ঢাকা ১১:৩৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
টঙ্গী পশ্চিম থানা যুবদলের স্পষ্ট বার্তা: ব্যক্তি অপকর্মের দায় নয় সংগঠনের মহান আল্লাহ তাআলা যুগে যুগে অসংখ্য নবী-রাসূল প্রেরণ করেছেন মানবজাতির হেদায়েতের জন্য। সর্বশেষ ও সর্বশ্রেষ্ঠ নবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর ওপর নাজিল করেছেন সর্বশেষ আসমানী কিতাব পবিত্র আল-কুরআন। এই কুরআন মানবজীবনের জন্য পূর্ণাঙ্গ দিকনির্দেশনা ও উপদেশের গ্রন্থ। নিচে কুরআনের আলোকে ৫০টি গুরুত্বপূর্ণ উপদেশ তুলে ধরা হলো— তৃণমূলের শক্তি, ঐক্যের প্রতীক টঙ্গী পশ্চিম থানা যুবদলের নিরলস সাংগঠনিক অগ্রযাত্রা টঙ্গীতে আইন-শৃঙ্খলার কঠোর বার্তা: ‘জার্মান বাদল’ গ্রেফতার, অপরাধ দমনে সক্রিয় টঙ্গী পূর্ব থানা পুলিশ টঙ্গীতে খাল দখল ও জমি নিয়ে অভিযোগ: ‘ছায়াকুঞ্জ’ প্রকল্প ঘিরে বিতর্ক, আদালতে মামলা এসো হে বৈশাখ—ঐতিহ্য, ঐক্য ও মানবিকতার এক অনন্য মহাকাব্যিক আয়োজন নীরবতার আড়ালে এক মহাকাব্য: মানবতার আলোকবর্তিকা আলহাজ্ব মোঃ মকবুল হোসেন মানবতার আলোকবর্তিকা, সেবার প্রতীক এক প্রিয় মানুষ ঐতিহ্যের গর্বে, নতুন দিনের প্রত্যয়ে—শুভ পহেলা বৈশাখ ১৪৩২ আজ পহেলা বৈশাখ, বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩

এই সংস্কারের পেছনে যুক্তি কী?

প্রতিনিধির নামঃ মোঃ ইউনুস আলি
  • আপডেট সময় : ০৭:৩৩:১৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২ এপ্রিল ২০২৫
  • / ৯৩৫ বার পড়া হয়েছে

বাংলাদেশে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা সংস্কারে উদ্যোগ এর আগেও নেওয়া হয়েছিল ২০০৭ সালে সেনাসমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে।

তবে পরের বছর ডিসেম্বরে নির্বাচনে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন শেখ হাসিনা সরকার গঠন করার পরই আদালতের রায়ের মাধ্যমে বাতিল করা হয় নির্বাচনকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা।

এরপর দলীয় সরকারের অধীনে তিনটি বিতর্কিত নির্বাচনে আওয়ামী লীগ সরকার গঠন করে। প্রতিবারই ক্ষমতায় আসে আওয়ামী লীগ, আর প্রধানমন্ত্রী হন শেখ হাসিনা।

শেখ হাসিনা সরকারে থাকা অবস্থায় প্রায় তিন দশকে বাংলাদেশে একের পর এক বিতর্কিত নির্বাচন আয়োজন করা হয়।

গত বছরের অগাস্টে গণঅভ্যুত্থানের মুখে শেখ হাসিনা সরকার পতনের পর অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত সংস্কার কমিশনগুলো রাজনৈতিক দলগুলোর কাছ থেকে নানা পরামর্শও নেয়।

পরে সংবিধান, নির্বাচনব্যবস্থা, দুর্নীতি দমন, বিচার বিভাগ ও জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশনের গুরুত্বপূর্ণ ১৬৬টি সুপারিশ স্প্রেডশিটে ছক আকারে দিয়ে দলগুলোর মতামত চেয়েছিল জাতীয় ঐকমত্য কমিশন।

এর মধ্যে নির্বাচন ব্যবস্থা সংস্কার কমিশনের প্রস্তাব ছিল এক ব্যক্তি দুই মেয়াদের বেশি কখনো প্রধানমন্ত্রী হতে পারবে না।

বর্তমানে বাংলাদেশের সংবিধানে প্রধানমন্ত্রী পদের কোনো সুনির্দিষ্ট মেয়াদ নেই। সেই সাথে একটানা কতদিন ক্ষমতায় থাকতে পারবে সে বিষয়টিও বেঁধে দেয়া নাই বাংলাদেশের সংবিধানে।

ফলে শেখ হাসিনা টানা ১৬ বছর ক্ষমতায় থাকার পর তাকে স্বৈরাচার তকমা নিয়ে ক্ষমতাচ্যুত হতে হয় পদ থেকে।

বিএনপি গত মঙ্গলবার সংস্কার কমিশনের কাছে যে প্রস্তাব করেছে সেখানে তারা নির্বাচন সংস্কার কমিশনের প্রস্তাবের সাথে দ্বিমত পোষণ করেছে।

তবে বিএনপি একটানা দুই মেয়াদের বেশি ক্ষমতায় থাকার বিষয়েও আপত্তি জানিয়েছে ঐকমত্য সংস্কার কমিশনের কাছে।

