বিদেশে বসে ছড়ানো গুজব ভেজাল; টঙ্গীতে বিএনপির মিছিল-মিটিং—জাবেদ আহমেদ সুমন বলেন, ‘মাঠেই থেকেই জনগণের সেবা করব, বিশৃঙ্খলা হতে দেব না’
লকডাউন নয়, আন্দোলন চলবে — গুজব প্রতিরোধ, প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয়ে ও জনগণের পাশে থাকার অঙ্গীকার
- আপডেট সময় : ০৩:৪২:০৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ নভেম্বর ২০২৫
- / ২১২৫ বার পড়া হয়েছে

টঙ্গীতে বৃহত্তর গাজীপুর এলাকায় বিএনপি ও সংশ্লিষ্ট অঙ্গসংগঠনের আয়োজনে আঞ্চলিক মিছিল-মিটিং অনুষ্ঠিত হয়েছে। সামাজিক মাধ্যমে দাড়িয়ে থাকা ব্যক্তিদের দ্বারা ছড়ানো ‘লকডাউন’ সংক্রান্ত গুজবকে উদ্দেশ্যমূলক এবং ভিত্তিহীন আখ্যা দিয়ে নেতারা বলেন, এ ধরনের গুজব দেশের শান্তি-শৃঙ্খলার উপর ক্ষতিকর প্রভাব ফেলতে পারে। বক্তারা অভিযোগ করেন যে, বিদেশ থেকে বা কোনো নির্দিষ্ট স্থানে বসে অনেকে ইচ্ছাকৃতভাবে সামাজিক মাধ্যম ব্যবহার করে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়াচ্ছে; এ ধরনের উৎসাহে কেউ দেশে এসে কার্যকর পদক্ষেপ নেবে না। টঙ্গী বাজার, স্টেশন রোডে, কলেজগেট ও গাজীপুর চৌরাস্তা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত রোডশোতে সরকার জাবেদ আহমেদ সুমন অংশগ্রহণ করে স্থানীয় নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে বলেন, “আমরা মাঠে আছি, জনগণের সুখ-দুঃখের সঙ্গেই আমাদের রাজনীতি। প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় রেখে যাতে কোনো ধরণের নৈরাজ্য না ঘটে, সেটাই আমাদের অগ্রাধিকার।”

সুমন আরও বলেন, ‘‘রাত-দিন আমাদের কর্মীরা জনসেবায় নিয়োজিত থাকবে; কাউকে কোনো রকম ক্ষতি করতে দেওয়া হবে না। যারা দেশের শত্রু স্পষ্টতই তাদের অপচেষ্টা মাথায় অধরা রয়ে যাবে।’’
মিছিলে উপস্থিত স্থানীয় নেতারা জানান, প্রতিটি ওয়ার্ডে বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের সদস্যরা জনসেবা ও পর্যবেক্ষণ দলেরূপে কাজ করছে। তারা প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখবে এবং কোনো অশান্তি বা অগ্নিসংযোগকে প্রতিহত করবে।
টঙ্গী কলেজগেট থেকে মিছিল শুরু হয়ে প্রেসক্লাব, চেরাগ আলী হয়ে গাজীপুর চৌরাস্তা পর্যন্ত গাড়ি বহর ও পথসভা। স্থানীয় ওয়ার্ড-ওয়ার্ডে নেতাকর্মীরা ঘরে ঘরে পৌঁছে লোকজনের খোঁজখবর নেন। প্রশাসনের সঙ্গে সংলাপে সমঝোতার মাধ্যমে শান্তিপূর্ণ ব্যবস্থা নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি। মিছিল-কর্মসূচি সম্পর্কে এক স্থানীয় কর্মী বলেন, “সকলেই সিদ্ধান্ত নিয়েছে, কাউকে মেনে নিতে হবে না যে বিদেশ থেকে কেউ বসে গুজব ছড়িয়ে এখানকার শান্তি-শৃঙ্খলা বিঘ্নিত করবে। আমরা প্রশাসনের সঙ্গে কাজ করে শান্তি রক্ষায় সচেষ্ট আছি।” অন্যদিকে কিছু সাধারণ নাগরিক উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন যে, বড় ধরনের জমায়েত স্বাস্থ্যবিধি লঙ্ঘন করতে পারে, তাই এসব মিটিং-সমাবেশে স্বাস্থ্যবিধি কড়াভাবে মানার আহ্বান জানিয়েছেন তারা।
নিরাপত্তা ও স্বাস্থ্যবিধি: আয়োজকরা দাবি করেছেন যে তারা স্বাস্থ্যবিধি মানার প্রতি গুরুত্ব দিয়েছে; তবে জনসমাগম হওয়ায় কিছু পর্যবেক্ষক উদ্বিগ্ন। প্রশাসন যদি আনুষ্ঠানিকভাবে মন্তব্য করে বা কোনও নির্দেশনা দেয়, তা সংযুক্ত করলে ভবিষ্যৎ প্রতিবেদনে পাঠকরা আরও ব্যাপক পটভূমি পাবেন।
“আমরা জনগণের পাশে আছি, তারা যা চান, সেটাই আমাদের প্রথম অগ্রাধিকার। কোন রকম নৈরাজ্য আমরা বরদাশত করব না; প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে শান্তি বজায় রাখব।” — সরকার জাবেদ আহমেদ সুমন, তিনি আরো বলেন, লকডাউন নয়, আন্দোলন চলবে; গুজব প্রতিহত; প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয়ে জনগণের পাশে থাকার অঙ্গীকার।











