ঢাকা ১২:৫০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
আন্দোলন-সংগ্রামে রাজপথে থাকার প্রত্যয় টঙ্গীর রাজপথে সুমন-টিপুর নেতৃত্বে যুবদলের বিক্ষোভ মানুষের প্রয়োজনেই ছুটে চলেন আইয়ুব আলী পরিকল্পিত নৈরাজ্যের প্রতিবাদে গাজীপুরে তাঁতীদলের সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল সন্ত্রাস-নৈরাজ্যের প্রতিবাদে দিন-রাত রাজপথে বিএনপি ৮৪-এর তরুণ: এথেন্সের মঞ্চে বাংলাদেশের লাল-সবুজের স্বর্ণগাথা পরিকল্পিত নৈরাজ্যের প্রতিবাদে তাঁতীদলের সমাবেশ ও মিছিল টঙ্গীর রাজপথে বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল পদ-পদবীর মোহ নয় মানুষের ভালোবাসাই যার সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি শান্তিপূর্ণ রাজনৈতিক কর্মসূচির বার্তা দিলেন সভাপতি তাজুল ইসলাম বেপারী সন্ত্রাস, নৈরাজ্য ও ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে টঙ্গীর রাজপথে বিএনপির বিক্ষোভ

মশক নিধন থেকে ড্রেন, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, খেলাধুলা ও ধর্মীয় আয়োজন ৪৭ নম্বর ওয়ার্ডের মানুষের পাশে থাকার প্রত্যয়

মানুষের প্রয়োজনেই ছুটে চলেন আইয়ুব আলী

md younus
  • আপডেট সময় : ১০:৩৬:৫৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / ১৫৮১ বার পড়া হয়েছে




মানুষের সুখে-দুঃখে পাশে থাকা, এলাকার সমস্যা নিয়ে কথা বলা এবং সামাজিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত থাকার মধ্য দিয়ে নিজস্ব একটি পরিচিতি গড়ে তুলেছেন গাজীপুর মহানগর বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক সদস্য ও বৃহত্তর টঙ্গী থানা ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোঃ আইয়ুব আলী। তিনি গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের ৪৭ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর পদপ্রার্থী।

“নাগরিক সমস্যার খোঁজখবর থেকে সামাজিক ও ধর্মীয় আয়োজন—৪৭ নম্বর ওয়ার্ডের মানুষের সঙ্গে মোঃ আইয়ুব আলী।”


