ঢাকা ০২:৫১ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬, ১৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মানুষের জন্য বেঁচে থাকা এক মানুষের গল্প মানুষের পাশে থাকার অঙ্গীকারে এক চিকিৎসকের পথচলা টঙ্গীতে প্রতিবন্ধী মোকলেস নিখোঁজ: মেলেনি সন্ধান, মায়ের আকুল আর্তি—‘ছেলেকে শুধু একবার ফিরিয়ে দিন’ ইজতেমাকে ঘিরে এরশাদনগরে দাওয়াতি তৎপরতা জোরদার তারেক রহমানের নেতৃত্বে স্থিতিশীলতার পথে বাংলাদেশ, বললেন মার্কিন বিশেষ দূত একটি চারা, একটি স্বপ্ন, একটি বাংলাদেশ গাজীপুরের টঙ্গীতে দুই কন্যাকে সঙ্গে নিয়ে সবুজের বাগান গড়লেন শেখ মোঃ সুমন; পরিবেশ রক্ষায় ব্যক্তিগত উদ্যোগ থেকে সামাজিক দায়িত্বের এক অনুপ্রেরণার গল্প প্রাচীন গহনা পরে সমালোচনার মুখে জেনডায়া শক্তিশালী পাসপোর্টের তালিকায় আরও ২ ধাপ পিছাল বাংলাদেশ, শীর্ষে সিঙ্গাপুর ১০ আগস্ট এসএসসির পরীক্ষার ফল প্রকাশের সিদ্ধান্ত আন্তঃশিক্ষা বোর্ডের অভিযোগ, সংগ্রাম ও আত্মপক্ষ সমর্থনের এক আলোচিত অধ্যায় দাঁড়াইলের মনোয়ার হোসেন খোকন: বিচারাধীন মামলার মাঝেও নিরপেক্ষ তদন্তের আহ্বান, সংবাদ সম্মেলনে পরিবারের বক্তব্য শ্রদ্ধা, দোয়া ও মানবসেবার অনন্য দৃষ্টান্ত: পিতা লাল মোহাম্মদের মৃত্যুবার্ষিকীতে আলহাজ্ব বছির আহম্মেদ বাবুর ব্যতিক্রমী গণ-দাওয়াত

“গাজীপুর–৬ আসনে জনগণের চোখের নূর, দোয়ার বৃক্ষের ফল, ১৭ বছরের ত্যাগ ও ইসলামিক আদর্শে জীবন যাপন—একজন সত্যিকারের নেতার প্রতিফলন।”

“ত্যাগী নেতা সংসদে যাক—কারাগারের অন্ধকার থেকে আলোর বাতি হয়ে উঠুক গাজীপুরে!”

md younus
  • আপডেট সময় : ১০:৩১:১৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • / ২২৫৯ বার পড়া হয়েছে



গাজীপুর–৬ আসনের নির্বাচনী ময়দান আজ ব্যস্ত ও উৎসবমুখর। আরিফ হাওলাদারের নেতৃত্বে পচার প্রচারণা শহরজুড়ে ছড়িয়ে গেছে। এলাকার অলিগলি, চায়ের দোকান, গুরুত্বপূর্ণ ওয়ার্ড, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় এবং বিভিন্ন কমিউনিটি ঘেঁষে পৌঁছেছে তার প্রচারণা। পোস্টার, ব্যানার ও ভিজ্যুয়াল প্রচারণার মাধ্যমে প্রতিটি ওয়ার্ডে তিনি মানুষের কাছে পৌঁছেছেন।
আরিফ হাওলাদার জীবনে বহু বাধা ও ত্যাগের মুখোমুখি হয়েছেন। গত ১৭ বছরের মধ্যে বিভিন্ন সময়ে তিনি জেল খেয়েছেন, থানায় গিয়েছেন, অনেক মামলা মোকদ্দমার শিকার হয়েছেন এবং পারিবারিক ও এলাকাভিত্তিক দায়িত্ব পালন করতে পা

