজন নারী স্বাবলম্বী হলে একটি পরিবার স্বাবলম্বী হয় এবং এর মাধ্যমে আগামী প্রজন্মও স্বাবলম্বী হয়ে উঠবে বলে আমরা বিশ্বাস করি। এটি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের অন্যতম নির্বাচনী অঙ্গীকার। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দীর্ঘ সময় ধরে এই প্রকল্পের ওপর কাজ করেছেন। আজ তার সভাপতিত্বে এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী, উপদেষ্টা ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে প্রকল্পটি অনুমোদিত হয়েছে। এই ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে সুবিধাভোগীরা প্রতি মাসে ইনশাআল্লাহ দুই হাজার পাঁচশত (২,৫০০) টাকা করে আর্থিক সহায়তা পাবেন’-উল্লেখ করেন তিনি।
সমাজকল্যাণ মন্ত্রী বলেন, এ ক্ষেত্রে কোনো ধরনের রাজনৈতিক বা ধর্মীয় বৈষম্য করা হবে না। এটি একটি সর্বজনীন (ইউনিভার্সাল) কার্ড হবে এবং বর্তমানে এটি পরীক্ষামূলকভাবে শুরু হচ্ছে। এ ব্যাপারে আমি আপনাদের সবার সহযোগিতা কামনা করছি। আপনাদের সহযোগিতায় আমরা আশা করছি যে, আগামী চার মাসের মধ্যে এই পাইলটিং কার্যক্রম সফলভাবে সম্পন্ন হবে। পরবর্তীতে সারা বাংলাদেশে এটি ব্যাপকভাবে সম্প্রসারণ করা হবে এবং প্রতিটি উপজেলা এর আওতায় আসবে। শুরুতে হয়ত পুরো উপজেলা একসঙ্গে কাভার করা সম্ভব হবে না; আমরা প্রথমে একটি ওয়ার্ড, তারপর একটি ইউনিয়ন-এভাবে পর্যায়ক্রমে পুরো উপজেলা এবং সবশেষে সারা বাংলাদেশে এই সেবা পৌঁছে দেব।
সুবিধাভোগীদের সরাসরি বাছাই করা হচ্ছে না, বরং তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। ঘরে ঘরে গিয়ে ‘ডোর টু ডোর’ পদ্ধতিতে এই তথ্য সংগ্রহ করা হবে। কোনো অবস্থাতেই ঘরে বসে তালিকা করা হবে না; সরাসরি মাঠ পর্যায় থেকে তথ্য সংগ্রহের মাধ্যমে এটি সম্পন্ন করা হবে এবং এতে কারো প্রতি বৈষম্য করা হবে না। এই সরকারি কর্মসূচিটি বাস্তবায়নে উপজেলা পর্যায়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নেতৃত্বে শক্তিশালী কমিটি থাকবে। একইভাবে ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়েও সরকারি কর্মচারীদের সমন্বয়ে পৃথক কমিটি গঠন করা হবে বলেও জানান মন্ত্রী।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

১০ মার্চ প্রধানমন্ত্রী ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ উদ্বোধন করবেন

আপডেট সময় : ১১:৫৫:১৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ছবি, সংগৃহিত
নারী ও শিশু বিষয়ক এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. আবু জাফর মো. জাহিদ হোসেন আজ মঙ্গলবার দুপুরে জানিয়েছেন, আজকে প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে মন্ত্রিপরিষদের উপ-কমিটির একটি সভা হয়েছে এবং এখানে ফ্যামিলি কার্ড নিয়ে আলোচনা হয়েছে। আগামী ১০ মার্চ প্রধানমন্ত্রী ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ প্রকল্পের পাইলটিং কার্যক্রমের উদ্বোধন করবেন। এই কার্যক্রমের জন্য আমরা এই মুহূর্তে বাংলাদেশের বিভিন্ন বিভাগের ১৪টি উপজেলাকে নির্ধারণ করেছি। এই ১৪টি উপজেলার প্রতিটি থেকে একটি করে ইউনিয়নের একটি ওয়ার্ডে সর্বজনীনভাবে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ করা হবে। ইনশাআল্লাহ, ১০ মার্চ একযোগে এই ১৪টি উপজেলায় কার্যক্রমটি শুরু হবে। এই প্রক্রিয়াটি একটি চলমান প্রক্রিয়া এবং পর্যায়ক্রমে তা সারা বাংলাদেশে ছড়িয়ে দেওয়া হবে।
