ঢাকা ০৮:১৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
শিক্ষা ও সমাজসেবায় নিবেদিত কামাল উদ্দিন খাইলকুর বাদশাহ মিয়া অগ্রণী উচ্চ বিদ্যালয় অ্যান্ড কলেজের এডহক কমিটির সভাপতি নির্বাচিত গ্রীষ্মের আগেই জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হবে ৪ হাজার মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ হাসপাতালে গিয়ে চিকিৎসক-কর্মকর্তাদের পেলেন না স্বাস্থ্যমন্ত্রী, দুই নার্সকে বদলির নির্দেশ সততাকে ভিত্তি, জনতাকে শক্তি করে জনসেবায় আব্দুল আউয়াল সরকার গার্মেন্টস শিল্পে নৈরাজ্যের প্রতিবাদে টঙ্গীতে বিএনপির আলোচনা সভা আত্মসমর্পণের শর্তে আগাম জামিন পেলেন শাহজালাল রুমী শ্রমিক আন্দোলন ঘিরে নাশকতা প্রতিরোধে মাঠে বিএনপি, শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষায় নেতৃত্বে নয়ন এমপি ও শওকত হোসেন সরকার রিফাত-জুম্মনকে হত্যাচেষ্টার অভিযোগে উত্তাল এরশাদনগর রাজপথের পরীক্ষিত কর্মী বেনজীর রহমান খান পিন্টু পদ-পদবির অহংকার নয়, মানুষের সেবাই কাজী হুমায়ূন কবিরের রাজনীতির মূল দর্শন

উত্তরায় ভবনে অগ্নিকাণ্ড, দুই পরিবারের ৬ জনের মৃত্যু

md younus
  • আপডেট সময় : ০৪:০৩:২৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬
  • / ২১৬৩ বার পড়া হয়েছে




ছবি, সংগৃহিত
রাজধানীর উত্তরায় ১১ নম্বর সেক্টরের একটি বহুতল ভবনের দ্বিতীয় তলায় লাগা আগুনের ঘটনায় দুই পরিবারের ৬ জন নিহত হয়েছে। ৬ জনের মৃত্যু হয়েছে জানিয়ে উত্তরা পশ্চিম থানার ওসি রফিক আহমেদ বলেন, নিহতরা দুই পরিবারের সদস্য।
তাদের মধ্যে কাজী ফজলে রাব্বি রিজভী (৩৮), তার স্ত্রী আফরোজা আক্তার সুবর্ণা (৩৭) এবং তাদের ছেলে কাজী ফাইয়াজ রিশান (২) এক ফ্ল্যাটে থাকতেন। অন্য পরিবারের সদস্যরা হলেন মো. হারিছ উদ্দিন (৫২), তার ছেলে মো. রাহাব (১৭) এবং হারিছের ভাতিজি রোদেলা আক্তার (১৪)। তাদের গ্রামের বাড়ি ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জে।
আজ শুক্রবার ফায়ার সার্ভিস কেন্দ্রীয় মিডিয়া সেলের কর্মকর্তা তালহা বিন জসিম বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, শুক্রবার সকাল ৭টা ৫০ মিনিটে উত্তরা ১১ নম্বর সেক্টরে ওই ছয় তলা ভবনের দ্বিতীয় তলায় আগুন লাগার খবর পান তারা। ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট সেখানে গিয়ে ৮টা ২৫ মিনিটে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। সকাল ১০টার দিকে আগুন পুরোপুরি নেভানো সম্ভব হয়। তিনি জানান, ঘটনাস্থল থেকে মোট ১৬ জনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠায় ফায়ার সার্ভিস।
রাব্বির বাড়ি কুমিল্লা সদর উপজেলার নানুয়া দিঘিরপাড়ে। তিনি এসকেএফ ফার্মাসিউটিক্যালসে চাকরি করতেন। তার স্ত্রী সুবর্ণা চাকরি করতেন স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালসে। তাদের আরেক ছেলে ফাইয়াজ উত্তরায় নানীর বাসায় থাকায় বিপদ থেকে বেঁচে গেছে বলে পরিবারের সদস্যরা জানান।
সুবর্ণাকে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের জরুরি বিভাগে নিয়ে যাওয়ার পর চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। রাব্বির মরদেহ মনসুর আলী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এবং রিশানের মরদেহ ঢাকা স্পেশালাইজড হাসপাতালে রয়েছে।
চিকিৎসকের বরাত দিয়ে পরিবারের সদস্যরা বলছেন, ওই তিনজনের কেউ দগ্ধ হননি। ধোঁয়ার কারণে অক্সিজেনের অভাবে তাদের মৃত্যু হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
উত্তরা পশ্চিম থানার ওসি বলেন, “প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, দোতলায় রান্নাঘর থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। গ্যাস সংযোগ অথবা বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হতে পারে বলে আমাদের ধারণা।”
তাদের মধ্যে হারিছ ও রাহাবের মরদেহ মনসুর আলী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এবং রোদেলার মরদেহ লুবনা জেনারেল হাসপাতাল অ্যান্ড কার্ডিয়াক সেন্টারে রয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