গাজীপুর–৬ আসনে নির্বাচনীর প্রচারণায় ব্যস্ত।

রেননি। কয়েক বছর একাধিক মামলা ও কয়েক মাস বা দুই–তিন বছরের জেল—সব মিলিয়ে এই সময়টা চলেছে। কিন্তু সব বাধা পার করে তিনি আজ জনগণের মাঝে ফিরে এসেছেন। কারাগারের অন্ধকারে ধৈর্য ধারণের পর, তিনি আলোর বাতি হয়ে উঠেছেন।
২০০৭–২০১৮ সালের নির্বাচনের সময়ও তাকে দলের পক্ষ থেকে নমিনেশন দেওয়ার সুযোগ ছিল। বিশেষ করে ২০১৮ সালের নির্বাচনে, তিনি নির্বাচনের জন্য নমিনেশন কিনেছিলেন, পরে দল থেকে তাকে বসতে বলা হয়েছিল, এবং তিনি দল ও দেশের স্বার্থ মেনে বসে ছিলেন। তিনি বলেন, “আল্লাহ তায়ালা যদি আমাকে বাঁচিয়ে রাখেন, ভবিষ্যতে আমি নমিনেশন নিয়ে নির্বাচন করব। দলের ভালো কাজ ও দেশের স্বার্থে তখন ছেড়ে দিই।” কোনো বিরোধীদল বা স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে দাঁড়াননি, নিজের সবকিছু ত্যাগ করে ভবিষ্যতের জন্য সংরক্ষণ করেছেন। এই নিঃস্বার্থ ত্যাগই আজ জনগণের দোয়ায় ফল ফুটিয়েছে।
আল্লাহ তায়ালা বলেছেন: “নিশ্চয়ই আল্লাহ ধৈর্যশীলদের সাথে আছেন।” (সূরা বাকারা: ১৫৩)
রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন: “তোমাদের সর্বোত্তম নেতা সে-ই, যে তোমাদের ভালোবাসে এবং তোমরা তাকে ভালোবাসো।” (মুসলিম)

কর্মীরা রাত্রে পোস্টার লাগানোর সময়।-সংবাদ আলোচনা।

সাংবাদিক-জনগণ প্রশ্নোত্তর:
সংবাদ আলোচনা: কেন আপনি তাকে নির্বাচিত করতে চান?
যুবক: “কারাগারের অন্ধকার ভেদ করে আলোর বাতি হয়ে উঠুক সংসদে।”
প্রবীণ: “তিনি ধৈর্যের প্রতীক। আল্লাহ ধৈর্যশীলদের সঙ্গে আছেন।”
নারী: “মানুষের কল্যাণে নিজের অধিকার ত্যাগ করেছেন। প্রকৃত নেতা এভাবেই হওয়া উচিত।”
আলেম: “তিনি ইসলামের আদর্শে জীবন যাপন করেছেন। তাই তাঁকে সংসদে দেখতে চাই।”
সংবাদ আলোচনা: ২০১৮ সালের নমিনেশন প্রসঙ্গ কেমন মনে করছেন?
যুবক: “ওনি স্বেচ্ছায় সরে দাঁড়ান, দেশের ও দলের স্বার্থে। নমিনেশন কিনেও দল থেকে বসতে বলা হলে তিনি মেনে বসে ছিলেন। এই ত্যাগই আজ জনগণের দোয়ায় ফল ফুটিয়েছে।”
প্রবীণ: “যদি তিনি জোর করতেন, হয়তো দলের জন্য সমস্যা হতো। তিনি নির্ভিকার থেকে জনগণের কল্যাণকে অগ্রাধিকার দিয়েছিলেন।”

