ঢাকা ০২:২০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

“সংগঠন শক্তিশালী হলে জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটে” দলীয় ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ রাখার প্রত্যয়

ঐক্যবদ্ধ ৫০ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপি: নেতৃত্বে সরকার জাবেদ আহমেদ সুমন, মাঠে সক্রিয় কাজী হুমায়ুন কবির

md younus
  • আপডেট সময় : ০৭:২২:৫১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬
  • / ১৬৩৫ বার পড়া হয়েছে




“করব কাজ, গড়ব দেশ সবার আগে বাংলাদেশ। পরিবেশ বাঁচান, গাছ লাগান” এই স্লোগানকে সামনে রেখে গাজীপুর মহানগরের ৫০ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন কর্মসূচি চলমান রয়েছে। বৃক্ষরোপণ, ক্রীড়া, সামাজিক ও দলীয় কর্মকাণ্ডে নেতাকর্মীদের অংশগ্রহণের মধ্য দিয়ে সাংগঠনিক তৎপরতা জোরদার করার চেষ্টা চলছে। ৫০ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির নেতাকর্মীদের মতে, “সংগঠন শক্তিশালী হলে জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটে।” আর সেই লক্ষ্যেই টঙ্গী পূর্ব মেট্রো থানা বিএনপির সভাপতি সরকার জাবেদ আহমেদ সুমনের নেতৃত্বে ৫০ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপি ঐক্যবদ্ধভাবে সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করছে।
এই ধারাবাহিকতায় ৫০ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সংগ্রামী সাধারণ সম্পাদক কাজী হুমায়ুন কবিরকে দলীয় ও সামাজিক বিভিন্ন কর্মসূচিতে সক্রিয় ভূমিকা পালন করতে দেখা যাচ্ছে। তাঁর অনুসারী ও স্থানীয় নেতাকর্মীদের ভাষ্য, সংগঠনের সিদ্ধান্ত ও নেতৃত্বের নির্দেশনা মাঠপর্যায়ে বাস্তবায়নে তিনি নিয়মিতভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। নেতৃত্বে সরকার জাবেদ আহমেদ সুমন, বাস্তবায়নে মাঠের কর্মীরা। টঙ্গী পূর্ব মেট্রো থানা বিএনপির সভাপতি সরকার জাবেদ আহমেদ সুমনের নেতৃত্বে ৫০ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির নেতাকর্মীরা সাংগঠনিকভাবে ঐক্যবদ্ধ থাকার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছেন। নেতাকর্মীদের ভাষ্য, একটি রাজনৈতিক সংগঠনের শক্তি শুধু বড় বড় কর্মসূচিতে নয়; বরং তৃণমূলের কর্মীদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ, পারস্পরিক সহযোগিতা এবং দলীয় সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের মধ্যেই সংগঠনের প্রকৃত শক্তি নিহিত। এই জায়গায় কাজী হুমায়ুন কবিরের সক্রিয়তা স্থানীয় পর্যায়ে আলোচনায় এসেছে। সরকার জাবেদ আহমেদ সুমনের নেতৃত্ব ও নির্দেশনাকে গুরুত্ব দিয়ে তিনি দলীয় কর্মসূচিতে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন বলে তাঁর সহকর্মীরা জানান।
কর্মীর খোঁজ নেওয়াকে নেতৃত্বের দায়িত্ব মনে করেন কাজী হুমায়ুন কবির। কাজী হুমায়ুন কবিরের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের অন্যতম বৈশিষ্ট্য হিসেবে নেতাকর্মীদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ রাখার বিষয়টি উল্লেখ করেন তাঁর সহকর্মীরা। তাঁদের মতে, “কর্মীর প্রতি শুধু একটু খোঁজখবর রাখা একজন প্রকৃত নেতার দায়িত্ব।” এই বিশ্বাস থেকেই তিনি বিভিন্ন সময়ে কর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখেন এবং দলীয় কর্মসূচিতে তাদের সম্পৃক্ত করার চেষ্টা করেন। সরকারি, সামাজিক কিংবা দলীয় কোনো কর্মসূচি থাকলে সময়মতো উপস্থিত হয়ে নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে কার্যক্রম পরিচালনায় তিনি আগ্রহী এমনটাই দাবি স্থানীয় নেতাকর্মীদের।
পরিবেশ রক্ষায় বৃক্ষরোপণের গুরুত্বকে সামনে রেখে ৫০ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। কাজী হুমায়ুন কবিরের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, পরিবেশ রক্ষায় বৃক্ষরোপণ একটি দীর্ঘমেয়াদি সামাজিক দায়িত্ব। তাই দলীয় নেতাকর্মীদের পাশাপাশি সাধারণ মানুষকেও বৃক্ষরোপণে উৎসাহিত করা প্রয়োজন। “করব কাজ, গড়ব দেশ সবার আগে বাংলাদেশ। পরিবেশ বাঁচান, গাছ লাগান” এই বার্তা নিয়ে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অব্যাহত রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন তিনি।
