মানবিক নেতৃত্বের প্রতীক সরকার জাবেদ আহমেদ সুমন, টঙ্গী থেকে গাজীপুরে গণজাগরণের ডাক
নববর্ষে টঙ্গীতে ঐক্যের মহাসমাবেশ: তারেক রহমানকে বরণে জনসমুদ্রের আহ্বান
- আপডেট সময় : ১১:৩৪:১৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬
- / ৫০০ বার পড়া হয়েছে

বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩-কে ঘিরে গাজীপুরের টঙ্গী অঞ্চলে সৃষ্টি হয়েছে এক ব্যতিক্রমধর্মী উৎসব ও রাজনৈতিক সম্প্রীতির আবহ। আনন্দ, ঐতিহ্য আর প্রত্যাশার এই মিলনমেলায় নতুন মাত্রা যোগ করেছেন টঙ্গী পূর্ব থানা বিএনপির সভাপতি সরকার জাবেদ আহমেদ সুমন, যিনি নববর্ষ উপলক্ষে দিয়েছেন ঐক্য, ভালোবাসা ও গণসংহতির জোরালো বার্তা। তারেক রহমানকে ঘিরে জনসমাগমের প্রস্তুতি। আসন্ন সময়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান প্রধান মন্ত্রী তারেক রহমান-এর টঙ্গীতে আগমনকে কেন্দ্র করে ব্যাপক প্রস্তুতির আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। তার নির্দেশনা স্পষ্ট টঙ্গী থেকে গাজীপুর পর্যন্ত, বিশেষ করে ব্যস্ততম ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের দুইপাশে জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতি নিশ্চিত করতে হবে। হাতে ব্যানার, প্ল্যাকার্ড, সাইনবোর্ড নিয়ে নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষকে দাঁড়াতে হবে প্রিয় নেতাকে স্বাগত জানানোর জন্য। এই আহ্বান শুধুমাত্র একটি রাজনৈতিক কর্মসূচি নয়; বরং এটি হয়ে উঠছে জনগণের আবেগ, ভালোবাসা ও প্রত্যাশার এক বিশাল বহিঃপ্রকাশ।
নববর্ষে পান্তা-ইলিশে গণভোজ: বাঙালিয়ানার অনন্য উদাহরণ। বাংলা নববর্ষ মানেই ঐতিহ্য, আর সেই ঐতিহ্যকে ধারণ করে আয়োজন করা হয়েছে ব্যতিক্রমী গণভোজের। পান্তা ভাত, ইলিশ মাছ, আলু ভর্তা, কাঁচা মরিচসহ বাঙালির চিরচেনা খাবারের এই আয়োজন শুধুমাত্র খাদ্য নয় এটি সামাজিক সম্প্রীতির এক অনন্য প্রতীক। এখানে ধনী-গরিব, নেতা-কর্মী ও সাধারণ মানুষ একই সারিতে বসে ভাগ করে নিচ্ছেন আনন্দ। ঐক্যের রাজনীতি: সুমনের বার্তা। সরকার জাবেদ আহমেদ সুমন নববর্ষ উপলক্ষে বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের সকল নেতাকর্মী পুরুষ ও নারী এবং সর্বস্তরের জনগণকে শুভেচ্ছা জানিয়ে একসাথে কাজ করার আহ্বান জানান।
তার ভাষায়, “এই নববর্ষ শুধু উৎসব নয়, এটি ঐক্যের শক্তি দেখানোর সময়।” মানবিক নেতৃত্বের প্রতিচ্ছবি। রাজনৈতিক অঙ্গনে সুমন কেবল একজন সংগঠক নন তিনি অনেকের কাছে আশ্রয়স্থল, প্রেরণার উৎস। টঙ্গী কলেজ গেট এলাকায় একসময় দেখা যায়, যখন তারেক রহমান টাঙ্গাইলে কৃষক কার্ড বিতরণ কর্মসূচিতে যাওয়ার পথে অতিক্রম করেন, তখন সুমনের নেতৃত্বে টঙ্গী বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা রাস্তায় দাঁড়িয়ে প্রিয় নেতাকে স্বাগত জানান। সেদিনের দৃশ্য ছিল চোখে পড়ার মতো উৎসবমুখর পরিবেশ, উচ্ছ্বাস, আর নেতার প্রতি ভালোবাসার উন্মুক্ত প্রকাশ। তার নির্দেশনা অনুযায়ী প্রতিটি কর্মী শৃঙ্খলাবদ্ধভাবে অংশগ্রহণ করে, যা প্রমাণ করে তার সাংগঠনিক দক্ষতা ও গ্রহণযোগ্যতা।
নেতাকর্মীদের আস্থার প্রতীক। স্থানীয় নেতাকর্মীদের মতে, সুমন শুধু নির্দেশ দেন না তিনি পাশে থাকেন। রাজনৈতিক, সামাজিক কিংবা ব্যক্তিগত প্রয়োজনে তিনি সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে? দেন। এই কারণেই অনেকের কাছে তিনি “টঙ্গী পূর্ব থানার প্রাণ” হিসেবে পরিচিত। নতুন বছরের অঙ্গীকার। এই নববর্ষে টঙ্গীর এই উদ্যোগ শুধু উৎসবের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়; এটি একটি বৃহত্তর বার্তা বহন করে একটি ঐক্যবদ্ধ সমাজ, সচেতন নাগরিক এবং একটি সুন্দর, শান্তিপূর্ণ ও উন্নত বাংলাদেশের স্বপ্ন। শুভ নববর্ষ! নতুন বছরের প্রতিটি দিন হোক শান্তি, সমৃদ্ধি ও মানুষের কল্যাণে ভরপুর।

