বর্তমানে ৪৭ নম্বর ওয়ার্ডের বিভিন্ন এলাকায় মশার উপদ্রব ও ডেঙ্গুর ঝুঁকি বাড়ায় মশক নিধন কার্যক্রম জোরদারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পুরো ওয়ার্ডে মশার ওষুধ দেওয়ার কার্যক্রমের পাশাপাশি মরকুন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের স্কুল পরিচালনা কমিটির সভায়ও উপস্থিত ছিলেন তিনি। টিএন্ডটি বাজার থেকে শামীমের বাড়ি পর্যন্ত ড্রেনের কাজের লেভেল পরিমাপের সময়ও সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে ছিলেন আইয়ুব আলী। সংশ্লিষ্টদের প্রত্যাশা, এক সপ্তাহের মধ্যে ড্রেনের কাজ শুরু হবে। নাগরিক জীবনের ছোট-বড় এসব সমস্যাকে গুরুত্ব দিয়ে সমাধানের উদ্যোগের সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকাকেই তিনি জনসেবার অংশ হিসেবে দেখেন।
পরিচ্ছন্ন ও নিরাপদ ওয়ার্ডের ভাবনা, ৪৭ নম্বর ওয়ার্ডের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা আধুনিকায়ন, নতুন ডাম্পিং ব্যবস্থা, বিশুদ্ধ পানির সরবরাহ এবং উন্নত চিকিৎসাসেবার প্রয়োজনীয়তা নিয়েও তিনি সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে যোগাযোগ করছেন। এসব বিষয়ে সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাসহ বিদেশি প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনায় অংশ নেওয়ার কথাও জানা গেছে। আইয়ুব আলীর কর্মকাণ্ডের পরিধি শুধু নাগরিক সমস্যায় সীমাবদ্ধ নয়। এলাকার খেলাধুলা, সামাজিক অনুষ্ঠান, নৌভ্রমণসহ বিভিন্ন আয়োজনে তিনি সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেন। বিশেষ করে শিশু-কিশোর ও তরুণদের প্রতি তাঁর আগ্রহের কথা স্থানীয়রা উল্লেখ করেন। তাঁর বিশ্বাস, আজকের শিশুরাই আগামী দিনের সমাজ ও নেতৃত্বের অংশ।
ধর্মীয় ও সামাজিক সম্পৃক্ততা, ধর্মীয় অনুষ্ঠানেও তাঁর উপস্থিতি রয়েছে। রেরপাড়া গাউসুল আযম সুন্নী জামে মসজিদে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে আয়োজিত ওয়াজ মাহফিলে উপস্থিত থাকার পাশাপাশি বিভিন্ন ধর্মীয় আয়োজনে সহযোগিতা করেন বলে স্থানীয়রা জানান। তাঁর ঘনিষ্ঠজনদের ভাষ্য, তিনি নিয়মিত পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায়ের চেষ্টা করেন।
বাবার স্মৃতিতে আবেগঘন অধ্যায়, ব্যস্ত জনজীবনের আড়ালেও রয়েছে তাঁর ব্যক্তিগত আবেগের জায়গা। ২০২৬ সালের ৮ সেপ্টেম্বর ছিল তাঁর বাবার মৃত্যুবার্ষিকী। বাবাকে হারানোর আট বছর পেরিয়ে গেলেও বাবার স্মৃতি তাঁর কাছে এখনও গভীরভাবে অমলিন। মৃত্যুবার্ষিকীতে তিনি তাঁর বাবার রুহের মাগফিরাতের জন্য সবার কাছে দোয়া চেয়েছেন।
ন্যায়বিচারের অপেক্ষায়, ২০২৬ সালের ৭ সেপ্টেম্বর সুপ্রিম কোর্টে আহসান উল্লাহ হত্যা মামলার দীর্ঘ শুনানি শেষ হওয়ার পর আইনজীবীদের সঙ্গে কথা বলেন আইয়ুব আলী। শুনানি শেষে আইনজীবীদের সঙ্গে ফটোসেশনেও অংশ নেন তিনি। দীর্ঘ বিচারপ্রক্রিয়ার পর ন্যায়বিচারের প্রত্যাশার কথা জানান।
মানুষই তাঁর চলার পথের কেন্দ্রবিন্দু, রাজনীতির পরিচয়ের বাইরে আইয়ুব আলীর কর্মকাণ্ডে যে বিষয়টি বেশি গুরুত্ব পায়, তা হলো মানুষের সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ততা। এলাকার কেউ বিপদে পড়লে, সামাজিক কোনো বিষয়ে সহযোগিতার প্রয়োজন হলে কিংবা কোনো অনুষ্ঠান আয়োজন করলে তাঁর কাছে মানুষ যাওয়ার চেষ্টা করেন, এমনটাই জানান স্থানীয়রা। তরুণদের খেলাধুলা থেকে শুরু করে সামাজিক আয়োজন, ধর্মীয় অনুষ্ঠান কিংবা নাগরিক সমস্যার আলোচনায় তাঁর উপস্থিতি তাঁকে মানুষের কাছাকাছি থাকার সুযোগ করে দিয়েছে। তিনি মনে করেন, সমাজে দায়িত্বশীল অবস্থানে থাকা মানে শুধু কথা বলা নয়, প্রয়োজনে মানুষের পাশে দাঁড়ানোও দায়িত্ব।
৪৭ নম্বর ওয়ার্ডকে পরিচ্ছন্ন, নিরাপদ, স্বাস্থ্যসম্মত ও নাগরিক সুবিধাসম্পন্ন একটি এলাকা হিসেবে গড়ে তোলার প্রত্যাশা নিয়েই মানুষের সঙ্গে তাঁর এই পথচলা। সময়ই বলে দেবে এই প্রচেষ্টার পরিধি কতটা বিস্তৃত হয়; তবে মানুষের প্রয়োজনে পাশে থাকার অঙ্গীকারকে সামনে রেখেই এগিয়ে যেতে চান মোঃ আইয়ুব আলী।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

