ঢাকা ১০:৪৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ২৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জিয়া সংসদের আয়োজনে ‘জিয়া এবং বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ শীর্ষক আলোচনা সভা ও সাংগঠনিক কর্মশালা অনুষ্ঠিত ৭ নভেম্বর বিপ্লব ও সংহতি দিবসে দেশবাসীসহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন মাসুদ রানা বিএনপির র‌্যলিতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আর কেউ যেন এই দেশকে তাঁবেদার রাষ্ট্রে পরিণত করতে না পারে: প্রধানমন্ত্রী ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বরের সার্বভৌমত্ব র‌্যালিতে কাজী হুমায়ূন কবিরের নেতৃত্বে যুবদলের বিশাল শোডাউন ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বরের সার্বভৌমত্ব র‌্যালিতে শেখ মোঃ সুমনের নেতৃত্বে যুবদলের বিশাল শোডাউন ৭ নভেম্বর উপলক্ষে শহীদ জিয়াউর রহমানের প্রতি বেনজির রহমান পিন্টুর শ্রদ্ধা নিবেদন নেতৃত্বের সৌন্দর্য পদমর্যাদায় নয়, কর্মীদের ভালোবাসায় ৭ নভেম্বরের র‍্যালিতে নাজমুল হোসেন মন্ডল শিক্ষা ও সমাজসেবায় নিবেদিত কামাল উদ্দিন খাইলকুর বাদশাহ মিয়া অগ্রণী উচ্চ বিদ্যালয় অ্যান্ড কলেজের এডহক কমিটির সভাপতি নির্বাচিত গ্রীষ্মের আগেই জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হবে ৪ হাজার মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ

গণভোটের রায় বাস্তবায়ন না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে: জামায়াত আমির

md younus
  • আপডেট সময় : ০৭:৩৫:৫১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬
  • / ১৯৭৯ বার পড়া হয়েছে




ছবি, সংগৃহীত
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান আজ শুক্রবার বিকেলে রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস আয়োজিত গণসমাবেশে যোগ দিয়ে বললেন, “সরকারকে গণভোটের রায় মেনে নেওয়ার আহবান জানাচ্ছি। আমরা বলি রায়টা মেনে নেন, রায় মেনে নিলে এই স্টেজে দাড়িয়ে আমরা আর বক্তব্য দেব না। কিন্তু এই রায় যদি না মানেন, মহান আল্লাহকে সাক্ষী রেখে বলছি, এই রায় বাস্তবায়ন না হওয়া পর্যন্ত আমাদের আন্দোলন চলবে। আন্দোলন চলবে সংসদে, একইসঙ্গে আন্দোলন চলবে রাজপথেও।”
‘এই মঞ্চে যারা বসে আছেন তারা প্রমাণ করেছেন জীবন দেব, তবু অন্যায়ের কাছে মাথা নত করব না। আফসোস, ২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবর যে খুনের রাজনীতি দিয়ে হাত রাঙিয়ে হাসিনার রাজনীতির উত্থান হয়েছিল, তাদের হাতে একসময় যারা সকলে মজলুম ছিলাম, রাজপথে আন্দোলন সংগ্রাম করেছি, তাদেরই একটা অংশ আজকে সরকারে যাওয়ার পরে অতীতের সবকিছু ভুলে গিয়েছে’-উল্লেখ করেন তিনি।
জামায়াত আমির বিএনপি নেতা ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের ইঙ্গিত করে বলেন, “গণভোটের প্রস্তাব তাদের একজন করেছিলেন। তাদের নেতা রংপুরে গিয়ে বলেছিলেন, দেশবাসী ভোট দিবেন দুইটা, একটা দিবেন আমাদের মার্কায় আর একটা গণভোটে হ্যাঁ বলবেন। এখন তারা গণভোটকে অবৈধ বলছেন। আমরা সংসদে জিজ্ঞাসা করেছিলাম, এটা কি নির্বাচনের পরে অবৈধ হলো, না আগেই অবৈধ ছিল? তারা বলেন, আমরা ৪টার মধ্যে সাড়ে তিনটা মানি। কোনো সময় বলেন, পুরোটাই অবৈধ। একই আদেশের দুইটা ভোট। গোস্ত হালাল, কিন্তু ঝোল হারাম। এ সুবিধাবাদী মানসিকতা।”
জামায়াত আমির আরও বলেন, ফ্যাসিবাদীরা বিভিন্ন ন্যারেটিভ, বয়ান তৈরী করে জাতিকে বিভক্ত করেছিল। আর উনারা নির্বাচনের আগে বলেছিলেন, আমরা নির্বাচনে জয়লাভ করলে সবাইকে নিয়ে সরকার গঠন করে দেশ চালাব। এখন আপনারা কি করছেন, এক দলকে পাঠাচ্ছেন পাকিস্তানে, আর একদলকে পাঠিয়ে দিচ্ছেন পেশোয়ারে। আর একদলকে পাঠাচ্ছেন অন্য কোনো দেশে। আর নিজেরা এই দেশের জমিদারি দখল নিতে যাচ্ছেন। মনে রাখবেন, জুলাইয়ের দুইটা স্লোগান ছিল শক্তিশালী। একটা ছিল, উই ওয়ান্ট জাস্টিস, আর একটা ছিল ‘দেশটা কারও বাপের নয়’।
বিরোধী দলীয় নেতা বলেন, যাদের হাতে পায়ে ধরে, ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং করে ক্ষমতায় এসেছেন তাদের পরিণতি দেখে শিক্ষা নেন। মনে রাখবেন বিজয় জনগণেরই হবে।
তিনি বলেন, জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থান ছিল এ দেশের মানুষের মুক্তির সনদ। যারা এই আন্দোলনের চেতনাকে নস্যাৎ করতে চায় এবং শহীদদের রক্তের অবমাননা করে পর্দার আড়াল থেকে ষড়যন্ত্র করছে, তাদের চিহ্নিত করা হবে।
গণভোটের রায় পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়নের দাবি জানিয়ে জামায়াত আমির বলেন, ১১ দলীয় জোট যে লক্ষ্য নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে, তা অর্জিত না হওয়া পর্যন্ত রাজপথ এবং সংসদ-উভয় জায়গাতেই তাদের সোচ্চার ভূমিকা থাকবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