দোয়ারত এলাকার ঈমামগণ ও মুসল্লিরা এবং ত্যাগী নেতা আরিফ হোসেন হাওলাদার

নারী: “মানুষের মুখের দিকে চেয়ে নিজের আকাঙ্ক্ষা ত্যাগ করেছিলেন। আজ আমরা তার পাশে আছি।”
পচার প্রচারণার মধ্য দিয়ে জনগণও উৎসাহিত হয়েছে। মানুষ নিজ নিজ ওয়ার্ডে, সমাজে বন্ধু ও প্রতিবেশীদের সঙ্গে কথা বলে, ভোটের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে, আরিফ হাওলাদারের প্রতি ভালোবাসা প্রকাশ করছে।
জনগণের মুখে মুখে স্লোগান, “ত্যাগী নেতা সংসদে যাক। আলোর বাতি হোক কারাগারের অন্ধকার পাখি। দোয়ার বৃক্ষের ফল ফুটুক। আল্লাহর পথে বিজয় আসুক।”
কুরআনের আলোতে বলা হয়েছে: “নিশ্চয়ই কষ্টের পর স্বস্তি আছে।” (সূরা আশ-শরাহ: ৬)
“যারা আল্লাহর পথে জীবন ও সম্পদ ব্যয় করে, আল্লাহ তাদের সাথে আছেন।” (সূরা নাহল: ৯৬)
রাসূল ﷺ বলেছেন: “সত্য কথা বলা জালিম শাসকের সামনে হলো সর্বোত্তম জিহাদ।” (সহিহ মুসলিম)
গাজীপুর–৬ আসনে আজ জনগণের একটাই আবেদন: “ত্যাগী, ধৈর্যশীল, জনগণের চোখের নূর নেতা সংসদে যাক। আল্লাহর নামে, ধানের শীষের বিজয়ে।”

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

“গাজীপুর–৬ আসনে জনগণের চোখের নূর, দোয়ার বৃক্ষের ফল, ১৭ বছরের ত্যাগ ও ইসলামিক আদর্শে জীবন যাপন—একজন সত্যিকারের নেতার প্রতিফলন।”

“ত্যাগী নেতা সংসদে যাক—কারাগারের অন্ধকার থেকে আলোর বাতি হয়ে উঠুক গাজীপুরে!”

আপডেট সময় : ১০:৩১:১৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫

গাজীপুর–৬ আসনের নির্বাচনী ময়দান আজ ব্যস্ত ও উৎসবমুখর। আরিফ হাওলাদারের নেতৃত্বে পচার প্রচারণা শহরজুড়ে ছড়িয়ে গেছে। এলাকার অলিগলি, চায়ের দোকান, গুরুত্বপূর্ণ ওয়ার্ড, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় এবং বিভিন্ন কমিউনিটি ঘেঁষে পৌঁছেছে তার প্রচারণা। পোস্টার, ব্যানার ও ভিজ্যুয়াল প্রচারণার মাধ্যমে প্রতিটি ওয়ার্ডে তিনি মানুষের কাছে পৌঁছেছেন।
আরিফ হাওলাদার জীবনে বহু বাধা ও ত্যাগের মুখোমুখি হয়েছেন। গত ১৭ বছরের মধ্যে বিভিন্ন সময়ে তিনি জেল খেয়েছেন, থানায় গিয়েছেন, অনেক মামলা মোকদ্দমার শিকার হয়েছেন এবং পারিবারিক ও এলাকাভিত্তিক দায়িত্ব পালন করতে পা

গাজীপুর–৬ আসনে নির্বাচনীর প্রচারণায় ব্যস্ত।

রেননি। কয়েক বছর একাধিক মামলা ও কয়েক মাস বা দুই–তিন বছরের জেল—সব মিলিয়ে এই সময়টা চলেছে। কিন্তু সব বাধা পার করে তিনি আজ জনগণের মাঝে ফিরে এসেছেন। কারাগারের অন্ধকারে ধৈর্য ধারণের পর, তিনি আলোর বাতি হয়ে উঠেছেন।
২০০৭–২০১৮ সালের নির্বাচনের সময়ও তাকে দলের পক্ষ থেকে নমিনেশন দেওয়ার সুযোগ ছিল। বিশেষ করে ২০১৮ সালের নির্বাচনে, তিনি নির্বাচনের জন্য নমিনেশন কিনেছিলেন, পরে দল থেকে তাকে বসতে বলা হয়েছিল, এবং তিনি দল ও দেশের স্বার্থ মেনে বসে ছিলেন। তিনি বলেন, “আল্লাহ তায়ালা যদি আমাকে বাঁচিয়ে রাখেন, ভবিষ্যতে আমি নমিনেশন নিয়ে নির্বাচন করব। দলের ভালো কাজ ও দেশের স্বার্থে তখন ছেড়ে দিই।” কোনো বিরোধীদল বা স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে দাঁড়াননি, নিজের সবকিছু ত্যাগ করে ভবিষ্যতের জন্য সংরক্ষণ করেছেন। এই নিঃস্বার্থ ত্যাগই আজ জনগণের দোয়ায় ফল ফুটিয়েছে।
আল্লাহ তায়ালা বলেছেন: “নিশ্চয়ই আল্লাহ ধৈর্যশীলদের সাথে আছেন।” (সূরা বাকারা: ১৫৩)
রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন: “তোমাদের সর্বোত্তম নেতা সে-ই, যে তোমাদের ভালোবাসে এবং তোমরা তাকে ভালোবাসো।” (মুসলিম)