মশক নিধন থেকে ড্রেন, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, খেলাধুলা ও ধর্মীয় আয়োজন ৪৭ নম্বর ওয়ার্ডের মানুষের পাশে থাকার প্রত্যয়

মানুষের প্রয়োজনেই ছুটে চলেন আইয়ুব আলী

আপডেট সময় : ১০:৩৬:৫৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

মানুষের সুখে-দুঃখে পাশে থাকা, এলাকার সমস্যা নিয়ে কথা বলা এবং সামাজিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত থাকার মধ্য দিয়ে নিজস্ব একটি পরিচিতি গড়ে তুলেছেন গাজীপুর মহানগর বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক সদস্য ও বৃহত্তর টঙ্গী থানা ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোঃ আইয়ুব আলী। তিনি গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের ৪৭ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর পদপ্রার্থী।

“নাগরিক সমস্যার খোঁজখবর থেকে সামাজিক ও ধর্মীয় আয়োজন—৪৭ নম্বর ওয়ার্ডের মানুষের সঙ্গে মোঃ আইয়ুব আলী।”


বর্তমানে ৪৭ নম্বর ওয়ার্ডের বিভিন্ন এলাকায় মশার উপদ্রব ও ডেঙ্গুর ঝুঁকি বাড়ায় মশক নিধন কার্যক্রম জোরদারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পুরো ওয়ার্ডে মশার ওষুধ দেওয়ার কার্যক্রমের পাশাপাশি মরকুন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের স্কুল পরিচালনা কমিটির সভায়ও উপস্থিত ছিলেন তিনি। টিএন্ডটি বাজার থেকে শামীমের বাড়ি পর্যন্ত ড্রেনের কাজের লেভেল পরিমাপের সময়ও সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে ছিলেন আইয়ুব আলী। সংশ্লিষ্টদের প্রত্যাশা, এক সপ্তাহের মধ্যে ড্রেনের কাজ শুরু হবে। নাগরিক জীবনের ছোট-বড় এসব সমস্যাকে গুরুত্ব দিয়ে সমাধানের উদ্যোগের সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকাকেই তিনি জনসেবার অংশ হিসেবে দেখেন।
পরিচ্ছন্ন ও নিরাপদ ওয়ার্ডের ভাবনা, ৪৭ নম্বর ওয়ার্ডের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা আধুনিকায়ন, নতুন ডাম্পিং ব্যবস্থা, বিশুদ্ধ পানির সরবরাহ এবং উন্নত চিকিৎসাসেবার প্রয়োজনীয়তা নিয়েও তিনি সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে যোগাযোগ করছেন। এসব বিষয়ে সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাসহ বিদেশি প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনায় অংশ নেওয়ার কথাও জানা গেছে। আইয়ুব আলীর কর্মকাণ্ডের পরিধি শুধু নাগরিক সমস্যায় সীমাবদ্ধ নয়। এলাকার খেলাধুলা, সামাজিক অনুষ্ঠান, নৌভ্রমণসহ বিভিন্ন আয়োজনে তিনি সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেন। বিশেষ করে শিশু-কিশোর ও তরুণদের প্রতি তাঁর আগ্রহের কথা স্থানীয়রা উল্লেখ করেন। তাঁর বিশ্বাস, আজকের শিশুরাই আগামী দিনের সমাজ ও নেতৃত্বের অংশ।
