ঢাকা ০২:১৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

দীর্ঘদিনের তৃণমূল কর্মীর আক্ষেপ নতুনদের পাশাপাশি পুরাতনদেরও মূল্যায়ন করুন

মূল্যায়ন নয়, সম্মান ও ভালোবাসাই চান পিয়ারা আক্তার প্রিয়া

md younus
  • আপডেট সময় : ০৪:৪১:১৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬
  • / ১৬৪০ বার পড়া হয়েছে




“আসসালামু আলাইকুম, প্রিয় এলাকাবাসী। আপনারা কেমন আছেন ? ভালো আছেন, আমিও ভালো আছি, আলহামদুলিল্লাহ। অনেক দিন আপনাদের মাঝে আসিনি। কারণ আমার মনটা ভালো নেই। আপনারা হয়তো প্রশ্ন করবেন আমার মন খারাপ কেন ?” এভাবেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজের মনের কথা তুলে ধরেছেন টঙ্গী পূর্ব থানা মহিলা দলের ত্রাণ বিষয়ক সম্পাদক পিয়ারা আক্তার প্রিয়া। তাঁর বক্তব্যে উঠে এসেছে দীর্ঘদিন দলের সঙ্গে কাজ করার পরও কাঙ্ক্ষিত মূল্যায়ন না পাওয়ার কষ্ট, অভিমান এবং নেতৃবৃন্দের কাছে সম্মান ও ভালোবাসা পাওয়ার প্রত্যাশা। পিয়ারা আক্তার প্রিয়া জানান, তিনি ২০০৭ সাল থেকে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত থেকে দলের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে কাজ করে আসছেন। বর্তমানে টঙ্গী পূর্ব থানা মহিলা দলের ত্রাণ বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করলেও তাঁর অভিযোগ, দলের নেতাকর্মীদের কাছ থেকে তিনি প্রত্যাশিত মূল্যায়ন পাচ্ছেন না। দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক পথচলায় এই বিষয়টি তাঁকে কষ্ট দেয়।
তাঁর এই ক্ষোভ কোনো অর্থনৈতিক সুবিধা পাওয়ার জন্য নয়, এমনটাই স্পষ্ট করেছেন তিনি। তাঁর চাওয়া টাকা-পয়সা নয়; তিনি চান সম্মান, ভালোবাসা এবং একজন রাজনৈতিক কর্মী হিসেবে যথাযথ মূল্যায়ন। পিয়ারা আক্তার প্রিয়ার সবচেয়ে বড় আক্ষেপের জায়গা হলো দীর্ঘদিন ধরে যারা দলের সঙ্গে থেকে বিভিন্ন প্রতিকূল পরিস্থিতিতে কাজ করেছেন, তাঁদের অনেক সময় যথাযথভাবে মূল্যায়ন করা হচ্ছে না বলে তিনি মনে করেন। অন্যদিকে নতুন করে দলে আসা কিছু কর্মী দ্রুত গুরুত্ব ও সুযোগ-সুবিধা পাচ্ছেন, এমন অভিমানও তাঁর বক্তব্যে ফুটে উঠেছে।
তিনি বলেন, “যারা দীর্ঘদিন ধরে দলের জন্য কাজ করে আসছে, তাদের মূল্যায়ন করা প্রয়োজন। নতুন যারা আসছেন, তাদেরও আমরা স্বাগত জানাই। কিন্তু পুরাতন কর্মীদের ভুলে গেলে চলবে না। যারা দুঃসময়ে দলের পাশে ছিলেন, তাঁদের অভিজ্ঞতা, ত্যাগ ও শ্রমকে মূল্যায়ন করতে হবে।” তাঁর মতে, রাজনীতিতে সুযোগ নেওয়ার মানসিকতার চেয়ে দেশের ও দলের জন্য কাজ করার মানসিকতাই বেশি গুরুত্বপূর্ণ। তিনি