৫০ নম্বর ওয়ার্ডের গাজীপুরা স্পোর্টিং ক্লাব আয়োজিত মিনিবার ফুটবল টুর্নামেন্ট সিজন-৩-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে টুর্নামেন্টের উদ্বোধন করেন কাজী হুমায়ুন কবির। এ সময় বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। স্থানীয় তরুণদের খেলাধুলার সঙ্গে সম্পৃক্ত রাখা এবং মাদক ও অপরাধমুক্ত সমাজ গঠনে ক্রীড়ার ভূমিকার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
স্থানীয় নেতাকর্মীরা জানান, বিভিন্ন রাজনৈতিক আন্দোলন-সংগ্রাম ও দলীয় কর্মসূচিতে কাজী হুমায়ুন কবিরকে সক্রিয়ভাবে মাঠে দেখা গেছে। বিশেষ করে জুলাইয়ের আন্দোলন-সংগ্রামের সময়ও তিনি মাঠপর্যায়ে নেতাকর্মীদের সঙ্গে ছিলেন বলে তাঁর সহকর্মীরা দাবি করেন। তাঁদের ভাষ্য, নেতৃত্বের নির্দেশনা অনুযায়ী কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া এবং কর্মীদের সঙ্গে নিয়ে মাঠে থাকা তাঁর সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডের একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক।
শুক্রবারসহ বিভিন্ন সময়ে স্থানীয় মসজিদ ও ধর্মীয় পরিবেশের খোঁজখবর নেওয়ার কথাও জানান তাঁর ঘনিষ্ঠরা। ধর্মের নামে কোনো অপব্যাখ্যা বা বিভ্রান্তি সৃষ্টি হলে শান্তিপূর্ণ ও আইনসম্মতভাবে সচেতনতা তৈরির প্রয়োজনীয়তার ওপর তিনি গুরুত্ব দেন বলে তারা জানান। এক্ষেত্রে ব্যক্তিগত বা কোনো প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অভিযোগ উত্থাপনের ক্ষেত্রে প্রমাণ ও আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ করার বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করেন।
জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানে নিহতদের রুহের মাগফিরাত কামনায় আয়োজিত দোয়া মাহফিলেও ৫০ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির নেতাকর্মীদের অংশগ্রহণ ছিল। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন সরকার জাবেদ আহমেদ সুমন, সভাপতি, টঙ্গী পূর্ব মেট্রো থানা বিএনপি, গাজীপুর মহানগর। প্রধান আলোচক ছিলেন গাজী সালাউদ্দিন, সাধারণ সম্পাদক, টঙ্গী পূর্ব মেট্রো থানা বিএনপি, গাজীপুর মহানগর। বিশেষ অতিথি ছিলেন প্রফেসর হারুন অর রশিদ, সহসভাপতি, টঙ্গী পূর্ব থানা বিএনপি, গাজীপুর মহানগর। দোয়া মাহফিলে নিহতদের রুহের মাগফিরাত কামনা এবং দেশ ও জাতির শান্তি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণের জন্য বিশেষ মোনাজাত করা হয়। ঐক্যই সাংগঠনিক শক্তির মূল ভিত্তি, ৫০ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির নেতাকর্মীরা মনে করেন, তৃণমূল পর্যায়ে ঐক্য যত শক্তিশালী হবে, সংগঠন তত বেশি কার্যকর হবে। আর সংগঠন শক্তিশালী হলে সাধারণ মানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষা, সমস্যা ও দাবিগুলো নেতৃত্বের কাছে যথাযথভাবে তুলে ধরা সম্ভব হবে। সরকার জাবেদ আহমেদ সুমনের নেতৃত্বে ৫০ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপি ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করছে, এমনটাই দাবি স্থানীয় নেতাকর্মীদের। তাঁর নেতৃত্ব ও নির্দেশনাকে সামনে রেখে কাজী হুমায়ুন কবিরসহ ওয়ার্ডের নেতাকর্মীরা দলীয় কর্মকাণ্ডকে আরও গতিশীল করার চেষ্টা করছেন।
কাজী হুমায়ুন কবিরের বক্তব্য ও কর্মকাণ্ডে যে বার্তাটি স্পষ্ট, নেতৃত্ব শুধু পদ-পদবির বিষয় নয়; কর্মীর পাশে থাকা, মানুষের কাছে থাকা এবং সংগঠনের প্রয়োজনে মাঠে উপস্থিত থাকাই একজন নেতার প্রকৃত পরিচয়। এই ধারাবাহিকতায় ৫০ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির বৃক্ষরোপণ, ক্রীড়া, সামাজিক ও সাংগঠনিক কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট নেতাকর্মীরা।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

