সরকার জাবেদ আহমেদ সুমনের নেতৃত্বে পাহারা, মিছিল ও মানবতার মহোৎসব
টঙ্গী–গাজীপুরে জনগণের জাগরণ
- আপডেট সময় : ০৮:৫৯:৪৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ নভেম্বর ২০২৫
- / ২৪৭২ বার পড়া হয়েছে

আওয়ামী সন্ত্রাসের নৈরাজ্য প্রতিরোধে আজ টঙ্গী–গাজীপুরের প্রতিটি রাস্তায় দেখা গেছে মানুষের স্রোত, সাহসের চিহ্ন এবং এক অনন্য মানবতার দৃশ্য। গাজীপুর–৬ আসনের জনতার প্রাণ সরকার জাবেদ আহমেদ সুমন, ধানের শীষের মনোনয়ন প্রত্যাশী, সকাল থেকে রাত পর্যন্ত নিজের নেতৃত্ব, মানবিকতা এবং সংগঠনের শক্তি দিয়ে জনগণকে রক্ষা করেছেন, সংগঠিত করেছেন এবং উদযাপনে রূপ দিয়েছেন। এই দিনটি যেন রাজনীতির ইতিহাস নয়, এটি ছিল মানুষের কবিতা, প্রতিরোধের গান, মানবতার উৎসব।
সকালে সূর্যের আলোয় হাজারো মোটরসাইকেল শোডাউন, ভোরবেলা থেকেই শুরু হয় অভূতপূর্ব দৃশ্য। প্রতিটি ওয়ার্ড, প্রতিটি ব্লক, প্রতিটি পাড়া-মহল্লা ঘুরে হাজারো মোটরসাইকেলের বিশাল শোডাউন নিয়ে রাজপথে নামেন সুমন। ঢাকা, ময়মনসিংহ রোড তখন রূপ নেয় জনতার নদীতে। টঙ্গী থেকে গাজীপুর-গাজীপুর থেকে টঙ্গী-শহরজুড়ে ছড়িয়ে পড়ে স্লোগান, উদ্দীপনা ও মানুষের বিশ্বাস-“গাজীপুর–৬ আসন জনগণের, জনগণই রক্ষা করবে।”

বিকাল বেলায় লাঠিপাহারার মহাকাব্য—নেতার হাতে নয়, মানুষের হাতে নিরাপত্তা, বিকাল চারটায় সুমন দাঁড়ান রাজপথের কেন্দ্রে। এক হাতে জনগণের নিরাপত্তা–দায়িত্ব, অন্য হাতে প্রতীকী শক্তির প্রতিশ্রুতি।
তিনি নেতাকর্মীদের হাতে লাঠি তুলে দিয়ে বলেন, “জনগণের জান–মাল রক্ষাই আমাদের প্রথম কাজ। কেউ নৈরাজ্য করতে চাইলে, এইবার জনগণই হবে প্রহরী।” তার সেই আহ্বানে: প্রতিটি ওয়ার্ডে, প্রতিটি গলিতে, দোকানপাট, বাজার, মসজিদের সামনে গড়ে ওঠে স্বেচ্ছাশৃঙ্খল লাঠিপাহারা। এই দৃশ্য যেন কোনো রাজনৈতিক ঘটনা নয়, এটি ছিল মানুষের নিজের নিরাপত্তার জন্য মানুষেরই জেগে ওঠা এক মহাকাব্য।

মিষ্টি বিলানোর মানবতার উৎসব, হাজার হাজার কেজি মিষ্টি শহরজুড়ে আনন্দ ছড়ায়, রাজনৈতিক উত্তেজনার দিনে কেউ ভাবেনি, যে নেতা পাহারা দিচ্ছেন, তিনিই আবার হাতে তুলে নেবেন মিষ্টির থালা।
টঙ্গী-গাজীপুরের প্রতিটি রাস্তায় সুমন, হাজার হাজার কেজি মিষ্টি বিতরণ করেন।
শিশুর মুখে নিজের হাতে মিষ্টি তুলে দিয়ে বলেন-
“ভয় নয়, আনন্দই হবে আমাদের শক্তি।”
মিষ্টি পান, শিশু–বৃদ্ধ, ব্যবসায়ী–মজুর, পথচারি–পরিবার, দোকানদার–যুবক সবাই, মানুষ তখন একটাই কথা বলেছে,
“এমন মানবিক নেতা গাজীপুর–৬ অনেকদিন দেখেনি।” রাত: টঙ্গী–গাজীপুরে জেগে ওঠে ‘মানুষের প্রহরী শহর’ রাত হলেই নেতাকর্মীরা সড়কে সোজা হয়ে দাঁড়ান। যুবদল, ছাত্রদল, স্বেচ্ছাসেবক দল, সব অঙ্গসংগঠনের তরুণ শক্তি, টঙ্গীর অলিগলি ও গাজীপুর শহরের প্রতিটি মোড়ে পাহারা দেয়।
রাস্তার বাতির নিচে এই তরুণদের ছায়া, এ যেন স্বাধীনতার দ্বিতীয় প্রহর।, এ যেন অন্ধকারের বিরুদ্ধে আলোর শপথ।
সুমন তখন বলেন,
“আজ রাত আর শুধু রাত নয়।
আজ রাত হলো জনগণের নিরাপত্তার রাত।”
উপস্থিত নেতৃবৃন্দ, সুশৃঙ্খল, সম্মানজনক তালিকা, বিএনপি (টঙ্গী পূর্ব থানা ও মহানগর), সরকার জাবেদ আহমেদ সুমন -ধানের শীষের মনোনয়ন প্রত্যাশী, মোহাম্মদ মিজানুর রহমান, দপ্তর সম্পাদক, নূর মোহাম্মদ ইউসুফ, যুগ্ম সম্পাদক, স্বেচ্ছাসেবক দল, সিরাজুল ইসলাম সাথী, সাবেক সদস্য সচিব, নিরব, সাধারণ সম্পাদক, ৫৬ নং ওয়ার্ড, মামুন, সদস্য সচিব, মোঃ বেনজির রহমান খান পিন্টু, যুগ্ম আহ্বায়ক, মোফাজ্জল উদ্দিন সরকার বিজয়, মহানগর ইউনিট, রাজীব বিন শহীদ রিগান, গাজীপুর মহানগর যুবদল
আজ টঙ্গী, গাজীপুরের রাজপথে লেখা হলো মানুষের কবিতা
এই দিনটি শুধু রাজনৈতিক প্রতিরোধ ছিল না—
এটি ছিল মানুষের ভালোবাসা,
মানুষের সাহস,
মানুষের মানবতার উত্থান।
এ দিনটি প্রমাণ করেছে—
“নেতা মানে শুধু স্লোগান নয়,
বিপদের দিনে মানুষের পাশে দাঁড়ানো—
আর সেই নাম হলো সরকার জাবেদ আহমেদ সুমন।”



















