ঢাকা ১০:৪৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ২৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জিয়া সংসদের আয়োজনে ‘জিয়া এবং বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ শীর্ষক আলোচনা সভা ও সাংগঠনিক কর্মশালা অনুষ্ঠিত ৭ নভেম্বর বিপ্লব ও সংহতি দিবসে দেশবাসীসহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন মাসুদ রানা বিএনপির র‌্যলিতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আর কেউ যেন এই দেশকে তাঁবেদার রাষ্ট্রে পরিণত করতে না পারে: প্রধানমন্ত্রী ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বরের সার্বভৌমত্ব র‌্যালিতে কাজী হুমায়ূন কবিরের নেতৃত্বে যুবদলের বিশাল শোডাউন ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বরের সার্বভৌমত্ব র‌্যালিতে শেখ মোঃ সুমনের নেতৃত্বে যুবদলের বিশাল শোডাউন ৭ নভেম্বর উপলক্ষে শহীদ জিয়াউর রহমানের প্রতি বেনজির রহমান পিন্টুর শ্রদ্ধা নিবেদন নেতৃত্বের সৌন্দর্য পদমর্যাদায় নয়, কর্মীদের ভালোবাসায় ৭ নভেম্বরের র‍্যালিতে নাজমুল হোসেন মন্ডল শিক্ষা ও সমাজসেবায় নিবেদিত কামাল উদ্দিন খাইলকুর বাদশাহ মিয়া অগ্রণী উচ্চ বিদ্যালয় অ্যান্ড কলেজের এডহক কমিটির সভাপতি নির্বাচিত গ্রীষ্মের আগেই জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হবে ৪ হাজার মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ

দেশে হামের প্রকোপে উদ্বেগ, ২৪ ঘণ্টায় আরও ৮ শিশুর মৃত্যু

md younus
  • আপডেট সময় : ০৯:১৩:০৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬
  • / ১৯৭৮ বার পড়া হয়েছে




দেশে হামের পরিস্থিতি আবারও উদ্বেগজনক হয়ে উঠেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় হামে আক্রান্ত হয়ে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে এবং হামের উপসর্গ নিয়ে আরও সাত শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে ১ হাজার ৪২১ জন শিশুর শরীরে হামের উপসর্গ শনাক্ত হয়েছে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কন্ট্রোলরুম থেকে রবিবার (২৬ এপ্রিল) প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়। এতে বলা হয়, হামের সংক্রমণ ও মৃত্যুর সংখ্যা সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে ধারাবাহিকভাবে বাড়ছে, যা জনস্বাস্থ্য পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে।
সরকারি তথ্য অনুযায়ী, গত ১৫ মার্চ থেকে ২৬ এপ্রিল পর্যন্ত সারাদেশে হামের উপসর্গ নিয়ে মোট ৩২ হাজার ২৮ জন রোগী শনাক্ত হয়েছে। এর মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ২১ হাজার ৪৩৪ জন এবং সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে ১৭ হাজার ৯৫৫ জন।
একই সময়ে নিশ্চিত হামে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪ হাজার ৬০৩ জনে। এই সময়ে হামে মারা গেছে মোট ৪৩ জন। অন্যদিকে হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২১৬ জনে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় সবচেয়ে বেশি মৃত্যু হয়েছে ঢাকা বিভাগে। এ সময় ঢাকায় পাঁচজন, সিলেট ও রাজশাহীতে একজন করে শিশু মারা গেছে। এতে রাজধানী ও আশপাশের এলাকায় সংক্রমণের চাপ বেশি থাকার ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, হামের মতো ছোঁয়াচে রোগে টিকাদান কর্মসূচি ও দ্রুত শনাক্তকরণই সবচেয়ে কার্যকর প্রতিরোধ ব্যবস্থা। তবে সাম্প্রতিক সময়ে টিকা গ্রহণ ও স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছানোর ক্ষেত্রে কিছু ঘাটতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে, যা সংক্রমণ বাড়াতে ভূমিকা রাখতে পারে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে টিকাদান কর্মসূচি জোরদার করা হয়েছে। পাশাপাশি অভিভাবকদের শিশুদের টিকা নিশ্চিত করার আহ্বান জানানো হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

দেশে হামের প্রকোপে উদ্বেগ, ২৪ ঘণ্টায় আরও ৮ শিশুর মৃত্যু

আপডেট সময় : ০৯:১৩:০৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬

দেশে হামের পরিস্থিতি আবারও উদ্বেগজনক হয়ে উঠেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় হামে আক্রান্ত হয়ে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে এবং হামের উপসর্গ নিয়ে আরও সাত শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে ১ হাজার ৪২১ জন শিশুর শরীরে হামের উপসর্গ শনাক্ত হয়েছে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কন্ট্রোলরুম থেকে রবিবার (২৬ এপ্রিল) প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়। এতে বলা হয়, হামের সংক্রমণ ও মৃত্যুর সংখ্যা সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে ধারাবাহিকভাবে বাড়ছে, যা জনস্বাস্থ্য পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে।
সরকারি তথ্য অনুযায়ী, গত ১৫ মার্চ থেকে ২৬ এপ্রিল পর্যন্ত সারাদেশে হামের উপসর্গ নিয়ে মোট ৩২ হাজার ২৮ জন রোগী শনাক্ত হয়েছে। এর মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ২১ হাজার ৪৩৪ জন এবং সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে ১৭ হাজার ৯৫৫ জন।
একই সময়ে নিশ্চিত হামে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪ হাজার ৬০৩ জনে। এই সময়ে হামে মারা গেছে মোট ৪৩ জন। অন্যদিকে হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২১৬ জনে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় সবচেয়ে বেশি মৃত্যু হয়েছে ঢাকা বিভাগে। এ সময় ঢাকায় পাঁচজন, সিলেট ও রাজশাহীতে একজন করে শিশু মারা গেছে। এতে রাজধানী ও আশপাশের এলাকায় সংক্রমণের চাপ বেশি থাকার ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, হামের মতো ছোঁয়াচে রোগে টিকাদান কর্মসূচি ও দ্রুত শনাক্তকরণই সবচেয়ে কার্যকর প্রতিরোধ ব্যবস্থা। তবে সাম্প্রতিক সময়ে টিকা গ্রহণ ও স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছানোর ক্ষেত্রে কিছু ঘাটতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে, যা সংক্রমণ বাড়াতে ভূমিকা রাখতে পারে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে টিকাদান কর্মসূচি জোরদার করা হয়েছে। পাশাপাশি অভিভাবকদের শিশুদের টিকা নিশ্চিত করার আহ্বান জানানো হয়েছে।