“সংগঠন শক্তিশালী হলে জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটে” দলীয় ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ রাখার প্রত্যয়

ঐক্যবদ্ধ ৫০ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপি: নেতৃত্বে সরকার জাবেদ আহমেদ সুমন, মাঠে সক্রিয় কাজী হুমায়ুন কবির

আপডেট সময় : ০৭:২২:৫১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬

“করব কাজ, গড়ব দেশ সবার আগে বাংলাদেশ। পরিবেশ বাঁচান, গাছ লাগান” এই স্লোগানকে সামনে রেখে গাজীপুর মহানগরের ৫০ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন কর্মসূচি চলমান রয়েছে। বৃক্ষরোপণ, ক্রীড়া, সামাজিক ও দলীয় কর্মকাণ্ডে নেতাকর্মীদের অংশগ্রহণের মধ্য দিয়ে সাংগঠনিক তৎপরতা জোরদার করার চেষ্টা চলছে। ৫০ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির নেতাকর্মীদের মতে, “সংগঠন শক্তিশালী হলে জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটে।” আর সেই লক্ষ্যেই টঙ্গী পূর্ব মেট্রো থানা বিএনপির সভাপতি সরকার জাবেদ আহমেদ সুমনের নেতৃত্বে ৫০ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপি ঐক্যবদ্ধভাবে সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করছে।
এই ধারাবাহিকতায় ৫০ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সংগ্রামী সাধারণ সম্পাদক কাজী হুমায়ুন কবিরকে দলীয় ও সামাজিক বিভিন্ন কর্মসূচিতে সক্রিয় ভূমিকা পালন করতে দেখা যাচ্ছে। তাঁর অনুসারী ও স্থানীয় নেতাকর্মীদের ভাষ্য, সংগঠনের সিদ্ধান্ত ও নেতৃত্বের নির্দেশনা মাঠপর্যায়ে বাস্তবায়নে তিনি নিয়মিতভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। নেতৃত্বে সরকার জাবেদ আহমেদ সুমন, বাস্তবায়নে মাঠের কর্মীরা। টঙ্গী পূর্ব মেট্রো থানা বিএনপির সভাপতি সরকার জাবেদ আহমেদ সুমনের নেতৃত্বে ৫০ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির নেতাকর্মীরা সাংগঠনিকভাবে ঐক্যবদ্ধ থাকার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছেন। নেতাকর্মীদের ভাষ্য, একটি রাজনৈতিক সংগঠনের শক্তি শুধু বড় বড় কর্মসূচিতে নয়; বরং তৃণমূলের কর্মীদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ, পারস্পরিক সহযোগিতা এবং দলীয় সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের মধ্যেই সংগঠনের প্রকৃত শক্তি নিহিত। এই জায়গায় কাজী হুমায়ুন কবিরের সক্রিয়তা স্থানীয় পর্যায়ে আলোচনায় এসেছে। সরকার জাবেদ আহমেদ সুমনের নেতৃত্ব ও নির্দেশনাকে গুরুত্ব দিয়ে তিনি দলীয় কর্মসূচিতে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন বলে তাঁর সহকর্মীরা জানান।
কর্মীর খোঁজ নেওয়াকে নেতৃত্বের দায়িত্ব মনে করেন কাজী হুমায়ুন কবির। কাজী হুমায়ুন কবিরের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের অন্যতম বৈশিষ্ট্য হিসেবে নেতাকর্মীদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ রাখার বিষয়টি উল্লেখ করেন তাঁর সহকর্মীরা। তাঁদের মতে, “কর্মীর প্রতি শুধু একটু খোঁজখবর রাখা একজন প্রকৃত নেতার দায়িত্ব।” এই বিশ্বাস থেকেই তিনি বিভিন্ন সময়ে কর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখেন এবং দলীয় কর্মসূচিতে তাদের সম্পৃক্ত করার চেষ্টা করেন। সরকারি, সামাজিক কিংবা দলীয় কোনো কর্মসূচি থাকলে সময়মতো উপস্থিত হয়ে নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে কার্যক্রম পরিচালনায় তিনি আগ্রহী এমনটাই দাবি স্থানীয় নেতাকর্মীদের।
পরিবেশ রক্ষায় বৃক্ষরোপণের গুরুত্বকে সামনে রেখে ৫০ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। কাজী হুমায়ুন কবিরের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, পরিবেশ রক্ষায় বৃক্ষরোপণ একটি দীর্ঘমেয়াদি সামাজিক দায়িত্ব। তাই দলীয় নেতাকর্মীদের পাশাপাশি সাধারণ মানুষকেও বৃক্ষরোপণে উৎসাহিত করা প্রয়োজন। “করব কাজ, গড়ব দেশ সবার আগে বাংলাদেশ। পরিবেশ বাঁচান, গাছ লাগান” এই বার্তা নিয়ে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অব্যাহত রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন তিনি।