নেতৃবৃন্দের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, নতুন-পুরাতন সবাইকে সঙ্গে নিয়ে দলকে এগিয়ে নিতে হবে। তবে দীর্ঘদিনের কর্মীদের অভিজ্ঞতা ও অবদানকে বিশেষভাবে গুরুত্ব দেওয়া উচিত। পিয়ারা আক্তার প্রিয়ার ভাষায়, “আমি চাই পুরাতন কর্মীদের মূল্যায়ন করা হোক। তাঁদের দেশের জন্য, মানুষের জন্য এবং দলের জন্য কাজ করার সুযোগ দেওয়া হোক। আমরা যারা দীর্ঘদিন ধরে আছি, আমাদেরও যেন ভালোবাসা ও সম্মানের সঙ্গে পাশে রাখা হয়, এটাই আমার প্রত্যাশা।”
তিনি আরও বলেন, “সম্মান দিলে সম্মান পাওয়া যায়, ভালোবাসা দিলে ভালোবাসা পাওয়া যায়।” নেতৃবৃন্দের উদ্দেশে তাঁর এই কথার মধ্যে একজন তৃণমূল কর্মীর দীর্ঘদিনের শ্রম, প্রত্যাশা ও ভালোবাসার প্রতিফলন রয়েছে।
রাজনীতির পাশাপাশি মানবসেবায়, রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি পিয়ারা আক্তার প্রিয়া দীর্ঘদিন ধরে সামাজিক ও মানবিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গেও যুক্ত রয়েছেন। এলাকার অসহায়, দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেন তিনি। বিশেষ করে অন্ধ ও প্রতিবন্ধী মানুষের জন্য সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিতে তাঁকে বিভিন্ন সময় দেখা যায়। কারও বিপদের খবর পেলে নিজের সামর্থ্য অনুযায়ী পাশে দাঁড়ানোকে তিনি দায়িত্ব মনে করেন। অসহায় পরিবারের পাশে দাঁড়ানো, দরিদ্র মানুষের সহযোগিতা করা কিংবা কোনো বিপদগ্রস্ত মানুষের খোঁজ নেওয়া, এসব মানবিক কাজকে তিনি রাজনৈতিক পরিচয়ের বাইরে একজন মানুষ হিসেবে নিজের দায়িত্ব বলে মনে করেন। নারীদের নিয়েও তাঁর রয়েছে বিশেষ আগ্রহ। অসহায় ও অবহেলিত নারীদের পাশে দাঁড়ানো, তাঁদের সমস্যা শোনা এবং প্রয়োজনের সময় সহযোগিতা করার চেষ্টা করেন তিনি। তাঁর বিশ্বাস, সমাজের উন্নয়ন তখনই সম্ভব, যখন নারীরাও নিরাপদ, সম্মানিত ও স্বাবলম্বী হয়ে উঠবেন।
তৃণমূল কর্মীদের মূল্যায়নের আহ্বান। পিয়ারা আক্তার প্রিয়ার বক্তব্যে মূলত একটি বিষয়ই বারবার উঠে এসেছে, দলের তৃণমূল ও পুরাতন কর্মীদের মূল্যায়ন। তিনি মনে করেন, যারা দীর্ঘদিন ধরে দলের জন্য কাজ করেছেন, আন্দোলন-সংগ্রাম ও বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশ নিয়েছেন, তাঁদের অভিজ্ঞতা দলের জন্য সম্পদ। তাই তাঁদের পাশে রেখে, তাঁদের দায়িত্ব দিয়ে এবং কাজ করার সুযোগ দিয়ে দলকে আরও শক্তিশালী করা সম্ভব। তাঁর প্রত্যাশা, নেতৃবৃন্দ যেন কর্মীদের মধ্যে বিভাজন না করে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে সঙ্গে নিয়ে এগিয়ে যান। নতুন কর্মীদের স্বাগত জানানোর পাশাপাশি পুরাতন কর্মীদের অবদানও যেন যথাযথভাবে স্বীকৃতি পায়। “নতুনরা আসুক, দল বড় হোক এটা আমিও চাই। কিন্তু পুরাতনদের ভুলে গিয়ে নয়। যারা দীর্ঘদিন ধরে দলের জন্য সময়, শ্রম ও ভালোবাসা দিয়েছে, তাদেরও মূল্যায়ন করতে হবে। তাদের দেশের জন্য ও মানুষের জন্য কাজ করার সুযোগ দিতে হবে।” এমনটাই প্রত্যাশা পিয়ারা আক্তার প্রিয়ার।
