ঢাকা ০৬:৫৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রিফাত-জুম্মনকে হত্যাচেষ্টার অভিযোগে উত্তাল এরশাদনগর রাজপথের পরীক্ষিত কর্মী বেনজীর রহমান খান পিন্টু পদ-পদবির অহংকার নয়, মানুষের সেবাই কাজী হুমায়ূন কবিরের রাজনীতির মূল দর্শন মানুষের পাশে থাকা, সমাজ গড়ার প্রত্যয়ে হাজী আব্দুল জব্বার সরকার ফল বিক্রির সামান্য আয়, তবুও দলের কর্মসূচিতে নিজের উপার্জন ব্যয় মাদকবিরোধী অবস্থানে আপসহীন আবুল হোসেন খলিফা, মামলা নিয়ে প্রশ্ন রাজনীতিতে আদর্শ, জীবনে কুরআনের আলো হাফেজ কারী মাইনুদ্দিনের স্বপ্ন মানুষ গড়ার মন্ত্রীদের নিয়ে বিশেষ বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী মানুষের পাশে থাকার প্রত্যয়, অপপ্রচারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ আলহাজ্ব মনোয়ার হোসেন খোকন মিরপুরে পুলিশের গাড়িতে আগুন, কোনাবাড়িতে পুলিশ বক্সে অগ্নিসংযোগ

নির্বাচনের আগে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার জরুরি: ইসি সানাউল্লাহ

md younus
  • আপডেট সময় : ১০:১৫:১৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৭ জানুয়ারী ২০২৬
  • / ২১৭৭ বার পড়া হয়েছে




ফাইল ছবি
চট্টগ্রামে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে নিরাপত্তা জোরদারের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেছেন নির্বাচন কমিশনার (অব.) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ। তিনি বলেছেন, জুলাই অভ্যুত্থানের সময় থানা থেকে লুট হওয়া ১৫ শতাংশ অস্ত্র এবং ৩০ শতাংশ গোলাবারুদ এখনও উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি, তাই নির্বাচনের আগে এসব উদ্ধার করা খুবই জরুরি।
মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) সকালে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সেলের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় ইসি সানাউল্লাহ বলেন, “রোহিঙ্গাদের ক্যাম্প ও সীমান্ত সিল করা প্রয়োজন। স্থল সীমান্ত ও সাগরপথেও নজরদারি বাড়াতে হবে, যাতে কোনো দুষ্কৃতিকারী এগুলো ব্যবহার করে অপরাধ সংঘটিত করতে না পারে। আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নির্বাচন ভালোভাবে না হলে এর পরিণতি সবাইকে ভোগ করতে হবে।”
তিনি আরও বলেন, “এক এলাকার সন্ত্রাসীরা অন্য এলাকায় গিয়ে নিরাপদে থাকতে পারবে না। নির্বাচনের আগে নিরাপত্তা জোরদার করতে চেকপোস্টের সংখ্যা বাড়ানো হবে। স্বার্থান্বেষী মহল যেন সংখ্যালঘুদের ব্যবহার করে নির্বাচন প্রভাবিত করতে না পারে, সেদিকে লক্ষ্য রাখা হচ্ছে।”
ইসি সানাউল্লাহ জানালেন, জুলাই অভ্যুত্থানের সময় পুলিশের বিভিন্ন ইউনিট ও থানায় হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় মোট ৫ হাজার ৭৫৩টি আগ্নেয়াস্ত্র ও ৬ লাখ ৫১ হাজার ৮৩২টি গোলাবারুদ লুট হয়েছিল। “এ পর্যন্ত আনুমানিক ৭০-৭৫ শতাংশ অস্ত্র-গোলাবারুদ উদ্ধার করা গেছে। তবে ১৫ শতাংশ অস্ত্র এবং ৩০ শতাংশ গুলি এখনও মাঠে রয়েছে। এগুলো দ্রুত উদ্ধার করা না গেলে নিরাপত্তার জন্য বড় ঝুঁকি তৈরি হবে,” বলেন তিনি।
নির্বাচনকে কেন্দ্র করে অপকর্মের প্রতিরোধে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, “যদি কোনো গোষ্ঠী বা দল অপকর্ম করে পার পেয়ে যেতে চায়, তাহলে তারা যেন উৎসাহিত বোধ না করে। অপকর্ম করলে তা লোকাল নয়, জাতীয় বিষয় হয়ে যাবে। আমরা চাই রাজনৈতিক দলগুলো আইন মেনে উৎসবমুখর পরিবেশে নির্বাচন করুক।”
সভায় চট্টগ্রামের বিভাগীয় কমিশনার ড. জিয়াউদ্দীন, জেলা প্রশাসক জাহিদুল ইসলাম মিয়া, রেঞ্জ ডিআইজি আহসান হাবিব পলাশ এবং জেলা পুলিশ সুপার নাজির আহমদ খাঁনসহ অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন।
ইসি সানাউল্লাহ সাংবাদিকদের বলেন, “নির্বাচনের পরিবেশ স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ এবং দৃঢ় হওয়া উচিত। আচরণবিধি মানার ক্ষেত্রে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে সচেতনতা দেখা যাচ্ছে এবং আন্তঃদলীয় সংঘাত তুলনামূলকভাবে কম, যা ইতিবাচক। গণমাধ্যমকর্মীরা সঠিক তথ্য timely তুলে ধরতে এবং গুজব রোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে হবে।”

