টঙ্গীতে বিএনপির ৪৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বর্ণাঢ্য আনন্দ র্যালি
- আপডেট সময় : ০৮:০৭:৫৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫
- / ২২৩৮ বার পড়া হয়েছে

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর ৪৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে গাজীপুরের টঙ্গীতে আয়োজিত হলো এক বর্ণাঢ্য আনন্দ র্যালি। রবিবার (১ সেপ্টেম্বর) সকালে টঙ্গী পশ্চিম থানা বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে আয়োজিত এই র্যালিকে ঘিরে এলাকায় উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি হয়।

র্যালিটি টঙ্গীর আউচপাড়া এলাকা থেকে শুরু হয়ে ঢাকা-ময়মনসিংহ রোড, কলেজগেট, এরশাদনগরসহ প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে চেরাগআলী এলাকায় এসে শেষ হয়। এতে বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী অংশ নেন। হাতে হাতে বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের পতাকা, ব্যানার ও ফেস্টুন ছিল। পুরো র্যালি জুড়ে “গণতন্ত্র মুক্তি চাই, শহীদ জিয়ার আদর্শ অম্লান, স্লোগানে মুখর হয়ে ওঠে পরিবেশ।
র্যালিতে আকর্ষণ হিসেবে ঘোড়ার গাড়িও যুক্ত করা হয়। নানা ধরনের স্লোগানে এলাকা মুখরিত হয়ে ওঠে। বিপুল লোক সমাগমে অনেক জায়গায় মানুষের ভিড় প্যাকেটভর্তি ও টুম্পার আকার ধারণ করে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গাজীপুর-৬ আসনের বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী ও টঙ্গী পশ্চিম থানা বিএনপির আহ্বায়ক প্রভাষক বশির উদ্দিন। তিনি বলেন—“বিএনপি গণমানুষের দল। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এ দেশের মানুষকে বহুদলীয় গণতন্ত্র উপহার দিয়েছিলেন। আজ গণতন্ত্র বিপর্যস্ত, মানুষের ভোটাধিকার হরণ করা হয়েছে। তাই বিএনপিকে শক্তিশালী করতে হবে, মানুষকে সংগঠিত করতে হবে। আগামী দিনে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।”

র্যালি-পরবর্তী আলোচনা সভা শেষে নেতাকর্মীদের তার বাসায় আপ্যায়ন করা হয়। উপস্থিত সবাইকে ঠান্ডা পানীয় পরিবেশন করা হয়। এরপর বিশেষ মোনাজাতের মাধ্যমে শহীদ জিয়া, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানসহ সকল নেতৃবৃন্দের জন্য দোয়া করা হয়।
এই সময় প্রভাষক বশির উদ্দিন আরও বলেন—“সাংবাদিকরা জাতির বিবেক। আমরা চাই আপনারা বিএনপির ভাল কাজগুলো তুলে ধরবেন, যাতে মানুষ অনুপ্রাণিত হয়। আমাদের কর্মীরা সন্ত্রাসে জড়ায় না। আমরা চাই ইতিবাচক রাজনীতি করতে। সামনে নির্বাচন, সবার উচিত মানুষের ভালো কাজ, সৎ ব্যবহার ও সঠিক আচরণের মাধ্যমে নিজেদের তুলে ধরা। শহীদ জিয়া, বেগম খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের যে গুণাবলি আছে, আমরা তা অক্ষরে অক্ষরে পালন করব।”
অনুষ্ঠানে বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীরা অংশ নেন। গান-বাজনা, মিছিলের স্লোগান, ব্যানার ও ফেস্টুনে নেতাকর্মীরা দলের প্রতি গভীর ভালোবাসার প্রকাশ ঘটান।
বক্তারা শপথ নেন— শহীদ জিয়ার স্বপ্নের গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে, জনগণের ভোটাধিকার ফিরিয়ে দিতে হবে এবং সকল ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করে আন্দোলন চালিয়ে যেতে হবে।



