কর্মীরা রাত্রে পোস্টার লাগানোর সময়।-সংবাদ আলোচনা।

সাংবাদিক-জনগণ প্রশ্নোত্তর:
সংবাদ আলোচনা: কেন আপনি তাকে নির্বাচিত করতে চান?
যুবক: “কারাগারের অন্ধকার ভেদ করে আলোর বাতি হয়ে উঠুক সংসদে।”
প্রবীণ: “তিনি ধৈর্যের প্রতীক। আল্লাহ ধৈর্যশীলদের সঙ্গে আছেন।”
নারী: “মানুষের কল্যাণে নিজের অধিকার ত্যাগ করেছেন। প্রকৃত নেতা এভাবেই হওয়া উচিত।”
আলেম: “তিনি ইসলামের আদর্শে জীবন যাপন করেছেন। তাই তাঁকে সংসদে দেখতে চাই।”
সংবাদ আলোচনা: ২০১৮ সালের নমিনেশন প্রসঙ্গ কেমন মনে করছেন?
যুবক: “ওনি স্বেচ্ছায় সরে দাঁড়ান, দেশের ও দলের স্বার্থে। নমিনেশন কিনেও দল থেকে বসতে বলা হলে তিনি মেনে বসে ছিলেন। এই ত্যাগই আজ জনগণের দোয়ায় ফল ফুটিয়েছে।”
প্রবীণ: “যদি তিনি জোর করতেন, হয়তো দলের জন্য সমস্যা হতো। তিনি নির্ভিকার থেকে জনগণের কল্যাণকে অগ্রাধিকার দিয়েছিলেন।”

দোয়ারত এলাকার ঈমামগণ ও মুসল্লিরা এবং ত্যাগী নেতা আরিফ হোসেন হাওলাদার

নারী: “মানুষের মুখের দিকে চেয়ে নিজের আকাঙ্ক্ষা ত্যাগ করেছিলেন। আজ আমরা তার পাশে আছি।”
পচার প্রচারণার মধ্য দিয়ে জনগণও উৎসাহিত হয়েছে। মানুষ নিজ নিজ ওয়ার্ডে, সমাজে বন্ধু ও প্রতিবেশীদের সঙ্গে কথা বলে, ভোটের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে, আরিফ হাওলাদারের প্রতি ভালোবাসা প্রকাশ করছে।
জনগণের মুখে মুখে স্লোগান, “ত্যাগী নেতা সংসদে যাক। আলোর বাতি হোক কারাগারের অন্ধকার পাখি। দোয়ার বৃক্ষের ফল ফুটুক। আল্লাহর পথে বিজয় আসুক।”
কুরআনের আলোতে বলা হয়েছে: “নিশ্চয়ই কষ্টের পর স্বস্তি আছে।” (সূরা আশ-শরাহ: ৬)
“যারা আল্লাহর পথে জীবন ও সম্পদ ব্যয় করে, আল্লাহ তাদের সাথে আছেন।” (সূরা নাহল: ৯৬)
রাসূল ﷺ বলেছেন: “সত্য কথা বলা জালিম শাসকের সামনে হলো সর্বোত্তম জিহাদ।” (সহিহ মুসলিম)
গাজীপুর–৬ আসনে আজ জনগণের একটাই আবেদন: “ত্যাগী, ধৈর্যশীল, জনগণের চোখের নূর নেতা সংসদে যাক। আল্লাহর নামে, ধানের শীষের বিজয়ে।”