পিয়ারা আক্তার প্রিয়ার এই বক্তব্য তাই শুধু ব্যক্তিগত অভিমান নয়; তাঁর দৃষ্টিতে এটি তৃণমূলের একজন দীর্ঘদিনের কর্মীর মূল্যায়ন পাওয়ার আকাঙ্ক্ষা। তিনি কোনো আর্থিক সুবিধা চান না, চান না বিশেষ কোনো ব্যক্তিগত সুবিধা। তাঁর প্রত্যাশা, দলের কাছে একজন কর্মী হিসেবে সম্মান, নেতৃবৃন্দের ভালোবাসা এবং মানুষের জন্য কাজ করার সুযোগ। রাজনৈতিক মূল্যায়নের পাশাপাশি মানবিক কর্মকাণ্ডের মধ্য দিয়ে তিনি নিজের একটি আলাদা পরিচয় গড়ে তুলেছেন বলে তাঁর সমর্থকদের দাবি। ৪৯, ৫০ ও ৫১ নম্বর ওয়ার্ডের মানুষের সুখ-দুঃখে পাশে থাকা, অসহায়দের সহযোগিতা করা এবং বিশেষ করে অন্ধ ও প্রতিবন্ধী মানুষের পাশে দাঁড়ানোর মধ্য দিয়ে তিনি সামাজিকভাবে নিজেকে সম্পৃক্ত রেখেছেন। তাঁর বার্তা স্পষ্ট “পুরাতন কর্মীদের মূল্যায়ন করুন, তাঁদের সম্মান করুন, ভালোবাসুন এবং দেশের মানুষের জন্য কাজ করার সুযোগ দিন।” এটাই পিয়ারা আক্তার প্রিয়ার মনের কথা, এটাই তাঁর প্রত্যাশা।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

দীর্ঘদিনের তৃণমূল কর্মীর আক্ষেপ নতুনদের পাশাপাশি পুরাতনদেরও মূল্যায়ন করুন

মূল্যায়ন নয়, সম্মান ও ভালোবাসাই চান পিয়ারা আক্তার প্রিয়া

আপডেট সময় : ০৪:৪১:১৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬

“আসসালামু আলাইকুম, প্রিয় এলাকাবাসী। আপনারা কেমন আছেন ? ভালো আছেন, আমিও ভালো আছি, আলহামদুলিল্লাহ। অনেক দিন আপনাদের মাঝে আসিনি। কারণ আমার মনটা ভালো নেই। আপনারা হয়তো প্রশ্ন করবেন আমার মন খারাপ কেন ?” এভাবেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজের মনের কথা তুলে ধরেছেন টঙ্গী পূর্ব থানা মহিলা দলের ত্রাণ বিষয়ক সম্পাদক পিয়ারা আক্তার প্রিয়া। তাঁর বক্তব্যে উঠে এসেছে দীর্ঘদিন দলের সঙ্গে কাজ করার পরও কাঙ্ক্ষিত মূল্যায়ন না পাওয়ার কষ্ট, অভিমান এবং নেতৃবৃন্দের কাছে সম্মান ও ভালোবাসা পাওয়ার প্রত্যাশা। পিয়ারা আক্তার প্রিয়া জানান, তিনি ২০০৭ সাল থেকে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত থেকে দলের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে কাজ করে আসছেন। বর্তমানে টঙ্গী পূর্ব থানা মহিলা দলের ত্রাণ বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করলেও তাঁর অভিযোগ, দলের নেতাকর্মীদের কাছ থেকে তিনি প্রত্যাশিত মূল্যায়ন পাচ্ছেন না। দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক পথচলায় এই বিষয়টি তাঁকে কষ্ট দেয়।