৫০ নম্বর ওয়ার্ডের গাজীপুরা স্পোর্টিং ক্লাব আয়োজিত মিনিবার ফুটবল টুর্নামেন্ট সিজন-৩-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে টুর্নামেন্টের উদ্বোধন করেন কাজী হুমায়ুন কবির। এ সময় বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। স্থানীয় তরুণদের খেলাধুলার সঙ্গে সম্পৃক্ত রাখা এবং মাদক ও অপরাধমুক্ত সমাজ গঠনে ক্রীড়ার ভূমিকার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
স্থানীয় নেতাকর্মীরা জানান, বিভিন্ন রাজনৈতিক আন্দোলন-সংগ্রাম ও দলীয় কর্মসূচিতে কাজী হুমায়ুন কবিরকে সক্রিয়ভাবে মাঠে দেখা গেছে। বিশেষ করে জুলাইয়ের আন্দোলন-সংগ্রামের সময়ও তিনি মাঠপর্যায়ে নেতাকর্মীদের সঙ্গে ছিলেন বলে তাঁর সহকর্মীরা দাবি করেন। তাঁদের ভাষ্য, নেতৃত্বের নির্দেশনা অনুযায়ী কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া এবং কর্মীদের সঙ্গে নিয়ে মাঠে থাকা তাঁর সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডের একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক।
শুক্রবারসহ বিভিন্ন সময়ে স্থানীয় মসজিদ ও ধর্মীয় পরিবেশের খোঁজখবর নেওয়ার কথাও জানান তাঁর ঘনিষ্ঠরা। ধর্মের নামে কোনো অপব্যাখ্যা বা বিভ্রান্তি সৃষ্টি হলে শান্তিপূর্ণ ও আইনসম্মতভাবে সচেতনতা তৈরির প্রয়োজনীয়তার ওপর তিনি গুরুত্ব দেন বলে তারা জানান। এক্ষেত্রে ব্যক্তিগত বা কোনো প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অভিযোগ উত্থাপনের ক্ষেত্রে প্রমাণ ও আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ করার বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করেন।
জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানে নিহতদের রুহের মাগফিরাত কামনায় আয়োজিত দোয়া মাহফিলেও ৫০ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির নেতাকর্মীদের অংশগ্রহণ ছিল। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন সরকার জাবেদ আহমেদ সুমন, সভাপতি, টঙ্গী পূর্ব মেট্রো থানা বিএনপি, গাজীপুর মহানগর। প্রধান আলোচক ছিলেন গাজী সালাউদ্দিন, সাধারণ সম্পাদক, টঙ্গী পূর্ব মেট্রো থানা বিএনপি, গাজীপুর মহানগর। বিশেষ অতিথি ছিলেন প্রফেসর হারুন অর রশিদ, সহসভাপতি, টঙ্গী পূর্ব থানা বিএনপি, গাজীপুর মহানগর। দোয়া মাহফিলে নিহতদের রুহের মাগফিরাত কামনা এবং দেশ ও জাতির শান্তি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণের জন্য বিশেষ মোনাজাত করা হয়। ঐক্যই সাংগঠনিক শক্তির মূল ভিত্তি, ৫০ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির নেতাকর্মীরা মনে করেন, তৃণমূল পর্যায়ে ঐক্য যত শক্তিশালী হবে, সংগঠন তত বেশি কার্যকর হবে। আর সংগঠন শক্তিশালী হলে সাধারণ মানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষা, সমস্যা ও দাবিগুলো নেতৃত্বের কাছে যথাযথভাবে তুলে ধরা সম্ভব হবে। সরকার জাবেদ আহমেদ সুমনের নেতৃত্বে ৫০ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপি ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করছে, এমনটাই দাবি স্থানীয় নেতাকর্মীদের। তাঁর নেতৃত্ব ও নির্দেশনাকে সামনে রেখে কাজী হুমায়ুন কবিরসহ ওয়ার্ডের নেতাকর্মীরা দলীয় কর্মকাণ্ডকে আরও গতিশীল করার চেষ্টা করছেন।
কাজী হুমায়ুন কবিরের বক্তব্য ও কর্মকাণ্ডে যে বার্তাটি স্পষ্ট, নেতৃত্ব শুধু পদ-পদবির বিষয় নয়; কর্মীর পাশে থাকা, মানুষের কাছে থাকা এবং সংগঠনের প্রয়োজনে মাঠে উপস্থিত থাকাই একজন নেতার প্রকৃত পরিচয়। এই ধারাবাহিকতায় ৫০ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির বৃক্ষরোপণ, ক্রীড়া, সামাজিক ও সাংগঠনিক কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট নেতাকর্মীরা।