গণভোটের রায় বাস্তবায়ন না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে: জামায়াত আমির

আপডেট সময় : ০৭:৩৫:৫১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬

ছবি, সংগৃহীত
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান আজ শুক্রবার বিকেলে রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস আয়োজিত গণসমাবেশে যোগ দিয়ে বললেন, “সরকারকে গণভোটের রায় মেনে নেওয়ার আহবান জানাচ্ছি। আমরা বলি রায়টা মেনে নেন, রায় মেনে নিলে এই স্টেজে দাড়িয়ে আমরা আর বক্তব্য দেব না। কিন্তু এই রায় যদি না মানেন, মহান আল্লাহকে সাক্ষী রেখে বলছি, এই রায় বাস্তবায়ন না হওয়া পর্যন্ত আমাদের আন্দোলন চলবে। আন্দোলন চলবে সংসদে, একইসঙ্গে আন্দোলন চলবে রাজপথেও।”
‘এই মঞ্চে যারা বসে আছেন তারা প্রমাণ করেছেন জীবন দেব, তবু অন্যায়ের কাছে মাথা নত করব না। আফসোস, ২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবর যে খুনের রাজনীতি দিয়ে হাত রাঙিয়ে হাসিনার রাজনীতির উত্থান হয়েছিল, তাদের হাতে একসময় যারা সকলে মজলুম ছিলাম, রাজপথে আন্দোলন সংগ্রাম করেছি, তাদেরই একটা অংশ আজকে সরকারে যাওয়ার পরে অতীতের সবকিছু ভুলে গিয়েছে’-উল্লেখ করেন তিনি।
জামায়াত আমির বিএনপি নেতা ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের ইঙ্গিত করে বলেন, “গণভোটের প্রস্তাব তাদের একজন করেছিলেন। তাদের নেতা রংপুরে গিয়ে বলেছিলেন, দেশবাসী ভোট দিবেন দুইটা, একটা দিবেন আমাদের মার্কায় আর একটা গণভোটে হ্যাঁ বলবেন। এখন তারা গণভোটকে অবৈধ বলছেন। আমরা সংসদে জিজ্ঞাসা করেছিলাম, এটা কি নির্বাচনের পরে অবৈধ হলো, না আগেই অবৈধ ছিল? তারা বলেন, আমরা ৪টার মধ্যে সাড়ে তিনটা মানি। কোনো সময় বলেন, পুরোটাই অবৈধ। একই আদেশের দুইটা ভোট। গোস্ত হালাল, কিন্তু ঝোল হারাম। এ সুবিধাবাদী মানসিকতা।”
জামায়াত আমির আরও বলেন, ফ্যাসিবাদীরা বিভিন্ন ন্যারেটিভ, বয়ান তৈরী করে জাতিকে বিভক্ত করেছিল। আর উনারা নির্বাচনের আগে বলেছিলেন, আমরা নির্বাচনে জয়লাভ করলে সবাইকে নিয়ে সরকার গঠন করে দেশ চালাব। এখন আপনারা কি করছেন, এক দলকে পাঠাচ্ছেন পাকিস্তানে, আর একদলকে পাঠিয়ে দিচ্ছেন পেশোয়ারে। আর একদলকে পাঠাচ্ছেন অন্য কোনো দেশে। আর নিজেরা এই দেশের জমিদারি দখল নিতে যাচ্ছেন। মনে রাখবেন, জুলাইয়ের দুইটা স্লোগান ছিল শক্তিশালী। একটা ছিল, উই ওয়ান্ট জাস্টিস, আর একটা ছিল ‘দেশটা কারও বাপের নয়’।
বিরোধী দলীয় নেতা বলেন, যাদের হাতে পায়ে ধরে, ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং করে ক্ষমতায় এসেছেন তাদের পরিণতি দেখে শিক্ষা নেন। মনে রাখবেন বিজয় জনগণেরই হবে।
তিনি বলেন, জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থান ছিল এ দেশের মানুষের মুক্তির সনদ। যারা এই আন্দোলনের চেতনাকে নস্যাৎ করতে চায় এবং শহীদদের রক্তের অবমাননা করে পর্দার আড়াল থেকে ষড়যন্ত্র করছে, তাদের চিহ্নিত করা হবে।
গণভোটের রায় পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়নের দাবি জানিয়ে জামায়াত আমির বলেন, ১১ দলীয় জোট যে লক্ষ্য নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে, তা অর্জিত না হওয়া পর্যন্ত রাজপথ এবং সংসদ-উভয় জায়গাতেই তাদের সোচ্চার ভূমিকা থাকবে।