উত্তরায় ভবনে অগ্নিকাণ্ড, দুই পরিবারের ৬ জনের মৃত্যু

আপডেট সময় : ০৪:০৩:২৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬

ছবি, সংগৃহিত
রাজধানীর উত্তরায় ১১ নম্বর সেক্টরের একটি বহুতল ভবনের দ্বিতীয় তলায় লাগা আগুনের ঘটনায় দুই পরিবারের ৬ জন নিহত হয়েছে। ৬ জনের মৃত্যু হয়েছে জানিয়ে উত্তরা পশ্চিম থানার ওসি রফিক আহমেদ বলেন, নিহতরা দুই পরিবারের সদস্য।
তাদের মধ্যে কাজী ফজলে রাব্বি রিজভী (৩৮), তার স্ত্রী আফরোজা আক্তার সুবর্ণা (৩৭) এবং তাদের ছেলে কাজী ফাইয়াজ রিশান (২) এক ফ্ল্যাটে থাকতেন। অন্য পরিবারের সদস্যরা হলেন মো. হারিছ উদ্দিন (৫২), তার ছেলে মো. রাহাব (১৭) এবং হারিছের ভাতিজি রোদেলা আক্তার (১৪)। তাদের গ্রামের বাড়ি ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জে।
আজ শুক্রবার ফায়ার সার্ভিস কেন্দ্রীয় মিডিয়া সেলের কর্মকর্তা তালহা বিন জসিম বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, শুক্রবার সকাল ৭টা ৫০ মিনিটে উত্তরা ১১ নম্বর সেক্টরে ওই ছয় তলা ভবনের দ্বিতীয় তলায় আগুন লাগার খবর পান তারা। ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট সেখানে গিয়ে ৮টা ২৫ মিনিটে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। সকাল ১০টার দিকে আগুন পুরোপুরি নেভানো সম্ভব হয়। তিনি জানান, ঘটনাস্থল থেকে মোট ১৬ জনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠায় ফায়ার সার্ভিস।
রাব্বির বাড়ি কুমিল্লা সদর উপজেলার নানুয়া দিঘিরপাড়ে। তিনি এসকেএফ ফার্মাসিউটিক্যালসে চাকরি করতেন। তার স্ত্রী সুবর্ণা চাকরি করতেন স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালসে। তাদের আরেক ছেলে ফাইয়াজ উত্তরায় নানীর বাসায় থাকায় বিপদ থেকে বেঁচে গেছে বলে পরিবারের সদস্যরা জানান।
সুবর্ণাকে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের জরুরি বিভাগে নিয়ে যাওয়ার পর চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। রাব্বির মরদেহ মনসুর আলী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এবং রিশানের মরদেহ ঢাকা স্পেশালাইজড হাসপাতালে রয়েছে।
চিকিৎসকের বরাত দিয়ে পরিবারের সদস্যরা বলছেন, ওই তিনজনের কেউ দগ্ধ হননি। ধোঁয়ার কারণে অক্সিজেনের অভাবে তাদের মৃত্যু হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
উত্তরা পশ্চিম থানার ওসি বলেন, “প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, দোতলায় রান্নাঘর থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। গ্যাস সংযোগ অথবা বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হতে পারে বলে আমাদের ধারণা।”
তাদের মধ্যে হারিছ ও রাহাবের মরদেহ মনসুর আলী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এবং রোদেলার মরদেহ লুবনা জেনারেল হাসপাতাল অ্যান্ড কার্ডিয়াক সেন্টারে রয়েছে।