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

নির্বাচনের আগে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার জরুরি: ইসি সানাউল্লাহ

আপডেট সময় : ১০:১৫:১৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৭ জানুয়ারী ২০২৬

ফাইল ছবি
চট্টগ্রামে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে নিরাপত্তা জোরদারের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেছেন নির্বাচন কমিশনার (অব.) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ। তিনি বলেছেন, জুলাই অভ্যুত্থানের সময় থানা থেকে লুট হওয়া ১৫ শতাংশ অস্ত্র এবং ৩০ শতাংশ গোলাবারুদ এখনও উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি, তাই নির্বাচনের আগে এসব উদ্ধার করা খুবই জরুরি।
মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) সকালে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সেলের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় ইসি সানাউল্লাহ বলেন, “রোহিঙ্গাদের ক্যাম্প ও সীমান্ত সিল করা প্রয়োজন। স্থল সীমান্ত ও সাগরপথেও নজরদারি বাড়াতে হবে, যাতে কোনো দুষ্কৃতিকারী এগুলো ব্যবহার করে অপরাধ সংঘটিত করতে না পারে। আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নির্বাচন ভালোভাবে না হলে এর পরিণতি সবাইকে ভোগ করতে হবে।”
তিনি আরও বলেন, “এক এলাকার সন্ত্রাসীরা অন্য এলাকায় গিয়ে নিরাপদে থাকতে পারবে না। নির্বাচনের আগে নিরাপত্তা জোরদার করতে চেকপোস্টের সংখ্যা বাড়ানো হবে। স্বার্থান্বেষী মহল যেন সংখ্যালঘুদের ব্যবহার করে নির্বাচন প্রভাবিত করতে না পারে, সেদিকে লক্ষ্য রাখা হচ্ছে।”
ইসি সানাউল্লাহ জানালেন, জুলাই অভ্যুত্থানের সময় পুলিশের বিভিন্ন ইউনিট ও থানায় হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় মোট ৫ হাজার ৭৫৩টি আগ্নেয়াস্ত্র ও ৬ লাখ ৫১ হাজার ৮৩২টি গোলাবারুদ লুট হয়েছিল। “এ পর্যন্ত আনুমানিক ৭০-৭৫ শতাংশ অস্ত্র-গোলাবারুদ উদ্ধার করা গেছে। তবে ১৫ শতাংশ অস্ত্র এবং ৩০ শতাংশ গুলি এখনও মাঠে রয়েছে। এগুলো দ্রুত উদ্ধার করা না গেলে নিরাপত্তার জন্য বড় ঝুঁকি তৈরি হবে,” বলেন তিনি।
নির্বাচনকে কেন্দ্র করে অপকর্মের প্রতিরোধে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, “যদি কোনো গোষ্ঠী বা দল অপকর্ম করে পার পেয়ে যেতে চায়, তাহলে তারা যেন উৎসাহিত বোধ না করে। অপকর্ম করলে তা লোকাল নয়, জাতীয় বিষয় হয়ে যাবে। আমরা চাই রাজনৈতিক দলগুলো আইন মেনে উৎসবমুখর পরিবেশে নির্বাচন করুক।”
সভায় চট্টগ্রামের বিভাগীয় কমিশনার ড. জিয়াউদ্দীন, জেলা প্রশাসক জাহিদুল ইসলাম মিয়া, রেঞ্জ ডিআইজি আহসান হাবিব পলাশ এবং জেলা পুলিশ সুপার নাজির আহমদ খাঁনসহ অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন।
ইসি সানাউল্লাহ সাংবাদিকদের বলেন, “নির্বাচনের পরিবেশ স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ এবং দৃঢ় হওয়া উচিত। আচরণবিধি মানার ক্ষেত্রে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে সচেতনতা দেখা যাচ্ছে এবং আন্তঃদলীয় সংঘাত তুলনামূলকভাবে কম, যা ইতিবাচক। গণমাধ্যমকর্মীরা সঠিক তথ্য timely তুলে ধরতে এবং গুজব রোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে হবে।”