তাঁর এই ক্ষোভ কোনো অর্থনৈতিক সুবিধা পাওয়ার জন্য নয়, এমনটাই স্পষ্ট করেছেন তিনি। তাঁর চাওয়া টাকা-পয়সা নয়; তিনি চান সম্মান, ভালোবাসা এবং একজন রাজনৈতিক কর্মী হিসেবে যথাযথ মূল্যায়ন। পিয়ারা আক্তার প্রিয়ার সবচেয়ে বড় আক্ষেপের জায়গা হলো দীর্ঘদিন ধরে যারা দলের সঙ্গে থেকে বিভিন্ন প্রতিকূল পরিস্থিতিতে কাজ করেছেন, তাঁদের অনেক সময় যথাযথভাবে মূল্যায়ন করা হচ্ছে না বলে তিনি মনে করেন। অন্যদিকে নতুন করে দলে আসা কিছু কর্মী দ্রুত গুরুত্ব ও সুযোগ-সুবিধা পাচ্ছেন, এমন অভিমানও তাঁর বক্তব্যে ফুটে উঠেছে।
তিনি বলেন, “যারা দীর্ঘদিন ধরে দলের জন্য কাজ করে আসছে, তাদের মূল্যায়ন করা প্রয়োজন। নতুন যারা আসছেন, তাদেরও আমরা স্বাগত জানাই। কিন্তু পুরাতন কর্মীদের ভুলে গেলে চলবে না। যারা দুঃসময়ে দলের পাশে ছিলেন, তাঁদের অভিজ্ঞতা, ত্যাগ ও শ্রমকে মূল্যায়ন করতে হবে।” তাঁর মতে, রাজনীতিতে সুযোগ নেওয়ার মানসিকতার চেয়ে দেশের ও দলের জন্য কাজ করার মানসিকতাই বেশি গুরুত্বপূর্ণ। তিনি নেতৃবৃন্দের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, নতুন-পুরাতন সবাইকে সঙ্গে নিয়ে দলকে এগিয়ে নিতে হবে। তবে দীর্ঘদিনের কর্মীদের অভিজ্ঞতা ও অবদানকে বিশেষভাবে গুরুত্ব দেওয়া উচিত। পিয়ারা আক্তার প্রিয়ার ভাষায়, “আমি চাই পুরাতন কর্মীদের মূল্যায়ন করা হোক। তাঁদের দেশের জন্য, মানুষের জন্য এবং দলের জন্য কাজ করার সুযোগ দেওয়া হোক। আমরা যারা দীর্ঘদিন ধরে আছি, আমাদেরও যেন ভালোবাসা ও সম্মানের সঙ্গে পাশে রাখা হয়, এটাই আমার প্রত্যাশা।”
তিনি আরও বলেন, “সম্মান দিলে সম্মান পাওয়া যায়, ভালোবাসা দিলে ভালোবাসা পাওয়া যায়।” নেতৃবৃন্দের উদ্দেশে তাঁর এই কথার মধ্যে একজন তৃণমূল কর্মীর দীর্ঘদিনের শ্রম, প্রত্যাশা ও ভালোবাসার প্রতিফলন রয়েছে।
রাজনীতির পাশাপাশি মানবসেবায়, রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি পিয়ারা আক্তার প্রিয়া দীর্ঘদিন ধরে সামাজিক ও মানবিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গেও যুক্ত রয়েছেন। এলাকার অসহায়, দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেন তিনি। বিশেষ করে অন্ধ ও প্রতিবন্ধী মানুষের জন্য সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিতে তাঁকে বিভিন্ন সময় দেখা যায়। কারও বিপদের খবর পেলে নিজের সামর্থ্য অনুযায়ী পাশে দাঁড়ানোকে তিনি দায়িত্ব