কেন সংস্কার কমিশন প্রধানমন্ত্রী পদে দুই মেয়াদে বেঁধে দিতে চাইছেন তার একটি যুক্তিও বিবিসি বাংলাকে তুলে ধরেন সংস্কার কমিশনের সদস্য ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক ড. আব্দুল আলীম।

তিনি রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমিরি পুতিনের উদাহরণ টেনে বলেন, “রাশিয়ার আইনেও টানা দুই মেয়াদের বেশি প্রধানমন্ত্রী অথবা রাষ্ট্রপতি থাকার সুযোগ নাই। যে কারণে পুতিন কখনো রাষ্ট্রপতি, কখনো প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ক্ষমতা থাকেন। টানা প্রায় ২৬ বছর ধরে এই পদে আছেন।”

“নেতৃত্বের বিকাশ ঘটানো কিংবা ক্ষমতা ও রাজনৈতিক ব্যবস্থায় গণতন্ত্র ফেরানোর জন্যই অধিকাংশ রাজনৈতিক দলের পরামর্শে দুই মেয়াদ পর্যন্ত ক্ষমতায় থাকার বিষয়টি যুক্ত করেছে সংস্কার কমিশন।”

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

এই সংস্কারের পেছনে যুক্তি কী?

আপডেট সময় : ০৭:৩৩:১৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২ এপ্রিল ২০২৫

বাংলাদেশে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা সংস্কারে উদ্যোগ এর আগেও নেওয়া হয়েছিল ২০০৭ সালে সেনাসমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে।

তবে পরের বছর ডিসেম্বরে নির্বাচনে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন শেখ হাসিনা সরকার গঠন করার পরই আদালতের রায়ের মাধ্যমে বাতিল করা হয় নির্বাচনকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা।

এরপর দলীয় সরকারের অধীনে তিনটি বিতর্কিত নির্বাচনে আওয়ামী লীগ সরকার গঠন করে। প্রতিবারই ক্ষমতায় আসে আওয়ামী লীগ, আর প্রধানমন্ত্রী হন শেখ হাসিনা।

শেখ হাসিনা সরকারে থাকা অবস্থায় প্রায় তিন দশকে বাংলাদেশে একের পর এক বিতর্কিত নির্বাচন আয়োজন করা হয়।

গত বছরের অগাস্টে গণঅভ্যুত্থানের মুখে শেখ হাসিনা সরকার পতনের পর অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত সংস্কার কমিশনগুলো রাজনৈতিক দলগুলোর কাছ থেকে নানা পরামর্শও নেয়।

পরে সংবিধান, নির্বাচনব্যবস্থা, দুর্নীতি দমন, বিচার বিভাগ ও জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশনের গুরুত্বপূর্ণ ১৬৬টি সুপারিশ স্প্রেডশিটে ছক আকারে দিয়ে দলগুলোর মতামত চেয়েছিল জাতীয় ঐকমত্য কমিশন।

এর মধ্যে নির্বাচন ব্যবস্থা সংস্কার কমিশনের প্রস্তাব ছিল এক ব্যক্তি দুই মেয়াদের বেশি কখনো প্রধানমন্ত্রী হতে পারবে না।

বর্তমানে বাংলাদেশের সংবিধানে প্রধানমন্ত্রী পদের কোনো সুনির্দিষ্ট মেয়াদ নেই। সেই সাথে একটানা কতদিন ক্ষমতায় থাকতে পারবে সে বিষয়টিও বেঁধে দেয়া নাই বাংলাদেশের সংবিধানে।

ফলে শেখ হাসিনা টানা ১৬ বছর ক্ষমতায় থাকার পর তাকে স্বৈরাচার তকমা নিয়ে ক্ষমতাচ্যুত হতে হয় পদ থেকে।

বিএনপি গত মঙ্গলবার সংস্কার কমিশনের কাছে যে প্রস্তাব করেছে সেখানে তারা নির্বাচন সংস্কার কমিশনের প্রস্তাবের সাথে দ্বিমত পোষণ করেছে।

তবে বিএনপি একটানা দুই মেয়াদের বেশি ক্ষমতায় থাকার বিষয়েও আপত্তি জানিয়েছে ঐকমত্য সংস্কার কমিশনের কাছে।

কেন সংস্কার কমিশন প্রধানমন্ত্রী পদে দুই মেয়াদে বেঁধে দিতে চাইছেন তার একটি যুক্তিও বিবিসি বাংলাকে তুলে ধরেন সংস্কার কমিশনের সদস্য ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক ড. আব্দুল আলীম।

তিনি রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমিরি পুতিনের উদাহরণ টেনে বলেন, “রাশিয়ার আইনেও টানা দুই মেয়াদের বেশি প্রধানমন্ত্রী অথবা রাষ্ট্রপতি থাকার সুযোগ নাই। যে কারণে পুতিন কখনো রাষ্ট্রপতি, কখনো প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ক্ষমতা থাকেন। টানা প্রায় ২৬ বছর ধরে এই পদে আছেন।”

“নেতৃত্বের বিকাশ ঘটানো কিংবা ক্ষমতা ও রাজনৈতিক ব্যবস্থায় গণতন্ত্র ফেরানোর জন্যই অধিকাংশ রাজনৈতিক দলের পরামর্শে দুই মেয়াদ পর্যন্ত ক্ষমতায় থাকার বিষয়টি যুক্ত করেছে সংস্কার কমিশন।”