সমাজকল্যাণ মন্ত্রী বলেন, ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে একটা সময়ে বাংলাদেশের যারা হতদরিদ্র, দরিদ্র এবং নিম্নবিত্ত এই তিন শ্রেণির সুবিধাভোগী আমাদের যে মা-বোন আছেন, তারাই এটার সুবিধা পাবেন।
‘নারীর ক্ষমতায়ন ও তাদের অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করে তোলাই আমাদের লক্ষ্য। একজন নারী স্বাবলম্বী হলে একটি পরিবার স্বাবলম্বী হয় এবং এর মাধ্যমে আগামী প্রজন্মও স্বাবলম্বী হয়ে উঠবে বলে আমরা বিশ্বাস করি। এটি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের অন্যতম নির্বাচনী অঙ্গীকার। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দীর্ঘ সময় ধরে এই প্রকল্পের ওপর কাজ করেছেন। আজ তার সভাপতিত্বে এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী, উপদেষ্টা ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে প্রকল্পটি অনুমোদিত হয়েছে। এই ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে সুবিধাভোগীরা প্রতি মাসে ইনশাআল্লাহ দুই হাজার পাঁচশত (২,৫০০) টাকা করে আর্থিক সহায়তা পাবেন’-উল্লেখ করেন তিনি।
সমাজকল্যাণ মন্ত্রী বলেন, এ ক্ষেত্রে কোনো ধরনের রাজনৈতিক বা ধর্মীয় বৈষম্য করা হবে না। এটি একটি সর্বজনীন (ইউনিভার্সাল) কার্ড হবে এবং বর্তমানে এটি পরীক্ষামূলকভাবে শুরু হচ্ছে। এ ব্যাপারে আমি আপনাদের সবার সহযোগিতা কামনা করছি। আপনাদের সহযোগিতায় আমরা আশা করছি যে, আগামী চার মাসের মধ্যে এই পাইলটিং কার্যক্রম সফলভাবে সম্পন্ন হবে। পরবর্তীতে সারা বাংলাদেশে এটি ব্যাপকভাবে সম্প্রসারণ করা হবে এবং প্রতিটি উপজেলা এর আওতায় আসবে। শুরুতে হয়ত পুরো উপজেলা একসঙ্গে কাভার করা সম্ভব হবে না; আমরা প্রথমে একটি ওয়ার্ড, তারপর একটি ইউনিয়ন-এভাবে পর্যায়ক্রমে পুরো উপজেলা এবং সবশেষে সারা বাংলাদেশে এই সেবা পৌঁছে দেব।
সুবিধাভোগীদের সরাসরি বাছাই করা হচ্ছে না, বরং তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। ঘরে ঘরে গিয়ে ‘ডোর টু ডোর’ পদ্ধতিতে এই তথ্য সংগ্রহ করা হবে। কোনো অবস্থাতেই ঘরে বসে তালিকা করা হবে না; সরাসরি মাঠ পর্যায় থেকে তথ্য সংগ্রহের মাধ্যমে এটি সম্পন্ন করা হবে এবং এতে কারো প্রতি বৈষম্য করা হবে না। এই সরকারি কর্মসূচিটি বাস্তবায়নে উপজেলা পর্যায়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নেতৃত্বে শক্তিশালী কমিটি থাকবে। একইভাবে ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়েও সরকারি কর্মচারীদের সমন্বয়ে পৃথক কমিটি গঠন করা হবে বলেও জানান মন্ত্রী।