মনে করেন। অসহায় পরিবারের পাশে দাঁড়ানো, দরিদ্র মানুষের সহযোগিতা করা কিংবা কোনো বিপদগ্রস্ত মানুষের খোঁজ নেওয়া, এসব মানবিক কাজকে তিনি রাজনৈতিক পরিচয়ের বাইরে একজন মানুষ হিসেবে নিজের দায়িত্ব বলে মনে করেন। নারীদের নিয়েও তাঁর রয়েছে বিশেষ আগ্রহ। অসহায় ও অবহেলিত নারীদের পাশে দাঁড়ানো, তাঁদের সমস্যা শোনা এবং প্রয়োজনের সময় সহযোগিতা করার চেষ্টা করেন তিনি। তাঁর বিশ্বাস, সমাজের উন্নয়ন তখনই সম্ভব, যখন নারীরাও নিরাপদ, সম্মানিত ও স্বাবলম্বী হয়ে উঠবেন।
তৃণমূল কর্মীদের মূল্যায়নের আহ্বান। পিয়ারা আক্তার প্রিয়ার বক্তব্যে মূলত একটি বিষয়ই বারবার উঠে এসেছে, দলের তৃণমূল ও পুরাতন কর্মীদের মূল্যায়ন। তিনি মনে করেন, যারা দীর্ঘদিন ধরে দলের জন্য কাজ করেছেন, আন্দোলন-সংগ্রাম ও বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশ নিয়েছেন, তাঁদের অভিজ্ঞতা দলের জন্য সম্পদ। তাই তাঁদের পাশে রেখে, তাঁদের দায়িত্ব দিয়ে এবং কাজ করার সুযোগ দিয়ে দলকে আরও শক্তিশালী করা সম্ভব। তাঁর প্রত্যাশা, নেতৃবৃন্দ যেন কর্মীদের মধ্যে বিভাজন না করে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে সঙ্গে নিয়ে এগিয়ে যান। নতুন কর্মীদের স্বাগত জানানোর পাশাপাশি পুরাতন কর্মীদের অবদানও যেন যথাযথভাবে স্বীকৃতি পায়। “নতুনরা আসুক, দল বড় হোক এটা আমিও চাই। কিন্তু পুরাতনদের ভুলে গিয়ে নয়। যারা দীর্ঘদিন ধরে দলের জন্য সময়, শ্রম ও ভালোবাসা দিয়েছে, তাদেরও মূল্যায়ন করতে হবে। তাদের দেশের জন্য ও মানুষের জন্য কাজ করার সুযোগ দিতে হবে।” এমনটাই প্রত্যাশা পিয়ারা আক্তার প্রিয়ার।
পিয়ারা আক্তার প্রিয়ার এই বক্তব্য তাই শুধু ব্যক্তিগত অভিমান নয়; তাঁর দৃষ্টিতে এটি তৃণমূলের একজন দীর্ঘদিনের কর্মীর মূল্যায়ন পাওয়ার আকাঙ্ক্ষা। তিনি কোনো আর্থিক সুবিধা চান না, চান না বিশেষ কোনো ব্যক্তিগত সুবিধা। তাঁর প্রত্যাশা, দলের কাছে একজন কর্মী হিসেবে সম্মান, নেতৃবৃন্দের ভালোবাসা এবং মানুষের জন্য কাজ করার সুযোগ। রাজনৈতিক মূল্যায়নের পাশাপাশি মানবিক কর্মকাণ্ডের মধ্য দিয়ে তিনি নিজের একটি আলাদা পরিচয় গড়ে তুলেছেন বলে তাঁর সমর্থকদের দাবি। ৪৯, ৫০ ও ৫১ নম্বর ওয়ার্ডের মানুষের সুখ-দুঃখে পাশে থাকা, অসহায়দের সহযোগিতা করা এবং বিশেষ করে অন্ধ ও প্রতিবন্ধী মানুষের পাশে দাঁড়ানোর মধ্য দিয়ে তিনি সামাজিকভাবে নিজেকে সম্পৃক্ত রেখেছেন। তাঁর বার্তা স্পষ্ট “পুরাতন কর্মীদের মূল্যায়ন করুন, তাঁদের সম্মান করুন, ভালোবাসুন এবং দেশের মানুষের জন্য কাজ করার সুযোগ দিন।” এটাই পিয়ারা আক্তার প্রিয়ার মনের কথা, এটাই তাঁর প্রত্যাশা।