ধর্মীয় ও সামাজিক সম্পৃক্ততা, ধর্মীয় অনুষ্ঠানেও তাঁর উপস্থিতি রয়েছে। রেরপাড়া গাউসুল আযম সুন্নী জামে মসজিদে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে আয়োজিত ওয়াজ মাহফিলে উপস্থিত থাকার পাশাপাশি বিভিন্ন ধর্মীয় আয়োজনে সহযোগিতা করেন বলে স্থানীয়রা জানান। তাঁর ঘনিষ্ঠজনদের ভাষ্য, তিনি নিয়মিত পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায়ের চেষ্টা করেন।
বাবার স্মৃতিতে আবেগঘন অধ্যায়, ব্যস্ত জনজীবনের আড়ালেও রয়েছে তাঁর ব্যক্তিগত আবেগের জায়গা। ২০২৬ সালের ৮ সেপ্টেম্বর ছিল তাঁর বাবার মৃত্যুবার্ষিকী। বাবাকে হারানোর আট বছর পেরিয়ে গেলেও বাবার স্মৃতি তাঁর কাছে এখনও গভীরভাবে অমলিন। মৃত্যুবার্ষিকীতে তিনি তাঁর বাবার রুহের মাগফিরাতের জন্য সবার কাছে দোয়া চেয়েছেন।
ন্যায়বিচারের অপেক্ষায়, ২০২৬ সালের ৭ সেপ্টেম্বর সুপ্রিম কোর্টে আহসান উল্লাহ হত্যা মামলার দীর্ঘ শুনানি শেষ হওয়ার পর আইনজীবীদের সঙ্গে কথা বলেন আইয়ুব আলী। শুনানি শেষে আইনজীবীদের সঙ্গে ফটোসেশনেও অংশ নেন তিনি। দীর্ঘ বিচারপ্রক্রিয়ার পর ন্যায়বিচারের প্রত্যাশার কথা জানান।
মানুষই তাঁর চলার পথের কেন্দ্রবিন্দু, রাজনীতির পরিচয়ের বাইরে আইয়ুব আলীর কর্মকাণ্ডে যে বিষয়টি বেশি গুরুত্ব পায়, তা হলো মানুষের সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ততা। এলাকার কেউ বিপদে পড়লে, সামাজিক কোনো বিষয়ে সহযোগিতার প্রয়োজন হলে কিংবা কোনো অনুষ্ঠান আয়োজন করলে তাঁর কাছে মানুষ যাওয়ার চেষ্টা করেন, এমনটাই জানান স্থানীয়রা। তরুণদের খেলাধুলা থেকে শুরু করে সামাজিক আয়োজন, ধর্মীয় অনুষ্ঠান কিংবা নাগরিক সমস্যার আলোচনায় তাঁর উপস্থিতি তাঁকে মানুষের কাছাকাছি থাকার সুযোগ করে দিয়েছে। তিনি মনে করেন, সমাজে দায়িত্বশীল অবস্থানে থাকা মানে শুধু কথা বলা নয়, প্রয়োজনে মানুষের পাশে দাঁড়ানোও দায়িত্ব।
৪৭ নম্বর ওয়ার্ডকে পরিচ্ছন্ন, নিরাপদ, স্বাস্থ্যসম্মত ও নাগরিক সুবিধাসম্পন্ন একটি এলাকা হিসেবে গড়ে তোলার প্রত্যাশা নিয়েই মানুষের সঙ্গে তাঁর এই পথচলা। সময়ই বলে দেবে এই প্রচেষ্টার পরিধি কতটা বিস্তৃত হয়; তবে মানুষের প্রয়োজনে পাশে থাকার অঙ্গীকারকে সামনে রেখেই এগিয়ে যেতে চান মোঃ আইয়ুব আলী।